আজ গুগল থেকে স্বামী বাউলানন্দের জীবনী-সংক্রান্ত লেখা এইটুকু পাওয়া গেল। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এই যে, পরমানন্দ মিশনের “চরৈবেতি” পত্রিকায় যে ধারাবাহিক ভাবে ওনার জীবনী প্রকাশিত হচ্ছে_তারও উল্লেখ রয়েছে। তলায় দাগ দিয়ে দেখানোর চেষ্টা করা হোল।।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~
Swami Balananda
Swami Balananda of Perantapilli
Swami Balananda (also known as Swamy Baulananda) reached Perantapilli, in the Papi Hills region of Andhra Pradesh in 1926 as a young man.
He left his home as a boy of 6 years when his mother expired. He travelled all over the country. He moved with the Baul Sanyasis of Bengal. On one of his travels, he was led by the Divine Mother to a spot in Perantapalli village, located in a valley between two big hills. He found a Siva Lingam at that spot and later built a temple with thatched roof and settled down there. Later on, as more and more people came to know him and number of disciples grew, a temple was built and rooms for the Ashram were also built. The ashram is known as “Sri Ramakrishna Hermitage” (SR Ramakrishna Munivatam In telugu).
A tribe of people known as Konda Redlu live there. Moved by their plight, their poverty and their helplessness at the exploitation of the Bamboo Contractors, Swamiji, as he is popularly known, founded an organisation named ‘Poverty Relief Service'( PRS in short) and took up activities to allieviate poverty in the region. He established a hostel in Rajahmundry for the young tribal boys and girls and educated them. Today, many of the youth in the village are educated. Some are working out side, while some are involved in making beautiful articles with bamboo. Now the village looks better. The level of poverty has reduced.
Swamiji was fondly called ‘Ayya'(meaning father) by the villagers and disciples.
Swamiji was a devotee of Sri Ramakrishna Paramhamsa. He was in close contacts with the first Sishyas of Sri Ramakrishna. Swamiji’s reference can be found in the publication of the Ramakrishna Mission giving out the biographies of his prime sishyas other than Swami Vivekananda.
Swamiji also had contacts with Swami Aurobindo.
Swamiji never went to any formal school. Yet, he could read and write very good English. People used to think that he was a post graduate. He could speak English, Hindi, Telugu and Bengali.
He wrote the books “Message to Humanity” ( known as Maanava Kartvya Sandesham in telugu ), “Man” and “Spiritual Enquiry”( translated as Adhyatma Vicharana in telugu) in English. His discourses were also recorded by his disciples in a work name ‘Mana Desapu Yuvakula Klishta Samasyalu’.
His biography has been published with the title “Teachings of Swami Balananda”. His disciple Late Sri Ajjarapu Venkata Rao, called Nirmalam by Swamiji, also wrote a biography which is
being regularly
~~~~~~~~~~~~~~~~~ published as a
serial in the magazine
~~~~~~~~~~~~~~~ named ‘Charaiveti’
published by Paramananda Mission
~~~~~~~~~~~~~~ in Burdwan.
~~~~~~~~~
Swamiji passed away in 1975. The ashram is still there and is being run by his desciples and the tribals much on the same lines that Swamiji directed.
Swami Balananda of Perantapilli
Links Powered By Google Sites
______০________০_______০_______
*** *আধ্যাত্মিক জিজ্ঞাসা* ***
[ Spiritual Enquiry ]
~~~~~~~~~~~~~~~~~~
<< _স্বামী বাউলানন্দ_ >>
জিজ্ঞাসা :–কোন কোন ধর্মের আচার্যগণ নির্দেশ দিয়েছেন যে, ঈশ্বর-উপাসনার মধ্যে যেন নাম ও রূপকে আনা না হয়। শুধু নির্দেশ দিয়েই তাঁরা ক্ষান্ত হননি, বরং এই ব্যাপারটার ওপর যথেষ্ট গুরুত্ব আরােপ করেছেন। অন্যান্য ধর্মমতে আধ্যাত্মিক মহাপুরুষদের নাম ও রূপ উপাসনার উপজীব্য হয়ে ওঠে। আগের ধর্মমতগুলি কি সাধককে আরও সরাসরি ঈশ্বরের সাথে যুক্ত করে না ?
