শ্রী শ্রী গুরুমহারাজ স্বামী পরমানন্দ যখন দক্ষিণ ভারতের কতিপয় ভক্ত এবং এখানকার অর্থাৎ বনগ্রাম অঞ্চলের দু-চারজন ভক্তদেরকে নিয়ে পেরেন্টাপল্লীসহ দক্ষিণ ভারতের কয়েকটি দর্শনীয় স্থান পরিভ্রমণ করেছিলেন – সেই সময়কালীন কিছু কিছু ঘটনার কথা এখানে বলা হচ্ছিল।
মহাপুরুষদের, বিশেষতঃ অবতার পুরুষদের প্রতিটি পদক্ষেপই কোনো না কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে সাধিত হয়। ওনারা কখন কোথায় যাবেন, কাদের সাথে দেখা করবেন, কি কি কথা বলবেন – ইত্যাদি সবকিছুই নির্দিষ্ট হয়ে থাকে ! আর এইগুলির মাধ্যমে তাঁরা ‘লীলা’ সংগঠিত করেন৷ ‘লীলা’ কথাটির তাৎপর্য এতটাই ব্যাপক ও বিরাট যে এর মধ্যে মানবকল্যাণ, জীবকল্যাণ, জগৎকল্যাণ এসব তো হয়ই, তার সাথে সাথে ভগবান ও ভক্তের যে মাধুর্য্যরস –তারও আস্বাদন করেন ! তাঁর কোনো কোনো লীলা হয়তো অনেকসময় এতই নিতান্ত, এতই সাধারণ যে সমকালীন মানুষ সেগুলোর বিশেষ কোনো কারণই খুঁজে পায় না, তারা বুঝতেই পারে না যে, এগুলোও ভগবানের ‘লীলা’ এবং এর পিছনেও পূর্ব পূর্ব জীবনের কার্যকারণ সূত্র রয়েছে !
যেমন ধরুন – শ্রীচৈতন্যমহাপ্রভু যখন নবদ্বীপে নিমাই পন্ডিতরূপে লীলা করছিলেন, সেই সময়কার একটা লীলাকাহিনীর কথা উদাহরণ হিসাবে উপস্থাপনা করছি ! সেইসময় নবদ্বীপের ‘নিমাই পণ্ডিত’ মানেই তথাকথিত পণ্ডিতদের কাছে ‘ত্রাসস্বরূপ’! পথে-ঘাটে কোনো পন্ডিত দেখতে পেলেই তার সঙ্গে তিনি তর্ক জুড়ে দিতেন এবং তাকে তর্কে হারিয়ে, তার টিকি কেটে, তার পুঁথিপত্র কেড়ে নিয়ে তাকে নাস্তানাবুদ করে_তবে ছাড়তেন ! শেষে এমন অবস্থা হয়েছিল যে, দলবলসহ (সশিষ্য) নিমাইপণ্ডিতকে নবদ্বীপের রাস্তায় দেখলেই তথাকথিত পণ্ডিতরা পুঁথিপত্র বগলদাবা করে অন্যদিকে পালাতো !
যাইহোক, সেই সময়কার মহাপ্রভূর একটা লীলার কথা বলা হচ্ছিলো ! ওইসময় মহাপ্রভু (তখন নিমাইপণ্ডিত) প্রতিদিনই_ তাঁর কাছে পাঠরত পড়ুয়াদের নিয়ে গঙ্গাস্নানে যেতেন ! গঙ্গার ঘাটে গিয়ে, সেখানে স্নানরত অথবা তর্পনক্রিয়া বা অন্যান্য কোন ক্রিয়ারত ব্রাহ্মণদের নানারকমভাবে বিরক্ত করতেন – নিমাই পণ্ডিত !
ঐ স্নানের ঘাটে যাওয়ার পথেই তৎকালীন নবদ্বীপের প্রধান সব্জীবাজার বসতো। স্থায়ী ব্যবসাদাররা ছাড়াও প্রতিদিনই বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জ থেকে আসা ব্যবসায়ীরা তাদের নিজ নিজ পসরা সাজিয়ে রাস্তার দুধারে বসে বিকিকিনি কোরতো ! ওইখানেই গঙ্গার ধারের দিকে পাশাপাশি গ্রাম থেকে আসা একজন হতদরিদ্র ব্যক্তি যার নাম ছিল ‘শ্রীধর’, সে পথের পাশে বসে বসে কলার পাতা, কলার খোলা (‘পেটো’ তৈরিতে কাজে লাগে, যা পূজায় বা শ্রাদ্ধকর্মে ব্যবহৃত হয়), কলার মোচা, কিছু শাক-পাতা এইসব বিক্রি কোরতো ! সে এতোই দরিদ্র ছিল যে, তার নিজের জমি না থাকায় কোনো ফসল বা সবজি লাগিয়ে – সেগুলি সে বিক্রি করতে পারতো না, তাছাড়া কোনো সব্জি কিনেও আনতে পারতো না । তাই সে এমনই জিনিস বাজারে নিয়ে আসতো – যেগুলি মাঠ-ঘাট থেকে তুলে আনা যায় এবং কলাগাছের যে অংশগুলি লোকে ফেলে দিতো– সেইগুলি থেকে পাতা বা “পেটো” সংগ্রহ করে নিয়ে এসে বিক্রি কোরতো !
