[এখন আলোচনার বিষয়বস্তু “বীরভূমে ন’কাকা”! ব্যাপারটা হচ্ছে ন’কাকাকে আমি দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছি _সেই ন’কাকা বীরভূমে গিয়ে সম্পূর্ণ আলাদা মানুষ হয়ে যেতেন! দারুণ উদার, কিন্তুএকেবারে করুনাময় ন’কাকা!]
আদিত্যপুর আশ্রমে ন’কাকা আসার পর থেকেই শুরু হয়েছিল আমার অবাক হওয়ার পালা ! কারণ ১৯৮৩/৮৪ সাল থেকে ন’কাকাকে বনগ্রামে দেখেছি ৷ বনগ্রামের বাইরেও অনেক সময় দেখেছি – কিন্তু “বীরভূমের ন’কাকা” যেন সম্পূর্ণ অন্যরকম ! আর বীরভূমের ভক্তরাও যেন – অন্য স্থানের ভক্তদের চেয়ে অন্যরকম ! যে ন’কাকাকে আমি এত কাল দেখে এসেছি – সেই ন’কাকা আমার চোখের সামনে বীরভূমে এসে অন্য মানুষে পরিণত হলেন ! ব্যাপারটা খুলে বলা যাক্ – বনগ্রাম আশ্রমে যাওয়া-আসা শুরু করার পর থেকেই , ন’কাকা যে একজন মহাত্মা বা মহাপুরুষ এ সম্বন্ধে আমরা সবাই জানতাম , কিন্তু ন’কাকা নিজে এত সহজ-সরল সাধারণ জীবন-যাপন করতেন যে , আমরা প্রায় কেউ তাঁর মহাপুরুষত্বের নাগাল পেতাম না ! গুরু মহারাজ ন’কাকা সম্বন্ধে অনেক কথা নানা সময়ে বলেছিলেন , আমরা সেইগুলি শুনেই একটা বিশেষ শ্রদ্ধার চোখে ওনাকে দেখতাম ! আর তাছাড়া ওনার অনাড়ম্বর , সহজ-সরল জীবন-যাপন , মধুর ব্যবহার , আন্তরিকতাপূর্ণ সম্বোধন – এগুলিতে অবশ্যই তাঁর প্রতি আকর্ষিত হতে বাধ্য হয়েছিলাম! কিন্তু আলাদা করে ওনার অতিলৌকিক শক্তির প্রয়োগ , আলাদা করে ভক্তমণ্ডলী তৈরি করার কোনো প্রয়াস বা প্রচেষ্টা বনগ্রামে দেখিনি । সেইটা দেখলাম বীরভূমে ! আর যেহেতু ন’কাকা যতবার বনগ্রাম থেকে আদিত্যপুর আশ্রমে গেছেন – ২/৩ বার ছাড়া প্রায় সব বারেই ন’কাকার সাথে আমি থাকতাম , তাই কিভাবে ধীরে ধীরে ন’কাকাকে কেন্দ্র করে বীরভূমে একটা বিরাট ভক্তমন্ডলী গড়ে উঠল – তা নিজের চোখেই দেখেছিলাম!
আমি মজা করেই একদিন জিজ্ঞাসা করেছিলাম – “ন’কাকা ! আবার বীরভূম !!” উনিও হাসতে হাসতে বলেছিলেন – ” তাইতো দেখছি বাবা !”
