গুরু মহারাজ স্বামী পরমানন্দের সিটিং-এ বসে আমরা তখন কত ঘটে যাওয়া ঘটনার সাক্ষী ছিলাম – সেগুলোই আপনাদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা এবং ভগবান পরমানন্দের শ্রীমুখ থেকে নির্ঝরিত কথা-সুধার অতি অল্প অংশ (কারণ তাঁর কথার সবটা যথাযথভাবে পরিবেশন করে এমন সাধ্য কার আছে ?) পরিবেশনের চেষ্টাই “পুরোনো সেই বনগ্রামের কথা ” ! কাঁকুরে-সহজপুরের সুদেব কর্মকারের কথা বলতে গিয়ে আমার মনে পড়ে গেল আর একজন বৃদ্ধ ভক্তের কথা – তার নাম ছিল ধনঞ্জয় মাজি ; আশ্রমের সকলে তাকে ‘বাল্মিকী দাদু’- বলে ডাকতো !(এনার কথা আগে ‘পুরোনো বনগ্রামের কথা’ – য় বলা হয়েছিল কিনা মনে পড়ছে না! যদি হয়ে থাকে তাহলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী! তবে এখানে প্রাসঙ্গিক মনে হোল বলে _এটা উল্লেখ করলাম!) তখন ওই ভদ্রলোক আশ্রমে এসে বেশ কিছুদিন করে থেকে যেতেন এবং আশ্রমের বিভিন্ন অংশ ঝাঁট দিয়ে পরিষ্কার করা , নারকেলের পাতা চিঁড়ে আশ্রমের জন্য ঝাঁটা তৈরি করা , কোন ছোট ক্ষেতে শাক সবজির বেড়া দেওয়া এই সব কাজ করতেন ৷ অর্থাৎ বৃদ্ধ হলেও ধনঞ্জয় বাবু যথেষ্ট স্ট্রং ও কর্মঠ ছিলেন ৷ একদিন দেখেছিলাম গুরু মহারাজ ধনঞ্জয় বাবুকে ডেকে বললেন – “আপনাকে আশ্রমের ছেলেরা ‘বাল্মিকী দাদু’ বলে ডাকে , আপনি তাতে দুঃখ পান না তো (সাধারণ চাষী-বাসী মানুষ হওয়া সত্ত্বেও, বয়স্ক লোক বলে গুরুমহারাজ ওনাকে সন্মান দিয়ে কথা বলতেন)! আসলে ছেলেরা এখন (১৯৯o – ১৯৯১) T.V.-তে খুবই রামায়ণ সিরিয়াল টা দেখছে – জানো! ওখানে যিনি বাল্মিকীর অভিনয় করছে তার আপনারই মত বড় বড় সাদা চুল ও দাড়ি রয়েছে – তাই ছেলেরা আপনাকে ‘বাল্মিকী দাদু’ বলে সম্বোধন করে।” ধনঞ্জয় বাবু গুরু মহারাজকে প্রণাম করে বলেছিলেন – ” না বাবা ! আমার এতে মনে দুঃখ হয় না – বরং এই ডাক শুনতে আমার ভালোই লাগে !”
এই হেন ধনঞ্জয় মাজিকে দেখি একদিন সকালের সিটিংয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় এসে হাজির ! গুরু মহারাজের পা দুটো ধরে সেকি হাউ মাউ করে কান্না ! আমরা দেখলাম ওনার মাথা ফেটে গেছে – সেখান থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়ে ওনার লম্বা লম্বা সাদা চুল এবং সাদা দাড়িতে এসে লেগেছে , আর সেই রক্ত শুকিয়ে জমাট বেঁধে চুল-দাড়ির সাথে লেপ্টে গেছে ! সেই অবস্থায় ওনাকে দেখে বীভৎস লাগছিল ! গুরু মহারাজ আপন মনে সিটিং-এ কোন প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা করছিলেন – হঠাৎ করে ‘বাল্মিকী দাদু’-র দিকে চোখ যেতেই উনি একেবারে চমকে উঠলেন – ” এ কি ! কি হয়েছে আপনার ? আপনাকে কি কেউ মেরেছে ?”