মীমাংসা :—কোন সন্দেহ নেই যে এরকম ধরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তবু সাধারণ মানুষ প্রার্থনা বা উপাসনার সময়, প্রবর্তকের নাম ও রূপ কল্পনা করেছে। নাম ও রূপ অভিন্ন এবং রূপ নামেরই প্রতিনিধি। যে আচার্য নাম-রূপ এড়িয়ে থাকতে বলেছিলেন, প্রার্থনার সময় সেই নির্দেশ মানতে গিয়ে সেই আচার্যেরই নাম-রূপ ভেসে ওঠে মানসপটে। হয়ত উপাসনাস্থলে সেই আচার্যের কোন মূর্তি নেই, কিন্তু তাতে করে মানুষের স্বাভাবিক প্রবণতাকে আটকানাে যায় না।
কোন কোন আচার্য এ ব্যাপারে নীরব থাকেন, বা কোন স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে যান না। আবার অন্য কেউ নিজের নামরূপকে উপাস্য করার স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে যান। এর ফলে কোন কোন উপাসনাস্থলে মূর্তি আছে, কোথাও বা নেই। কিন্তু অধিকাংশ মানুষের প্রার্থনায় বা পূজায় কোন না কোন নামরূপকে অবলম্বন করা হয়েছে।
জিজ্ঞাসা :—আচার্যদের মধ্যে অনেকেই হয়ত শত শত বছর আগে শরীরে ছিলেন। কিন্তু এখন তাঁদের কোন প্রতিকৃতি, ছবি বা মূর্তি নেই। তাহলে কি ভাবে মানুষ এঁদের রূপ কল্পনা করে ?
মীমাংসা :—কেন ? অসুবিধা কোথায় ? প্রার্থনা বা স্তবস্তুতির ভাষাগুলো ভাল করে লক্ষ্য করে দেখ, এক-একটি ধর্ম-আন্দোলনের যারা পুরােধা তাদের পুত্থানুপুঙ্খ বর্ণনা তুমি পাবে । তাঁদের রূপ, কীর্তি, বীরত্ব ও ক্ষমতার এমন নিখুঁত বিবরণ আছে যে প্রার্থনার সময় স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁদের চেহারা চোখের সামনে ভেসে উঠবেই।
জিজ্ঞাসা :—এই ধর্মপ্রবর্তক বা আচার্যরা কারা?
মীমাংসা :—এরা সবাই আধ্যাত্মিক শক্তিসম্পন্ন মহাপুরুষ।
জিজ্ঞাসা :—তাহলে তাঁদের নির্দেশ বা প্রবচনে এত ভিন্নত! কেন ?
মীমাংসা :—স্থান, কাল ও পাত্রভেদে মহাপুরুষেরা নির্দেশ দিয়ে গেছেন। যে সময়ে তাঁরা জীবিত ছিলেন, সে সময়ে তাঁদের চারপাশে পরিবেশ ও পরিস্থিতি কেমন ছিল, বিচার করতে হবে। প্রেম, জ্ঞান ও শক্তির বিকাশ হল আধ্যাত্মিকতার লক্ষণ (মস্তিষ্ক, হৃদয় ও শরীর )। এর কোনটাতে বিকার এলে অসাম্য আসে এবং তখন বিপরীতধর্মী বৃত্তিগুলো মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। যেমন–হিংসা, অজ্ঞানতা ও দুর্বলতা। পৃথিবীর যে কোন একটি অঞ্চলে যদি বিকারজনিত অসাম্য প্রকট হয়, তবে তার প্রভাব কিন্তু ধীরে ধীরে অন্যান্য স্থানেও ছড়িয়ে পড়বে। এর পরিণামে সারা বিশ্বেই এক প্রতিকূল আবহাওয়ার সৃষ্টি হবে এবং সমস্ত প্রাণীকুলকেই অবর্ণনীয় দুঃখ, কষ্ট ও যন্ত্রণার শিকার হতে হবে।
