[ন’কাকার করুনার কথা আলোচনা করা হচ্ছিল _যেটা আমার মতো আরো অনেকের সাথেই ঘটেছিল। ঐ ঘটনার প্রথম অংশ আগের দিন আলোচনা করা হয়েছে! বাকি অংশ আজ….]
ন’কাকা পরের দিন সকালেই ফিরে যাবার জন্য Ready হয়ে গিয়েছিলেন। তবে তার আগে সেদিন ভোরে ন’কাকার সাথে গঙ্গাস্নান (অসীমদার বাড়ি গঙ্গার খুব কাছেই) করতে গিয়েছিলাম ৷ তখনও অন্ধকার রয়েছে – গঙ্গার অতবড় বাঁধানো ঘাট একদম ফাঁকা ! শুধু আমরা দুজনে স্নান করছি – এটা আমার জীবনের একটা অন্যতম ঘটনা ছিল! সেদিনের মজাটাই ছিল আলাদা! সে সব কথা ভেবে আজও আনন্দ হয় _শরীর রোমাঞ্চিত হয়ে উঠে!
ন’কাকা আমাকে বলেছিলেন – সূর্য অনুদয়ে (সূর্য ওঠার আগে) গঙ্গাস্নান করা সবচাইতে ভালো ! এই সময় গঙ্গার জল গরম থাকে ৷ সেদিন ভোরে ন’কাকার সাথে জলে নেমে সত্যিই আমার অনুভব হয়েছিল গঙ্গার জল গরম ! ন’কাকা খুব সামান্যভাবে স্নানটা সেরে নিয়েছিলেন, আমিও একটু হাত-পা ছুঁড়ে আবার ন’কাকার সাথে উঠে এসেছিলাম ।
অসীমদার বাড়ি ফিরে জামাকাপড় বদলে আমরা দুজনে ষ্টেশনে চলে গেলাম। ব্যান্ডেল পর্যন্ত একসাথে এসে উনি চলে গেলেন মেমারির দিকে, আর আমি কাটোয়ার দিকে! কিন্তু সেবার শ্রীরামপুর গিয়েও কোন ভক্তের সাথে দেখা না করে ন’কাকার পরদিন সকালেই বনগ্রামে ফিরে আসার ঘটনায় সত্যিই আমি অবাক হয়েছিলাম ! শুধুমাত্র আমার অনুরোধ রাখার জন্য বা হর্ষ-র জন্য ন’কাকা অত কষ্ট করে বনগ্রাম থেকে শ্রীরামপুরে এসেছিলেন !!!! এখনও যখন ঐ কথাগুলি স্মরণে আসে – তখন চোখ ভরে জল চলে আসে ! আমার আত্মীয়-স্বজন , বন্ধু-বান্ধবের তো অভাব নাই ৷ কিন্তু এমনি করে পাশে থাকা – সাথে থাকার মানুষ কই !!! এই জন্যই এঁরা আত্মার আত্মীয় !!! স্বজনের স্বজন!!!
গুরু মহারাজ এই ধরনের মানুষদেরকে বলতেন – ‘সুজন’ ! এঁরা ‘সুজন’ বলে-ই সকলের স্বজন হতে পারেন ৷ ‘সকলের’- বললাম অর্থাৎ যারা তঁকে অন্তর দিয়ে ডাকে – উনি তাদের সেই ডাকে সাড়া দেন ।।
ন’কাকার আরও একটা অযাচিত করুনার কথা এখানে উল্লেখ করা যাক্। আমাদের এই এপিসোডগুলি সাজানোর জন্য যে ছেলেটির নিরলস এবং প্রত্যাশাবিহীন প্রয়াস রয়েছে সে হলো ধাত্রীগ্রামের আনন্দ বসাক ! ও গুরু মহারাজকে দেখেনি কিন্তু ন’কাকার ভালোবাসা পেয়েছিল ! ও শুধু ন’কাকার প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা থেকে এবং গুরু মহারাজকে ভগবান জ্ঞান করেই – এই দুরূহ কাজ দিনের পর দিন করে যাচ্ছে !
