গুরু মহারাজ স্বামী পরমানন্দ বনগ্রাম পরমানন্দ মিশনে এবং অন্যত্রও বিভিন্ন সিটিংয়ে Purpose of Life নিয়ে নানা আলোচনা করতেন ৷ সেইসব আলোচনার কিছু কিছু অংশ এখানে পরিবেশিত হচ্ছে ৷ আমরা এর আগে আলোচনা করেছিলাম – মানবজীবনে Purpose of Life হল ‘পূর্ণত্ব-লাভ’! কিন্তু মানুষকে দেখে তো মনে হয়, মানুষ ভালোই রয়েছে, ঠিকই রয়েছে – সে আবার সাধন-ভজন করে পূর্ণতা প্রাপ্তির দিকে এগিয়ে যাবেই বা কেন ? এর উত্তরে উপনিষদ বলেছে –’জ্বালা’-র কথা ! মানবের জীবনে ত্রিবিধ জ্বালা বা ক্লেশ রয়েছে – আধিভৌতিক, আধিদৈবিক এবং আধ্যাত্মিক জ্বালা। মানুষের জীবনে যে কোন ভৌত বা বাইরের বিপত্তি-সমূহ যেমন আধি-ব্যাধি, বাস্তুদোষ, পরিবেশগত সমস্যা, প্রাকৃতিক বিপর্যয়জনিত সমস্যা_ ইত্যাদিগুলি আধি-ভৌতিক জ্বালার উদাহরণ । মানুষের মনের অশান্তি সমূহ, যে কোনো দৈব-দুর্বিপাক, দেবস্থানের অমর্যাদা করা বা সেই স্থানকে কলুষিত করার জন্য মানুষ যে ক্লেশভোগ করে – সেইগুলি হোল আধিদৈবিক ক্লেশ বা আধিদৈবিক জ্বালা ! মানুষের প্রাণের জ্বালা-ই আধ্যাত্মিক ক্লেশ ! সাধক ব্যক্তিরাই এই জ্বালা অনুভব করে থাকে।কোন সাধকের দেহ হয়তো আপাত সুস্থ – মনেও হয়তো তেমন অশান্তি নাই বলে বোধ হচ্ছে __কিন্তু প্রাণে রয়েছে চরম অতৃপ্তি ! আর আধ্যাত্মিক জগতের এমনই রহস্য যে, প্রাণের এই যে অতৃপ্তি, অস্থিরতা –এটি মন বা শরীর কারুকেই সুস্থ থাকতে দেবে না, সবসময় সেগুলিকে অস্থির করে তুলবে ! এই প্রানের জ্বালা-ই – আধ্যাত্বিক জ্বালা |
রোগ-ব্যাধি প্রসঙ্গে গুরু মহারাজ বলেছিলেন – “আধি-ব্যাধি-উপাধি !” ‘আধি’- কথাটির অর্থ হচ্ছে যে-কোনো রোগব্যাধির পূর্ব লক্ষণ, রোগের কারণ সমূহ এবং শরীরে যখন কোন রোগ-লক্ষণ প্রকট হয় – সেই অবস্থাটি । ‘আধি’_কথাটির প্রকৃত অর্থ হচ্ছে _”মনের রোগ” । মন অসুস্থ হলে শরীরে ‘ব্যাধি’ প্রকটিত হয়_বাংলাতে একটা প্রবাদ বাক্য রয়েছে_”আগে মনে কুষ্ঠ,পরে দেহে কুষ্ঠ” ৷ ‘ব্যাধি’- অর্থে কঠিন ব্যাধি, এটি প্রধানত হয় যখন শরীর রোগগ্রস্ত হয়, আর ‘উপাধি’ – প্রানের ব্যাধি।শরীরের,মনের সমস্ত রোগের মূল কারণ এই ‘উপাধি’ বা অহং! মানবের সমস্ত রকম ব্যাধির মূলে রয়েছে এই অহংবোধ! সাধনার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছালে _তবেই সাধকের “অহং” নাশ হয়,আর তখনই সেই সাধক সমস্ত রকমভাবে রোগমুক্ত হয়। ভারতবর্ষের মহামানবদের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে এই কথার সত্যতা বোঝা যায়। দু-একটা উদাহরণ দেওয়া যায় যেমন __ত্রৈলঙ্গস্বামী ,বামদের প্রমূখদের জীবনে সেই অর্থে কোন বাহ্যিক discilpine ই ছিল না। কোথায় না থাকছেন__জলের তলায়-জঙ্গলে-বনেবাদাড়ে! খালি গায়েই শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা কাটিয়ে দিচ্ছেন! না খেয়েই দিনের পর দিন কাটাচ্ছেন আবার হয়তো কখনো সাধারণ মানুষের চেয়ে বহুগুণ খাবার খেয়ে নিচ্ছেন!অথচ শরীর সবসময়েই fit!!