যাইহোক, বীরভূমে ন’কাকার সাথে গিয়ে আমি প্রথম অবাক হয়েছিলাম যেদিন দেখলাম – একটি সদ্য বিবাহিত তরুণী তার গর্ভস্থ সন্তানের মৃত্যুর পর ন’কাকার কাছে অঝোরে কাঁদছে আর ন’কাকা পরম স্নেহে মেয়েটির মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে দীপ্তকন্ঠে বলছেন – “তুই কাঁদছিস কেন ? কি চাই তোর বল না ? সন্তান চাস্ তো – হবে-হবে , তোর সন্তান হবে ! আমি বলছি হবে ! এবার বল – আর কি চাস্ ?” – এই ন’কাকাকে আমি কখনও আগে দেখিনি !! শুরু হ’ল বীরভূমে ন’কাকার আত্মপ্রকাশের জয়যাত্রা ৷৷
কীর্ণাহারের সনৎ চ্যাটার্জী(এনার পরিচয় আগেই দেওয়া হয়েছে) – র আত্মীয়রা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল সিউড়ি , আমোদপুর , তারাপীঠের কাছে চাকপাড়া-য় ৷ ফলে ন’কাকাকে নিয়ে সনৎ কাকু সেই সব স্থানে যেতে লাগলেন , সঙ্গে ন’কাকার নিজস্ব একটা ছোটখাটো টিম । সেই টিমে _প্রথমদিকে ছিলাম আমি , নন্দ মহারাজ , কীর্ণাহারের অসিত দা। পরে যোগ হয়েছিল বোলপুরের মধুমিতা ( মধুমিতা এবং ওর স্বামী হিমাংশুর প্রকৃতপক্ষে বর্ধমানের মাঝের গাঁয়ের তৃষাণ মহারাজের বাড়ির পাশাপাশি কোন গ্রামে বাড়ি ছিল । ওরা দুজনেই গুরু মহারাজের দীক্ষিত – আমার মনে আছে গুরু মহারাজ থাকাকালীন ওনার নির্দেশে ন’কাকাদের কালীমন্দিরে ন’কাকা ওদের বিবাহ দিয়েছিলেন । পরমানন্দ জগতে তৎকালীন সময়ে এটা ছিল একটা সম্পূর্ণ নতুন এবং বিশেষ ঘটনা ! পরে মধুমিতারা বোলপুরে কর্মসূত্রে বসবাস করে৷) এবং বার্নপুরের মুকুল ৷
সিউড়িতে সনৎ কাকুর জামাই তন্ময় মুখার্জিদের বাড়ি ৷ সিউড়িতে ওদের বাড়িতে ন’কাকা যাবার পরই সিউড়ির বিভিন্ন প্রান্তে ওঁদের আত্মীয় স্বজনদের বাড়ি বাড়ি যাওয়া শুরু হয়ে গেল । যেন একটা প্রচন্ড আলোড়ন পড়ে গেল সিউড়িতে ৷ রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত মাস্টারমশাই ……….ব্যানার্জি অর্থাৎ নীলুর বাবা , তন্ময়ের বাবা প্রফেসর ……… ব্যানার্জি , তন্ময়ের মামা অ্যাডভোকেট ……….. এরা ন’কাকার পিছু পিছু বাড়ি বাড়ি ঘুরে বেড়াচ্ছেন দেখে – তন্ময় একদিন বলেই ফেলল _ ” কর্তা (ন’কাকা) তো একেবারে Miracle দেখিয়ে দিলে গো ! সিউড়ির কয়েকটা সেরা সেরা মানুষকে পিছু পিছু ঘোরাচ্ছো ! যে মানুষগুলো বাড়ির বাইরে পা দিতে চায় না , সাধারণ মানুষকে বড় একটা পাত্তাই দেয় না , তাদেরকে সবার বাড়ি বাড়ি নিয়ে যাচ্ছো – এটা দেখে সত্যিই আশ্চর্য হয়ে যাচ্ছি !” এর উত্তরে ন’কাকা স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে মৃদু হেসে ব্যাপারটাকে হালকা করে দিয়েছিলেন।
একদিন তন্ময়ের বাড়ি থেকে ওর ছোট মামীমা কঙ্কুমামীর বাড়ি গেছি ৷ ন’কাকা , নন্দ মহারাজ ও আমি ছাড়াও সম্ভবত অসিত দা-ও ছিল, সনৎ কাকু তো ছিলেনই! কঙ্কুমামী ন’কাকাকে ডেকে নিয়ে গেলেন উপরের ঠাকুর ঘর দেখাতে বা হয়তো ন’কাকাকে দিয়ে ঠাকুরকে একটু ফল-মিষ্টি নিবেদন করে দেবার জন্য! যাতে উনি সেটাই আমাদেরকে প্রসাদ হিসাবে পরিবেশন করতে পারেন ৷
যাইহোক, ওনারা উপরে চলে যাওয়ার পরে আমরা সকলে মিলে নিচের ঘরে বসে বসে ছোট মামার সাথে গল্প করছিলাম ৷ একটা অ্যাক্সিডেন্টে ওনার একটা পা খুবই ক্ষতিপ্রস্থ হয়েছে – বহু অর্থ ব্যয় হয়ে গেছে , তবুও পা কিন্তু এখনও সারেনি , এইসব গল্প চলছে । হঠাৎ দেখি চোখ মুছতে মুছতে কঙ্কু মামী নেমে এলেন নিচে – কিছু একটা নেবার জন্য! ওনার কান্না এবং চোখ মোছা দেখে আমরা সবাই ব্যগ্র হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম – ” কি হলো ? কি হলো ? ” – কঙ্কু মামী চোখ মুছতে মুছতে বললেন – “আমার দীক্ষা হয়ে গেল !”
দীক্ষা হয়ে গেল ?? –যে ন’কাকা দীক্ষা দিতেই চান না _কতজনকে আমার সামনে refuse করেছিলেন, তিনি অযাচিতভাবে কঙ্কুমামীকে দীক্ষা দিয়ে দিলেন!!!