সে যাইহোক , যা বলছিলাম – ন’কাকার আন্তরিকভাবে ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা ! আনন্দ তখন সবে সবে বনগ্রাম যাওয়া-আসা করছে (২০১০/১১) , ন’কাকার সাথে হয়তো এক বৎসর হ’ল আলাপ হয়েছে! কিন্তু আলাপ হবার পর থেকেই ও ভিতরে ভিতরে ন’কাকার প্রতি একটা টান অনুভব করতো । ইতিমধ্যে ওর ছোট ছেলের অন্নপ্রাশনের দিন স্থির হয়েছিল ৷ আনন্দ গোটা দুই-তিন কার্ড হাতে করে নিয়ে – গুরু মহারাজের ঘরে একটা , মুরারী মহারাজের অফিসে একটা এবং ন’কাকার বাড়ি গিয়ে ওনাকেও একটা কার্ড দিয়েছিল । ন’কাকাকে আনন্দ আলাদা করে অনুরোধ করেছিল – যেন উনি অন্নপ্রাশন উপলক্ষে ওনাদের বাড়ি ধাত্রীগ্রামে যান ।
এরপর কদিন কেটে গেছে – আনন্দ ধারণাও করেনি যে , ন’কাকা একা একাই ওর বাড়ি যেতে পারেন ! কিন্তু তাই ঘটেছিল! যেদিন অন্নপ্রাশন – সেদিন সকালের দিকে হঠাৎ করে আনন্দ ন’কাকা আসবেন না ভেবেও একবার খোঁজ নেবার জন্য ফোন করেছিল! ন’কাকা ফোন রিসিভ করে উত্তর দিয়েছিলেন – ” হ্যাঁ বাবা ! এইতো তোমার বাড়ি-ই যাচ্ছি ৷ এই সাতগেছিয়া পার হলাম।”
একথা শুনে আনন্দ তো অবাক!!! আনন্দেরও সেদিন আনন্দে চোখে জল এসেছিল! ন’কাকা আসার পর যথোপযুক্ত সেবাযত্নও করেছিল।
তবে সেদিন যে আনন্দ অবাক হয়েছিল, তার কারণ তখনও তো ও ন’কাকার সম্বন্ধে অতটা জানতোও না – আর জানলেই বা কি ! “আমার খেলা যখন ছিল তোমার সনে – তখন কে তুমি তা কে জানতো !” – এমনটাই তো হয় ! আমরা কেউই এর বাইরে নই ৷ আমার মনে আছে গুরু মহারাজের দেহান্তের কয়েক বছর পর আমি আর বারেন্দা পরমানন্দ মিশনের নানু মহারাজ (স্বামী নির্বেদানন্দ) সিঙ্গুরে গিয়েছিলাম ৷ ওখানে সব্যসাচী মান্নার বাড়িতে গিয়ে যখন ওনার সাথে কথা বলছিলাম , তখন গুরু মহারাজের প্রসঙ্গ উঠতেই উনি হাউ-মাউ করে কেঁদে ফেললেন , বললেন – ” তখন গুরু মহারাজের সঙ্গে কত খারাপ আচরণ করেছি , ওনাকে কত আজে বাজে জিজ্ঞাসা করে বিরক্ত করেছি – এসবগুলো করা উচিত হয়নি ! ওনাকে যখন কাছে পেয়েছিলাম , তখন আরও বেশি বেশি করে শ্রদ্ধা , ভক্তি ও ভালোবাসায় ভরিয়ে রাখতে হোত , আরও অন্তরের অন্তঃস্থলের গোপনপুরে রেখে দিতে হোত – তা পারি নি শ্রীধর ! তাই আজ চোখের জল ফেলে সেই দিন গুলোর কথা স্মরণ করছি!”