এই ধরনের অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে ভারতীয় সমাজের আনাচে কানাচে। ত্রিবিধ রোগের জন্য ত্রিবিধ চিকিৎসা এবং তার প্রয়োগের কথাও বলেছিলেন গুরুমহারাজ ! সেগুলি হোল__ ঔষধি, রসায়ন, প্রাণায়াম ! ঔষধির আবার তিনটি উপাদান – খনিজ, বনস্পতি এবং জান্তব!
শরীরের যে কোনো ব্যাধি-র জন্য ব্যবহার করা হয় ঔষধি, যে গুলিকে আমরা সাধারণত ‘ওষুধ’ বা Medicine বলি । এগুলি প্রস্তুত করা হয় সাধারণত বিভিন্ন গাছপালার ফুল-ফল-মূল, পাতার নির্যাস থেকে ! তাছাড়া বিভিন্ন খনিজ লবণ বা পশু-পাখীর দেহ নির্যাস থেকেও তৈরি হয় “ঔষধি’ ! আয়ুর্বেদিক এবং এলোপ্যাথি ওষুধ এর উদাহরণ ! মানুষের মনের যে কোনো রোগকে শাস্ত্রে বলা হয়েছে ‘আধি’। এই আধি-র ঔষধ প্রস্তুতির উপাদান হোল ‘রসায়ন’! এই ঔষধগুলিও প্রস্তুত হয়ে থাকে গাছ-গাছড়ার নির্যাস , বিভিন্ন জৈব ও অজৈব লবণ অর্থাৎ বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ থেকে! কিন্তু ঐ উপাদানগুলিকে potentised করে ঔষধ প্রস্তুত করা হয় ৷ দেহের ব্যাধির ওষুধ যেমন কোন নির্যাসকে সরাসরি ব্যবহার করা হয়, মনের ব্যাধিতে Potentised ওষুধ প্রয়োগ না করলে বিশেষ উপকার হবে না ! হোমিওপ্যাথি,বায়োকেমিক ইত্যাদি চিকিৎসা পদ্ধতি -এর উদাহরণ ৷
আর প্রাণের জ্বালা বা প্রাণের ক্লেশ দূর করার একমাত্র উপায় ‘প্রাণায়াম’ । ভারতীয় ঋষিরা দীর্ঘ গবেষণায় দেখেছেন যে প্রাণ Control -এ থাকলে মন Control -এ থাকে এবং মানবের মন যদি স্থির থাকে বা Control -এ থাকে, তাহলে শরীরে রোগ বালাই-এর প্রকোপ একেবারেই কমে যায়। এইজন্যেই প্রাচীনকাল থেকেই ভারতীয় ঋষিরা তাদের আশ্রমের আশ্রমিকদের বিভিন্ন যোগাসন এবং প্রাণায়ামের শিক্ষা ,ছোট বয়স থেকেই শেখাতেন ৷ এর ফলে হোত কি – শিশুবয়স থেকেই আশ্রমের বালক-বালিকারা সুস্থ-সবল-নিরোগ শরীর ও মনের অধিকারী হয়ে উঠতো !
ফিরে আসি আলোচনায়_ কথা হচ্ছিল ত্রিবিধ ক্লেশ নিয়ে ! এই ত্রিবিধ ক্লেশ থেকে মুক্ত হবার জন্যই – ” পূর্ণ (মানুষরূপী) অপূর্ণতার জ্বালা বুকে নিয়ে ছুটে চলেছে পূর্ণত্বের দিকে ৷” গুরুমহারাজ একবার বলেছিলেন – মানবের এই যে অগ্রগতি – এটাও মহাপ্রকৃতি বা মহামায়ার নিজস্ব নিয়মেই হয় ! আর এই মহাপ্রাকৃতিক নিয়মকে মর্যাদা দেবার জন্যই হয় ঈশ্বরের অবতরণ ! মহাশক্তির অবতরণ না হলে – পৃথিবীর মায়া-মোহ-লোভ-অহংকারের ফাঁদে আটকে পড়া মানুষের কখনোই কোনদিনই চেতনার উন্নতি বা আধ্যাত্মিক অগ্রগতি হওয়া সম্ভব ছিল না ! ঈশ্বরের অবতার ব্যতিরেকে যে সমস্ত মহাত্মা-মহাপুরুষদের কথা আমরা জানি – তাঁরাও ওই অবতারগণের মানব-কল্যান ব্রতেরই প্রচেষ্টার ফসল !