সুতরাং পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এবং বিচিত্র পরিবেশে জীবন-ধর্মের সাম্যতা আনার জন্য মহাপুরুষেরা ঐ সমস্ত আক্রান্ত স্থানে এক ধরণের জীবনচর্যার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁদের সেই আধ্যাত্মিক সামর্থ্য ছিল। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ হয়তাে খুব অল্প কথা বলেছেন। আবার কেউ কেউ একদম মৌন থেকেছেন। খুব অল্প সংখ্যকই হয়তো মানুষের মধ্যে মিশে কাজ করেছেন। জগতের সমস্ত স্থানেই এইভাবেই কাজ হয়েছে। বিশেষ স্থানে বিশেষ প্রয়ােজন বুঝে তাঁরা কাজ করেছেন। প্রেম, জ্ঞান বা শক্তি, যেটার অভাব হয়েছে – সেটাকেই আবার সাম্যে আনতে তাঁরা ব্ৰতী হয়েছেন এবং নিজেরাও সেই অনুযায়ী আচরণ করে দেখিয়েছেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল যে, সদ্-গুণের বিকার এবং সেই বিকারজনিত অসাম্য ও অশান্তি যেন অন্যান্য জায়গায় ছড়িয়ে না পড়ে। সাধারণ মানুষ যে এই সমস্ত মহাপুরুষদের সব নির্দেশ গ্রহণ করেছে, তা নয়। কিছু কিছু করেছে।
মানুষের বােঝা বা ধারণা করার ক্ষমতাতেও তারতম্য আছে। স্বাভাবিকভাবেই মহাপুরুষদের সেদিকেও দৃষ্টি রাখতে হয়েছে। বিশেষ স্থানে, বিশেষ সময়ে কিছু বিশেষ মানুষ যতটুকু বুঝবে এবং পালন করতে পারবে—সেই অনুযায়ী মহাজনেরা শিক্ষা দিয়েছেন।
কোথাও হয়ত জ্ঞানচর্চা যথেষ্ট হয়, শক্তিও আছে, কিন্তু যথার্থ প্রেমের অভাব। সেই স্থানে কোন মহাজন প্রেমের ওপর বেশি জোর দিয়েছেন এবং নিজেও সেইরূপ আচরণ করেছেন। একইভাবে, যেখানে জ্ঞানের অভাব বা শক্তির অভাব, সেখানে মহাপুরুষের সেই অভাবগুলি পূরণ করার মত নির্দেশ দিয়েছেন যাতে সকলের স্বভাবে সাম্য আসে।
কোন এক স্থানে কোন মহাপুরুষ যেটার ওপর অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন, পরবর্তীকালে সাধারণ মানুষ সেটাকেই সর্বোৎকৃষ্ট এবং সত্য বলে গ্রহণ করেছে। আর অন্যান্য বিষয়গুলিকে অপ্রয়ােজনীয় এবং অধ্যাত্ম-বিরােধী বলে মনে করছে। এর ফলে কয়েক প্রজন্ম পরে আবার বিকার আসে। আগে হয়ত ছিল প্রেমের অভাব, কিন্তু এখন হয়ত প্রেম আছে শক্তি নেই। তখন আবার কোন আচার্যের আসার প্রয়ােজন হয়। সুতরাং, মহাপুরুষদের শিক্ষা এবং নির্দেশ পরস্পর-বিরােধী নয়, বরং পরস্পর সহায়ক। কিন্তু তাদের অনুগামীরা সেভাবে ভাবতে পারেন না। তাদের চিন্তাধারা একপেশে হয়ে যায়।
পরবর্তীকালে এঁরাই প্রচারের দায়িত্ব নেন। যেভাবে তারা নিজেরা বুঝেছেন বা গ্রহণ করেছেন, সেটাই তারা অন্যের ওপর চাপিয়ে দেন। এটা তারা করেন মহাপুরুষদের নাম নিয়েই। এভাবেই ভেদাভেদ এসেছে। সবাই মনে করে মহাপুরুষেরা আলাদা আলাদা মত দিয়ে গেছেন। অমুক ধর্মের তমুক মত। আমরাই শ্রেষ্ঠ, অন্যরা নিকৃষ্ট– ইত্যাদি সব মানসিকতা সব জায়গাতেই দেখা যায়।
জিজ্ঞাসা :—সাধারণ মানুষ কেন মহাপুরুষদের শিক্ষা ঠিকভাবে গ্রহণ করতে পারলেন না ? কেন তাঁরা ভুল বুঝলেন ?
