গুরু মহারাজ বনগ্রাম পরমানন্দ মিশনে সিটিং-এ বসে যে শুধু সবসময় জ্ঞানগর্ভ আলোচনাই করে যেতেন – এমন কিন্তু নয় (সেসব কথা অবশ্য আগেও বলা হয়েছে) । এক একদিন শুধু গান-ই হোত ৷ এক একদিন উনি হয়তো বিভিন্ন ইউরোপীয় ভাষা (ইতালিয়ান , নরওয়েজিয়ান ইত্যাদি) শেখাতে শুরু করলেন – তাতে উপস্থিত ভক্তজনেরা সকলেই যে খুব enjoy কোরতো তা কিন্তু নয় । তাহলেও সবাই শেষ পর্যন্ত বসে থাকতো – কেউ কিন্তু স্থানত্যাগ কোরতো না ! যারা ওই ব্যাপারে interested তারা ছাড়া বাকীর হয়তো bore হোত – হয়তো হোত না ৷ হয়তো তারা ভাবতো – “একটু পরেই গুরুজী অন্য প্রসঙ্গ অর্থাৎ তার মনের মতো আলোচনা শুরু করে দেবেন” অথবা হয়তো ভাবতো – “এক দিনের জন্য এসেছি — এই মহাপুরুষের সামনে বসার সুযোগ পেয়েছি – এটাই বা কম কি ! যা বলছে বলুক – চুপ করে বসে থাকি !” আমাদের অবশ্য খুব একটা অসুবিধা হোত না — উনি যে কথাই বলতেন, যাই করতেন — তাতেই অংশগ্রহণ করতাম ৷ তবে সত্যি কথা বলছি – যেদিন সকাল থেকে সারা সিটিংটাই ‘গান-শুধু-গান’ হোত, সেদিন একটু-আধটু যে Bore হতাম না – তা নয় ! কারণ সবাই তো খুব ভালো গায়ক বা গায়িকা নয়! কিন্তু গুরু মহারাজকে গান শোনাবার লোভ কে আর ছাড়ে ! গর্বিত আধুনিক বাবা-মায়েরা তাদের শিশু হয়তো সবে দুটো-একটা গান শিখেছে – সেটাকেই ওনার সামনে তাদেরকে দিয়ে পরিবেশন করিয়ে নিজেরা যেন কৃতার্থ হোত !
তবে অবাক হয়ে দেখতাম – ঐ আশ্চর্য্য মানুষটির কোন বিরক্তি নাই , অসহিষ্ণুতা নাই , boringness নাই !
আর হবেই বা কেন ? যার আসক্তি আছে তারই তো বিরক্তি ! ওনার অাসক্তিও নাই , বিরক্তিও নাই ! সদা-সর্বদা আনন্দসাগরে ভাসমান রয়েছেন , ডুবে রয়েছেন , আনন্দ-লহরীর মধ্যে রয়েছেন , সেই লহরীর সঙ্গে খেলা করছেন – ফলে তাঁর সর্বদাই আনন্দ , সবেতেই আনন্দ ! তবে তাঁর সামনে থাকতো যারা , তারাও সেই আনন্দের স্পর্শ্য পেতো , তাই তো তিনি পরমানন্দ ! স্বামী পরমানন্দ ! আমরা হতভাগ্য তাই তাঁর সামনে বসে থেকেও কোন কোন সময় একটু হলেও হয়তো bore হতাম ! ধিক্ আমাদের !!
তবু উনি ভালোবাসতেন ! আদর করে মধুর স্বরে , ছন্দ করে নাম ধরে ডাকতেন ৷ সেই ডাক শুনলেই হৃদয়-মন-প্রাণ জুড়িয়ে যেতো ! যদিও হৃদয়-মন-প্রাণ শরীরে কোথায় রয়েছে জানি না – তবু বলার জন্য বললাম ৷ এর অর্থ হচ্ছে — “এতো ভালো লাগত”- যে অন্য কোন কিছুতেই সেই ভালোলাগা বোধটা আসতো না ! তখন কতজনকে বলতে শুনেছি – “ওই যে গুরু মহারাজ একবার বললেন – ‘কি রে …(অমুক) , কখন এলি ?’ ব্যস ! আমার কষ্ট করে , খরচা করে আশ্রমে আসা সার্থক হোল !”