প্রতিদিনই মহাপ্রভু গঙ্গাস্নানে যাবার পথে, পন্ডিতদের সঙ্গে যা যা করতেন, তা তো বলা হোলো – কিন্তু এই বেচারা, হতদরিদ্র ‘শ্রীধরে’-র সাথে এত দুর্ব্যবহার করতেন – যে তা বলার নয় ! সিংহরাশির পুরুষ, প্রায় সাতফুটের কাছাকাছি লম্বা, দীর্ঘকায়- গৌরবর্ণ -ব্রাহ্মণশ্রেষ্ঠ- পন্ডিতশ্রেষ্ঠ নিমাই পণ্ডিত বীরদর্পে সশিষ্য প্রত্যহ গঙ্গাস্নানে যেতেন ! ফলে তৎকালীন নবদ্বীপের প্রায় সবাই ওই সময়টায় ভীতসন্ত্রস্ত থাকতোই – কিন্তু সবচাইতে ভীতসন্ত্রস্ত থাকতো ঐ বেচারা শ্রীধর ! মহাপ্রভু প্রত্যহ খুঁজে খুঁজে ঠিক ওকে বের করতেন, আর ওর কাছে গিয়েই ওর ঐ কমদামী, মাঠঘাট থেকে তুলে আনা শাকপাতা বা কলারপাতা, খোলা, মোচাগুলি টানাটানি করতেন, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ফেলে দিতেন ! দরিদ্র শ্রীধর “কেঁদেই আকুল হোতো”– কিন্তু কিছুতেই বুঝতে পারতো না – প্রভু তার সঙ্গে এই নিষ্ঠুর খেলা কেন করেন ? উপস্থিত জনেরাও তাঁর এই খেলার তাৎপর্য বুঝতে পারতো না ! পরবর্তীকালে বৈষ্ণব পদকর্তারা এই “শ্রীধর”-কে মহান বানিয়েছে, কিন্তু মানসরথে সেই সময়ে ফিরে গিয়ে আপনারা(পাঠকেরা) একবার ভাবুন তো – সেই দীন-দরিদ্র ভক্তটির সাথে ভগবানের এটা ঠিক কেমন লীলা ছিল ? এইজন্যই বলা হচ্ছিলো যে, ভগবানের লীলার ইয়ত্তা করে_এমন সাধ্য কার আছে?
যাই হোক,আমরা ভগবান পরমানন্দের কথায় ছিলাম। সেবার দক্ষিণভারতের নন্দীয়াল অঞ্চলে (ওই অঞ্চলে প্রচুর মন্দির রয়েছে) ঘোরার সময়ে গুরুমহারাজ সব মন্দিরে ঢুকেছিলেন না – সেইসব মন্দিরে উনি প্রলয় মহারাজ বা সত্যমজীকে সবাইকে মন্দির দেখানোর দায়িত্ব দিয়ে – উনি বাইরে কোনো স্থানে বসে থাকছিলেন।
এইরূপ বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রেই হবার পরে – ওনার সাথে থাকা ভক্তদের মনে কিছু জিজ্ঞাসার সৃষ্টি হয়েছিল। গুরুমহারাজ কেন সব মন্দিরের ভিতরে প্রবেশ করছেন না ? সুযোগ পেয়েই ভক্তরা গুরুমহারাজকে ঘিরে ধরলো – “গুরুমহারাজ ! ব্যাপারটা কি ?” গুরুমহারাজ উত্তর দিয়েছিলেন – ” জানিস – দক্ষিণভারতের প্রচুর মন্দির বা ধর্মস্থানে এতো নারী-নির্যাতন হয়েছে (দেবদাসী বা এইধরনের প্রথার মাধ্যমে) এবং সমাজের অন্ত্যজ শ্রেণীর উপর এতো অত্যাচার-অনাচার হয়েছে যে, মহাবিশ্বপ্রকৃতি বা মা জগদম্বা এইসব স্থানগুলির প্রতি প্রসন্ন নন ! ৺রী মা চাইছেন না – এইসব ধর্মস্থানগুলির স্থায়িত্ব বাড়ুক – এগুলো যে কোনো ভাবে খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে ! কিন্তু আমি (গুরুমহারাজ) যদি এখন এইসব মন্দিরগুলোয় ‘পা’ দিই – তাহলে এগুলোর longibity অনেক বেড়ে যাবে। আর তা করলে মহাপ্রকৃতির নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়ে যাবে। আমি এটা করতে পারি না !”(ক্রমশঃ)
