গুরু মহারাজ সিটিং-এ এক একদিন এক একটা বিষয় নিয়ে এমনভাবে আলোচনা করতেন যে উপস্থিত জনেদের সেই বিষয়ের প্রত্নতাত্ত্বিক, ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক, বৈজ্ঞানিক এবং অবশেষে অবশ্যই আধ্যাত্মিক জ্ঞান লাভ হয়ে যেতো ৷ আপনাদের আগে হয়তো একবার বা বারবার বলেছি যে গুরু মহারাজ থাকাকালীন আমাদের আর অন্য কোন গ্রন্থ পড়া এমনকি খবরের কাগজও পড়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল (গুরুমহারাজ অবশ্য মাঝে মাঝে দু – একটা বই-এর নাম উল্লেখ করে সেটা পড়তে বলতেন)। আর তা কেন হয়েছিল – তার যথেষ্ট কারণ ছিল , সেটা আপনারাও বুঝতে পারছেন ৷ যে কোন ছোটখাটো বিষয় থেকে শুরু করে বিশ্ব বা মহাবিশ্বের সমস্ত খবর তখন আমাদের জানা ! সে যে আমাদের কি সময় গিয়েছে !!!
তাই গুরু মহারাজ শরীর ছেড়ে চলে যাবার সময় একটা কথা বারবার মনে হোত , “আমাদের অহংকারটা-ই চলে গেল”! গুরু মহারাজ ছিলেন আমাদের অহংকার!! ‘শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃতে’ _পড়েছিলাম রাজার বাড়ীর পরিচারিকার বালক-পুত্রের গল্পকথা ! রাজ অন্তঃপুরে তার লাফালাফি দেখে স্বয়ং রাজাও যদি তাকে তিরস্কার করতে যায় – তখন সেই শিশুও বলে ওঠে “মাকে বলে দেবো” ৷ আমাদের সেই ‘মা’ ছিলেন গুরু মহারাজ ! গুরু মহারাজ স্বামী পরমানন্দ !!
গুরু মহারাজ ছিলেন আমাদের কত বড় অহংকার ! তাঁর রূপের অহংকার, তাঁর গুণের অহংকার, তাঁর জ্ঞানের অহংকার, তাঁর সাধনার অহংকার, তাঁর যোগ-বিভূতির অহংকার , …… আরও কত বলবো ! আমাদের কিছুই নেই তো কি হয়েছে ? আমাদের পিতার সব রয়েছে – চলো, দেখবে চলো ! চলো, দেখিয়ে দিচ্ছি !! ওইখানে – ওই বনগ্রামে ছোট্ট মাটির ঘরখানায় – যার খড়ের চাল, লতা-বিতান ঘেরা – ওই ঘরটায় উনি থাকেন ! একবার যদি তাঁকে দেখো , যদি একবার তাঁর কথা শোন – তাহলেই দেখবে তোমার হৃদয়-মন-প্রাণ জুড়িয়ে যাবে! আর তোমার মনে যত জিজ্ঞাসা আছে সেগুলো ওনার কাছে নিবেদন করো – আর তোমার মনের সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে নাও । তবে প্রশ্ন করতে যেওনা, ‘নিবেদন ভাব’ _নিয়ে জিজ্ঞাসা করো, উদ্ধত ভাব নিয়ে কোরো না – তাহলে কিন্তু তিনি উত্তর দেবেন না । কারণ জানোতো – “শ্রদ্ধাবান্ লভতে জ্ঞানম্”! উনি যে শাস্ত্রের মূর্ত্তরূপ ! তাই ঋষিরা প্রাচীন ভারতবর্ষের অরণ্যে ‘আরণ্যকে’ যা যা বলে গেছেন – উনি তারই স্বয়ংপ্রকাশ ! তাই শাস্ত্রে যা নিষিদ্ধ – সেটা ওখানে করতে যেও না !
আমাদের ‘অহংকার’-কে নিয়ে এই রকমই কথাবার্ত্তা হোত — যখন আমরা কাউকে ওনার কথা প্রথম বলতাম !
