[ইসলামীয় ধর্মগ্রন্থ, প্রিয় নবী ইত্যাদি সম্বন্ধীয় একটি বিস্তারিত আলোচনা এখানে পোস্ট করা হোলো না। কিন্তু manuscript-এ থাকবে, বনগ্রাম আশ্রম যদি মনে করে _তখন ছাপা হবে।পরের অংশটা দেওয়া হোলো।]
***************************
জিজ্ঞাসু:– প্রিয় নবী সম্বন্ধে আপনি কিছু বলুন ?
গুরু মহারাজ:—হযরত মুহাম্মদকে আমি “আরব জাতির উদ্ধারকর্তা বা ত্রাণকর্তা”_ হিসাবে চরমভাবে মান্যতা দিই ! মরুভূমির চরম নিষ্ঠুর, অমানবিক, অভিশাপগ্রস্ত এবং বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত বেদুইন জনজাতিদের(হজরতের জন্মের প্রায় এক হাজার বছর আগে থাকতে, ঐ সমস্ত অঞ্চলের মানুষদের এতোটাই খারাপ অবস্থা ছিল যে, সেই সময়টাকে ইসলামীয় ধর্মগ্রন্থে “আইলামে জাহেলিয়াত” বা অন্ধকারময় যুগ বলে বর্ণনা করা হয়েছে।)-কে সঙ্ঘবদ্ধ করে এক ছত্রছায়ায় এনেছিলেন এই মহামানব ! তাদেরকে সভ্যসমাজের সাথে পরিচয় ঘটিয়েছিলেন, যাযাবর জীবন ছেড়ে স্থায়ী সমাজজীবনে বসবাসে অভ্যস্থ হোতে সাহায্য করেছিলেন। এই ঘটনা ঘটেছিল প্রায় দেড় হাজার বছর আগে। সেইজন্যই তো বলা হয় তিনি _”আরব জাতির ত্রাণকর্তা”!!
আর আধুনিককালের ইতিহাসে, প্রায় এই একই ধরণের কাজ করেছে জার্মানির অ্যাডলফ্ হিটলার ! হিটলারের যতোই খারাপ গুণ দেখাও না তোমরা __একটা উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে গিয়েছিল ওকে কেন্দ্র করে ! ওর কাছ থেকেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সাহায্য ও অনুপ্রেরণা পেয়ে তৎকালীন পরাধীন প্রায় একশো আটটি দেশ ইংরেজদের কবল থেকে নিজেদেরকে মুক্ত করতে অর্থাৎ তারা স্বাধীন হোতে পেরেছিল !
হযরত মুহাম্মদ আরব দেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন_তাই দেশটিকে বলা হয় “সৌদিয়া আরাবিয়া”_ অর্থাৎ ‘সৌভাগ্যের দেশ’ ! কিন্তু হজরতের মহাপ্রয়াণের অনেক পরে আরবসাগরের তলায় যে সুবিশাল তৈলভান্ডার পাওয়া যায়__ তাতেই আরবের দেশগুলির সৌভাগ্য খুলে গিয়েছিল ! এই দেশগুলি শিক্ষায়-দীক্ষায়, জ্ঞান-বিজ্ঞানে উন্নত না হয়েও__ এখন বর্তমান বিশ্বের ধনী এবং শক্তিশালী দেশগুলির অর্থনীতিকে অনেকখানি control করছে!
কিন্তু দ্যাখো__ আরব সাগরের তলদেশে প্রাপ্ত পেট্রোলিয়াম, যার জন্য পেট্রো-ডলারের এতো গৌরব__ তাতো প্রকৃতির দান ! কিন্তু আরবের দেশগুলি এই প্রাকৃতিক সম্পদে এতোটা বিশাল ধনী হওয়া সত্ত্বেও, শুধুমাত্র একটা চূড়ান্ত জীবন-দর্শন ও প্রকৃত আধ্যাত্মিক আদর্শ না থাকার জন্য__ অর্থ দিয়ে এরা কি অনর্থই না ঘটাচ্ছে !
