গুরুমহারাজ স্বামী পরমানন্দ বনগ্রাম পরমানন্দ মিশনে বা অন্যত্র ভক্তসঙ্গে অনেক সময় ওনার নিজের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়েও কথা বলতেন ! আবার অনেক কথা উনি বলতেন না – যেগুলো আমরা অনুভব করে নিতাম, উপলব্ধি করতাম । এখানে সেসব কথাও বলার চেষ্টা করছি ।
আগেই বলা হয়েছিল যে, গুরুমহারাজের গায়ের সেই অপার্থিব গন্ধের কথা ! সেই গন্ধ যে শুধু তাঁর কাছে গেলে পাওয়া যেতো–তাই নয়, সেই গন্ধ অনেকটা দূর হোতেই পাওয়া যেতো ! এমনকি এক একসময় দামী ধূপের গন্ধের মতো সেই গন্ধ ভুর-ভুর করে দমকে দমকে ওনার ঘর থেকে বেরিয়ে আসতো ! যার আঘ্রান নিয়ে আমাদের দেহ-মন-প্রাণ জুড়িয়ে যেতো –শীতল হয়ে যেতো ! সেই মন-প্রাণ জুড়ানো সুশীতল ঘন গন্ধ অনেকক্ষণ পর্যন্ত বা অনেকদিন পর্যন্ত আমাদের অন্তঃকরণে থেকে যেতো !
আর একটা জিনিস ছিল – গুরুমহারাজের শরীরের বিশেষত্ব, সেটা হোলো–ওনার শরীরে যত হাড়ের Joint ছিল, সেগুলি সবই ছিল খুবই আলাদা ! অর্থাৎ একটু জোরে টেনে দিলেই হাড়ের Joint গুলো খুলে যেতো ! উদাহরণ হিসাবে ধরুন– গুরুমহারাজের যে কোনো হাতের একটা আঙুলের ডগা ধরে যদি জোরে টেনে দেওয়া হোতো__ তাহলে আঙুলের প্রতিটি পর্বের Joint গুলো খুলে যেতো – আরো জোরে টানলে কব্জির Joint-ও খুলে যেতো ! তারপর উনি আবার নিজে নিজেই set করে নিতেও পারতেন !
“এটা কেন হয় ?”–এই জিজ্ঞাসার উত্তরে গুরুমহারাজ বলেছিলেন – যোগ করে করে ওনার শরীরের সমস্ত গ্রন্থি (বা গাঁট) সরল হয়ে গেছে–কোথাও কোনো জটিলতা বা বাঁধন নাই !
গুরুমহারাজের কপাল ছিল দেবীর কপাল । মহাদেবীর কপালের মাঝে থাকে ত্রিনয়ন, দেবী তাই ত্রিনয়নী ! গুরুমহারাজও যে কোনো মানুষকে যেন সেই তথাকথিত তৃতীয় নয়ন দিয়েই দেখতেন ! উনি বলতেন – “আমি যখন কাউকে দেখি তখন তার চৌদ্দ জন্ম (সাত জন্ম?) দেখে নিই ! শুধু ওই ব্যক্তির রূপটিকে দেখিনা–তার অতগুলি জন্মের সম্মিলিত রূপটাকে দেখে _তবেই মানুষটার গুণগতমান বিচার করি ! সেইজন্য অনেক সময় দেখবি– তোদের assesment-এর সঙ্গে আমার বিচারধারা মেলে না !” অবশ্য এইরকমটা সব মহাপুরুষদের ক্ষেত্রেই হয়েছে ! ভগবান বুদ্ধ যখন নগরবধূ আম্রপালির ঘরে গিয়েছিলেন–তখনকার সমাজে বহু মানুষ-ই ছিঃ-ছিঃ করেছিল, কিন্তু পরের ঘটনা তো ইতিহাস !