আমার মনে পড়ছে বনগ্রামের খোকন ঘোষের কথা (আগে একবার বলা হয়ে গেছে কিনা মনে পড়ছে না)! পরমানন্দ মিশনের এখন যেটা অবস্থান _অর্থাৎ আশ্রমের পুকুরসহ সমস্ত জায়গাটাই তখন দখলে ছিল খোকনের বাবার (দূর্গা ঘোষ) under – এ! পরে যখন আশ্রম প্রকৃত মালিকের কাছ থেকে ঐ জায়গাগুলি কিনে নিল এবং দখল নিল – তখন স্বাভাবিক কারণেই ওরা পারিবারিকভাবে একটু আশ্রম-বিমুখ ছিল ৷ এতে দোষের কিছু নেই, কারণ আমার জীবনে এমনটা হলে – হয়তো আমিও এমনটাই হতাম ৷ দৈত্যকুলে প্রহ্লাদ আর ক’জন হয় ?
যাইহোক, সেইজন্য ১৯৭৮ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত স্বামী পরমানন্দের কত বিশাল লীলা হয়ে গেল – দেশ বিদেশের অগণিত নরনারী খোকনদের বাড়ীর দরজা দিয়ে সেই লীলার অংশীদার হোল । গুরু মহারাজ সকাল-বিকাল হেঁটে হেঁটে ওদের বাড়ীর দরজার পাশ দিয়ে কত শত-সহস্রবার যাতায়াত করলেন , ওরা মাঠে যাওয়া আসার পথে (খোকনদের জমি-জমা অনেকটাই রয়েছে, ফলে ও সেগুলি দেখাশোনা করে, মাঠে-মাঠেই ওর দিনের বেশীরভাগ সময় কাটে) ওকে আশ্রমের উপর দিয়েই বারবার যাওয়া-আসা করতে হয় – কত শতবার ও গুরু মহারাজের পাশ দিয়েই হয়তো চলে গেছে! কত শতবার ও দূর থেকে দেখেছে গুরু মহারাজ সিটিং করছেন, আর সিটিং-এ উপস্থিত ভক্তজন অবাক হয়ে তাঁর কথা শুনছেন __কিন্তু খোকন কখনই এসব নিয়ে কখনই মাথা ঘামায়নি ! তবে অবশ্য ও গুরু মহারাজকে বা আশ্রমের কাউকে কখনও অসম্মানও করেনি – কিন্তু কখনই আশ্রমের কোন ব্যাপারে interest-ও দেখায়নি !
অথচ গুরুমহারাজের শরীর ছাড়ার পর খোকন আমাকে, তার পুরোনো একটা স্মৃতির কথা কতদিন যে বলেছে_”জানো তো শ্রীধর! একদিন আমি কালভার্টে(আশ্রম এবং গ্রামের মাঝামাঝি জায়গায়) সন্ধ্যার সময় বসে আছি _দেখছি গুরুমহারাজ টর্চ জ্বেলে ন’কাকা দের বাড়ি যাচ্ছেন। পুকুরের ওপার থেকে একটা চিৎকার চ্যাঁচামেচি ভেসে আসছিল দেখে উনি আমার কাছে দাঁড়িয়ে পড়লেন। তারপর আমাকে বললেন _’খোকন না কে রে!`
আমি বললাম _’হ্যাঁ, কিছু বলবেন?”
উনি বললেন _’পুকুরের ওপারে কে চিৎকার করছে রে?’