মীমাংসা :—সাধারণ মানুষ কিছুই বােঝেনি। ভুল বােঝা বা ঠিক বােঝা পরের কথা।
জিজ্ঞাসা :—তাহলে কারা ভুল বুঝে ভুল প্রচার করলেন ?
মীমাংসা :—যাঁরা সেই মহাপুরুষের ঘনিষ্ঠ শিষ্য বা অনুচর, তাঁরাই নিজেরা যা বুঝেছেন, তাই প্রচার করেছেন। আর সেই মহাপুরুষের নামেই প্রচার করেছেন তাঁরা।
জিজ্ঞাসা :—মহাপুরুষের ঘনিষ্ঠ হন যাঁরা তাঁরাও সাধারণ মানুষ নন, অথচ তাঁরা মহাপুরুষদের শিক্ষা বা আদর্শ সর্বাঙ্গীণভাবে গ্রহণ করতে পারেন না কেন ?
মীমাংসা :—মহাপুরুষের যে ধর্মপ্রচার, তাঁর তিনটে দিক আছে। ইচ্ছা—উনি কেন প্রচার করছেন। উদ্দেশ্য—এই প্রচেষ্টার শেষ লক্ষ্য ওঁনার কি, এবং প্রচার–উনি ঠিক কি বলছেন এবং কি ভাবে বলছেন। উদ্দেশ্য বা ইচ্ছা দেখাও যায় না, শােনাও যায় না—অনুভব করতে হয়। প্রচারের মূল ভাবটিকে নিতে পারলেই এই অনুভব করার বা হৃদয়ঙ্গম করার সামর্থ্য আসে। প্রেম বা জ্ঞান বা শক্তির বিকারজনিত যে অসাম্য, তার বিকার নির্মূল করে স্বভাবের সাম্য আনাই হচ্ছে মহাপুরুষদের ইচ্ছা।
বাক্য বা শব্দের ব্যবহার না করে অনেকেই সূক্ষ্মভাবে কাজ করে যাচ্ছেন যাতে পৃথিবীর ভারসাম্য ঠিক থাকে এবং কোন এক স্থানের অসাম্য যেন অন্য স্থানে ছড়িয়ে না পড়ে। এঁদের সাহায্য করা আচার্যদের উদ্দেশ্য।
স্থান-কাল-পাত্র বিশেষে এবং পরিবেশ, পরিস্থিতি ও প্রয়ােজনের ভিন্নতা হেতু প্রচারের আঙ্গিক, বক্তব্য ও ব্যাখ্যা আলাদা হয়েছে, খুব .স্বাভাবিকভাবেই। মহাপুরুষদের উদ্দেশ্য কিন্তু সব সময় একটাই—জগতে শান্তি থাকুক, সাম্য থাকুক, আধ্যাত্মিক বিকাশ হােক ।
সুতরাং বােঝাই যাচ্ছে, যাঁর ঘনিষ্ঠ সহচর, তাঁদের এই সূক্ষ্মবােধ ছিল না। মহাপুরুষদের মূল উদ্দেশ্য বা ইচ্ছা বােঝার জন্য যে অনুভূতি দরকার সেটা তারা ব্যবহার করেননি। তারা আক্ষরিক অর্থে শব্দের পুনরাবৃত্তি করেছেন। নিজেরা যা বুঝেছেন, সকলকে তাই বুঝিয়েছেন।
জিজ্ঞাসা :–তারা প্রত্যেকেই কি এই ভুল করেছেন ?
মীমাংসা :– অন্ততঃ মানুষ যাদের কথা বেশী শুনেছে, তারা প্রত্যেকেই কমবেশি ভুল ব্যাখ্যা করেছেন বা ভুল বুঝিয়েছেন। যাঁরা হয়ত ঠিক ঠিক বুঝেছিলেন, তাঁদের কথা সাধারণ মানুষ শােনেনি বা শুনলেও গ্রাহ্য করেনি। এমনিতেই ভাল-মন্দ বা উৎকৃষ্ট-নিকৃষ্ট বােঝার ক্ষমতা সাধারণ মানুষের কোনদিনই নেই।
জিজ্ঞাসা :–সাধারণ মানুষ এত অসমর্থ কেন?