আমরা সবাই সব্যদা ! অস্বীকার করে লাভ নাই , আর অস্বীকার করলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না ! মহাপুরুষদেরকে হাতের কাছে পেয়েও ক’জন তার নিজস্বতা সম্পূর্নরূপে বিসর্জন দিয়ে শুধুমাত্র গুরুর (মহাপুরুষের) প্রীত্যর্থে জীবন ধারণ করেছে ? হয়তো অনেকে সংসার (পরিবার) ছেড়ে আশ্রমে এসে ব্রহ্মচর্য গ্রহণ করেছে – ১২ বছর ব্রহ্মচর্য পালন করে সন্ন্যাসীও হয়েছে – কিন্তু এদের মধ্যেও সম্পূর্ণরূপে নিজস্বতা ত্যাগ করেছে কজন ? ‘অহং-মম’ – ভাবটি কি একেবারেই গেছে ? পরিপূর্ণরূপে গুরু-গত প্রাণ হয়ে , শুধু গুরুর মুখের দিকে তাকিয়ে ক’জন জীবন কাটিয়ে দিয়েছে ? এমন যদি কোথাও হয় তাহলে তার মধ্যে বাহ্য লক্ষণও ফুটে উঠবে_অর্থাৎ তার শরীরটাও গুরুজীর শরীরের মতো হবে,সারূপ্য লাভ করবে!
এই কথার পরিপ্রেক্ষিতে অনেকেই হয়তো ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও স্বামী বিবেকানন্দের উল্লেখ করতে পারে ! স্বামীজী তো ঐরকম বসে থাকেন নি – বলে এই তত্ত্ব খারিজ করতে চাইবে ! কিন্তু এর উত্তর রয়েছে – এখানে হরি-হরের একত্র সহাবস্থান ! উভয়েই একই তত্বের পৃথক পৃথক বহিঃপ্রকাশ – তাই পৃথক রূপ পরিগ্রহ করে পৃথক Style-এ কাজ করেছিলেন ! কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এঁরা ছিলেন একে অপরের পরিপূরক!! ।।(ক্রমশঃ)
ন’কাকা পরের দিন সকালেই ফিরে যাবার জন্য Ready হয়ে গিয়েছিলেন। তবে তার আগে সেদিন ভোরে ন’কাকার সাথে গঙ্গাস্নান (অসীমদার বাড়ি গঙ্গার খুব কাছেই) করতে গিয়েছিলাম ৷ তখনও অন্ধকার রয়েছে – গঙ্গার অতবড় বাঁধানো ঘাট একদম ফাঁকা ! শুধু আমরা দুজনে স্নান করছি – এটা আমার জীবনের একটা অন্যতম ঘটনা ছিল! সেদিনের মজাটাই ছিল আলাদা! সে সব কথা ভেবে আজও আনন্দ হয় _শরীর রোমাঞ্চিত হয়ে উঠে!
ন’কাকা আমাকে বলেছিলেন – সূর্য অনুদয়ে (সূর্য ওঠার আগে) গঙ্গাস্নান করা সবচাইতে ভালো ! এই সময় গঙ্গার জল গরম থাকে ৷ সেদিন ভোরে ন’কাকার সাথে জলে নেমে সত্যিই আমার অনুভব হয়েছিল গঙ্গার জল গরম ! ন’কাকা খুব সামান্যভাবে স্নানটা সেরে নিয়েছিলেন, আমিও একটু হাত-পা ছুঁড়ে আবার ন’কাকার সাথে উঠে এসেছিলাম ।
অসীমদার বাড়ি ফিরে জামাকাপড় বদলে আমরা দুজনে ষ্টেশনে চলে গেলাম। ব্যান্ডেল পর্যন্ত একসাথে এসে উনি চলে গেলেন মেমারির দিকে, আর আমি কাটোয়ার দিকে! কিন্তু সেবার শ্রীরামপুর গিয়েও কোন ভক্তের সাথে দেখা না করে ন’কাকার পরদিন সকালেই বনগ্রামে ফিরে আসার ঘটনায় সত্যিই আমি অবাক হয়েছিলাম ! শুধুমাত্র আমার অনুরোধ রাখার জন্য বা হর্ষ-র জন্য ন’কাকা অত কষ্ট করে বনগ্রাম থেকে শ্রীরামপুরে এসেছিলেন !!!! এখনও যখন ঐ কথাগুলি স্মরণে আসে – তখন চোখ ভরে জল চলে আসে ! আমার আত্মীয়-স্বজন , বন্ধু-বান্ধবের তো অভাব নাই ৷ কিন্তু এমনি করে পাশে থাকা – সাথে থাকার মানুষ কই !!! এই জন্যই এঁরা আত্মার আত্মীয় !!! স্বজনের স্বজন!!!
