[ ন’কাকার সাথে আধ্যাত্মিকভাবে বিভিন্ন উন্নত মানুষ বা মহাপুরুষ এমনকি যে স্থানে যেতেন সেখানকার স্থানীয় দেব-দেবীরও যোগাযোগ হোত। আমরা সেই সব ব্যাপারেই আলোচনা করছিলাম!]
ন’কাকা যেখানেই রাত কাটাতেন সেখানেই তাঁর দেব-দেবী দর্শন বা সূক্ষ্ম শরীরের মহাপুরুষ বা উন্নত সাধকের সাথে যোগাযোগ হোতো (আর প্রেতযোনীদের ব্যবস্থা উনি সেই স্থানে পা দেবার সাথে সাথেই করে দিতেন) । উনি আমাদের বাড়িতে (রশুই গ্রামে) থাকার সময়েও, ওনার সারারাত ধরে শিব-দর্শন ও শিবের গাজন , শিবরাত্রির মেলা দর্শনের কথা বলেছিলেন! বারেন্দা আশ্রমে বিভিন্ন উন্নত সাধকের সাথে contact হওয়ার কথাও বলেছিলেন! এইভাবে অনেক সময় উনি অনেক সূক্ষ্ম শরীরধারী মহামানবদের সাথে ওনার যোগাযোগের কথা বলতেন !
ওনার সেইসব কথা শুনে অনেকেই হয়তো বিশ্বাস কোরতো না – হয়তো ভাবতো উনি বোধয় একটু বাড়িয়ে বাড়িয়ে বলছেন ! কিন্তু আমার ক্ষেত্রে এমন কখনোই হয়নি – “ন’কাকা যখন বলছেন – তখন তা ১০০ ভাগ সত্যি” – আমার এইরকমই বিশ্বাস ছিল ৷
গুরুমহারাজ বনগ্রাম আশ্রমে সিটিং করার সময় বারবার গৃহী ও সন্ন্যাসীর বিভেদ ভাঙার চেষ্টা করে গেছেন ৷ উনি বারবার স্মরণ করিয়ে দিতেন – যে গৃহী (সংসারী) ও সন্ন্যাসী দুটি পৃথক Life-style ! একটি ভোগের ধারা – একটি ত্যাগের ধারা ! কিন্তু বহু সন্ন্যাসী ওই বিশেষ Life-style অবলম্বন করেও যথাযথ জীবন-যাপন করতে পারে না ! আবার বহু গৃহী রয়েছে যারা সাংসারিক জীবন-যাপন করছে কিন্তু পাঁকাল মাছের মতো সংসারে রয়েছে , পাঁকের মধ্যেই থাকে কিন্তু পাঁক গায়ে মাখে না । উনি আরও বলেছিলেন – গৃহী এবং সন্ন্যাসীদের মধ্যে সাধারণভাবে কোনো ছোট-বড় হয় না ! যিনি ঈশ্বরদর্শন বা আত্মদর্শন করেছেন – তিনিই শ্রেষ্ঠ ! তা যদি তিনি কোন সন্ন্যাসী ঈশ্বর দর্শন করে থাকেন – তিনি সবার প্রণম্য ! আবার যদি কোন সাধক গৃহে থেকেও ঈশ্বরলাভ করেন বা তাঁর আত্মদর্শন হয় – তাহলে তিনিই সবার প্রণম্য ! গুরু মহারাজ গুরুপরম্পরার যে শ্লোক বা স্ত্রোত্র রয়েছে তার উল্লেখ করতেন ” নারায়ণং – পদ্মভবং – তৎপুত্র বশিষ্টং , ….. । ” তারপরে বলতেন , “এই স্ত্রোত্র প্রতিদিন সন্ন্যাসীরা এবং অনেক গৃহীরাও আবৃত্তি কোরে ঐ গুরুপরম্পরাকে প্রত্যহ নমন্ করে ৷ কিন্তু এদের মধ্যে অনেকে যেমন সন্ন্যাসী রয়েছেন – তেমনি অনেক গৃহীও রয়েছেন ! কিন্তু এটা মনে রাখতে হবে যে _এই গুরু পরম্পরার উল্লেখিত ব্যক্তিগুলির সকলেরই আত্মদর্শন হয়েছিল, তাই তো তাঁরা শ্রেষ্ঠ ! আত্মদর্শনকারী গৃহী , তিনি আপাতদৃষ্টিতে ঘোরতর সংসারী হলেও শ্রেষ্ঠ – অপরপক্ষে কোনো নিষ্ঠাবান , নিয়ম-শৃঙ্খলাপরায়ন ,সন্ন্যাসীর বেশভূষাধারী সন্ন্যাসীর যদি আত্মদর্শন বা ঈশ্বরদর্শন না হয় – তাহলে তিনি শ্রেষ্ঠ life style অবলম্বনকারী হয়েও নিকৃষ্ট !”