ধনঞ্জয় বাবু বললেন – ” আমাকে আমার ছেলে লোহার রডে করে মেরেছে বাবা !” গুরু মহারাজ সে কথা শুনে শিউরে উঠলেন , বললেন – ” সে কি ! এই বৃদ্ধাবস্থায় অতি বড় শত্রুরাও আঘাত করে না – আর আপনার নিজের সন্তান এইভাবে আপনার মস্তকে লোহার রড দিয়ে আঘাত করল ! এত নিষ্ঠুর তারা ! যাইহোক , আপনার সব কথা পরে শুনবো , এখনই আপনার চিকিৎসার প্রয়োজন – নাহলে ক্ষতস্থানে infection হয়ে যাবে !” এই কথাগুলি বলে উনি সযত্নে বাল্মিকী দাদুকে তুলে দাঁড় করিয়ে দিলেন – তারপর নগেন অথবা পতে (বিজারার পতিত পাবন) কাউকে ডেকে ওনাকে ধরে ধরে আশ্রমের দাতব্য চিকিৎসালয়ে দীপ্তি মহারাজ (স্বামী ভূমানন্দ)-এর কাছে নিয়ে যেতে বললেন ( তখনও হসপিটাল হয়নি , হসপিটাল-এর কাজ শুরু হয় গুরু মহারাজের শরীর ত্যাগের অনেক পরে) ।
সেদিন বিকালের সিটিংয়ে আমরা বসে আছি । ধনঞ্জয় মাজিও ধীরে ধীরে এসে বসলেন , ওনার মাথায় ব্যান্ডেজ বাঁধা , মুখটা একটু ফুলে রয়েছে , কিন্তু খাওয়া দাওয়া করে দুপুরে বিশ্রাম নেওয়ায় উনি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন – দেখলাম । উনি বসার পর গুরু মহারাজ ওনাকে জিজ্ঞাসা করলেন – “এবার বলুন কি এমন ঘটনা ঘটেছিল যে , আপনার ছেলেরা এমন নিষ্ঠুর ভাবে আপনার মাথায় আঘাত করল – আপনার অপরাধটা কি ?” ধনঞ্জয় উত্তর দিলেন – ” আমার ছেলেরা চায় যে , আমার যা কিছু বিষয় সম্পত্তি রয়েছে – সেগুলো যেন আমি এখনই ওদের নামে লিখে দিই !”
একথা শুনে গুরুমহারাজ সাথে সাথেই বলে উঠলেন _”দিয়ে দিন!! জানেন না _’বিষয় বিষ হয়’! আপনার সব সম্পত্তি ছেলেদেরকে দিয়ে দিন ! নাহলে তো ওরা আপনাকে মেরেই ফেলবে! লোহার রড দিয়ে যদি ওরা আপনাকে আঘাত করতে পারে _তাহলে ওরা আপনাকে মেরে ফেলতেও পারে! আপনি বয়স্ক মানুষ _লোহার রডের এক ঘা-ই তো আপনাকে মেরে ফেলার পক্ষে যথেষ্ট!! আজকেই হয়তো মারা যেতে পারতেন!!
কিন্তু এর ফলে কি হোতে পারে _তা জানেন!! আপনার অপঘাত মৃত্যু হোলে, প্রেতযোনী প্রাপ্ত হয়ে আপনি অযথা কিছুকাল কষ্ট ভোগ করবেন এবং আপনার পুত্ররাও পিতৃঘাতী হয়ে মহাপাতকী হবে _যাদের মুক্তি হওয়াই মুস্কিল! কোন না কোন মহাপুরুষের ছত্রছায়ায় না এলে মুক্তি হয় না !!”
গুরুমহারাজের কাছে এই কথা শুনে ধনন্জয় বাবু বলে উঠলেন _”কিন্তু বাবা!জমি-জায়গা যদি আমি ওদেরকে সব দিয়ে দিই তাহলে আমি এবং আমার বৃদ্ধা স্ত্রী এই বুড়ো বয়সে খাব কি! ছেলেরা তো দুটো খেতেও দেবে না!!”
এর উত্তরে গুরুমহারাজ সস্নেহে বলে উঠলেন _”না-না! সে সব নিয়ে আপনি ভাববেন না _আমি মুরারীকে(স্বামী নিস্কামানন্দ) বলে দেব যাতে করে_ আপনাদের দুজনকে আশ্রমে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়!”
এরপর থেকে আমরা দেখতাম ঐ বৃদ্ধ-বৃদ্ধা আশ্রমেই থাকতেন! ওনার কোন ছেলেকে কোনদিন বৃদ্ধ মা-বাবার খোঁজ নেবার জন্য আসতে দেখিনি (যদিও আসে আমার চোখে পড়েনি)! তবে মেয়ে-জামাই আসতো। কিছুদিন পরে দেখেছিলাম _যে কোন কারণে _ওরা আশ্রম ছেড়ে দিয়ে মেয়ের কাছে গিয়ে থাকতো!
ওখানেই বৃদ্ধা মারা যায়! তারপর কিছুদিন ধনন্জয় বাবু আবার আশ্রমে এসেছিলেন , তখন গুরুমহারাজের দেহান্ত হয়েছে _আশ্রমের সবার মন খারাপ, সেই অবস্থায় উনি বাড়িতে ফিরে গিয়েছিলেন।
তারপর বেশ কিছুকাল ওনার কোন খোঁজখবর ছিল না!