আমি বললাম _’ ও তো ভাদু (ভুমিজ পাড়ার একজন লোক, যে প্রতিদিন সন্ধ্যায় মদ খেয়ে বাড়ি ঢুকে বৌ এর উপর চোটপাট করতো, হয়তো মারধোর ও করতো।)! মদ খেয়ে চ্যাঁচামেচি করছে।’ গুরুমহারাজ সব শুনে _” ওঃ!” বলে চলে গেলেন।
এই ঘটনাটা উল্লেখ করলাম এইজন্য যে, সারাজীবনের মধ্যে গুরুমহারাজ ঐ ব্যক্তিকে শুধু একদিন বা একবার ডেকে কথা বলেছিলেন _আর এইটাই যেন ওর সারাজীবনের সম্পদ হয়ে গেল!!
এমনই ছিলেন গুরুমহারাজ! গুরুমহারাজকে দুর থেকে দেখে মনে হোত বোধহয় অগ্নি, _কাছে গেলেই হয়তো জ্বলে পুড়ে খাক্ হয়ে যাবে! কিন্তু সাহস করে কাছে গেলে দেখা যেত পরশমনির ঔজ্জ্বল্যযুক্ত অপার্থিব শীতলতা!
আর সেই শীতলতার স্পর্শ পাওয়ার জন্যই দুর-দুরান্তের মানুষজন ছুটে ছুটে আসত তাঁর কাছে! বহু ব্যয় করে, বহু পথ ঘুরে, সংসারের নানান ঝামেলা উপেক্ষা করে আশ্রমে পৌঁছানোর পর, তাঁকে প্রনাম করার সাথে সাথে বা তার আগেই যখন গুরুমহারাজ তার নাম ধরে ডাকতেন কিংবা বলতেন _”কি রে কখন এলি?”_এতেই ভক্তদের সমস্ত কষ্টের অবসান হয়ে যেত, অন্তর্জগতে এক অদ্ভুত অপার্থিব শীতলতা নেমে আসত।
‘ত্রিতাপ জ্বালা’ _বলে আধ্যাত্মিক জগতে একটা কথা আছে। ঐ ত্রিতাপ জ্বালায় অহরহ জ্বলতে থাকা মানুষকে তাৎক্ষণিক শীতল করে দেবার ক্ষমতা বা অধিকার শুধু ভগবানের ই থাকে! ভগবান পরমানন্দের কাছে তখন যারাই অন্তত একবারও গেছে, তাঁর চরন যুগল স্পর্শ করে পদপ্রান্তে একবার বসেছে _তারাই সেই অপার্থিব শীতলতার স্পর্শ পেয়েছে।
গুরুমহারাজ ছিলেন স্থুলে-র সুখ, সুক্ষে-র শান্তি এবং কারনজগতের আনন্দস্বরূপ! তাই যে যেভাবে তাঁকে পেতে চাইতো_তার কাছে তিনি সেভাবেই ধরা দিতেন। তাঁর যে একঅঙ্গে_বহুরূপ। আর প্রতিটি রূপেই তিনি perfect! এই ব্যাপারটা আমরা বনগ্রামে তখন প্রায়ই প্রত্যক্ষ করতাম। কিন্তু ধরায় এসে ধরা দিয়েও সেই চির-অধরা ___অধরাই থেকে গেলেন! (ক্রমশঃ)
তবে অবাক হয়ে দেখতাম – ঐ আশ্চর্য্য মানুষটির কোন বিরক্তি নাই , অসহিষ্ণুতা নাই , boringness নাই !
আর হবেই বা কেন ? যার আসক্তি আছে তারই তো বিরক্তি ! ওনার অাসক্তিও নাই , বিরক্তিও নাই ! সদা-সর্বদা আনন্দসাগরে ভাসমান রয়েছেন , ডুবে রয়েছেন , আনন্দ-লহরীর মধ্যে রয়েছেন , সেই লহরীর সঙ্গে খেলা করছেন – ফলে তাঁর সর্বদাই আনন্দ , সবেতেই আনন্দ ! তবে তাঁর সামনে থাকতো যারা , তারাও সেই আনন্দের স্পর্শ্য পেতো , তাই তো তিনি পরমানন্দ ! স্বামী পরমানন্দ ! আমরা হতভাগ্য তাই তাঁর সামনে বসে থেকেও কোন কোন সময় একটু হলেও হয়তো bore হতাম ! ধিক্ আমাদের !!