মীমাংসা :—যার প্রভাব বেশি, মানুষ তার কথাই শােনে এবং তার বক্তব্যকেই সত্য বলে মনে করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এদের পেছনে থাকে রাজনৈতিক শক্তির মদত। তাই সাধারণ মানুষ আরও বেশি অন্ধের মত এদের অনুসরণ করে। … [ক্রমশঃ]
~~~~~~~~~~~~~~~~~~
Swami Balananda
Swami Balananda of Perantapilli
Swami Balananda (also known as Swamy Baulananda) reached Perantapilli, in the Papi Hills region of Andhra Pradesh in 1926 as a young man.
He left his home as a boy of 6 years when his mother expired. He travelled all over the country. He moved with the Baul Sanyasis of Bengal. On one of his travels, he was led by the Divine Mother to a spot in Perantapalli village, located in a valley between two big hills. He found a Siva Lingam at that spot and later built a temple with thatched roof and settled down there. Later on, as more and more people came to know him and number of disciples grew, a temple was built and rooms for the Ashram were also built. The ashram is known as “Sri Ramakrishna Hermitage” (SR Ramakrishna Munivatam In telugu).
A tribe of people known as Konda Redlu live there. Moved by their plight, their poverty and their helplessness at the exploitation of the Bamboo Contractors, Swamiji, as he is popularly known, founded an organisation named ‘Poverty Relief Service'( PRS in short) and took up activities to allieviate poverty in the region. He established a hostel in Rajahmundry for the young tribal boys and girls and educated them. Today, many of the youth in the village are educated. Some are working out side, while some are involved in making beautiful articles with bamboo. Now the village looks better. The level of poverty has reduced.
Swamiji was fondly called ‘Ayya'(meaning father) by the villagers and disciples.
Swamiji was a devotee of Sri Ramakrishna Paramhamsa. He was in close contacts with the first Sishyas of Sri Ramakrishna. Swamiji’s reference can be found in the publication of the Ramakrishna Mission giving out the biographies of his prime sishyas other than Swami Vivekananda.
Swamiji also had contacts with Swami Aurobindo.
Swamiji never went to any formal school. Yet, he could read and write very good English. People used to think that he was a post graduate. He could speak English, Hindi, Telugu and Bengali.
He wrote the books “Message to Humanity” ( known as Maanava Kartvya Sandesham in telugu ), “Man” and “Spiritual Enquiry”( translated as Adhyatma Vicharana in telugu) in English. His discourses were also recorded by his disciples in a work name ‘Mana Desapu Yuvakula Klishta Samasyalu’.
His biography has been published with the title “Teachings of Swami Balananda”. His disciple Late Sri Ajjarapu Venkata Rao, called Nirmalam by Swamiji, also wrote a biography which is
being regularly
~~~~~~~~~~~~~~~~~ published as a
serial in the magazine
~~~~~~~~~~~~~~~ named ‘Charaiveti’
published by Paramananda Mission
~~~~~~~~~~~~~~ in Burdwan.
~~~~~~~~~
Swamiji passed away in 1975. The ashram is still there and is being run by his desciples and the tribals much on the same lines that Swamiji directed.
Swami Balananda of Perantapilli
Links Powered By Google Sites
______০________০_______০_______
*** *আধ্যাত্মিক জিজ্ঞাসা* ***
[ Spiritual Enquiry ]
~~~~~~~~~~~~~~~~~~
<< _স্বামী বাউলানন্দ_ >>
জিজ্ঞাসা :–কোন কোন ধর্মের আচার্যগণ নির্দেশ দিয়েছেন যে, ঈশ্বর-উপাসনার মধ্যে যেন নাম ও রূপকে আনা না হয়। শুধু নির্দেশ দিয়েই তাঁরা ক্ষান্ত হননি, বরং এই ব্যাপারটার ওপর যথেষ্ট গুরুত্ব আরােপ করেছেন। অন্যান্য ধর্মমতে আধ্যাত্মিক মহাপুরুষদের নাম ও রূপ উপাসনার উপজীব্য হয়ে ওঠে। আগের ধর্মমতগুলি কি সাধককে আরও সরাসরি ঈশ্বরের সাথে যুক্ত করে না ?