ন’কাকাও তেমনি সংসারের মধ্যে থাকলেও অর্থাৎ গৃহী জীবন-যাপন করা সত্ত্বেও ছিলেন শ্রেষ্ঠ মানুষ । যিনি গুরু মহারাজের কাজের সহায়তা করার জন্য , তাঁর লীলাসঙ্গী হবার জন্যই শরীর ধারণ করেছিলেন এবং বনগ্রামে (পূর্ব বর্ধমানের একটি গ্রাম) মুখার্জি বাড়িতে জন্মগ্রহণ করে পরিবার-পরিজন নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন – ভগবানের আগমনের ! তাইতো গুরুমহারাজ (তখন রবীন) বনগ্রামে ঢুকেই__ ওখানে ন’কাকাকে দেখে বলে উঠেছিলেন – ” কি গো ! তুমি এখানে ! আর আমি তোমাকে কোথায় কোথায় খুঁজে বেড়াচ্ছি ।”
ন’কাকার প্রতি গুরুমহারাজের সবিশেষ শ্রদ্ধা ছিল – আর হবে নাই বা কেন ? পরস্পর পরস্পরকে কতকাল ধরে , বলা যায় অনাদিকাল থেকেই তো চেনেন ! উভয়েই জানেন কার কি রোল ! আর এটাও ভালো মতোই জানেন যে , সেই Roll টুকু play হয়ে গেলেই ওনারা আবার পূর্বের নিজ নিজ স্থানে ফিরে যাবেন, যেখানে একে একে একাকার !!!
জ্ঞানের চরম অবস্থাতেই নিঃসংশয় হওয়া যায় ! আর দুজন মহামানবের ক্ষেত্রে পরস্পর পরস্পরকে তন-মন-প্রাণের গভীর থেকে গভীরতম স্থান পর্যন্ত ‘চেনা-জানা-বোঝা’ হয়েই থাকে! ফলে শুধু নিঃসংশয় নয় –এঁরা থাকেন ‘অসংশয়’ ! এই অবস্থাতেই পরস্পর পরস্পরকে ষোলআনা বিশ্বাস বা নির্ভর করা যায় । এই ভাবেই গৌর-নিতাই , ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ জুটিরা বারবার ধরণীর ধূলায় লীলা করে গেছেন ।
তবে এটা ঠিক যে পার্ষদদের দলও রয়েছে , রাজা যখন যখন ছদ্মবেশে রাজধানী পরিদর্শনে যান , তখন তো সাথে মন্ত্রী , সেনাপতি , দেহরক্ষীরাও পাশাপাশি থাকবেই । রাজার কাজে সহযোগিতা করা , তাঁর নিরাপত্তা রক্ষা করা – এগুলো তো পার্ষদদেরই কাজ ! তাই যারা পার্ষদ তাদের প্রতিও অবতার পুরুষ অনেকটাই নিঃসংশয় থাকেন – কিন্তু “পঞ্চভূতের ফাঁদে , ব্রহ্ম পড়ে কাঁদে” – এ কথাটাও ঠিক !