মহাপুরুষদের, বিশেষতঃ অবতার পুরুষদের প্রতিটি পদক্ষেপই কোনো না কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে সাধিত হয়। ওনারা কখন কোথায় যাবেন, কাদের সাথে দেখা করবেন, কি কি কথা বলবেন – ইত্যাদি সবকিছুই নির্দিষ্ট হয়ে থাকে ! আর এইগুলির মাধ্যমে তাঁরা ‘লীলা’ সংগঠিত করেন৷ ‘লীলা’ কথাটির তাৎপর্য এতটাই ব্যাপক ও বিরাট যে এর মধ্যে মানবকল্যাণ, জীবকল্যাণ, জগৎকল্যাণ এসব তো হয়ই, তার সাথে সাথে ভগবান ও ভক্তের যে মাধুর্য্যরস –তারও আস্বাদন করেন ! তাঁর কোনো কোনো লীলা হয়তো অনেকসময় এতই নিতান্ত, এতই সাধারণ যে সমকালীন মানুষ সেগুলোর বিশেষ কোনো কারণই খুঁজে পায় না, তারা বুঝতেই পারে না যে, এগুলোও ভগবানের ‘লীলা’ এবং এর পিছনেও পূর্ব পূর্ব জীবনের কার্যকারণ সূত্র রয়েছে !
যেমন ধরুন – শ্রীচৈতন্যমহাপ্রভু যখন নবদ্বীপে নিমাই পন্ডিতরূপে লীলা করছিলেন, সেই সময়কার একটা লীলাকাহিনীর কথা উদাহরণ হিসাবে উপস্থাপনা করছি ! সেইসময় নবদ্বীপের ‘নিমাই পণ্ডিত’ মানেই তথাকথিত পণ্ডিতদের কাছে ‘ত্রাসস্বরূপ’! পথে-ঘাটে কোনো পন্ডিত দেখতে পেলেই তার সঙ্গে তিনি তর্ক জুড়ে দিতেন এবং তাকে তর্কে হারিয়ে, তার টিকি কেটে, তার পুঁথিপত্র কেড়ে নিয়ে তাকে নাস্তানাবুদ করে_তবে ছাড়তেন ! শেষে এমন অবস্থা হয়েছিল যে, দলবলসহ (সশিষ্য) নিমাইপণ্ডিতকে নবদ্বীপের রাস্তায় দেখলেই তথাকথিত পণ্ডিতরা পুঁথিপত্র বগলদাবা করে অন্যদিকে পালাতো !
যাইহোক, সেই সময়কার মহাপ্রভূর একটা লীলার কথা বলা হচ্ছিলো ! ওইসময় মহাপ্রভু (তখন নিমাইপণ্ডিত) প্রতিদিনই_ তাঁর কাছে পাঠরত পড়ুয়াদের নিয়ে গঙ্গাস্নানে যেতেন ! গঙ্গার ঘাটে গিয়ে, সেখানে স্নানরত অথবা তর্পনক্রিয়া বা অন্যান্য কোন ক্রিয়ারত ব্রাহ্মণদের নানারকমভাবে বিরক্ত করতেন – নিমাই পণ্ডিত !
ঐ স্নানের ঘাটে যাওয়ার পথেই তৎকালীন নবদ্বীপের প্রধান সব্জীবাজার বসতো। স্থায়ী ব্যবসাদাররা ছাড়াও প্রতিদিনই বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জ থেকে আসা ব্যবসায়ীরা তাদের নিজ নিজ পসরা সাজিয়ে রাস্তার দুধারে বসে বিকিকিনি কোরতো ! ওইখানেই গঙ্গার ধারের দিকে পাশাপাশি গ্রাম থেকে আসা একজন হতদরিদ্র ব্যক্তি যার নাম ছিল ‘শ্রীধর’, সে পথের পাশে বসে বসে কলার পাতা, কলার খোলা (‘পেটো’ তৈরিতে কাজে লাগে, যা পূজায় বা শ্রাদ্ধকর্মে ব্যবহৃত হয়), কলার মোচা, কিছু শাক-পাতা এইসব বিক্রি কোরতো ! সে এতোই দরিদ্র ছিল যে, তার নিজের জমি না থাকায় কোনো ফসল বা সবজি লাগিয়ে – সেগুলি সে বিক্রি করতে পারতো না, তাছাড়া কোনো সব্জি কিনেও আনতে পারতো না । তাই সে এমনই জিনিস বাজারে নিয়ে আসতো – যেগুলি মাঠ-ঘাট থেকে তুলে আনা যায় এবং কলাগাছের যে অংশগুলি লোকে ফেলে দিতো– সেইগুলি থেকে পাতা বা “পেটো” সংগ্রহ করে নিয়ে এসে বিক্রি কোরতো !