আমরা সেইদিন আর একবারের জন্য অবাক হয়েছিলাম ! তবে সেই শুরু _এরপর থেকে পরপর অবাক হবার পালা!! (ক্রমশঃ)
আদিত্যপুর আশ্রমে ন’কাকা আসার পর থেকেই শুরু হয়েছিল আমার অবাক হওয়ার পালা ! কারণ ১৯৮৩/৮৪ সাল থেকে ন’কাকাকে বনগ্রামে দেখেছি ৷ বনগ্রামের বাইরেও অনেক সময় দেখেছি – কিন্তু “বীরভূমের ন’কাকা” যেন সম্পূর্ণ অন্যরকম ! আর বীরভূমের ভক্তরাও যেন – অন্য স্থানের ভক্তদের চেয়ে অন্যরকম ! যে ন’কাকাকে আমি এত কাল দেখে এসেছি – সেই ন’কাকা আমার চোখের সামনে বীরভূমে এসে অন্য মানুষে পরিণত হলেন ! ব্যাপারটা খুলে বলা যাক্ – বনগ্রাম আশ্রমে যাওয়া-আসা শুরু করার পর থেকেই , ন’কাকা যে একজন মহাত্মা বা মহাপুরুষ এ সম্বন্ধে আমরা সবাই জানতাম , কিন্তু ন’কাকা নিজে এত সহজ-সরল সাধারণ জীবন-যাপন করতেন যে , আমরা প্রায় কেউ তাঁর মহাপুরুষত্বের নাগাল পেতাম না ! গুরু মহারাজ ন’কাকা সম্বন্ধে অনেক কথা নানা সময়ে বলেছিলেন , আমরা সেইগুলি শুনেই একটা বিশেষ শ্রদ্ধার চোখে ওনাকে দেখতাম ! আর তাছাড়া ওনার অনাড়ম্বর , সহজ-সরল জীবন-যাপন , মধুর ব্যবহার , আন্তরিকতাপূর্ণ সম্বোধন – এগুলিতে অবশ্যই তাঁর প্রতি আকর্ষিত হতে বাধ্য হয়েছিলাম! কিন্তু আলাদা করে ওনার অতিলৌকিক শক্তির প্রয়োগ , আলাদা করে ভক্তমণ্ডলী তৈরি করার কোনো প্রয়াস বা প্রচেষ্টা বনগ্রামে দেখিনি । সেইটা দেখলাম বীরভূমে ! আর যেহেতু ন’কাকা যতবার বনগ্রাম থেকে আদিত্যপুর আশ্রমে গেছেন – ২/৩ বার ছাড়া প্রায় সব বারেই ন’কাকার সাথে আমি থাকতাম , তাই কিভাবে ধীরে ধীরে ন’কাকাকে কেন্দ্র করে বীরভূমে একটা বিরাট ভক্তমন্ডলী গড়ে উঠল – তা নিজের চোখেই দেখেছিলাম!
আমি মজা করেই একদিন জিজ্ঞাসা করেছিলাম – “ন’কাকা ! আবার বীরভূম !!” উনিও হাসতে হাসতে বলেছিলেন – ” তাইতো দেখছি বাবা !”
যাইহোক, বীরভূমে ন’কাকার সাথে গিয়ে আমি প্রথম অবাক হয়েছিলাম যেদিন দেখলাম – একটি সদ্য বিবাহিত তরুণী তার গর্ভস্থ সন্তানের মৃত্যুর পর ন’কাকার কাছে অঝোরে কাঁদছে আর ন’কাকা পরম স্নেহে মেয়েটির মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে দীপ্তকন্ঠে বলছেন – “তুই কাঁদছিস কেন ? কি চাই তোর বল না ? সন্তান চাস্ তো – হবে-হবে , তোর সন্তান হবে ! আমি বলছি হবে ! এবার বল – আর কি চাস্ ?” – এই ন’কাকাকে আমি কখনও আগে দেখিনি !! শুরু হ’ল বীরভূমে ন’কাকার আত্মপ্রকাশের জয়যাত্রা ৷৷
কীর্ণাহারের সনৎ চ্যাটার্জী(এনার পরিচয় আগেই দেওয়া হয়েছে) – র আত্মীয়রা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল সিউড়ি , আমোদপুর , তারাপীঠের কাছে চাকপাড়া-য় ৷ ফলে ন’কাকাকে নিয়ে সনৎ কাকু সেই সব স্থানে যেতে লাগলেন , সঙ্গে ন’কাকার নিজস্ব একটা ছোটখাটো টিম । সেই টিমে _প্রথমদিকে ছিলাম আমি , নন্দ মহারাজ , কীর্ণাহারের অসিত দা। পরে যোগ হয়েছিল বোলপুরের মধুমিতা ( মধুমিতা