গুরু মহারাজ এই ধরনের মানুষদেরকে বলতেন – ‘সুজন’ ! এঁরা ‘সুজন’ বলে-ই সকলের স্বজন হতে পারেন ৷ ‘সকলের’- বললাম অর্থাৎ যারা তঁকে অন্তর দিয়ে ডাকে – উনি তাদের সেই ডাকে সাড়া দেন ।।
ন’কাকার আরও একটা অযাচিত করুনার কথা এখানে উল্লেখ করা যাক্। আমাদের এই এপিসোডগুলি সাজানোর জন্য যে ছেলেটির নিরলস এবং প্রত্যাশাবিহীন প্রয়াস রয়েছে সে হলো ধাত্রীগ্রামের আনন্দ বসাক ! ও গুরু মহারাজকে দেখেনি কিন্তু ন’কাকার ভালোবাসা পেয়েছিল ! ও শুধু ন’কাকার প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা থেকে এবং গুরু মহারাজকে ভগবান জ্ঞান করেই – এই দুরূহ কাজ দিনের পর দিন করে যাচ্ছে !
সে যাইহোক , যা বলছিলাম – ন’কাকার আন্তরিকভাবে ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা ! আনন্দ তখন সবে সবে বনগ্রাম যাওয়া-আসা করছে (২০১০/১১) , ন’কাকার সাথে হয়তো এক বৎসর হ’ল আলাপ হয়েছে! কিন্তু আলাপ হবার পর থেকেই ও ভিতরে ভিতরে ন’কাকার প্রতি একটা টান অনুভব করতো । ইতিমধ্যে ওর ছোট ছেলের অন্নপ্রাশনের দিন স্থির হয়েছিল ৷ আনন্দ গোটা দুই-তিন কার্ড হাতে করে নিয়ে – গুরু মহারাজের ঘরে একটা , মুরারী মহারাজের অফিসে একটা এবং ন’কাকার বাড়ি গিয়ে ওনাকেও একটা কার্ড দিয়েছিল । ন’কাকাকে আনন্দ আলাদা করে অনুরোধ করেছিল – যেন উনি অন্নপ্রাশন উপলক্ষে ওনাদের বাড়ি ধাত্রীগ্রামে যান ।
এরপর কদিন কেটে গেছে – আনন্দ ধারণাও করেনি যে , ন’কাকা একা একাই ওর বাড়ি যেতে পারেন ! কিন্তু তাই ঘটেছিল! যেদিন অন্নপ্রাশন – সেদিন সকালের দিকে হঠাৎ করে আনন্দ ন’কাকা আসবেন না ভেবেও একবার খোঁজ নেবার জন্য ফোন করেছিল! ন’কাকা ফোন রিসিভ করে উত্তর দিয়েছিলেন – ” হ্যাঁ বাবা ! এইতো তোমার বাড়ি-ই যাচ্ছি ৷ এই সাতগেছিয়া পার হলাম।”
একথা শুনে আনন্দ তো অবাক!!! আনন্দেরও সেদিন আনন্দে চোখে জল এসেছিল! ন’কাকা আসার পর যথোপযুক্ত সেবাযত্নও করেছিল।