মীমাংসা :—কোন সন্দেহ নেই যে এরকম ধরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তবু সাধারণ মানুষ প্রার্থনা বা উপাসনার সময়, প্রবর্তকের নাম ও রূপ কল্পনা করেছে। নাম ও রূপ অভিন্ন এবং রূপ নামেরই প্রতিনিধি। যে আচার্য নাম-রূপ এড়িয়ে থাকতে বলেছিলেন, প্রার্থনার সময় সেই নির্দেশ মানতে গিয়ে সেই আচার্যেরই নাম-রূপ ভেসে ওঠে মানসপটে। হয়ত উপাসনাস্থলে সেই আচার্যের কোন মূর্তি নেই, কিন্তু তাতে করে মানুষের স্বাভাবিক প্রবণতাকে আটকানাে যায় না।
কোন কোন আচার্য এ ব্যাপারে নীরব থাকেন, বা কোন স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে যান না। আবার অন্য কেউ নিজের নামরূপকে উপাস্য করার স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে যান। এর ফলে কোন কোন উপাসনাস্থলে মূর্তি আছে, কোথাও বা নেই। কিন্তু অধিকাংশ মানুষের প্রার্থনায় বা পূজায় কোন না কোন নামরূপকে অবলম্বন করা হয়েছে।
জিজ্ঞাসা :—আচার্যদের মধ্যে অনেকেই হয়ত শত শত বছর আগে শরীরে ছিলেন। কিন্তু এখন তাঁদের কোন প্রতিকৃতি, ছবি বা মূর্তি নেই। তাহলে কি ভাবে মানুষ এঁদের রূপ কল্পনা করে ?
মীমাংসা :—কেন ? অসুবিধা কোথায় ? প্রার্থনা বা স্তবস্তুতির ভাষাগুলো ভাল করে লক্ষ্য করে দেখ, এক-একটি ধর্ম-আন্দোলনের যারা পুরােধা তাদের পুত্থানুপুঙ্খ বর্ণনা তুমি পাবে । তাঁদের রূপ, কীর্তি, বীরত্ব ও ক্ষমতার এমন নিখুঁত বিবরণ আছে যে প্রার্থনার সময় স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁদের চেহারা চোখের সামনে ভেসে উঠবেই।
জিজ্ঞাসা :—এই ধর্মপ্রবর্তক বা আচার্যরা কারা?
মীমাংসা :—এরা সবাই আধ্যাত্মিক শক্তিসম্পন্ন মহাপুরুষ।
জিজ্ঞাসা :—তাহলে তাঁদের নির্দেশ বা প্রবচনে এত ভিন্নত! কেন ?
মীমাংসা :—স্থান, কাল ও পাত্রভেদে মহাপুরুষেরা নির্দেশ দিয়ে গেছেন। যে সময়ে তাঁরা জীবিত ছিলেন, সে সময়ে তাঁদের চারপাশে পরিবেশ ও পরিস্থিতি কেমন ছিল, বিচার করতে হবে। প্রেম, জ্ঞান ও শক্তির বিকাশ হল আধ্যাত্মিকতার লক্ষণ (মস্তিষ্ক, হৃদয় ও শরীর )। এর কোনটাতে বিকার এলে অসাম্য আসে এবং তখন বিপরীতধর্মী বৃত্তিগুলো মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। যেমন–হিংসা, অজ্ঞানতা ও দুর্বলতা। পৃথিবীর যে কোন একটি অঞ্চলে যদি বিকারজনিত অসাম্য প্রকট হয়, তবে তার প্রভাব কিন্তু ধীরে ধীরে অন্যান্য স্থানেও ছড়িয়ে পড়বে। এর পরিণামে সারা বিশ্বেই এক প্রতিকূল আবহাওয়ার সৃষ্টি হবে এবং সমস্ত প্রাণীকুলকেই অবর্ণনীয় দুঃখ, কষ্ট ও যন্ত্রণার শিকার হতে হবে।
