জিজ্ঞাসু:—মহারাজ ! আপনি যখন সনাতন হিন্দু ধর্ম সম্বন্ধে কথা বলেন তখন মনে হয় বেদ-বেদান্ত সহ সমস্ত হিন্দু ধর্মগ্রন্থ যেন আপনার মুখস্থ আবার একটু আগে আপনি ইসলাম নিয়ে যখন বলছিলেন তখন মনে হচ্ছিল এগুলো আপনার সব জানা !!

গুরু মহারাজ:—-দেখো এখানে একটা ব্যাপার রয়েছে সেন্টার আর সার্ভিস সারফেস ঘুরে বেড়ালে যে যেখানে রয়েছে সে শুধু সেখানকার দৃশ্য দেখে এবং সেগুলোই জানার চেষ্টা করে কিন্তু যে সেন্টারে রয়েছে তার সমগ্র স্পিয়ারের খবর জানা তাই নয় কি আর তুমি যে সনাতন বা হিন্দু অথবা মুসলমান ইত্যাদির কথা বলছো আমি এইভাবে এই পৃথিবী গ্রহের মানুষদেরকে দেখিনা আমি মানুষকে মানুষ হিসাবেই দেখি এটাই তো সঠিক দেখা নাকি এই পৃথিবী গ্রহের সবচাইতে উন্নত জীব মানুষ সুতরাং মানুষকে তো মানুষ হিসেবেই দেখা উচিত মানুষ ছাড়া পৃথিবীর অন্যান্য জীব মানুষকে কি হিসাবে থাকে তারা কি মানুষের জাত ধর্ম সম্প্রদায় দিয়ে মানুষের বিচার করে এইভাবে মনুষ্যেতর প্রাণী দের মতই মনুষ্যত্ব চেতনায় যারা আছেন তারাও মানুষকে মানুষ হিসাবে দেখেন মানুষ আগে মানুষ এই পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে একজন মানুষ জন্ম গ্রহণ করুক না কেন সে মানুষ হিসাবেই জন্মগ্রহণ করে তারপর সে বড় হবার সঙ্গে সঙ্গে তার মধ্যেই জাতপাত ধর্ম সম্প্রদায়ের সেন্টিমেন্ট আসে এগুলো সে যে পরিবেশে বড় হয় সেই পরিবেশের লোকেরা বা তার পরিবারের লোকেরা আত্মীয় স্বজনরা তার মধ্যে ঢুকিয়ে দেয় ছোট থেকেই এগুলো যেন মানুষের উপর আরোপিত আচরণ বিশেষ আবরণ বিশেষ সেই হিসাবে দেখে দেখতে গেলে তোমরা আমাকে উলঙ্গ বলতে পারো আমি উলঙ্গ হয়ে আনন্দে আছি আমার কোন জাত পাতের আবরণ নাই তাই আমি সদানন্দ সর্বদাই আনন্দে থাকি কোনো শিশুর যতদিন নিজস্বভাবে লজ্জাবোধ তৈরি হয় না ততদিন তার যে অকারণ আনন্দ উলঙ্গ হলেও আনন্দ কাপড় পরেও আনন্দ আমার অনেকটা সে রকম ভাব কিন্তু সেই শিশুটি যখন বড় হয়ে যায় তখন তার আর তেমনটা থাকেনা নানা রকমের আবরণ এসে তার অকারণ আনন্দকে অনেকটা আবৃত করে যায় ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের কে দেখবে কোন বাজনা বাজে নাচতে থাকে রংচঙা যা হোক কিছু দেখলেই তাদের চোখ চকচক করে ওঠে মুখে মৃদু হাসির রেখা ফুটে ওঠে কিন্তু যখন ওই শিশুরাই একটু বড় হয়ে যায় তখন লজ্জা বোধ তৈরি হয় তখন তারা আর ওই রকমটা করতে পারে না আমার যেহেতু কোনরকম সেন্টিমেন্ট কাজ করেনা তাই আমি সদা সর্বদা উলঙ্গ আমার মনে কোন লজ্জা বোধ কাজ করে না এটা শুধু অর্থের উলঙ্গ হওয়া নয় তবে ভারতবর্ষে বহু মহাজ্ঞানী
মহাপুরুষ মহাপুরুষ বাস্তবিক স্থূলভাবে উলঙ্গ হয়ে থাকেন তৈলঙ্গ স্বামী রামদেব আমার গুরুদেব রামানন্দ অবধূত তোতাপুরি এমনি অনেকের নাম তোমরা জানো যারা উলঙ্গ হয়ে থাকতেন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের কাপড়-চোপড় ঠিক থাকত না ভালো অবস্থায় কতবার যে তার পরনের কাপড় খুলে গিয়েছে তা ঠিক নয় এদেরই নিত্যানন্দ অবস্থা রে আনন্দ আবার নিজেই আনন্দ বিষয়সমূহে তাদের মন কখনোই বিবেচিত হয় না তাইতো স্ত্রীকে মাতৃজ্ঞানে পূজা করলেন ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণ রাম কে বলেছিলেন যদি জানতাম এইসব পার্থিব ও বিষয়ে ঈশ্বরকে পাওয়া যায় তাহলে তোদের কামারপুকুর আমি সোনা দিয়ে বাঁধিয়ে দিতুম