গুরুমহারাজ বলেছিলেন – ” এখনও পৃথিবীগ্রহ ততটা উন্নত হয়নি যাতে করে এখানকার উন্নত মানুষদের দিয়েই বাকি মানুষজনের অগ্রগতির কাজটা চালিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় ! সুতরাং এখনও অনেকবার ঈশ্বরের অবতরণ হবে এই পৃথিবীতে !” ঈশ্বরের অবতারেরা বারবার আসবেন – আর তাঁরা একটু একটু করে এখানকার অর্থাৎ পৃথিবীগ্রহের সমগ্র বাতাবরণের কালো ধুয়ে মুছে সাফ করে দেবেন এবং আমরা সাধারণ মানুষেরা একটু একটু করে আলোকিত হয়ে উঠবো ।
পৃথিবীর মানুষ যতই উন্নত হয়ে উঠতে থাকবে – ততই ঈশ্বরের অবতরণের সময়ের ব্যবধান বাড়তে থাকবে ৷ গুরু মহারাজের কথা অনুযায়ী – তারপর এই পৃথিবীগ্রহে এমন একটা সময় আসবে — যখন পৃথিবীর Accending উন্নত মানুষ দিয়েই পৃথিবীর সমস্ত রকম মঙ্গলকার্য্য সাধন হবে – Decending -এর আর কোন প্রয়োজনই হবে না ৷ কিন্তু সেই অবস্থা আসতে হয়তো এখনও বেশ কয়েক হাজার বা লক্ষ বছর দেরি । … [ক্রমশঃ]
রোগ-ব্যাধি প্রসঙ্গে গুরু মহারাজ বলেছিলেন – “আধি-ব্যাধি-উপাধি !” ‘আধি’- কথাটির অর্থ হচ্ছে যে-কোনো রোগব্যাধির পূর্ব লক্ষণ, রোগের কারণ সমূহ এবং শরীরে যখন কোন রোগ-লক্ষণ প্রকট হয় – সেই অবস্থাটি । ‘আধি’_কথাটির প্রকৃত অর্থ হচ্ছে _”মনের রোগ” । মন অসুস্থ হলে শরীরে ‘ব্যাধি’ প্রকটিত হয়_বাংলাতে একটা প্রবাদ বাক্য রয়েছে_”আগে মনে কুষ্ঠ,পরে দেহে কুষ্ঠ” ৷ ‘ব্যাধি’- অর্থে কঠিন ব্যাধি, এটি প্রধানত হয় যখন শরীর রোগগ্রস্ত হয়, আর ‘উপাধি’ – প্রানের ব্যাধি।শরীরের,মনের সমস্ত রোগের মূল কারণ এই ‘উপাধি’ বা অহং! মানবের সমস্ত রকম ব্যাধির মূলে রয়েছে এই অহংবোধ! সাধনার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছালে _তবেই সাধকের “অহং” নাশ হয়,আর তখনই সেই সাধক সমস্ত রকমভাবে রোগমুক্ত হয়। ভারতবর্ষের মহামানবদের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে এই কথার সত্যতা বোঝা যায়। দু-একটা উদাহরণ দেওয়া যায় যেমন __ত্রৈলঙ্গস্বামী ,বামদের প্রমূখদের জীবনে সেই অর্থে কোন বাহ্যিক discilpine ই ছিল না। কোথায় না থাকছেন__জলের তলায়-জঙ্গলে-বনেবাদাড়ে! খালি গায়েই শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা কাটিয়ে দিচ্ছেন! না খেয়েই দিনের পর দিন কাটাচ্ছেন আবার হয়তো কখনো সাধারণ মানুষের চেয়ে বহুগুণ খাবার খেয়ে নিচ্ছেন!অথচ শরীর সবসময়েই fit!!
এই ধরনের অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে ভারতীয় সমাজের আনাচে কানাচে। ত্রিবিধ রোগের জন্য ত্রিবিধ চিকিৎসা এবং তার প্রয়োগের কথাও বলেছিলেন গুরুমহারাজ ! সেগুলি হোল__ ঔষধি, রসায়ন, প্রাণায়াম ! ঔষধির আবার তিনটি উপাদান – খনিজ, বনস্পতি এবং জান্তব!