অনেকদিন পরে আমি একদিন খবর পেলাম যে ঐ ভদ্রলোকের এখন ভিক্ষাবৃত্তি অবলম্বন করে দিন কাটছে! এটা শুনে আমার মনে খুবই কষ্ট হয়েছিল _গুরুমহারাজের কোন সন্তানকে শেষ বয়সে ভিক্ষাবৃত্তি নিতে হোল!! মানতে পারছিলাম না!! তাই একদিন গেলাম ওনার গ্রামের বাড়ি! সেখানে গিয়ে শুনলাম সব বৃত্তান্ত _ঐ ভদ্রলোকের কেন এই দশা!!
ভদ্রলোক গুরুমহারাজের কথা অমান্য করেছিলেন! উনি জমি জায়গা একে একে বিক্রি করে দিচ্ছিলেন, ছেলেরা জোর করে কিছু জমি আটকে না রাখলে হয়তো সবই বিক্রি করে দিতেন!! জমি বিক্রির সব টাকা উনি ছেলেদের বঞ্চিত করে জামাই-এর সাথে জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে রেখেছিলেন। জামাই একটু একটু করে সব টাকা তুলে নিয়ে _ধনন্জয়বাবুকে একেবারে নিঃস্ব করে দিয়েছিল! আর তাই শেষ বয়সে ঐরূপ সাজা ভোগ করতে হয়েছিল!
“যেমন কর্ম করবে ভায়া – তেমনি পাবে ফল!” (ক্রমশঃ)
এই হেন ধনঞ্জয় মাজিকে দেখি একদিন সকালের সিটিংয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় এসে হাজির ! গুরু মহারাজের পা দুটো ধরে সেকি হাউ মাউ করে কান্না ! আমরা দেখলাম ওনার মাথা ফেটে গেছে – সেখান থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়ে ওনার লম্বা লম্বা সাদা চুল এবং সাদা দাড়িতে এসে লেগেছে , আর সেই রক্ত শুকিয়ে জমাট বেঁধে চুল-দাড়ির সাথে লেপ্টে গেছে ! সেই অবস্থায় ওনাকে দেখে বীভৎস লাগছিল ! গুরু মহারাজ আপন মনে সিটিং-এ কোন প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা করছিলেন – হঠাৎ করে ‘বাল্মিকী দাদু’-র দিকে চোখ যেতেই উনি একেবারে চমকে উঠলেন – ” এ কি ! কি হয়েছে আপনার ? আপনাকে কি কেউ মেরেছে ?”
ধনঞ্জয় বাবু বললেন – ” আমাকে আমার ছেলে লোহার রডে করে মেরেছে বাবা !” গুরু মহারাজ সে কথা শুনে শিউরে উঠলেন , বললেন – ” সে কি ! এই বৃদ্ধাবস্থায় অতি বড় শত্রুরাও আঘাত করে না – আর আপনার নিজের সন্তান এইভাবে আপনার মস্তকে লোহার রড দিয়ে আঘাত করল ! এত নিষ্ঠুর তারা ! যাইহোক , আপনার সব কথা পরে শুনবো , এখনই আপনার চিকিৎসার প্রয়োজন – নাহলে ক্ষতস্থানে infection হয়ে যাবে !” এই কথাগুলি বলে উনি সযত্নে বাল্মিকী দাদুকে তুলে দাঁড় করিয়ে দিলেন – তারপর নগেন অথবা পতে (বিজারার পতিত পাবন) কাউকে ডেকে ওনাকে ধরে ধরে আশ্রমের দাতব্য চিকিৎসালয়ে দীপ্তি মহারাজ (স্বামী ভূমানন্দ)-এর কাছে নিয়ে যেতে বললেন ( তখনও হসপিটাল হয়নি , হসপিটাল-এর কাজ শুরু হয় গুরু মহারাজের শরীর ত্যাগের অনেক পরে) ।
সেদিন বিকালের সিটিংয়ে আমরা বসে আছি । ধনঞ্জয় মাজিও ধীরে ধীরে এসে বসলেন , ওনার মাথায় ব্যান্ডেজ বাঁধা , মুখটা একটু ফুলে রয়েছে , কিন্তু খাওয়া দাওয়া করে দুপুরে বিশ্রাম নেওয়ায় উনি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন – দেখলাম । উনি বসার পর গুরু মহারাজ ওনাকে জিজ্ঞাসা করলেন – “এবার বলুন কি এমন ঘটনা ঘটেছিল যে , আপনার ছেলেরা এমন নিষ্ঠুর ভাবে আপনার মাথায় আঘাত করল – আপনার অপরাধটা কি ?” ধনঞ্জয় উত্তর দিলেন – ” আমার ছেলেরা চায় যে , আমার যা কিছু বিষয় সম্পত্তি রয়েছে – সেগুলো যেন আমি এখনই ওদের নামে লিখে দিই !”