সাধারণ মানুষ এইসব জাতপাত ধর্ম সম্প্রদায়ের উর্ধে উঠতে পারেনা তাই দুঃখ ভোগ করে দুশ্চিন্তায় উদ্বেগে সারা জীবনটা কাটায়।কি যন্ত্রণা বলতো আমি হিন্দু আমি মুসলমান আমি খ্রিস্টান আমিও মেয়ে আমিতো মুক্তাদী চিন্তা মানুষ পিষ্ট হচ্ছে এছাড়াও দেখো মতুয়া বুদ্ধি সে কেন আমার মতে এলোনা অথবা অপরের মত কেন আমার সুখ-স্বাচ্ছন্দ হলো না এই নিয়ে দুশ্চিন্তার অন্ত আছে ?

“আল্লা, হরি, রাম, কালী,গড এক থালাতে খায় থানা”__একথা বাউল নাই বলতে পারি এইটাই যুগধর্ম তাই ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন তার পরবর্তী লীলা হবে বাউল দিপু একমাত্র বাউলি পারে সকলকে সমান ভাবে গ্রহন করতে বাউল শিল্পী বাউল গান বাউল মানে যিনি ব্রম্ভ জ্ঞানী মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য কে মহাবাহু বলা হয়েছে এই পরম্পরা পরম্পরা সকলকে সমান ভাবে গ্রহন করার সহজতা রয়েছে তাই এরা সহজিয়া এদের সাধনা সাধনা মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হওয়া যায় এই বার্তা দেয়া হয় এই পরম্পরা থেকে বাউল শিল্পীদের মধ্যে প্রকৃত বাউল পাওয়া কঠিন কথা ঠিক কিন্তু মহাজন’ রচিত বাউল গানের পদ রয়েছে সেই গানের পদ গুলির মধ্যে যুগধর্ম চিন্তা রয়েছে সহজ ভাবনা রয়েছে সেগুলি কে ধরে এগিয়ে চলল আজকের মানুষের উন্নতি ঘটবে।

আমি ছোট থেকে যখন বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতাম তখন প্রচুর তথাকথিত বাউলের আখড়ায় সময় কাটিয়েছি ওদের জীবনে হয়তো তেমন কঠোর সাধনায় কিন্তু তবু জীবন যাত্রার মধ্যে সহজতা রয়েছে ওরা অল্পতেই সন্তুষ্ট বর্তমানে শহুরে শিক্ষিত এবং ইউরোপ আমেরিকা থেকে আগত বিদেশীরা বাউলদের কাছে যাচ্ছে তাদেরকে শিক্ষিত সমাজের মধ্যে নিয়ে আসছে তাদেরকে দুটো রোজগার করে দেবার ব্যবস্থা করছে এটা ভালই হচ্ছে আবার অন্যদিকে বাউল শিল্পীদের ঘরের ছেলেমেয়েরা শিক্ষিত হচ্ছে অথবা শিক্ষিত ছেলে মেয়েরা বাউল গান মাটির গান শিখছে এইভাবে বাউল গানের প্রচার প্রচারের মাধ্যমে জনগণের চিন্তা ভাবনা বৃহত্তর সমাজে প্রবেশ করে যাচ্ছি পরে দেখবে সমাজ এর সুফল পাবে।

জিজ্ঞাসু:—তাহলে গুরুজী ! এই জগৎসংসারকে আমরা কিরূপে দেখবো বা একে আমরা কিভাবে ভাববো ?