শরীরের যে কোনো ব্যাধি-র জন্য ব্যবহার করা হয় ঔষধি, যে গুলিকে আমরা সাধারণত ‘ওষুধ’ বা Medicine বলি । এগুলি প্রস্তুত করা হয় সাধারণত বিভিন্ন গাছপালার ফুল-ফল-মূল, পাতার নির্যাস থেকে ! তাছাড়া বিভিন্ন খনিজ লবণ বা পশু-পাখীর দেহ নির্যাস থেকেও তৈরি হয় “ঔষধি’ ! আয়ুর্বেদিক এবং এলোপ্যাথি ওষুধ এর উদাহরণ ! মানুষের মনের যে কোনো রোগকে শাস্ত্রে বলা হয়েছে ‘আধি’। এই আধি-র ঔষধ প্রস্তুতির উপাদান হোল ‘রসায়ন’! এই ঔষধগুলিও প্রস্তুত হয়ে থাকে গাছ-গাছড়ার নির্যাস , বিভিন্ন জৈব ও অজৈব লবণ অর্থাৎ বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ থেকে! কিন্তু ঐ উপাদানগুলিকে potentised করে ঔষধ প্রস্তুত করা হয় ৷ দেহের ব্যাধির ওষুধ যেমন কোন নির্যাসকে সরাসরি ব্যবহার করা হয়, মনের ব্যাধিতে Potentised ওষুধ প্রয়োগ না করলে বিশেষ উপকার হবে না ! হোমিওপ্যাথি,বায়োকেমিক ইত্যাদি চিকিৎসা পদ্ধতি -এর উদাহরণ ৷
আর প্রাণের জ্বালা বা প্রাণের ক্লেশ দূর করার একমাত্র উপায় ‘প্রাণায়াম’ । ভারতীয় ঋষিরা দীর্ঘ গবেষণায় দেখেছেন যে প্রাণ Control -এ থাকলে মন Control -এ থাকে এবং মানবের মন যদি স্থির থাকে বা Control -এ থাকে, তাহলে শরীরে রোগ বালাই-এর প্রকোপ একেবারেই কমে যায়। এইজন্যেই প্রাচীনকাল থেকেই ভারতীয় ঋষিরা তাদের আশ্রমের আশ্রমিকদের বিভিন্ন যোগাসন এবং প্রাণায়ামের শিক্ষা ,ছোট বয়স থেকেই শেখাতেন ৷ এর ফলে হোত কি – শিশুবয়স থেকেই আশ্রমের বালক-বালিকারা সুস্থ-সবল-নিরোগ শরীর ও মনের অধিকারী হয়ে উঠতো !
ফিরে আসি আলোচনায়_ কথা হচ্ছিল ত্রিবিধ ক্লেশ নিয়ে ! এই ত্রিবিধ ক্লেশ থেকে মুক্ত হবার জন্যই – ” পূর্ণ (মানুষরূপী) অপূর্ণতার জ্বালা বুকে নিয়ে ছুটে চলেছে পূর্ণত্বের দিকে ৷” গুরুমহারাজ একবার বলেছিলেন – মানবের এই যে অগ্রগতি – এটাও মহাপ্রকৃতি বা মহামায়ার নিজস্ব নিয়মেই হয় ! আর এই মহাপ্রাকৃতিক নিয়মকে মর্যাদা দেবার জন্যই হয় ঈশ্বরের অবতরণ ! মহাশক্তির অবতরণ না হলে – পৃথিবীর মায়া-মোহ-লোভ-অহংকারের ফাঁদে আটকে পড়া মানুষের কখনোই কোনদিনই চেতনার উন্নতি বা আধ্যাত্মিক অগ্রগতি হওয়া সম্ভব ছিল না ! ঈশ্বরের অবতার ব্যতিরেকে যে সমস্ত মহাত্মা-মহাপুরুষদের কথা আমরা জানি – তাঁরাও ওই অবতারগণের মানব-কল্যান ব্রতেরই প্রচেষ্টার ফসল !
গুরুমহারাজ বলেছিলেন – ” এখনও পৃথিবীগ্রহ ততটা উন্নত হয়নি যাতে করে এখানকার উন্নত মানুষদের দিয়েই বাকি মানুষজনের অগ্রগতির কাজটা চালিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় ! সুতরাং এখনও অনেকবার ঈশ্বরের অবতরণ হবে এই পৃথিবীতে !” ঈশ্বরের অবতারেরা বারবার আসবেন – আর তাঁরা একটু একটু করে এখানকার অর্থাৎ পৃথিবীগ্রহের সমগ্র বাতাবরণের কালো ধুয়ে মুছে সাফ করে দেবেন এবং আমরা সাধারণ মানুষেরা একটু একটু করে আলোকিত হয়ে উঠবো ।
পৃথিবীর মানুষ যতই উন্নত হয়ে উঠতে থাকবে – ততই ঈশ্বরের অবতরণের সময়ের ব্যবধান বাড়তে থাকবে ৷ গুরু মহারাজের কথা অনুযায়ী – তারপর এই পৃথিবীগ্রহে এমন একটা সময় আসবে — যখন পৃথিবীর Accending উন্নত মানুষ দিয়েই পৃথিবীর সমস্ত রকম মঙ্গলকার্য্য সাধন হবে – Decending -এর আর কোন প্রয়োজনই হবে না ৷ কিন্তু সেই অবস্থা আসতে হয়তো এখনও বেশ কয়েক হাজার বা লক্ষ বছর দেরি । … [ক্রমশঃ]
