জিজ্ঞাসু : ~ আপনিও তো মানুষকে ভালো ভালো উপদেশ-মূলক কথাই বলেন ?
গুরু মহারাজ : ~ আমি জীবনের কথা বলি । আমি যা বিশ্বাস করি , যা পালন করেছি জীবনে এবং পালন করে যা ফল পেয়েছি সেই কথাগুলোই বলি । আমার জীবনবোধ তোমাদের সাথে এবং সবার সাথে শেয়ার করি । আমার জীবনে যে সমস্ত মহাণ মানুষের সংস্পর্শ ঘটেছে_ তাদের প্রত্যেকের কাছেই আমার কিছু না কিছু নেওয়ার ছিল – তা আমি নিয়েছি । তারপর সেগুলিকে আমি synthesis করেছি_ তোমাদের সকলের যাতে তা গ্রহণযোগ্য হয়, তোমাদের কল্যান হয়__আমি সেগুলিই তোমাদের বলি । তাই বললাম আমি জীবনের কথা বলি , আমি মানুষের কথা বলি ৷ রাম , কৃষ্ণ প্রমুখেরা ভগবান ছিলেন কি না , তাঁরা আদৌ কখনও শরীর ধারণ করেছিলেন কিনা – এই নিয়ে বিতর্কের শেষ নাই । অন্যান্য দেশের জনগণ তো করতেই পারে – তোমার দেশের এক বিরাট অংশ এই নিয়ে বিতর্ক করে ৷ বিশেষত: শিক্ষিতরাই বেশি করে ! আর উচ্চ শিক্ষিত বাঙালি হলে তো কথাই নাই । তারা বিদেশী দর্শনে বিশ্বাস করে _ ভারতবর্ষের কোনো কিছুতে নয় ।
যাইহোক , রাম বা কৃষ্ণ যদি কখনো শরীর ধারণ করেও থাকেন – এখন তো তারা মৃত , তবুও তাঁদের কথা, তাঁদের গুনগান বা সেই সংক্রান্ত প্রবচনকে এখনকার মানুষ বলে “ওখানে ধম্মোকথা হচ্ছে” , দেখবে এখন টিভিতে-ও এইগুলি দেখাচ্ছে । একজন উঁচু মঞ্চে বসে প্রবচন করছে __আর সামনে কয়েক’শ মানুষ বসে বসে তা শুনছে । এদের অধিকাংশই বয়োবৃদ্ধ , সেখানে young generation বড় একটা দেখতে পাবে না ৷
তাই আমিও যদি আজ শুধু রাম আর কৃষ্ণ বিষয়ক কথা বলি, তাহলে ঐ দশাই হবে ! কিন্তু এই যুগ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অনেক উন্নত – এখনকার যুবক-যুবতীরা লেখাপড়া করে অনেক কিছুই শিখেছে ৷ তাই ভুজুং-ভাজুং দিয়ে নব্য শিক্ষিত যুব সম্প্রদায়কে বোঝানো যাবে না ৷ সুতরাং যুগ অনুযায়ী কথা বলতে হবে , তবেই এ যুগের আধুনিকরা নেবে । তবে দেখছি প্রাচীনপন্থীরাও কম যায় না , তারাও কিন্তু Complain করে ৷ বলে_ আপনাদের আশ্রমে নাম-গান হয় না , কীর্তন হয় না ? ভাগবত পাঠ , কথকথা হয় না ? আমি বলি – না-না , আপনি যেগুলি বলছেন সেই অর্থে এগুলি হয় না , কিন্তু কথা হয় – জীবনের কথা !!(ক্রমশঃ)
গুরু মহারাজ : ~ আমি জীবনের কথা বলি । আমি যা বিশ্বাস করি , যা পালন করেছি জীবনে এবং পালন করে যা ফল পেয়েছি সেই কথাগুলোই বলি । আমার জীবনবোধ তোমাদের সাথে এবং সবার সাথে শেয়ার করি । আমার জীবনে যে সমস্ত মহাণ মানুষের সংস্পর্শ ঘটেছে_ তাদের প্রত্যেকের কাছেই আমার কিছু না কিছু নেওয়ার ছিল – তা আমি নিয়েছি । তারপর সেগুলিকে আমি synthesis করেছি_ তোমাদের সকলের যাতে তা গ্রহণযোগ্য হয়, তোমাদের কল্যান হয়__আমি সেগুলিই তোমাদের বলি । তাই বললাম আমি জীবনের কথা বলি , আমি মানুষের কথা বলি ৷ রাম , কৃষ্ণ প্রমুখেরা ভগবান ছিলেন কি না , তাঁরা আদৌ কখনও শরীর ধারণ করেছিলেন কিনা – এই নিয়ে বিতর্কের শেষ নাই । অন্যান্য দেশের জনগণ তো করতেই পারে – তোমার দেশের এক বিরাট অংশ এই নিয়ে বিতর্ক করে ৷ বিশেষত: শিক্ষিতরাই বেশি করে ! আর উচ্চ শিক্ষিত বাঙালি হলে তো কথাই নাই । তারা বিদেশী দর্শনে বিশ্বাস করে _ ভারতবর্ষের কোনো কিছুতে নয় ।
যাইহোক , রাম বা কৃষ্ণ যদি কখনো শরীর ধারণ করেও থাকেন – এখন তো তারা মৃত , তবুও তাঁদের কথা, তাঁদের গুনগান বা সেই সংক্রান্ত প্রবচনকে এখনকার মানুষ বলে “ওখানে ধম্মোকথা হচ্ছে” , দেখবে এখন টিভিতে-ও এইগুলি দেখাচ্ছে । একজন উঁচু মঞ্চে বসে প্রবচন করছে __আর সামনে কয়েক’শ মানুষ বসে বসে তা শুনছে । এদের অধিকাংশই বয়োবৃদ্ধ , সেখানে young generation বড় একটা দেখতে পাবে না ৷
তাই আমিও যদি আজ শুধু রাম আর কৃষ্ণ বিষয়ক কথা বলি, তাহলে ঐ দশাই হবে ! কিন্তু এই যুগ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অনেক উন্নত – এখনকার যুবক-যুবতীরা লেখাপড়া করে অনেক কিছুই শিখেছে ৷ তাই ভুজুং-ভাজুং দিয়ে নব্য শিক্ষিত যুব সম্প্রদায়কে বোঝানো যাবে না ৷ সুতরাং যুগ অনুযায়ী কথা বলতে হবে , তবেই এ যুগের আধুনিকরা নেবে । তবে দেখছি প্রাচীনপন্থীরাও কম যায় না , তারাও কিন্তু Complain করে ৷ বলে_ আপনাদের আশ্রমে নাম-গান হয় না , কীর্তন হয় না ? ভাগবত পাঠ , কথকথা হয় না ? আমি বলি – না-না , আপনি যেগুলি বলছেন সেই অর্থে এগুলি হয় না , কিন্তু কথা হয় – জীবনের কথা !!(ক্রমশঃ)