সুতরাং পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এবং বিচিত্র পরিবেশে জীবন-ধর্মের সাম্যতা আনার জন্য মহাপুরুষেরা ঐ সমস্ত আক্রান্ত স্থানে এক ধরণের জীবনচর্যার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁদের সেই আধ্যাত্মিক সামর্থ্য ছিল। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ হয়তাে খুব অল্প কথা বলেছেন। আবার কেউ কেউ একদম মৌন থেকেছেন। খুব অল্প সংখ্যকই হয়তো মানুষের মধ্যে মিশে কাজ করেছেন। জগতের সমস্ত স্থানেই এইভাবেই কাজ হয়েছে। বিশেষ স্থানে বিশেষ প্রয়ােজন বুঝে তাঁরা কাজ করেছেন। প্রেম, জ্ঞান বা শক্তি, যেটার অভাব হয়েছে – সেটাকেই আবার সাম্যে আনতে তাঁরা ব্ৰতী হয়েছেন এবং নিজেরাও সেই অনুযায়ী আচরণ করে দেখিয়েছেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল যে, সদ্-গুণের বিকার এবং সেই বিকারজনিত অসাম্য ও অশান্তি যেন অন্যান্য জায়গায় ছড়িয়ে না পড়ে। সাধারণ মানুষ যে এই সমস্ত মহাপুরুষদের সব নির্দেশ গ্রহণ করেছে, তা নয়। কিছু কিছু করেছে।
মানুষের বােঝা বা ধারণা করার ক্ষমতাতেও তারতম্য আছে। স্বাভাবিকভাবেই মহাপুরুষদের সেদিকেও দৃষ্টি রাখতে হয়েছে। বিশেষ স্থানে, বিশেষ সময়ে কিছু বিশেষ মানুষ যতটুকু বুঝবে এবং পালন করতে পারবে—সেই অনুযায়ী মহাজনেরা শিক্ষা দিয়েছেন।
কোথাও হয়ত জ্ঞানচর্চা যথেষ্ট হয়, শক্তিও আছে, কিন্তু যথার্থ প্রেমের অভাব। সেই স্থানে কোন মহাজন প্রেমের ওপর বেশি জোর দিয়েছেন এবং নিজেও সেইরূপ আচরণ করেছেন। একইভাবে, যেখানে জ্ঞানের অভাব বা শক্তির অভাব, সেখানে মহাপুরুষের সেই অভাবগুলি পূরণ করার মত নির্দেশ দিয়েছেন যাতে সকলের স্বভাবে সাম্য আসে।
কোন এক স্থানে কোন মহাপুরুষ যেটার ওপর অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন, পরবর্তীকালে সাধারণ মানুষ সেটাকেই সর্বোৎকৃষ্ট এবং সত্য বলে গ্রহণ করেছে। আর অন্যান্য বিষয়গুলিকে অপ্রয়ােজনীয় এবং অধ্যাত্ম-বিরােধী বলে মনে করছে। এর ফলে কয়েক প্রজন্ম পরে আবার বিকার আসে। আগে হয়ত ছিল প্রেমের অভাব, কিন্তু এখন হয়ত প্রেম আছে শক্তি নেই। তখন আবার কোন আচার্যের আসার প্রয়ােজন হয়। সুতরাং, মহাপুরুষদের শিক্ষা এবং নির্দেশ পরস্পর-বিরােধী নয়, বরং পরস্পর সহায়ক। কিন্তু তাদের অনুগামীরা সেভাবে ভাবতে পারেন না। তাদের চিন্তাধারা একপেশে হয়ে যায়।
পরবর্তীকালে এঁরাই প্রচারের দায়িত্ব নেন। যেভাবে তারা নিজেরা বুঝেছেন বা গ্রহণ করেছেন, সেটাই তারা অন্যের ওপর চাপিয়ে দেন। এটা তারা করেন মহাপুরুষদের নাম নিয়েই। এভাবেই ভেদাভেদ এসেছে। সবাই মনে করে মহাপুরুষেরা আলাদা আলাদা মত দিয়ে গেছেন। অমুক ধর্মের তমুক মত। আমরাই শ্রেষ্ঠ, অন্যরা নিকৃষ্ট– ইত্যাদি সব মানসিকতা সব জায়গাতেই দেখা যায়।
জিজ্ঞাসা :—সাধারণ মানুষ কেন মহাপুরুষদের শিক্ষা ঠিকভাবে গ্রহণ করতে পারলেন না ? কেন তাঁরা ভুল বুঝলেন ?
মীমাংসা :—সাধারণ মানুষ কিছুই বােঝেনি। ভুল বােঝা বা ঠিক বােঝা পরের কথা।
জিজ্ঞাসা :—তাহলে কারা ভুল বুঝে ভুল প্রচার করলেন ?
