অপমানজনক অবস্থায় P. R. S -এর কাজ বন্ধ হবার উপক্রম হল। ব্যক্তিগত ভাবে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা ছাড়া স্বামী বাউলানন্দজীর আর কোন উপায় রইল না। অনেক দিন পর তিনি P. R. S.-এর একটা ছােট নৌকা করে রাজমুন্দ্ৰী এলেন। এখানে বসবাস করার জন্য যা যা প্রয়ােজন তার সব সঙ্গে করে নিয়ে এলেন। আর্যপূরমে খড়ের ছাউনী দেওয়া P. R. S.-এর একটা ছােট্ট ঘর ছিল। স্বামীজী সেখানে থাকতে লাগলেন। এই ঘরের মধ্যে একদিকে দড়ির স্তূপ, অন্যদিকে কাঠের টুকরো জড়ো করা ছিল। ঘরের তিনদিকে কমজোরি বাঁশ দিয়ে ঘেরা। স্বামীজী এই ঘরেই রইলেন। জঞ্জাল সরিয়ে এক ফাঁকে রামকৃষ্ণের ফটো রাখলেন। দুটো তক্তা এর মধ্যে ছিল। একটাকে বার করে বাইরে রেখে দেওয়া হল। স্বামীজী এই তক্তায় শুতেন । আর একটা তক্তা মেঝেতে ছিল। ওখানে দর্শনার্থীরা এসে বসত। ঘরের পিছনে কাঠ দিয়ে একটা মাচান তৈরী করা হল। এর উপরে কাটা কাঠ থাকত। মাচানের নীচে স্বামীজী এবং দর্শনার্থীদের জন্য খাবার রান্না করার ব্যবস্থা হল।
সেক্রেটারি ওখানে স্বামীজীর থাকার ব্যবস্থা করে দিল। সেক্রেটারী এবং তার পরিবারের লােক সকালে-সন্ধ্যায় স্বামীজীকে সেবা করার জন্য আসত।
কিছু লােক স্বামীজীর আগমন বার্তা এবং আগমনের কারণ জানতে পারল। ঐ সময় সম্বশিবা রাও রাজমূন্দ্রীতে থাকত। স্বামীজী তাকে আগে হতেই চিনতেন। তিনি স্বামীজীর সঙ্গে দেখা করলেন। কিছু আলােচনা হল। আলোচনার বিষয় ছিল—কোথা হতে টাকা কর্জ করে মিঃ নাইডুর টাকা শােধ করে দেওয়া যায়, সরকারী কিস্তি দেওয়া যায় এবং P. R. S.-কে কিভাবে চালু করা যায়।
কোরুকোণ্ডা হতে ডাঃআপ্পালা নরসীমা এবং কঁকিনাড়া হতে বিশ্বাসম এসে হাজির হােল। সকলে নিজ নিজ মতামত ব্যক্ত করতে লাগল।
সংগঠনের জন্য একটা সিন্দুক কেনা দরকার হল। এর জন্য অগ্রিম দেওয়ার মতো টাকা তার কাছে ছিল না। একটা বড় কাঠের বাক্সও দরকার। এর মধ্যে জিনিসপত্র রাখতে হবে। সিন্দুক এবং কাঠের বাক্সের অর্ডার দেওয়া হল। অনেক সহানুভূতিশীল লোক এসে নানা রকম উপদেশ দিতে লাগল । কিন্তু কোন রাস্তা খুঁজে পাওয়া গেল না।
এই সময়ে রাজমুন্দ্রীতে ‘দি গোদাবরী কোঅপারেটিভ সেন্ট্রাল স্টোর্স’ নামে একটি সংস্থা ছিল। এটি খুব বড় সংস্থা। পূর্ব এবং পশ্চিম এবং গোদাবরী উভয় জেলাতেই এই সংস্থা ব্যবসা করত। ডিঃ সুন্দরম ছিলেন এই সংস্থার সেক্রেটারি। তিনি আবার সম্বশিবা রাও-এর বন্ধু । সম্বশিবা রাও সুন্দরমের সঙ্গে স্বামীজীর পরিচয় করিয়ে দিলেন।