তবু উনি ভালোবাসতেন ! আদর করে মধুর স্বরে , ছন্দ করে নাম ধরে ডাকতেন ৷ সেই ডাক শুনলেই হৃদয়-মন-প্রাণ জুড়িয়ে যেতো ! যদিও হৃদয়-মন-প্রাণ শরীরে কোথায় রয়েছে জানি না – তবু বলার জন্য বললাম ৷ এর অর্থ হচ্ছে — “এতো ভালো লাগত”- যে অন্য কোন কিছুতেই সেই ভালোলাগা বোধটা আসতো না ! তখন কতজনকে বলতে শুনেছি – “ওই যে গুরু মহারাজ একবার বললেন – ‘কি রে …(অমুক) , কখন এলি ?’ ব্যস ! আমার কষ্ট করে , খরচা করে আশ্রমে আসা সার্থক হোল !”
আমার মনে পড়ছে বনগ্রামের খোকন ঘোষের কথা (আগে একবার বলা হয়ে গেছে কিনা মনে পড়ছে না)! পরমানন্দ মিশনের এখন যেটা অবস্থান _অর্থাৎ আশ্রমের পুকুরসহ সমস্ত জায়গাটাই তখন দখলে ছিল খোকনের বাবার (দূর্গা ঘোষ) under – এ! পরে যখন আশ্রম প্রকৃত মালিকের কাছ থেকে ঐ জায়গাগুলি কিনে নিল এবং দখল নিল – তখন স্বাভাবিক কারণেই ওরা পারিবারিকভাবে একটু আশ্রম-বিমুখ ছিল ৷ এতে দোষের কিছু নেই, কারণ আমার জীবনে এমনটা হলে – হয়তো আমিও এমনটাই হতাম ৷ দৈত্যকুলে প্রহ্লাদ আর ক’জন হয় ?
যাইহোক, সেইজন্য ১৯৭৮ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত স্বামী পরমানন্দের কত বিশাল লীলা হয়ে গেল – দেশ বিদেশের অগণিত নরনারী খোকনদের বাড়ীর দরজা দিয়ে সেই লীলার অংশীদার হোল । গুরু মহারাজ সকাল-বিকাল হেঁটে হেঁটে ওদের বাড়ীর দরজার পাশ দিয়ে কত শত-সহস্রবার যাতায়াত করলেন , ওরা মাঠে যাওয়া আসার পথে (খোকনদের জমি-জমা অনেকটাই রয়েছে, ফলে ও সেগুলি দেখাশোনা করে, মাঠে-মাঠেই ওর দিনের বেশীরভাগ সময় কাটে) ওকে আশ্রমের উপর দিয়েই বারবার যাওয়া-আসা করতে হয় – কত শতবার ও গুরু মহারাজের পাশ দিয়েই হয়তো চলে গেছে! কত শতবার ও দূর থেকে দেখেছে গুরু মহারাজ সিটিং করছেন, আর সিটিং-এ উপস্থিত ভক্তজন অবাক হয়ে তাঁর কথা শুনছেন __কিন্তু খোকন কখনই এসব নিয়ে কখনই মাথা ঘামায়নি ! তবে অবশ্য ও গুরু মহারাজকে বা আশ্রমের কাউকে কখনও অসম্মানও করেনি – কিন্তু কখনই আশ্রমের কোন ব্যাপারে interest-ও দেখায়নি !