তবে সেদিন যে আনন্দ অবাক হয়েছিল, তার কারণ তখনও তো ও ন’কাকার সম্বন্ধে অতটা জানতোও না – আর জানলেই বা কি ! “আমার খেলা যখন ছিল তোমার সনে – তখন কে তুমি তা কে জানতো !” – এমনটাই তো হয় ! আমরা কেউই এর বাইরে নই ৷ আমার মনে আছে গুরু মহারাজের দেহান্তের কয়েক বছর পর আমি আর বারেন্দা পরমানন্দ মিশনের নানু মহারাজ (স্বামী নির্বেদানন্দ) সিঙ্গুরে গিয়েছিলাম ৷ ওখানে সব্যসাচী মান্নার বাড়িতে গিয়ে যখন ওনার সাথে কথা বলছিলাম , তখন গুরু মহারাজের প্রসঙ্গ উঠতেই উনি হাউ-মাউ করে কেঁদে ফেললেন , বললেন – ” তখন গুরু মহারাজের সঙ্গে কত খারাপ আচরণ করেছি , ওনাকে কত আজে বাজে জিজ্ঞাসা করে বিরক্ত করেছি – এসবগুলো করা উচিত হয়নি ! ওনাকে যখন কাছে পেয়েছিলাম , তখন আরও বেশি বেশি করে শ্রদ্ধা , ভক্তি ও ভালোবাসায় ভরিয়ে রাখতে হোত , আরও অন্তরের অন্তঃস্থলের গোপনপুরে রেখে দিতে হোত – তা পারি নি শ্রীধর ! তাই আজ চোখের জল ফেলে সেই দিন গুলোর কথা স্মরণ করছি!”
আমরা সবাই সব্যদা ! অস্বীকার করে লাভ নাই , আর অস্বীকার করলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না ! মহাপুরুষদেরকে হাতের কাছে পেয়েও ক’জন তার নিজস্বতা সম্পূর্নরূপে বিসর্জন দিয়ে শুধুমাত্র গুরুর (মহাপুরুষের) প্রীত্যর্থে জীবন ধারণ করেছে ? হয়তো অনেকে সংসার (পরিবার) ছেড়ে আশ্রমে এসে ব্রহ্মচর্য গ্রহণ করেছে – ১২ বছর ব্রহ্মচর্য পালন করে সন্ন্যাসীও হয়েছে – কিন্তু এদের মধ্যেও সম্পূর্ণরূপে নিজস্বতা ত্যাগ করেছে কজন ? ‘অহং-মম’ – ভাবটি কি একেবারেই গেছে ? পরিপূর্ণরূপে গুরু-গত প্রাণ হয়ে , শুধু গুরুর মুখের দিকে তাকিয়ে ক’জন জীবন কাটিয়ে দিয়েছে ? এমন যদি কোথাও হয় তাহলে তার মধ্যে বাহ্য লক্ষণও ফুটে উঠবে_অর্থাৎ তার শরীরটাও গুরুজীর শরীরের মতো হবে,সারূপ্য লাভ করবে!
এই কথার পরিপ্রেক্ষিতে অনেকেই হয়তো ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও স্বামী বিবেকানন্দের উল্লেখ করতে পারে ! স্বামীজী তো ঐরকম বসে থাকেন নি – বলে এই তত্ত্ব খারিজ করতে চাইবে ! কিন্তু এর উত্তর রয়েছে – এখানে হরি-হরের একত্র সহাবস্থান ! উভয়েই একই তত্বের পৃথক পৃথক বহিঃপ্রকাশ – তাই পৃথক রূপ পরিগ্রহ করে পৃথক Style-এ কাজ করেছিলেন ! কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এঁরা ছিলেন একে অপরের পরিপূরক!! ।।(ক্রমশঃ)