প্রথম সাক্ষাতের পর তারা পুনরায় এসে বিস্তারিতভাবে সকল বিষয় আলোচনা করতে চাইলেন ।
স্বামীজীর নিকট সুন্দরম সমস্ত বৃত্তান্ত শুনলেন । উপজাতিদের সমস্যার কথা আলােচনা করা হােল । স্বামীজী সুন্দরমকে এই কার্যভার নিতে বললেন। স্বামীজী তাকে বুঝিয়ে বললেন কিভাবে গত দু-বছর ধরে তিনি ( স্বামীজী) উপজাতিদের অবস্থার উন্নতি ঘটিয়েছেন। বর্তমান সঙ্কট এবং অচল অবস্থার একটা পরিষ্কার ছবি তাকে দেওয়া হল ।
সেক্রেটারি ওখানে স্বামীজীর থাকার ব্যবস্থা করে দিল। সেক্রেটারী এবং তার পরিবারের লােক সকালে-সন্ধ্যায় স্বামীজীকে সেবা করার জন্য আসত।
কিছু লােক স্বামীজীর আগমন বার্তা এবং আগমনের কারণ জানতে পারল। ঐ সময় সম্বশিবা রাও রাজমূন্দ্রীতে থাকত। স্বামীজী তাকে আগে হতেই চিনতেন। তিনি স্বামীজীর সঙ্গে দেখা করলেন। কিছু আলােচনা হল। আলোচনার বিষয় ছিল—কোথা হতে টাকা কর্জ করে মিঃ নাইডুর টাকা শােধ করে দেওয়া যায়, সরকারী কিস্তি দেওয়া যায় এবং P. R. S.-কে কিভাবে চালু করা যায়।
কোরুকোণ্ডা হতে ডাঃআপ্পালা নরসীমা এবং কঁকিনাড়া হতে বিশ্বাসম এসে হাজির হােল। সকলে নিজ নিজ মতামত ব্যক্ত করতে লাগল।
সংগঠনের জন্য একটা সিন্দুক কেনা দরকার হল। এর জন্য অগ্রিম দেওয়ার মতো টাকা তার কাছে ছিল না। একটা বড় কাঠের বাক্সও দরকার। এর মধ্যে জিনিসপত্র রাখতে হবে। সিন্দুক এবং কাঠের বাক্সের অর্ডার দেওয়া হল। অনেক সহানুভূতিশীল লোক এসে নানা রকম উপদেশ দিতে লাগল । কিন্তু কোন রাস্তা খুঁজে পাওয়া গেল না।
এই সময়ে রাজমুন্দ্রীতে ‘দি গোদাবরী কোঅপারেটিভ সেন্ট্রাল স্টোর্স’ নামে একটি সংস্থা ছিল। এটি খুব বড় সংস্থা। পূর্ব এবং পশ্চিম এবং গোদাবরী উভয় জেলাতেই এই সংস্থা ব্যবসা করত। ডিঃ সুন্দরম ছিলেন এই সংস্থার সেক্রেটারি। তিনি আবার সম্বশিবা রাও-এর বন্ধু । সম্বশিবা রাও সুন্দরমের সঙ্গে স্বামীজীর পরিচয় করিয়ে দিলেন।
প্রথম সাক্ষাতের পর তারা পুনরায় এসে বিস্তারিতভাবে সকল বিষয় আলোচনা করতে চাইলেন ।
স্বামীজীর নিকট সুন্দরম সমস্ত বৃত্তান্ত শুনলেন । উপজাতিদের সমস্যার কথা আলােচনা করা হােল । স্বামীজী সুন্দরমকে এই কার্যভার নিতে বললেন। স্বামীজী তাকে বুঝিয়ে বললেন কিভাবে গত দু-বছর ধরে তিনি ( স্বামীজী) উপজাতিদের অবস্থার উন্নতি ঘটিয়েছেন। বর্তমান সঙ্কট এবং অচল অবস্থার একটা পরিষ্কার ছবি তাকে দেওয়া হল ।