এবং ওর স্বামী হিমাংশুর প্রকৃতপক্ষে বর্ধমানের মাঝের গাঁয়ের তৃষাণ মহারাজের বাড়ির পাশাপাশি কোন গ্রামে বাড়ি ছিল । ওরা দুজনেই গুরু মহারাজের দীক্ষিত – আমার মনে আছে গুরু মহারাজ থাকাকালীন ওনার নির্দেশে ন’কাকাদের কালীমন্দিরে ন’কাকা ওদের বিবাহ দিয়েছিলেন । পরমানন্দ জগতে তৎকালীন সময়ে এটা ছিল একটা সম্পূর্ণ নতুন এবং বিশেষ ঘটনা ! পরে মধুমিতারা বোলপুরে কর্মসূত্রে বসবাস করে৷) এবং বার্নপুরের মুকুল ৷
সিউড়িতে সনৎ কাকুর জামাই তন্ময় মুখার্জিদের বাড়ি ৷ সিউড়িতে ওদের বাড়িতে ন’কাকা যাবার পরই সিউড়ির বিভিন্ন প্রান্তে ওঁদের আত্মীয় স্বজনদের বাড়ি বাড়ি যাওয়া শুরু হয়ে গেল । যেন একটা প্রচন্ড আলোড়ন পড়ে গেল সিউড়িতে ৷ রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত মাস্টারমশাই ……….ব্যানার্জি অর্থাৎ নীলুর বাবা , তন্ময়ের বাবা প্রফেসর ……… ব্যানার্জি , তন্ময়ের মামা অ্যাডভোকেট ……….. এরা ন’কাকার পিছু পিছু বাড়ি বাড়ি ঘুরে বেড়াচ্ছেন দেখে – তন্ময় একদিন বলেই ফেলল _ ” কর্তা (ন’কাকা) তো একেবারে Miracle দেখিয়ে দিলে গো ! সিউড়ির কয়েকটা সেরা সেরা মানুষকে পিছু পিছু ঘোরাচ্ছো ! যে মানুষগুলো বাড়ির বাইরে পা দিতে চায় না , সাধারণ মানুষকে বড় একটা পাত্তাই দেয় না , তাদেরকে সবার বাড়ি বাড়ি নিয়ে যাচ্ছো – এটা দেখে সত্যিই আশ্চর্য হয়ে যাচ্ছি !” এর উত্তরে ন’কাকা স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে মৃদু হেসে ব্যাপারটাকে হালকা করে দিয়েছিলেন।
একদিন তন্ময়ের বাড়ি থেকে ওর ছোট মামীমা কঙ্কুমামীর বাড়ি গেছি ৷ ন’কাকা , নন্দ মহারাজ ও আমি ছাড়াও সম্ভবত অসিত দা-ও ছিল, সনৎ কাকু তো ছিলেনই! কঙ্কুমামী ন’কাকাকে ডেকে নিয়ে গেলেন উপরের ঠাকুর ঘর দেখাতে বা হয়তো ন’কাকাকে দিয়ে ঠাকুরকে একটু ফল-মিষ্টি নিবেদন করে দেবার জন্য! যাতে উনি সেটাই আমাদেরকে প্রসাদ হিসাবে পরিবেশন করতে পারেন ৷
যাইহোক, ওনারা উপরে চলে যাওয়ার পরে আমরা সকলে মিলে নিচের ঘরে বসে বসে ছোট মামার সাথে গল্প করছিলাম ৷ একটা অ্যাক্সিডেন্টে ওনার একটা পা খুবই ক্ষতিপ্রস্থ হয়েছে – বহু অর্থ ব্যয় হয়ে গেছে , তবুও পা কিন্তু এখনও সারেনি , এইসব গল্প চলছে । হঠাৎ দেখি চোখ মুছতে মুছতে কঙ্কু মামী নেমে এলেন নিচে – কিছু একটা নেবার জন্য! ওনার কান্না এবং চোখ মোছা দেখে আমরা সবাই ব্যগ্র হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম – ” কি হলো ? কি হলো ? ” – কঙ্কু মামী চোখ মুছতে মুছতে বললেন – “আমার দীক্ষা হয়ে গেল !”
দীক্ষা হয়ে গেল ?? –যে ন’কাকা দীক্ষা দিতেই চান না _কতজনকে আমার সামনে refuse করেছিলেন, তিনি অযাচিতভাবে কঙ্কুমামীকে দীক্ষা দিয়ে দিলেন!!!
আমরা সেইদিন আর একবারের জন্য অবাক হয়েছিলাম ! তবে সেই শুরু _এরপর থেকে পরপর অবাক হবার পালা!! (ক্রমশঃ)