একদিন সিটিং-এ কথা হচ্ছিল ‘সাপ’ নিয়ে ! পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের বিষধর ও বিষহীন সাপেদের নাম, ধাম, গোত্রের কথা উনি গড়গড় করে বলে গেলেন ৷ ফণাহীন বিষধরদের মধ্যে র্যাটল্-স্নেক, ব্ল্যাকমাম্বা এইসব নাম বা সাপগুলির নিখুঁত বর্ণনা ওনার কাছেই আমরা প্রথম শুনেছিলাম ৷ এখন তো T.V. তে জন্তু জানোয়ারদের নিয়ে বিভিন্ন চ্যানেল — ফলে এখনকার ছোট ছোট ছেলেমেয়েরাও পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের জীব-জন্তুদের সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল । আর গুরু মহারাজ যখন এইসব কথা বলছেন _তখন আমাদের এখানে T.V. এসেছিল__কিন্তু শুধু DD ন্যাশনাল, DD কোলকাতা আর DD মেট্রো! এই চ্যানেলে যা হচ্চে তাই দেখো ! সুতরাং TV থেকে National Geograpic কোন বিষয় জানার উপায় ছিল না ! গুরু মহারাজ প্রথমবার বিদেশ গিয়ে ওখান থেকে ফেরার সময় কিছু National Geography -র উপর Video Cassette নিয়ে এসেছিলেন আশ্রমের ছেলেদের দেখানোর জন্য !
যাইহোক, সাপেদের বিভিন্ন প্রসঙ্গ চলতে চলতে উনি বলেছিলেন ওনার ঘরে থাকা একটি পঞ্চমুখী সাপের কথা (হয়তো ঐ বেশে থাকা কোন উন্নত Soul) ৷ পঞ্চমুখী সাপ কল্পকাহিনী বা পৌরাণিক কাহিনীতে থাকলেও বাস্তবে এটার কোন অস্তিত্ব নাই । কিন্তু ন’কাকাও আমাকে এই ঘটনাটিও বলেছেন ৷ উনি বলেছিলেন – ” ঠাকুরের (গুরু মহারাজ) ঘরে অনেকদিন একটা পঞ্চমুখী সাপ ছিল , ছোট মতন কিন্তু পাঁচটা মাথা ! ঠাকুর (গুরু মহারাজ) ওকে একটা মাটির ভাঁড়ে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল । ঠাকুর এর কথা বিশেষ কাউকে বলেনি – শুধু আমাকে (ন’কাকাকে) একদিন ডেকে দেখালে বলল_”ন’কাকা! একটা নতুন জিনিস দেখবে এস!” এই বলে ওর(গুরুজীর) ঘরে নিয়ে গিয়ে দেখালো_একটা মাটির ভাঁড়ের মধ্যে ঐ সাপটাকে। দেখলাম ঠাকুর ভাঁড়ের ভিতরে ওকে বেশ গদি করে দিয়েছে_যাতে সাপটির আরামের কোন ত্রুটি না হয়। তার কিছুদিন পর ঠাকুর (গুরুমহারাজ) আমাকে বলল _” ন’কাকা! একটু ননী(মাখন) যোগাড় করে দিতে পারো__ঐ সাপটাকে খাওয়াতে হবে।” আমি (ন’ কাকা) ননী যোগাড় করে ঠাকুরকে দিয়ে এলাম। তার দু-একদিন পরেই ঠাকুর আমাকে বললে_” ন’কাকা! সেই মহাত্মা (সাপটি) শরীর ছেড়ে দিয়েছে, চলো_আমরা নদীর ধারে গিয়ে ওর সৎকারের ব্যবস্থা করি।” এই কথা শুনে ঠাকুরের ঘরে গিয়ে দেখি _সাপটা ভাঁড়ের মধ্যে মরে পড়ে রয়েছে। আমরা দুজনে (গুরুমহারাজ ও ন’কাকা) মুয়ে(মায়া) নদীর ধারে নিয়ে গিয়ে ওর সৎকার করে এলাম।”
তপেশ্বরানন্দ মহারাজ একদিন সন্ধ্যার সময় দেখেছিলেন রাস্তার একপ্রান্ত থেকে উঠে এসে একটা সাপ গুরুমহারাজকে প্রনাম করেই আবার রাস্তার অপর প্রান্ত দিয়ে নেমে গেল (এই ঘটনাটা আগে উল্লেখ করা হয়েছে)। আর একদিন গুরুমহারাজ মাঠে পায়চারি করছিলেন _গঙ্গাবাবুর মেয়ে রত্না তখন ছোট, সেও গুরুমহারাজের কাছে কাছেই ঘুরছিল। গঙ্গাবাবু দুর থেকে মাঠের মধ্যে গুরুমহারাজকে পায়চারি করতে দেখে কাছে এসে ওনাকে যেই প্রনাম করে উঠেছে — অমনি গুরুমহারাজ ওনার লম্বা কোটের পকেট থেকে কিছু একটা বের করে দিতে গেলেন। গঙ্গাবাবুও সেটা(প্রসাদ মনে করে) নেবার জন্যে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। এমন সময়ে ছোট রত্না বলে উঠেছে _”বাবা! নিও না _নিও না! ওটা সাপ!” বাপরে বাপ _ওটা সাপ!!!! শুনেই গঙ্গাবাবু প্রসাদ নেবে কি __ভয়ে দু হাত পিছিয়ে গেল!!