অথচ গুরুমহারাজের শরীর ছাড়ার পর খোকন আমাকে, তার পুরোনো একটা স্মৃতির কথা কতদিন যে বলেছে_”জানো তো শ্রীধর! একদিন আমি কালভার্টে(আশ্রম এবং গ্রামের মাঝামাঝি জায়গায়) সন্ধ্যার সময় বসে আছি _দেখছি গুরুমহারাজ টর্চ জ্বেলে ন’কাকা দের বাড়ি যাচ্ছেন। পুকুরের ওপার থেকে একটা চিৎকার চ্যাঁচামেচি ভেসে আসছিল দেখে উনি আমার কাছে দাঁড়িয়ে পড়লেন। তারপর আমাকে বললেন _’খোকন না কে রে!`
আমি বললাম _’হ্যাঁ, কিছু বলবেন?”
উনি বললেন _’পুকুরের ওপারে কে চিৎকার করছে রে?’
আমি বললাম _’ ও তো ভাদু (ভুমিজ পাড়ার একজন লোক, যে প্রতিদিন সন্ধ্যায় মদ খেয়ে বাড়ি ঢুকে বৌ এর উপর চোটপাট করতো, হয়তো মারধোর ও করতো।)! মদ খেয়ে চ্যাঁচামেচি করছে।’ গুরুমহারাজ সব শুনে _” ওঃ!” বলে চলে গেলেন।
এই ঘটনাটা উল্লেখ করলাম এইজন্য যে, সারাজীবনের মধ্যে গুরুমহারাজ ঐ ব্যক্তিকে শুধু একদিন বা একবার ডেকে কথা বলেছিলেন _আর এইটাই যেন ওর সারাজীবনের সম্পদ হয়ে গেল!!
এমনই ছিলেন গুরুমহারাজ! গুরুমহারাজকে দুর থেকে দেখে মনে হোত বোধহয় অগ্নি, _কাছে গেলেই হয়তো জ্বলে পুড়ে খাক্ হয়ে যাবে! কিন্তু সাহস করে কাছে গেলে দেখা যেত পরশমনির ঔজ্জ্বল্যযুক্ত অপার্থিব শীতলতা!
আর সেই শীতলতার স্পর্শ পাওয়ার জন্যই দুর-দুরান্তের মানুষজন ছুটে ছুটে আসত তাঁর কাছে! বহু ব্যয় করে, বহু পথ ঘুরে, সংসারের নানান ঝামেলা উপেক্ষা করে আশ্রমে পৌঁছানোর পর, তাঁকে প্রনাম করার সাথে সাথে বা তার আগেই যখন গুরুমহারাজ তার নাম ধরে ডাকতেন কিংবা বলতেন _”কি রে কখন এলি?”_এতেই ভক্তদের সমস্ত কষ্টের অবসান হয়ে যেত, অন্তর্জগতে এক অদ্ভুত অপার্থিব শীতলতা নেমে আসত।
‘ত্রিতাপ জ্বালা’ _বলে আধ্যাত্মিক জগতে একটা কথা আছে। ঐ ত্রিতাপ জ্বালায় অহরহ জ্বলতে থাকা মানুষকে তাৎক্ষণিক শীতল করে দেবার ক্ষমতা বা অধিকার শুধু ভগবানের ই থাকে! ভগবান পরমানন্দের কাছে তখন যারাই অন্তত একবারও গেছে, তাঁর চরন যুগল স্পর্শ করে পদপ্রান্তে একবার বসেছে _তারাই সেই অপার্থিব শীতলতার স্পর্শ পেয়েছে।
গুরুমহারাজ ছিলেন স্থুলে-র সুখ, সুক্ষে-র শান্তি এবং কারনজগতের আনন্দস্বরূপ! তাই যে যেভাবে তাঁকে পেতে চাইতো_তার কাছে তিনি সেভাবেই ধরা দিতেন। তাঁর যে একঅঙ্গে_বহুরূপ। আর প্রতিটি রূপেই তিনি perfect! এই ব্যাপারটা আমরা বনগ্রামে তখন প্রায়ই প্রত্যক্ষ করতাম। কিন্তু ধরায় এসে ধরা দিয়েও সেই চির-অধরা ___অধরাই থেকে গেলেন! (ক্রমশঃ)
