জিজ্ঞাসু :– প্রথমদিকে তৃষাণ মহারাজ(বর্তমান স্বামী পরমেশ্বরানন্দ)-কে নিয়ে কি একটা ঝামেলা হয়েছিল ?
গুরুমহারাজ :– একটা নয় তো – অনেকবারই নানান ঝামেলায় পড়তে হয়েছে তৃষাণকে এবং আশ্রমকে। আসলে স্থানীয়ভাবে সদ্য ক্ষমতা পাওয়া রাজনৈতিক শাসক দলের কিছু অহংকারী কর্মী প্রথম থেকেই আমাদের আশ্রম প্রতিষ্ঠাকে, বিশেষতঃ তাদেরকে বাদ দিয়ে আশ্রমের অগ্রগতিকে একেবারেই মেনে নিতে পারেনি। ফলে, ঐসব স্থানীয় নেতারা আশ্রমের পিছনে লেগেই থাকতো। কোনো ছুতো পেলেই সেইটাকে issue-করে ঝামেলা বাধানোর চেষ্টা করতো।।
তুমি যে ঘটনাটা বলতে চাইছো__ ওটা ঘটেছিল আশ্রমের এই পুকুরটায় ‘বালিহাঁস’ মারাকে কেন্দ্র করে ৷ তখন সবে আশ্রম প্রতিষ্ঠা হয়েছে, আশ্রমের পুকুরটি(রোঙা) তখন মজে যাওয়া একটা ডোবার মতো অবস্থা, বিভিন্ন রকমের আগাছা যেমন__শোলা-ঘাস, দাম-পটপটি এসব জন্মাতো। ফলে এমন অবস্থা হোতো যে, উপর থেকে জলই দেখা যেতো না। আর সেখানে বালিহাঁস বসতো, হয়তো তারা ফাঁকা,নির্জন এবং আবর্জনায় পূর্ণ বলে এখানে ডিম পাড়তে আসতো।
একদিন দুজন ব্যক্তি পাখিমারা বন্দুক নিয়ে ওইসব পরিযায়ী পাখিদেরকে মারার চেষ্টা করেছিল। আমি তখন অন্যত্র গিয়েছিলাম । দু-একজন ব্রহ্মচারী সহ তৃষাণ ছিল আশ্রমে। অন্যরা কেউ পাখিমারা-র ব্যাপারটা দেখে তৃষাণকে খবর দেওয়ায় ও এসে ঘটনার প্রতিবাদ করেছিল । – ব্যস্, এতেই বাবুদের গোঁসা হয়ে গেছিলো। সেদিন চ্যাঁচামেচি করে শুন্য হাতে ফিরে গেলেও পরে ওরা এর reaction ঘটিয়েছিল। কয়েকদিন পর ঐ লোকগুলি plan-progam করে জিপে চেপে, পুলিশের পোশাক পড়ে তৃষানকে আশ্রম থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। রাস্তাতে ওদের নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা শুনে তৃষাণ বুঝতে পারে যে, এটা ছিল একটা ফাঁদ ! তখন বুদ্ধি খাটিয়ে, কোনো একস্থানে জিপগাড়িটা একটু slow হোতেই ও গাড়ি থেকে মাটিতে লাফিয়ে পড়ে এবং রক্ষা পায়। ওখান থেকে ও স্থানীয় ভক্তদের সাহায্যে ফের আশ্রমে ফিরে এসেছিল।
ওই ঘটনাটা ওখানেই থেমে গেছিলো। কিন্তু বিভিন্ন কারণে ওরা তৃষাণকে attack করার চেষ্টা করতো। আসলে তৃষাণ-ই তো বাইরের কাজগুলো করতো, ভেতরটা সামলাতো মুরারী। তাই বাইরের আঁচটা তৃষাণের উপরেই বেশি পড়তো।
আরো একটা ঘটনার উল্লেখ করছি শোনো__ একবার ক্ষমতাসীন পার্টির স্থানীয় নেতারা এক জায়গায় জড়ো হয়ে বনগ্রামে মিটিং ডেকেছিল এবং সেইখানে তৃষাণকে ডাক করিয়ে অপমান করার চেষ্টা করেছিল। (ক্রমশঃ)