গুরুমহারাজের সে কি হাসি! গুরুমহারাজ সাপটিকে লেজে ধরে পুকুর পাড়ে গিয়ে ছেড়ে দিলেন। সাপটি কি সাপ ছিল _বিষধর না বিহীন, অথবা আদৌ ওটা সাপ ছিল কিনা, কেনই বা ওটা গুরুমহারাজের পকেটে রেখে দিয়েছিলেন _সেসব আর বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়ে ওঠেনি। কিন্তু ঘটনাগুলো অনেকের চোখের সামনেই ঘটেছিল _তাই এখানে উল্লেখ করা হোল। (ক্রমশঃ)
তাই গুরু মহারাজ শরীর ছেড়ে চলে যাবার সময় একটা কথা বারবার মনে হোত , “আমাদের অহংকারটা-ই চলে গেল”! গুরু মহারাজ ছিলেন আমাদের অহংকার!! ‘শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃতে’ _পড়েছিলাম রাজার বাড়ীর পরিচারিকার বালক-পুত্রের গল্পকথা ! রাজ অন্তঃপুরে তার লাফালাফি দেখে স্বয়ং রাজাও যদি তাকে তিরস্কার করতে যায় – তখন সেই শিশুও বলে ওঠে “মাকে বলে দেবো” ৷ আমাদের সেই ‘মা’ ছিলেন গুরু মহারাজ ! গুরু মহারাজ স্বামী পরমানন্দ !!
গুরু মহারাজ ছিলেন আমাদের কত বড় অহংকার ! তাঁর রূপের অহংকার, তাঁর গুণের অহংকার, তাঁর জ্ঞানের অহংকার, তাঁর সাধনার অহংকার, তাঁর যোগ-বিভূতির অহংকার , …… আরও কত বলবো ! আমাদের কিছুই নেই তো কি হয়েছে ? আমাদের পিতার সব রয়েছে – চলো, দেখবে চলো ! চলো, দেখিয়ে দিচ্ছি !! ওইখানে – ওই বনগ্রামে ছোট্ট মাটির ঘরখানায় – যার খড়ের চাল, লতা-বিতান ঘেরা – ওই ঘরটায় উনি থাকেন ! একবার যদি তাঁকে দেখো , যদি একবার তাঁর কথা শোন – তাহলেই দেখবে তোমার হৃদয়-মন-প্রাণ জুড়িয়ে যাবে! আর তোমার মনে যত জিজ্ঞাসা আছে সেগুলো ওনার কাছে নিবেদন করো – আর তোমার মনের সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে নাও । তবে প্রশ্ন করতে যেওনা, ‘নিবেদন ভাব’ _নিয়ে জিজ্ঞাসা করো, উদ্ধত ভাব নিয়ে কোরো না – তাহলে কিন্তু তিনি উত্তর দেবেন না । কারণ জানোতো – “শ্রদ্ধাবান্ লভতে জ্ঞানম্”! উনি যে শাস্ত্রের মূর্ত্তরূপ ! তাই ঋষিরা প্রাচীন ভারতবর্ষের অরণ্যে ‘আরণ্যকে’ যা যা বলে গেছেন – উনি তারই স্বয়ংপ্রকাশ ! তাই শাস্ত্রে যা নিষিদ্ধ – সেটা ওখানে করতে যেও না !
আমাদের ‘অহংকার’-কে নিয়ে এই রকমই কথাবার্ত্তা হোত — যখন আমরা কাউকে ওনার কথা প্রথম বলতাম !
একদিন সিটিং-এ কথা হচ্ছিল ‘সাপ’ নিয়ে ! পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের বিষধর ও বিষহীন সাপেদের নাম, ধাম, গোত্রের কথা উনি গড়গড় করে বলে গেলেন ৷ ফণাহীন বিষধরদের মধ্যে র্যাটল্-স্নেক, ব্ল্যাকমাম্বা এইসব নাম বা সাপগুলির নিখুঁত বর্ণনা ওনার কাছেই আমরা প্রথম শুনেছিলাম ৷ এখন তো T.V. তে জন্তু জানোয়ারদের নিয়ে বিভিন্ন চ্যানেল — ফলে এখনকার ছোট ছোট ছেলেমেয়েরাও পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের জীব-জন্তুদের সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল । আর গুরু মহারাজ যখন এইসব কথা বলছেন _তখন আমাদের এখানে T.V. এসেছিল__কিন্তু শুধু DD ন্যাশনাল, DD কোলকাতা আর DD মেট্রো! এই চ্যানেলে যা হচ্চে তাই দেখো ! সুতরাং TV থেকে National Geograpic কোন বিষয় জানার উপায় ছিল না ! গুরু মহারাজ প্রথমবার বিদেশ গিয়ে ওখান থেকে ফেরার সময় কিছু National Geography -র উপর Video Cassette নিয়ে এসেছিলেন আশ্রমের ছেলেদের দেখানোর জন্য !