প্রতিদিনই মহাপ্রভু গঙ্গাস্নানে যাবার পথে, পন্ডিতদের সঙ্গে যা যা করতেন, তা তো বলা হোলো – কিন্তু এই বেচারা, হতদরিদ্র ‘শ্রীধরে’-র সাথে এত দুর্ব্যবহার করতেন – যে তা বলার নয় ! সিংহরাশির পুরুষ, প্রায় সাতফুটের কাছাকাছি লম্বা, দীর্ঘকায়- গৌরবর্ণ -ব্রাহ্মণশ্রেষ্ঠ- পন্ডিতশ্রেষ্ঠ নিমাই পণ্ডিত বীরদর্পে সশিষ্য প্রত্যহ গঙ্গাস্নানে যেতেন ! ফলে তৎকালীন নবদ্বীপের প্রায় সবাই ওই সময়টায় ভীতসন্ত্রস্ত থাকতোই – কিন্তু সবচাইতে ভীতসন্ত্রস্ত থাকতো ঐ বেচারা শ্রীধর ! মহাপ্রভু প্রত্যহ খুঁজে খুঁজে ঠিক ওকে বের করতেন, আর ওর কাছে গিয়েই ওর ঐ কমদামী, মাঠঘাট থেকে তুলে আনা শাকপাতা বা কলারপাতা, খোলা, মোচাগুলি টানাটানি করতেন, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ফেলে দিতেন ! দরিদ্র শ্রীধর “কেঁদেই আকুল হোতো”– কিন্তু কিছুতেই বুঝতে পারতো না – প্রভু তার সঙ্গে এই নিষ্ঠুর খেলা কেন করেন ? উপস্থিত জনেরাও তাঁর এই খেলার তাৎপর্য বুঝতে পারতো না ! পরবর্তীকালে বৈষ্ণব পদকর্তারা এই “শ্রীধর”-কে মহান বানিয়েছে, কিন্তু মানসরথে সেই সময়ে ফিরে গিয়ে আপনারা(পাঠকেরা) একবার ভাবুন তো – সেই দীন-দরিদ্র ভক্তটির সাথে ভগবানের এটা ঠিক কেমন লীলা ছিল ? এইজন্যই বলা হচ্ছিলো যে, ভগবানের লীলার ইয়ত্তা করে_এমন সাধ্য কার আছে?
যাই হোক,আমরা ভগবান পরমানন্দের কথায় ছিলাম। সেবার দক্ষিণভারতের নন্দীয়াল অঞ্চলে (ওই অঞ্চলে প্রচুর মন্দির রয়েছে) ঘোরার সময়ে গুরুমহারাজ সব মন্দিরে ঢুকেছিলেন না – সেইসব মন্দিরে উনি প্রলয় মহারাজ বা সত্যমজীকে সবাইকে মন্দির দেখানোর দায়িত্ব দিয়ে – উনি বাইরে কোনো স্থানে বসে থাকছিলেন।
এইরূপ বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রেই হবার পরে – ওনার সাথে থাকা ভক্তদের মনে কিছু জিজ্ঞাসার সৃষ্টি হয়েছিল। গুরুমহারাজ কেন সব মন্দিরের ভিতরে প্রবেশ করছেন না ? সুযোগ পেয়েই ভক্তরা গুরুমহারাজকে ঘিরে ধরলো – “গুরুমহারাজ ! ব্যাপারটা কি ?” গুরুমহারাজ উত্তর দিয়েছিলেন – ” জানিস – দক্ষিণভারতের প্রচুর মন্দির বা ধর্মস্থানে এতো নারী-নির্যাতন হয়েছে (দেবদাসী বা এইধরনের প্রথার মাধ্যমে) এবং সমাজের অন্ত্যজ শ্রেণীর উপর এতো অত্যাচার-অনাচার হয়েছে যে, মহাবিশ্বপ্রকৃতি বা মা জগদম্বা এইসব স্থানগুলির প্রতি প্রসন্ন নন ! ৺রী মা চাইছেন না – এইসব ধর্মস্থানগুলির স্থায়িত্ব বাড়ুক – এগুলো যে কোনো ভাবে খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে ! কিন্তু আমি (গুরুমহারাজ) যদি এখন এইসব মন্দিরগুলোয় ‘পা’ দিই – তাহলে এগুলোর longibity অনেক বেড়ে যাবে। আর তা করলে মহাপ্রকৃতির নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়ে যাবে। আমি এটা করতে পারি না !”(ক্রমশঃ)