মীমাংসা :—যাঁরা সেই মহাপুরুষের ঘনিষ্ঠ শিষ্য বা অনুচর, তাঁরাই নিজেরা যা বুঝেছেন, তাই প্রচার করেছেন। আর সেই মহাপুরুষের নামেই প্রচার করেছেন তাঁরা।
জিজ্ঞাসা :—মহাপুরুষের ঘনিষ্ঠ হন যাঁরা তাঁরাও সাধারণ মানুষ নন, অথচ তাঁরা মহাপুরুষদের শিক্ষা বা আদর্শ সর্বাঙ্গীণভাবে গ্রহণ করতে পারেন না কেন ?
মীমাংসা :—মহাপুরুষের যে ধর্মপ্রচার, তাঁর তিনটে দিক আছে। ইচ্ছা—উনি কেন প্রচার করছেন। উদ্দেশ্য—এই প্রচেষ্টার শেষ লক্ষ্য ওঁনার কি, এবং প্রচার–উনি ঠিক কি বলছেন এবং কি ভাবে বলছেন। উদ্দেশ্য বা ইচ্ছা দেখাও যায় না, শােনাও যায় না—অনুভব করতে হয়। প্রচারের মূল ভাবটিকে নিতে পারলেই এই অনুভব করার বা হৃদয়ঙ্গম করার সামর্থ্য আসে। প্রেম বা জ্ঞান বা শক্তির বিকারজনিত যে অসাম্য, তার বিকার নির্মূল করে স্বভাবের সাম্য আনাই হচ্ছে মহাপুরুষদের ইচ্ছা।
বাক্য বা শব্দের ব্যবহার না করে অনেকেই সূক্ষ্মভাবে কাজ করে যাচ্ছেন যাতে পৃথিবীর ভারসাম্য ঠিক থাকে এবং কোন এক স্থানের অসাম্য যেন অন্য স্থানে ছড়িয়ে না পড়ে। এঁদের সাহায্য করা আচার্যদের উদ্দেশ্য।
স্থান-কাল-পাত্র বিশেষে এবং পরিবেশ, পরিস্থিতি ও প্রয়ােজনের ভিন্নতা হেতু প্রচারের আঙ্গিক, বক্তব্য ও ব্যাখ্যা আলাদা হয়েছে, খুব .স্বাভাবিকভাবেই। মহাপুরুষদের উদ্দেশ্য কিন্তু সব সময় একটাই—জগতে শান্তি থাকুক, সাম্য থাকুক, আধ্যাত্মিক বিকাশ হােক ।
সুতরাং বােঝাই যাচ্ছে, যাঁর ঘনিষ্ঠ সহচর, তাঁদের এই সূক্ষ্মবােধ ছিল না। মহাপুরুষদের মূল উদ্দেশ্য বা ইচ্ছা বােঝার জন্য যে অনুভূতি দরকার সেটা তারা ব্যবহার করেননি। তারা আক্ষরিক অর্থে শব্দের পুনরাবৃত্তি করেছেন। নিজেরা যা বুঝেছেন, সকলকে তাই বুঝিয়েছেন।
জিজ্ঞাসা :–তারা প্রত্যেকেই কি এই ভুল করেছেন ?
মীমাংসা :– অন্ততঃ মানুষ যাদের কথা বেশী শুনেছে, তারা প্রত্যেকেই কমবেশি ভুল ব্যাখ্যা করেছেন বা ভুল বুঝিয়েছেন। যাঁরা হয়ত ঠিক ঠিক বুঝেছিলেন, তাঁদের কথা সাধারণ মানুষ শােনেনি বা শুনলেও গ্রাহ্য করেনি। এমনিতেই ভাল-মন্দ বা উৎকৃষ্ট-নিকৃষ্ট বােঝার ক্ষমতা সাধারণ মানুষের কোনদিনই নেই।
জিজ্ঞাসা :–সাধারণ মানুষ এত অসমর্থ কেন?
মীমাংসা :—যার প্রভাব বেশি, মানুষ তার কথাই শােনে এবং তার বক্তব্যকেই সত্য বলে মনে করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এদের পেছনে থাকে রাজনৈতিক শক্তির মদত। তাই সাধারণ মানুষ আরও বেশি অন্ধের মত এদের অনুসরণ করে। … [ক্রমশঃ]