এই পার্ষদদের অনেকেই __’যে কাজ করতে তার শরীর ধারণ’ – তা সাময়িকভাবে ভুলে গিয়ে পৃথিবীর রূপ-রস-শব্দ-গন্ধ-স্পর্শাদির জালে জড়িয়ে পড়ে ফেঁসে যান ! ভগবান স্বয়ং তখন আবার তার মোহভঙ্গ ঘটিয়ে, নিজে চলে যাবার সময় সঙ্গে করে নিয়ে যান বা যে স্থিতিতে ছিলেন সেখানে ফিরিয়ে দেন । ভগবানের পার্ষদদের কর্মফল সঙ্গে করে নিয়ে যেতে হয় না অর্থাৎ নতুন করে সঞ্চয় হয় না – কিন্তু এই শরীরেই ভোগ করতে হয় ।
গুরু মহারাজ একবার বলেছিলেন – “তাদেরও(সঙ্গে যারা এসেছিল) Punishment হয় ! যাকে যে রোল্ দেওয়া হয়েছে – সে যদি তা ঠিক মতো play করতে না পারে , তাহলে পরের লীলায় রোল পাল্টে দেওয়া হয় । ধর্, কোন Director তার নাটকে একজনকে কোন পালায় নায়ক-এর রোল দিয়েছিল , কিন্তু সে ঠিকমতো Play করতে পারলো না , director-কে follow করলো না , নিজস্বতা ঢোকাতে গিয়ে Roll-টারই বারোটা বাজিয়ে দিলো! সে ক্ষেত্রে director কি করবে বল্ তো – সে তখন পরবর্তী নাটকের পালায় ওই ব্যক্তিকে ছোটখাটো একটা Roll দেবে, আর পার্শ্বচরিত্রকারীদের মধ্যে থেকে কারুকে হয়তো প্রধান চরিত্রের অভিনয় করিয়ে নেবে।” (ক্রমশঃ)
ন’কাকা যেখানেই রাত কাটাতেন সেখানেই তাঁর দেব-দেবী দর্শন বা সূক্ষ্ম শরীরের মহাপুরুষ বা উন্নত সাধকের সাথে যোগাযোগ হোতো (আর প্রেতযোনীদের ব্যবস্থা উনি সেই স্থানে পা দেবার সাথে সাথেই করে দিতেন) । উনি আমাদের বাড়িতে (রশুই গ্রামে) থাকার সময়েও, ওনার সারারাত ধরে শিব-দর্শন ও শিবের গাজন , শিবরাত্রির মেলা দর্শনের কথা বলেছিলেন! বারেন্দা আশ্রমে বিভিন্ন উন্নত সাধকের সাথে contact হওয়ার কথাও বলেছিলেন! এইভাবে অনেক সময় উনি অনেক সূক্ষ্ম শরীরধারী মহামানবদের সাথে ওনার যোগাযোগের কথা বলতেন !