একথা শুনে গুরুমহারাজ সাথে সাথেই বলে উঠলেন _”দিয়ে দিন!! জানেন না _’বিষয় বিষ হয়’! আপনার সব সম্পত্তি ছেলেদেরকে দিয়ে দিন ! নাহলে তো ওরা আপনাকে মেরেই ফেলবে! লোহার রড দিয়ে যদি ওরা আপনাকে আঘাত করতে পারে _তাহলে ওরা আপনাকে মেরে ফেলতেও পারে! আপনি বয়স্ক মানুষ _লোহার রডের এক ঘা-ই তো আপনাকে মেরে ফেলার পক্ষে যথেষ্ট!! আজকেই হয়তো মারা যেতে পারতেন!!
কিন্তু এর ফলে কি হোতে পারে _তা জানেন!! আপনার অপঘাত মৃত্যু হোলে, প্রেতযোনী প্রাপ্ত হয়ে আপনি অযথা কিছুকাল কষ্ট ভোগ করবেন এবং আপনার পুত্ররাও পিতৃঘাতী হয়ে মহাপাতকী হবে _যাদের মুক্তি হওয়াই মুস্কিল! কোন না কোন মহাপুরুষের ছত্রছায়ায় না এলে মুক্তি হয় না !!”
গুরুমহারাজের কাছে এই কথা শুনে ধনন্জয় বাবু বলে উঠলেন _”কিন্তু বাবা!জমি-জায়গা যদি আমি ওদেরকে সব দিয়ে দিই তাহলে আমি এবং আমার বৃদ্ধা স্ত্রী এই বুড়ো বয়সে খাব কি! ছেলেরা তো দুটো খেতেও দেবে না!!”
এর উত্তরে গুরুমহারাজ সস্নেহে বলে উঠলেন _”না-না! সে সব নিয়ে আপনি ভাববেন না _আমি মুরারীকে(স্বামী নিস্কামানন্দ) বলে দেব যাতে করে_ আপনাদের দুজনকে আশ্রমে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়!”
এরপর থেকে আমরা দেখতাম ঐ বৃদ্ধ-বৃদ্ধা আশ্রমেই থাকতেন! ওনার কোন ছেলেকে কোনদিন বৃদ্ধ মা-বাবার খোঁজ নেবার জন্য আসতে দেখিনি (যদিও আসে আমার চোখে পড়েনি)! তবে মেয়ে-জামাই আসতো। কিছুদিন পরে দেখেছিলাম _যে কোন কারণে _ওরা আশ্রম ছেড়ে দিয়ে মেয়ের কাছে গিয়ে থাকতো!
ওখানেই বৃদ্ধা মারা যায়! তারপর কিছুদিন ধনন্জয় বাবু আবার আশ্রমে এসেছিলেন , তখন গুরুমহারাজের দেহান্ত হয়েছে _আশ্রমের সবার মন খারাপ, সেই অবস্থায় উনি বাড়িতে ফিরে গিয়েছিলেন।
তারপর বেশ কিছুকাল ওনার কোন খোঁজখবর ছিল না!
অনেকদিন পরে আমি একদিন খবর পেলাম যে ঐ ভদ্রলোকের এখন ভিক্ষাবৃত্তি অবলম্বন করে দিন কাটছে! এটা শুনে আমার মনে খুবই কষ্ট হয়েছিল _গুরুমহারাজের কোন সন্তানকে শেষ বয়সে ভিক্ষাবৃত্তি নিতে হোল!! মানতে পারছিলাম না!! তাই একদিন গেলাম ওনার গ্রামের বাড়ি! সেখানে গিয়ে শুনলাম সব বৃত্তান্ত _ঐ ভদ্রলোকের কেন এই দশা!!
ভদ্রলোক গুরুমহারাজের কথা অমান্য করেছিলেন! উনি জমি জায়গা একে একে বিক্রি করে দিচ্ছিলেন, ছেলেরা জোর করে কিছু জমি আটকে না রাখলে হয়তো সবই বিক্রি করে দিতেন!! জমি বিক্রির সব টাকা উনি ছেলেদের বঞ্চিত করে জামাই-এর সাথে জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে রেখেছিলেন। জামাই একটু একটু করে সব টাকা তুলে নিয়ে _ধনন্জয়বাবুকে একেবারে নিঃস্ব করে দিয়েছিল! আর তাই শেষ বয়সে ঐরূপ সাজা ভোগ করতে হয়েছিল!
“যেমন কর্ম করবে ভায়া – তেমনি পাবে ফল!” (ক্রমশঃ)