আমেরিকা(ইউ.এস.এ)-রও এই একই অবস্থা ! আরব দেশগুলি এবং আমেরিকা(ইউ.এস.এ) উভয়েরই প্রচুর অর্থ(পেট্রোডলার এবং ডলার) আছে, কিন্তু এদের সমাজজীবনে কোনো চূড়ান্ত জীবন-দর্শন এবং উন্নত আদর্শ না থাকায়_ গোটা পৃথিবীতে এরা নানান সমস্যা সৃষ্টি করে যাচ্ছে ! গোটা পৃথিবী জুড়ে বর্তমানে যে অশান্তির বাতাবরণ__ তার জন্য কোনো না কোনোভাবে এই দুটো শক্তিই দায়ী ! এখন আবার এদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে চিনের মতো কমিউনিস্ট দেশগুলো ! কমিউনিষ্টদেরও কোনো উন্নত আদর্শ নাই__ তাই তারাও সবসময় গোটা বিশ্বজুড়ে জোর-জবরদস্তি, হিংসা-মারামারি ইত্যাদির সৃষ্টি করে চলেছে।
প্রকৃতপক্ষে যাদের হাতে অর্থ এবং সামর্থ্য থাকার কথা, তারা বর্তমানে দরিদ্র অবস্থায় রয়েছে ! আর যাদের অর্থ এবং ক্ষমতার ঠিকমতো utilise করার পদ্ধতিই জানা নাই__ তারা এখন এই দুটোর অধিকার লাভ করেছে ! এককথায় বলতে গেলে__পৃথিবীগ্রহের এখন এটাই অবস্থা ! এই যে বর্তমানে যাদেরকে super-power বলা হোচ্ছে, তাদের বিপুল অর্থ বা শক্তি দিয়ে__ সমগ্র পৃথিবীর সকল শ্রেণীর মানুষের উন্নতির চেষ্টা তো কখনোই করা হয়নি বরং এই অর্থ এবং শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কি করে অনুন্নত রাষ্ট্রগুলিকে আরো দাবিয়ে রাখা যায়, আরো শোষণ-নিস্পেষণ করা যায়__ তারই চেষ্টা হয়েছে ! এর ফলে ব্যাপারটা কেমন হয়েছে জানো তো__ একটা মানুষের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হঠাৎ হঠাৎ করে স্ফীত হয়ে, মাংস গজিয়ে উঠে যেন কয়েকটা tumor form করেছে ! কিন্তু এমনটা হোলে ঐ শরীরের উপকার তো কিছুই হয় না বরং শরীরের ক্ষতিসাধনই হয় এবং তা দেখতেও odd লাগে ।
এটা জেনে রাখবে যে, এই পৃথিবীগ্রহের মাথা হোলো ‘ভারতবর্ষ’ ! ব্রাহ্মণ-প্রধান(মস্তিষ্ক প্রধান) দেশ এটি ! তাই ভারতবর্ষের হাত ধরে world economy যখন controled হবে, সেইদিনই জানবে পৃথিবীতে সুদিন আসবে ! তা যতদিন না হোচ্ছে ততদিন পৃথিবীতে এইরকমই গড়বড় চলবে !
চূড়ান্ত জীবন-দর্শনহীন এইসব দেশগুলির বিপুল অর্থভান্ডার থাকায়__এরা শুধুমাত্র যথেষ্ট ভোগ-বিলাসের উপকরণ তৈরি, আর যুদ্ধাস্ত্র তৈরি করে__ নিজেদের কর্তৃত্ব কায়েম রাখার চেষ্টা করে চলেছে। আর সেইসাথে অপর দেশগুলিকে ক্ষয়িষ্ণু করার বা একেবারে ধ্বংস করার পরিকল্পনা চালাচ্ছে ! তবে এটা জেনে রাখবে যে, এমনটাই এখন চলবে। ….. (ক্রমশঃ)
***************************
জিজ্ঞাসু:– প্রিয় নবী সম্বন্ধে আপনি কিছু বলুন ?
গুরু মহারাজ:—হযরত মুহাম্মদকে আমি “আরব জাতির উদ্ধারকর্তা বা ত্রাণকর্তা”_ হিসাবে চরমভাবে মান্যতা দিই ! মরুভূমির চরম নিষ্ঠুর, অমানবিক, অভিশাপগ্রস্ত এবং বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত বেদুইন জনজাতিদের(হজরতের জন্মের প্রায় এক হাজার বছর আগে থাকতে, ঐ সমস্ত অঞ্চলের মানুষদের এতোটাই খারাপ অবস্থা ছিল যে, সেই সময়টাকে ইসলামীয় ধর্মগ্রন্থে “আইলামে জাহেলিয়াত” বা অন্ধকারময় যুগ বলে বর্ণনা করা হয়েছে।)-কে সঙ্ঘবদ্ধ করে এক ছত্রছায়ায় এনেছিলেন এই মহামানব ! তাদেরকে সভ্যসমাজের সাথে পরিচয় ঘটিয়েছিলেন, যাযাবর জীবন ছেড়ে স্থায়ী সমাজজীবনে বসবাসে অভ্যস্থ হোতে সাহায্য করেছিলেন। এই ঘটনা ঘটেছিল প্রায় দেড় হাজার বছর আগে। সেইজন্যই তো বলা হয় তিনি _”আরব জাতির ত্রাণকর্তা”!!
আর আধুনিককালের ইতিহাসে, প্রায় এই একই ধরণের কাজ করেছে জার্মানির অ্যাডলফ্ হিটলার ! হিটলারের যতোই খারাপ গুণ দেখাও না তোমরা __একটা উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে গিয়েছিল ওকে কেন্দ্র করে ! ওর কাছ থেকেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সাহায্য ও অনুপ্রেরণা পেয়ে তৎকালীন পরাধীন প্রায় একশো আটটি দেশ ইংরেজদের কবল থেকে নিজেদেরকে মুক্ত করতে অর্থাৎ তারা স্বাধীন হোতে পেরেছিল !