ওনার সেইসব কথা শুনে অনেকেই হয়তো বিশ্বাস কোরতো না – হয়তো ভাবতো উনি বোধয় একটু বাড়িয়ে বাড়িয়ে বলছেন ! কিন্তু আমার ক্ষেত্রে এমন কখনোই হয়নি – “ন’কাকা যখন বলছেন – তখন তা ১০০ ভাগ সত্যি” – আমার এইরকমই বিশ্বাস ছিল ৷
গুরুমহারাজ বনগ্রাম আশ্রমে সিটিং করার সময় বারবার গৃহী ও সন্ন্যাসীর বিভেদ ভাঙার চেষ্টা করে গেছেন ৷ উনি বারবার স্মরণ করিয়ে দিতেন – যে গৃহী (সংসারী) ও সন্ন্যাসী দুটি পৃথক Life-style ! একটি ভোগের ধারা – একটি ত্যাগের ধারা ! কিন্তু বহু সন্ন্যাসী ওই বিশেষ Life-style অবলম্বন করেও যথাযথ জীবন-যাপন করতে পারে না ! আবার বহু গৃহী রয়েছে যারা সাংসারিক জীবন-যাপন করছে কিন্তু পাঁকাল মাছের মতো সংসারে রয়েছে , পাঁকের মধ্যেই থাকে কিন্তু পাঁক গায়ে মাখে না । উনি আরও বলেছিলেন – গৃহী এবং সন্ন্যাসীদের মধ্যে সাধারণভাবে কোনো ছোট-বড় হয় না ! যিনি ঈশ্বরদর্শন বা আত্মদর্শন করেছেন – তিনিই শ্রেষ্ঠ ! তা যদি তিনি কোন সন্ন্যাসী ঈশ্বর দর্শন করে থাকেন – তিনি সবার প্রণম্য ! আবার যদি কোন সাধক গৃহে থেকেও ঈশ্বরলাভ করেন বা তাঁর আত্মদর্শন হয় – তাহলে তিনিই সবার প্রণম্য ! গুরু মহারাজ গুরুপরম্পরার যে শ্লোক বা স্ত্রোত্র রয়েছে তার উল্লেখ করতেন ” নারায়ণং – পদ্মভবং – তৎপুত্র বশিষ্টং , ….. । ” তারপরে বলতেন , “এই স্ত্রোত্র প্রতিদিন সন্ন্যাসীরা এবং অনেক গৃহীরাও আবৃত্তি কোরে ঐ গুরুপরম্পরাকে প্রত্যহ নমন্ করে ৷ কিন্তু এদের মধ্যে অনেকে যেমন সন্ন্যাসী রয়েছেন – তেমনি অনেক গৃহীও রয়েছেন ! কিন্তু এটা মনে রাখতে হবে যে _এই গুরু পরম্পরার উল্লেখিত ব্যক্তিগুলির সকলেরই আত্মদর্শন হয়েছিল, তাই তো তাঁরা শ্রেষ্ঠ ! আত্মদর্শনকারী গৃহী , তিনি আপাতদৃষ্টিতে ঘোরতর সংসারী হলেও শ্রেষ্ঠ – অপরপক্ষে কোনো নিষ্ঠাবান , নিয়ম-শৃঙ্খলাপরায়ন ,সন্ন্যাসীর বেশভূষাধারী সন্ন্যাসীর যদি আত্মদর্শন বা ঈশ্বরদর্শন না হয় – তাহলে তিনি শ্রেষ্ঠ life style অবলম্বনকারী হয়েও নিকৃষ্ট !”
ন’কাকাও তেমনি সংসারের মধ্যে থাকলেও অর্থাৎ গৃহী জীবন-যাপন করা সত্ত্বেও ছিলেন শ্রেষ্ঠ মানুষ । যিনি গুরু মহারাজের কাজের সহায়তা করার জন্য , তাঁর লীলাসঙ্গী হবার জন্যই শরীর ধারণ করেছিলেন এবং বনগ্রামে (পূর্ব বর্ধমানের একটি গ্রাম) মুখার্জি বাড়িতে জন্মগ্রহণ করে পরিবার-পরিজন নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন – ভগবানের আগমনের ! তাইতো গুরুমহারাজ (তখন রবীন) বনগ্রামে ঢুকেই__ ওখানে ন’কাকাকে দেখে বলে উঠেছিলেন – ” কি গো ! তুমি এখানে ! আর আমি তোমাকে কোথায় কোথায় খুঁজে বেড়াচ্ছি ।”
ন’কাকার প্রতি গুরুমহারাজের সবিশেষ শ্রদ্ধা ছিল – আর হবে নাই বা কেন ? পরস্পর পরস্পরকে কতকাল ধরে , বলা যায় অনাদিকাল থেকেই তো চেনেন ! উভয়েই জানেন কার কি রোল ! আর এটাও ভালো মতোই জানেন যে , সেই Roll টুকু play হয়ে গেলেই ওনারা আবার পূর্বের নিজ নিজ স্থানে ফিরে যাবেন, যেখানে একে একে একাকার !!!