গুরুমহারাজ :– একটা নয় তো – অনেকবারই নানান ঝামেলায় পড়তে হয়েছে তৃষাণকে এবং আশ্রমকে। আসলে স্থানীয়ভাবে সদ্য ক্ষমতা পাওয়া রাজনৈতিক শাসক দলের কিছু অহংকারী কর্মী প্রথম থেকেই আমাদের আশ্রম প্রতিষ্ঠাকে, বিশেষতঃ তাদেরকে বাদ দিয়ে আশ্রমের অগ্রগতিকে একেবারেই মেনে নিতে পারেনি। ফলে, ঐসব স্থানীয় নেতারা আশ্রমের পিছনে লেগেই থাকতো। কোনো ছুতো পেলেই সেইটাকে issue-করে ঝামেলা বাধানোর চেষ্টা করতো।।
তুমি যে ঘটনাটা বলতে চাইছো__ ওটা ঘটেছিল আশ্রমের এই পুকুরটায় ‘বালিহাঁস’ মারাকে কেন্দ্র করে ৷ তখন সবে আশ্রম প্রতিষ্ঠা হয়েছে, আশ্রমের পুকুরটি(রোঙা) তখন মজে যাওয়া একটা ডোবার মতো অবস্থা, বিভিন্ন রকমের আগাছা যেমন__শোলা-ঘাস, দাম-পটপটি এসব জন্মাতো। ফলে এমন অবস্থা হোতো যে, উপর থেকে জলই দেখা যেতো না। আর সেখানে বালিহাঁস বসতো, হয়তো তারা ফাঁকা,নির্জন এবং আবর্জনায় পূর্ণ বলে এখানে ডিম পাড়তে আসতো।
একদিন দুজন ব্যক্তি পাখিমারা বন্দুক নিয়ে ওইসব পরিযায়ী পাখিদেরকে মারার চেষ্টা করেছিল। আমি তখন অন্যত্র গিয়েছিলাম । দু-একজন ব্রহ্মচারী সহ তৃষাণ ছিল আশ্রমে। অন্যরা কেউ পাখিমারা-র ব্যাপারটা দেখে তৃষাণকে খবর দেওয়ায় ও এসে ঘটনার প্রতিবাদ করেছিল । – ব্যস্, এতেই বাবুদের গোঁসা হয়ে গেছিলো। সেদিন চ্যাঁচামেচি করে শুন্য হাতে ফিরে গেলেও পরে ওরা এর reaction ঘটিয়েছিল। কয়েকদিন পর ঐ লোকগুলি plan-progam করে জিপে চেপে, পুলিশের পোশাক পড়ে তৃষানকে আশ্রম থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। রাস্তাতে ওদের নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা শুনে তৃষাণ বুঝতে পারে যে, এটা ছিল একটা ফাঁদ ! তখন বুদ্ধি খাটিয়ে, কোনো একস্থানে জিপগাড়িটা একটু slow হোতেই ও গাড়ি থেকে মাটিতে লাফিয়ে পড়ে এবং রক্ষা পায়। ওখান থেকে ও স্থানীয় ভক্তদের সাহায্যে ফের আশ্রমে ফিরে এসেছিল।
ওই ঘটনাটা ওখানেই থেমে গেছিলো। কিন্তু বিভিন্ন কারণে ওরা তৃষাণকে attack করার চেষ্টা করতো। আসলে তৃষাণ-ই তো বাইরের কাজগুলো করতো, ভেতরটা সামলাতো মুরারী। তাই বাইরের আঁচটা তৃষাণের উপরেই বেশি পড়তো।
আরো একটা ঘটনার উল্লেখ করছি শোনো__ একবার ক্ষমতাসীন পার্টির স্থানীয় নেতারা এক জায়গায় জড়ো হয়ে বনগ্রামে মিটিং ডেকেছিল এবং সেইখানে তৃষাণকে ডাক করিয়ে অপমান করার চেষ্টা করেছিল। (ক্রমশঃ)