গুরু মহারাজ:—এই জিজ্ঞাসার উত্তর এ বৈষ্ণব মহাজন’ বলেছেন জগৎ জীবন ঈশ্বর বা চৈতন্য এই নিয়ে এই জগত্সংসার ছাত্ররা বলেছেন প্রকৃতির শক্তি এবং সেই তিনি নিয়েই এই জগত্সংসার বিজ্ঞানসম্মতভাবে এটাকেই বলা হয়েছে ফিজিক ডায়নামিক বা প্রকৃতি এবং স্থিতি এভাবে বিভিন্ন মতবাদ ভিন্ন ভিন্নভাবে এই জগত সংসারে ব্যাখ্যা করেছেন তবে আমার গুরুদেব রামানন্দ অবধূত আমাকে বলেছিলেন এই জগৎ যেন একটি নাগরদোলা নাগরদোলা দেখেছো তো যারা নাগরদোলা সে থাকে তারা ভাবে তারা উঠছে নামছে অথবা সরে সরে যাচ্ছে কিন্তু যখন নগরদোলার ঘূর্ণন থেমে যায় তখন দেখা যায় ওই ব্যক্তিরা যেখানে ছিল সেখানেই আছে কেউ কোথাও যায়নি কেউ ওঠেওনি, কেউ নামেওনি !

এইবার এই নগরদোলার কেন্দ্রের দিকে যদি কারো সদাসর্বদা নজর থাকে কেবল সেই বুঝতে পারবে যে সে কখনোই বাইরে কোথাও যায়নি কেন্দ্র থেকে সর্বদা সমান দূরত্বে রয়েছে ঘূর্ণনের রহস্যটা একমাত্র সেই বুঝতে পারবে এই জগত বা প্রকৃতি ও গতিশীল কিন্তু এই জগতে থেকে পৃথিবীপৃষ্ঠে বসবাস করে কি কেউ পৃথিবীর ঘূর্ণন অথবা পৃথিবীর গতি সঠিকভাবে জানতে পারবে কখনোই পারবে না অংক কষে সূত্র তৈরি করে হয়তো পরিসংখ্যান দেওয়া যাবে কিন্তু সত্য জানা যাবে না এ যেন সাগরের পাড়ে বসে সাগর মাপতে গিয়ে সমুদ্রের ঢেউ গোনা কতকাল ধরে সেই ঢেউ উত্থিত হচ্ছে কিছুকাল থাকছে তারপর আবার সমুদ্রে মিশে যাচ্ছে এজন্য জগৎসংসারের ফুল জগত সংসার সম্বন্ধে বলা হয়েছে It is beginningless but not parmanant।

যাই হোক যা বলা হচ্ছিল এই যে জগৎ গতিময় এই গতি দিয়েই নিউটন আইনস্টাইন জগতকে ব্যাখ্যা করুন জগতকে গণিত দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছে ঠিকই কিন্তু জীবনকে ওই সূত্র দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে না কারণ সন্দেহ যত পদার্থ দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে আর এই সন্দেহের মধ্যেই মন বুদ্ধি চিত্র অহংকার ইত্যাদি আলাদা আলাদা ডাইমেনশনে ক্রিয়াশীল সন্দেহ অন্য পদার্থের মত three-dimensional কিন্তু সময় টেনশনে রয়েছে মন রয়েছে গার্মেন্টসের বুদ্ধি এবং তথ্য রয়েছে শেষের তিনটি চিত্তে অবস্থান করছে।

Time-space-matter এই তিনটি কে দিয়ে আইনস্টাইন থিওরি অফ রিলেটিভিটি তত্ত্বের ব্যাখ্যা করেছে আচার্য শঙ্কর এর বহু আগে স্থান-কাল-পাত্র দিয়ে জগতের ব্যাখ্যা করে গিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা নতুন কিছুই করে নাই
সূত্রগুলি ভারতীয় শাস্ত্রে ছিলই আধুনিক বিজ্ঞানীরা শুধু সেই গুলো থেকে জ্ঞান আহরণ করে আধুনিক ব্যাখ্যা করেছে এইমাত্র সবাই সেই আনন্দের সন্ধানী ছুটছে বিজ্ঞানীরা জ্ঞান সাধনায় এবং আবিষ্কারের আনন্দ পায় প্রতিটি মানুষ কি খুঁজে পাও তো আনন্দ হচ্ছে কিন্তু মুশকিল হল প্রায় সকলেই ক্ষণস্থায়ী আনন্দ নিয়েই মুক্ত হয়ে রয়েছে একেই বলা হোচ্ছে_ horrizental movement ! এইভাবে horrizentally ঘুরতে থাকলে কখনোই উত্তরণ ঘটবে না কেবলই ফিরে ফিরে আসতে হবে উত্তরণ ঘটাতে গেলে বা উপরে উঠতে গেলে প্রথমেই কেন্দ্রে ফিরে আসতে হবে কেন্দ্রে আসার পর উত্তরণের বা vertical movement-এর শুরু ! আর এর শেষ হবে মানুষের পূর্ণতা প্রাপ্তিতে ! “Life through journey to attain perfection” !