যাইহোক, সাপেদের বিভিন্ন প্রসঙ্গ চলতে চলতে উনি বলেছিলেন ওনার ঘরে থাকা একটি পঞ্চমুখী সাপের কথা (হয়তো ঐ বেশে থাকা কোন উন্নত Soul) ৷ পঞ্চমুখী সাপ কল্পকাহিনী বা পৌরাণিক কাহিনীতে থাকলেও বাস্তবে এটার কোন অস্তিত্ব নাই । কিন্তু ন’কাকাও আমাকে এই ঘটনাটিও বলেছেন ৷ উনি বলেছিলেন – ” ঠাকুরের (গুরু মহারাজ) ঘরে অনেকদিন একটা পঞ্চমুখী সাপ ছিল , ছোট মতন কিন্তু পাঁচটা মাথা ! ঠাকুর (গুরু মহারাজ) ওকে একটা মাটির ভাঁড়ে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল । ঠাকুর এর কথা বিশেষ কাউকে বলেনি – শুধু আমাকে (ন’কাকাকে) একদিন ডেকে দেখালে বলল_”ন’কাকা! একটা নতুন জিনিস দেখবে এস!” এই বলে ওর(গুরুজীর) ঘরে নিয়ে গিয়ে দেখালো_একটা মাটির ভাঁড়ের মধ্যে ঐ সাপটাকে। দেখলাম ঠাকুর ভাঁড়ের ভিতরে ওকে বেশ গদি করে দিয়েছে_যাতে সাপটির আরামের কোন ত্রুটি না হয়। তার কিছুদিন পর ঠাকুর (গুরুমহারাজ) আমাকে বলল _” ন’কাকা! একটু ননী(মাখন) যোগাড় করে দিতে পারো__ঐ সাপটাকে খাওয়াতে হবে।” আমি (ন’ কাকা) ননী যোগাড় করে ঠাকুরকে দিয়ে এলাম। তার দু-একদিন পরেই ঠাকুর আমাকে বললে_” ন’কাকা! সেই মহাত্মা (সাপটি) শরীর ছেড়ে দিয়েছে, চলো_আমরা নদীর ধারে গিয়ে ওর সৎকারের ব্যবস্থা করি।” এই কথা শুনে ঠাকুরের ঘরে গিয়ে দেখি _সাপটা ভাঁড়ের মধ্যে মরে পড়ে রয়েছে। আমরা দুজনে (গুরুমহারাজ ও ন’কাকা) মুয়ে(মায়া) নদীর ধারে নিয়ে গিয়ে ওর সৎকার করে এলাম।”
তপেশ্বরানন্দ মহারাজ একদিন সন্ধ্যার সময় দেখেছিলেন রাস্তার একপ্রান্ত থেকে উঠে এসে একটা সাপ গুরুমহারাজকে প্রনাম করেই আবার রাস্তার অপর প্রান্ত দিয়ে নেমে গেল (এই ঘটনাটা আগে উল্লেখ করা হয়েছে)। আর একদিন গুরুমহারাজ মাঠে পায়চারি করছিলেন _গঙ্গাবাবুর মেয়ে রত্না তখন ছোট, সেও গুরুমহারাজের কাছে কাছেই ঘুরছিল। গঙ্গাবাবু দুর থেকে মাঠের মধ্যে গুরুমহারাজকে পায়চারি করতে দেখে কাছে এসে ওনাকে যেই প্রনাম করে উঠেছে — অমনি গুরুমহারাজ ওনার লম্বা কোটের পকেট থেকে কিছু একটা বের করে দিতে গেলেন। গঙ্গাবাবুও সেটা(প্রসাদ মনে করে) নেবার জন্যে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। এমন সময়ে ছোট রত্না বলে উঠেছে _”বাবা! নিও না _নিও না! ওটা সাপ!” বাপরে বাপ _ওটা সাপ!!!! শুনেই গঙ্গাবাবু প্রসাদ নেবে কি __ভয়ে দু হাত পিছিয়ে গেল!!
গুরুমহারাজের সে কি হাসি! গুরুমহারাজ সাপটিকে লেজে ধরে পুকুর পাড়ে গিয়ে ছেড়ে দিলেন। সাপটি কি সাপ ছিল _বিষধর না বিহীন, অথবা আদৌ ওটা সাপ ছিল কিনা, কেনই বা ওটা গুরুমহারাজের পকেটে রেখে দিয়েছিলেন _সেসব আর বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়ে ওঠেনি। কিন্তু ঘটনাগুলো অনেকের চোখের সামনেই ঘটেছিল _তাই এখানে উল্লেখ করা হোল। (ক্রমশঃ)