গুরুমহারাজ বলেছিলেন, ওনার গুরুদেব রামানন্দ অবধূতজী ওনাকে কপালে চুম্বন করে স্নেহাশীর্বাদ প্রদান করতেন । চক্ষণজাদীর টগরদার মা-কেও দেখেছিলাম–গুরুজীকে কপালে চুম্বন করে আদর করতে ! আর এসব ছাড়া ৺রী মায়ের ‘কপাল’ বলতে অন্য কী বোঝায় তা জানিনা – তবে গুরুমহারাজ তো মা-ই ছিলেন ! আমার-আপনার মা, সমগ্র জীব-জগতের মা ! সকলকে রক্ষা করতে, সবার মঙ্গল কোরতে–কল্যাণ কোরতেই তো তাঁর আসা ! একথা অবশ্যই বলা যায় যে, শুধু এবারই নয়_প্রতিবারই অবতরনের ক্ষেত্রে তাঁর এ একটাই কাজ।।
গুরুমহারাজ বলেছিলেন– তাঁর শরীরের নাভি ছিল পদ্মনাভি ! একবার গুরুমহারাজের নাভি-তে কোনো সমস্যা হয়েছিল (বা উনি হয়তো কৃপা করে উপস্থিত জনেদের সামনে ব্যাপারটা দেখিয়েছিলেন) এবং সেই ব্যাপারটা সন্ধ্যার সময় বনগ্রামের মুখার্জি বাড়িতে (যে বাড়িতে রোজ সন্ধ্যায় উনি যেতেন) উনি ব্যক্ত করেছিলেন । ফলতঃ বাড়ির senior সদস্যরা – ” কি হয়েছে বাবা তোমার? একবার দেখি তো !” বলে কৌতুহল প্রকাশ করেছিলেন । ফলে গুরুমহারাজ ওনার গায়ের জামা তুলে টর্চ জ্বেলে ওনার নাভি উপস্থিত সকলকে দেখিয়েছিলেন ! ওনারা দেখেছিলেন– পুরো নাভিটা বিশাল বড় এবং আকারে পদ্মের মতো, আর পুরোটাই খোলা – অর্থাৎ পেটের ভিতর পর্যন্ত সবটাই দেখা যাচ্ছিল !! গুরুমহারাজ বলেছিলেন – ” আমার পদ্মনাভি – এখান থেকে জগতের দুঃখে প্রায়শই রক্তক্ষরণ হয় !” … [ক্রমশঃ]
আগেই বলা হয়েছিল যে, গুরুমহারাজের গায়ের সেই অপার্থিব গন্ধের কথা ! সেই গন্ধ যে শুধু তাঁর কাছে গেলে পাওয়া যেতো–তাই নয়, সেই গন্ধ অনেকটা দূর হোতেই পাওয়া যেতো ! এমনকি এক একসময় দামী ধূপের গন্ধের মতো সেই গন্ধ ভুর-ভুর করে দমকে দমকে ওনার ঘর থেকে বেরিয়ে আসতো ! যার আঘ্রান নিয়ে আমাদের দেহ-মন-প্রাণ জুড়িয়ে যেতো –শীতল হয়ে যেতো ! সেই মন-প্রাণ জুড়ানো সুশীতল ঘন গন্ধ অনেকক্ষণ পর্যন্ত বা অনেকদিন পর্যন্ত আমাদের অন্তঃকরণে থেকে যেতো !
আর একটা জিনিস ছিল – গুরুমহারাজের শরীরের বিশেষত্ব, সেটা হোলো–ওনার শরীরে যত হাড়ের Joint ছিল, সেগুলি সবই ছিল খুবই আলাদা ! অর্থাৎ একটু জোরে টেনে দিলেই হাড়ের Joint গুলো খুলে যেতো ! উদাহরণ হিসাবে ধরুন– গুরুমহারাজের যে কোনো হাতের একটা আঙুলের ডগা ধরে যদি জোরে টেনে দেওয়া হোতো__ তাহলে আঙুলের প্রতিটি পর্বের Joint গুলো খুলে যেতো – আরো জোরে টানলে কব্জির Joint-ও খুলে যেতো ! তারপর উনি আবার নিজে নিজেই set করে নিতেও পারতেন !