জীবনে পূর্ণতা এলে সেই জীবন মহিমান্বিত হয় তিনি সাক্ষাৎ জ্যোতি স্বরূপ ঈশ্বরের প্রকাশ হবে রূপে বিবেচিত হন সূর্য উঠলে যেমন মশাল জ্বেলে দেখার প্রয়োজন হয়না যেমন সূর্য স্বমহিমায় উদ্ভাসিত ওই ব্যক্তি ও সবসময় স্বমহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে থাকেন আলাদা করে তার কোনো পরিচয় দিতে হয়না তিনি যখন যেখানে থাকেন তাকে দেখেই তার সান্নিধ্য লাভ করি মানুষ ধন্য হয় এবং তার মহিমার প্রকাশের স্পর্শ পায়।

এজন্য বলছিলাম মানবজীবনে অভিমান অহংকার মেয়ে মানুষের স্বরূপ কে ঢেকে রাখি আবরণ সৃষ্টি করে রাখে বিবেকের জাগরনে জ্ঞানের উদয় হয় আর সেই গানের জ্যোতিতে অজ্ঞানের মেঘ অপসারিত হয় আর তখন স্বরূপের বোধহয় বদ বলছি কিন্তু বোধ সম্বন্ধে তোমাদের ধারণা রয়েছে কি এই বোধটা আসলে কি ? এটা নতুন কিছুই নয় _সে বোধ করে যে, সে পূর্বে যা ছিল তাই রয়েছে এতদিন যা কিছু ঘটে গেছে জন্ম-জন্মান্তরের বিভিন্ন ঘটনা বা অভিজ্ঞতা সেইগুলি শুধু তার কাছে তখন শপ্নবদ মনে হয় আর রিয়েলিটি 62 তার কাছে আলোক জ্যোতির্ময় সদাসর্বদা উদ্ভাসিত হয়ে থাকে আমি কি ব্যাপারটা তোমাদের বোঝাতে পারলাম এই যে বললাম পূর্ব পূর্ব জন্মের সমস্ত ঘটনা সংস্কার সব স্বপ্নবৎ হয়ে যায় এই স্বপ্নবৎ বলতে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কথাটা মনে পড়ে গেল উনি বলেছিলেন একজন বাঘের সামনে পড়ে গেছে এমন স্বপ্ন দেখছিল ভয়ে ভয়ে বিছানায় ঘেমে-নেয়ে পায়খানা করে ফেলার জোগাড় এমন সময় তার ঘুম ভেঙে গেল জেগে গিয়ে সে দেখল সে বিছানাতে নিরাপদে রয়েছে কোথাও কোন ভয় নাই এখানেও সেইরূপ খানিকটা হয় নির্বিকল্প পৌঁছে দেখা যায় কোথাও কিছুই নাই শুধু যা ছিল তাই আছে এটাই রিয়ালিটি রং বোধ !

এই স্থিতিতে সকলকেই পৌঁছাতে হবে যেহেতু ব্রম্ভ সব হয়েছে তাই যেখান থেকে যাত্রা শুরু সেখানেই ফিরে যেতে হবে যেতেই হবে আর এই যাত্রাপথে অর্থাৎ সাধনায় যত দ্রুত পৌঁছানো যায় ততই জীবের পক্ষে মঙ্গল কেননা যত দেরি করা হবে ততই ত্রিতাপ যারা বারবার জ্বলতে হবে তাই নাকি বলতো কোন মানুষটা এই পৃথিবীতে শুখি কোন মানুষটা প্রত্যেকে শান্তিতে রয়েছে প্রত্যেকের মধ্যে জ্বালা রয়েছে তবে হয়তো জ্বালার প্রকৃতি ভিন্ন ভিন্ন এই জাতপাত সুতরাং জ্বালা মুক্ত হতে হলে প্রত্যেকটি মানবকে প্রচেষ্টা করতে হবে এখানে কিন্তু কোন পিছনের দরজা নাই কেউ তোমাকে হাত ধরে নিয়ে গিয়ে পৌঁছে দেবে না তোমাকে যেতে হবে শুধুমাত্র ঈশ্বরের কৃপা তোমার চলার পথে সহায়ক হতে পারে এই কৃপা নেমে আসে সাধকের জীবনে সদ্গুরুর যখন মানবজীবনে ত্রিতাপ জ্বালা থেকে মুক্তির জন্য প্রচেষ্টা প্রার্থনা জাগ্রত হয় তখনই সদ্গুরু তার সহায় হোন তিনি সাধককে মুক্তির পথ প্রদর্শন করেন অলিগলি রাস্তায় জাঁকজমকে যাতে সাধক নামেতে যায় তার সর্তকতা দেন সবসময় রাজ দর্শনের জন্য রাজ পথের সন্ধান দিয়েছেন তবে সেই পথ কিন্তু তোমাকেই অতিক্রম করতে হবে ওই রাস্তায় তুমি একা !