জ্ঞানের চরম অবস্থাতেই নিঃসংশয় হওয়া যায় ! আর দুজন মহামানবের ক্ষেত্রে পরস্পর পরস্পরকে তন-মন-প্রাণের গভীর থেকে গভীরতম স্থান পর্যন্ত ‘চেনা-জানা-বোঝা’ হয়েই থাকে! ফলে শুধু নিঃসংশয় নয় –এঁরা থাকেন ‘অসংশয়’ ! এই অবস্থাতেই পরস্পর পরস্পরকে ষোলআনা বিশ্বাস বা নির্ভর করা যায় । এই ভাবেই গৌর-নিতাই , ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ জুটিরা বারবার ধরণীর ধূলায় লীলা করে গেছেন ।
তবে এটা ঠিক যে পার্ষদদের দলও রয়েছে , রাজা যখন যখন ছদ্মবেশে রাজধানী পরিদর্শনে যান , তখন তো সাথে মন্ত্রী , সেনাপতি , দেহরক্ষীরাও পাশাপাশি থাকবেই । রাজার কাজে সহযোগিতা করা , তাঁর নিরাপত্তা রক্ষা করা – এগুলো তো পার্ষদদেরই কাজ ! তাই যারা পার্ষদ তাদের প্রতিও অবতার পুরুষ অনেকটাই নিঃসংশয় থাকেন – কিন্তু “পঞ্চভূতের ফাঁদে , ব্রহ্ম পড়ে কাঁদে” – এ কথাটাও ঠিক !
এই পার্ষদদের অনেকেই __’যে কাজ করতে তার শরীর ধারণ’ – তা সাময়িকভাবে ভুলে গিয়ে পৃথিবীর রূপ-রস-শব্দ-গন্ধ-স্পর্শাদির জালে জড়িয়ে পড়ে ফেঁসে যান ! ভগবান স্বয়ং তখন আবার তার মোহভঙ্গ ঘটিয়ে, নিজে চলে যাবার সময় সঙ্গে করে নিয়ে যান বা যে স্থিতিতে ছিলেন সেখানে ফিরিয়ে দেন । ভগবানের পার্ষদদের কর্মফল সঙ্গে করে নিয়ে যেতে হয় না অর্থাৎ নতুন করে সঞ্চয় হয় না – কিন্তু এই শরীরেই ভোগ করতে হয় ।
গুরু মহারাজ একবার বলেছিলেন – “তাদেরও(সঙ্গে যারা এসেছিল) Punishment হয় ! যাকে যে রোল্ দেওয়া হয়েছে – সে যদি তা ঠিক মতো play করতে না পারে , তাহলে পরের লীলায় রোল পাল্টে দেওয়া হয় । ধর্, কোন Director তার নাটকে একজনকে কোন পালায় নায়ক-এর রোল দিয়েছিল , কিন্তু সে ঠিকমতো Play করতে পারলো না , director-কে follow করলো না , নিজস্বতা ঢোকাতে গিয়ে Roll-টারই বারোটা বাজিয়ে দিলো! সে ক্ষেত্রে director কি করবে বল্ তো – সে তখন পরবর্তী নাটকের পালায় ওই ব্যক্তিকে ছোটখাটো একটা Roll দেবে, আর পার্শ্বচরিত্রকারীদের মধ্যে থেকে কারুকে হয়তো প্রধান চরিত্রের অভিনয় করিয়ে নেবে।” (ক্রমশঃ)