“এটা কেন হয় ?”–এই জিজ্ঞাসার উত্তরে গুরুমহারাজ বলেছিলেন – যোগ করে করে ওনার শরীরের সমস্ত গ্রন্থি (বা গাঁট) সরল হয়ে গেছে–কোথাও কোনো জটিলতা বা বাঁধন নাই !
গুরুমহারাজের কপাল ছিল দেবীর কপাল । মহাদেবীর কপালের মাঝে থাকে ত্রিনয়ন, দেবী তাই ত্রিনয়নী ! গুরুমহারাজও যে কোনো মানুষকে যেন সেই তথাকথিত তৃতীয় নয়ন দিয়েই দেখতেন ! উনি বলতেন – “আমি যখন কাউকে দেখি তখন তার চৌদ্দ জন্ম (সাত জন্ম?) দেখে নিই ! শুধু ওই ব্যক্তির রূপটিকে দেখিনা–তার অতগুলি জন্মের সম্মিলিত রূপটাকে দেখে _তবেই মানুষটার গুণগতমান বিচার করি ! সেইজন্য অনেক সময় দেখবি– তোদের assesment-এর সঙ্গে আমার বিচারধারা মেলে না !” অবশ্য এইরকমটা সব মহাপুরুষদের ক্ষেত্রেই হয়েছে ! ভগবান বুদ্ধ যখন নগরবধূ আম্রপালির ঘরে গিয়েছিলেন–তখনকার সমাজে বহু মানুষ-ই ছিঃ-ছিঃ করেছিল, কিন্তু পরের ঘটনা তো ইতিহাস !
গুরুমহারাজ বলেছিলেন, ওনার গুরুদেব রামানন্দ অবধূতজী ওনাকে কপালে চুম্বন করে স্নেহাশীর্বাদ প্রদান করতেন । চক্ষণজাদীর টগরদার মা-কেও দেখেছিলাম–গুরুজীকে কপালে চুম্বন করে আদর করতে ! আর এসব ছাড়া ৺রী মায়ের ‘কপাল’ বলতে অন্য কী বোঝায় তা জানিনা – তবে গুরুমহারাজ তো মা-ই ছিলেন ! আমার-আপনার মা, সমগ্র জীব-জগতের মা ! সকলকে রক্ষা করতে, সবার মঙ্গল কোরতে–কল্যাণ কোরতেই তো তাঁর আসা ! একথা অবশ্যই বলা যায় যে, শুধু এবারই নয়_প্রতিবারই অবতরনের ক্ষেত্রে তাঁর এ একটাই কাজ।।
গুরুমহারাজ বলেছিলেন– তাঁর শরীরের নাভি ছিল পদ্মনাভি ! একবার গুরুমহারাজের নাভি-তে কোনো সমস্যা হয়েছিল (বা উনি হয়তো কৃপা করে উপস্থিত জনেদের সামনে ব্যাপারটা দেখিয়েছিলেন) এবং সেই ব্যাপারটা সন্ধ্যার সময় বনগ্রামের মুখার্জি বাড়িতে (যে বাড়িতে রোজ সন্ধ্যায় উনি যেতেন) উনি ব্যক্ত করেছিলেন । ফলতঃ বাড়ির senior সদস্যরা – ” কি হয়েছে বাবা তোমার? একবার দেখি তো !” বলে কৌতুহল প্রকাশ করেছিলেন । ফলে গুরুমহারাজ ওনার গায়ের জামা তুলে টর্চ জ্বেলে ওনার নাভি উপস্থিত সকলকে দেখিয়েছিলেন ! ওনারা দেখেছিলেন– পুরো নাভিটা বিশাল বড় এবং আকারে পদ্মের মতো, আর পুরোটাই খোলা – অর্থাৎ পেটের ভিতর পর্যন্ত সবটাই দেখা যাচ্ছিল !! গুরুমহারাজ বলেছিলেন – ” আমার পদ্মনাভি – এখান থেকে জগতের দুঃখে প্রায়শই রক্তক্ষরণ হয় !” … [ক্রমশঃ]