হযরত মুহাম্মদ আরব দেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন_তাই দেশটিকে বলা হয় “সৌদিয়া আরাবিয়া”_ অর্থাৎ ‘সৌভাগ্যের দেশ’ ! কিন্তু হজরতের মহাপ্রয়াণের অনেক পরে আরবসাগরের তলায় যে সুবিশাল তৈলভান্ডার পাওয়া যায়__ তাতেই আরবের দেশগুলির সৌভাগ্য খুলে গিয়েছিল ! এই দেশগুলি শিক্ষায়-দীক্ষায়, জ্ঞান-বিজ্ঞানে উন্নত না হয়েও__ এখন বর্তমান বিশ্বের ধনী এবং শক্তিশালী দেশগুলির অর্থনীতিকে অনেকখানি control করছে!
কিন্তু দ্যাখো__ আরব সাগরের তলদেশে প্রাপ্ত পেট্রোলিয়াম, যার জন্য পেট্রো-ডলারের এতো গৌরব__ তাতো প্রকৃতির দান ! কিন্তু আরবের দেশগুলি এই প্রাকৃতিক সম্পদে এতোটা বিশাল ধনী হওয়া সত্ত্বেও, শুধুমাত্র একটা চূড়ান্ত জীবন-দর্শন ও প্রকৃত আধ্যাত্মিক আদর্শ না থাকার জন্য__ অর্থ দিয়ে এরা কি অনর্থই না ঘটাচ্ছে !
আমেরিকা(ইউ.এস.এ)-রও এই একই অবস্থা ! আরব দেশগুলি এবং আমেরিকা(ইউ.এস.এ) উভয়েরই প্রচুর অর্থ(পেট্রোডলার এবং ডলার) আছে, কিন্তু এদের সমাজজীবনে কোনো চূড়ান্ত জীবন-দর্শন এবং উন্নত আদর্শ না থাকায়_ গোটা পৃথিবীতে এরা নানান সমস্যা সৃষ্টি করে যাচ্ছে ! গোটা পৃথিবী জুড়ে বর্তমানে যে অশান্তির বাতাবরণ__ তার জন্য কোনো না কোনোভাবে এই দুটো শক্তিই দায়ী ! এখন আবার এদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে চিনের মতো কমিউনিস্ট দেশগুলো ! কমিউনিষ্টদেরও কোনো উন্নত আদর্শ নাই__ তাই তারাও সবসময় গোটা বিশ্বজুড়ে জোর-জবরদস্তি, হিংসা-মারামারি ইত্যাদির সৃষ্টি করে চলেছে।
প্রকৃতপক্ষে যাদের হাতে অর্থ এবং সামর্থ্য থাকার কথা, তারা বর্তমানে দরিদ্র অবস্থায় রয়েছে ! আর যাদের অর্থ এবং ক্ষমতার ঠিকমতো utilise করার পদ্ধতিই জানা নাই__ তারা এখন এই দুটোর অধিকার লাভ করেছে ! এককথায় বলতে গেলে__পৃথিবীগ্রহের এখন এটাই অবস্থা ! এই যে বর্তমানে যাদেরকে super-power বলা হোচ্ছে, তাদের বিপুল অর্থ বা শক্তি দিয়ে__ সমগ্র পৃথিবীর সকল শ্রেণীর মানুষের উন্নতির চেষ্টা তো কখনোই করা হয়নি বরং এই অর্থ এবং শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কি করে অনুন্নত রাষ্ট্রগুলিকে আরো দাবিয়ে রাখা যায়, আরো শোষণ-নিস্পেষণ করা যায়__ তারই চেষ্টা হয়েছে ! এর ফলে ব্যাপারটা কেমন হয়েছে জানো তো__ একটা মানুষের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হঠাৎ হঠাৎ করে স্ফীত হয়ে, মাংস গজিয়ে উঠে যেন কয়েকটা tumor form করেছে ! কিন্তু এমনটা হোলে ঐ শরীরের উপকার তো কিছুই হয় না বরং শরীরের ক্ষতিসাধনই হয় এবং তা দেখতেও odd লাগে ।
এটা জেনে রাখবে যে, এই পৃথিবীগ্রহের মাথা হোলো ‘ভারতবর্ষ’ ! ব্রাহ্মণ-প্রধান(মস্তিষ্ক প্রধান) দেশ এটি ! তাই ভারতবর্ষের হাত ধরে world economy যখন controled হবে, সেইদিনই জানবে পৃথিবীতে সুদিন আসবে ! তা যতদিন না হোচ্ছে ততদিন পৃথিবীতে এইরকমই গড়বড় চলবে !
চূড়ান্ত জীবন-দর্শনহীন এইসব দেশগুলির বিপুল অর্থভান্ডার থাকায়__এরা শুধুমাত্র যথেষ্ট ভোগ-বিলাসের উপকরণ তৈরি, আর যুদ্ধাস্ত্র তৈরি করে__ নিজেদের কর্তৃত্ব কায়েম রাখার চেষ্টা করে চলেছে। আর সেইসাথে অপর দেশগুলিকে ক্ষয়িষ্ণু করার বা একেবারে ধ্বংস করার পরিকল্পনা চালাচ্ছে ! তবে এটা জেনে রাখবে যে, এমনটাই এখন চলবে। ….. (ক্রমশঃ)
