গুরুমহারাজ স্বামী পরমানন্দ বিভিন্ন সিটিংয়ে জন্মান্তর নিয়ে যেসব কথা বলেছিলেন – সেইটা এখানে বলা হচ্ছিল । গুরুমহারাজ বলেছিলেন ‘জন্মান্তরবাদ’ নয় ‘জন্মান্তর বিজ্ঞান’! বিজ্ঞান মানেই তো “জানা”, বিশেষ ভাবে “জানা”! আর জানার ইচ্ছাই হোল জিজ্ঞাসা! আমাদের জিজ্ঞাসার উত্তরে উনি বলেছিলেন যে, যে কোনো জিনিসেরই পূর্ব পূর্ব অবস্থা রয়েছে ! সব কিছুরই কার্যকারণ সূত্র রয়েছে – এমনি এমনি কোনো কার্য কখনোই সংঘটিত হয় না – ‘কারণ’ ছাড়া ‘কার্য’ হয় না ! সুতরাং কোনো জাতকের যে জন্ম হোলো – তার পিছনে তো “কারণসমূহ” রয়েছেই – সেই কারণের অনুসন্ধান করতে পারলেই “জন্মান্তর বিজ্ঞান”-এর ধারণা করা যাবে,_এইকথাই বলেছিলেন গুরুমহারাজ !
কোনো জাতক যখন জন্মগ্রহণ করে – তার পূর্বাবস্থা হোলো গর্ভাবস্থা ! গর্ভে ভ্রূণ থেকে ধীরে ধীরে শিশু পূর্ণাঙ্গ রূপ পায় এবং ন’মাস দশদিন বা ২৮০-দিন পর প্রসব হয় (ব্যতিক্রম আলাদা)! ভ্রূণ অবস্থার কারণ হিসাবে বলা যায় পিতার শুক্রাণু ও মাতার ডিম্বাণুর মিলন ৷ এবার পিতার শুক্রাণু সৃষ্টি হয় শরীরের অভ্যন্তরে সাতটি ধাপ অতিক্রম করে ! খাদ্যরস থেকে রক্ত, রক্ত থেকে মাংস(পেশী), মাংস থেকে বসা(চর্বি), বসা থেকে অস্থি, অস্থি থেকে মজ্জা, মজ্জা থেকে বীর্য এবং বীর্য থেকে মেধা ! বীর্য উৎপাদন হলেই যে শুক্রাণু উৎপাদন হবে তা নয় – এর জন্য আবার আলাদা system ! বীর্যরসের মধ্যে শুক্রাণুগুলি অবস্থান করে মাত্র !
খাদ্যরস জড়পদার্থ ! সেখান থেকে বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে বিশেষ পদ্ধতিতে – তাতে প্রাণের সঞ্চার হয় কিভাবে! মানবশরীরে (যে কোনো জীবশরীরে) শুক্রাণু বা ডিম্বাণু সৃষ্টি একটা অলৌকিক ঘটনা !! জড় থেকে জীবনের সঞ্চার – এটা সাধারন ঘটনা নয় ! শরীরের kinetic energy বা খাদ্য থেকে প্রাপ্ত শক্তিতে এই কাজ হয় না – এরজন্য প্রয়োজন হয় মানবশরীরের মস্তিষ্ককোষে সঞ্চিত potential energy-র ! যে শক্তি পুরুষানুক্রমে পিতা-পিতৃপুরুষ থেকে পাওয়া ! সেই শক্তি ক্ষয়ের বিনিময়ে শুক্রাণু উৎপন্ন হয়। অকারণে শুক্র নষ্ট করতে এইজন্যই ভারতীয় শাশ্ত্রে এতো নিষেধাজ্ঞা!! এতে যে নিজের ক্ষতি হয় _তাই শুধু নয়, বংশ-পরম্পরারও ক্ষতিসাধন হয়।
যাইহোক, তাহলে যে কোনো জাতকের পূর্বাপূর্ব অবস্থা জানতে গিয়ে পিছোতে পিছোতে আমরা প্রথমে এসে পৌছালাম ভ্রূণে, সেখান থেকে পিতার শুক্রাণুতে(লক্ষ লক্ষ শুক্রাণুর মধ্যে আবার একটি-দুটি ডিম্বানুর সাথে মিলনে সক্ষম, বাকিরা সহযোগী হিসাবে কাজ করে)এবং শুক্রাণুগুলিকে ধারণ করার জন্য লাগে বীর্যরস এবং বীর্যরসের পূর্ব পূর্ব সাতটি ধাপের প্রথমটি হলো খাদ্যরস ৷ খাদ্যরস আসে খাদ্য বা শস্য থেকে ! শস্য (যে কোনো উদ্ভিদ খাদ্যশস্য অর্থাৎ শস্য এবং “পত্রম-পুষ্পম-ফলম-ফুলম-নালম-কন্দম”!) তেরী হয় – কোনো না কোনো উদ্ভিদ থেকে, কিন্তু সেখানেও ঐ উদ্ভিদের maturity প্রয়োজন, এরপর কুঁড়ি, ফুল, পরাগমিলন বা স্বনিষেক (– কিন্তু তাতেও ব্যতিক্রম রয়েছে, সবসময় শস্য উৎপাদন হবেই এমন কোনো মানে নাই) । এরপরে শস্য উৎপাদন । পরিপুষ্ট শস্য উৎপাদন হোতে গেলে (বিশেষতঃ যে শস্য গ্রহণের ফলে পিতার শরীরে বা পুরুষ শরীরে শুক্রাণু উৎপন্ন হয়) প্রয়োজন হয় চন্দ্রালোক (গাছটি পুষ্ট হতে লাগে সূর্যালোক), শিশিরকণা ইত্যাদি আরো অনেক কিছু !
প্রাণের অভিবিকাশের এই ক্রমে __ চন্দ্রালোক এবং শিশিরকণাই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ! কারণ, কোনো স্থুলশরীরের মৃত্যুর পর সুক্ষশরীর নিরালম্ব অবস্থায় কিছুকাল কাটানোর পর চন্দ্রালোকের উপস্থিতিতে এবং শিশিরকণাকে আশ্রয় করেই শস্যের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। সেই হিসাবে বলা যায় কখন কোন্ খাবারের মধ্যে দিয়ে যে সুক্ষপ্রাণশক্তি পিতার শরীরে প্রবেশ করে এবং কিভাবে তা বিপাক ক্রিয়া বা অন্যান্য ক্রিয়ার মাধ্যমে “প্রাণগঠনকারী শুক্রাণু”-তে(লক্ষ লক্ষ শুক্রাণুর মধ্যে মাত্র দুই একটি) পরিণত হয়_সে রহস্য জড়বিজ্ঞান কখনোই জানতে পারবে না।
ভারতীয় প্রাচীন শাস্ত্রে এই ব্যাপারগুলি নিখুঁতভাবে বর্ণিত হয়েছে ৷ ‘গর্ভোপনিষদ’ নামে একটি গ্রন্থও রয়েছে । ভারতীয় ঋষিগণ সাধনার গভীরে প্রবেশ করে ‘জীবের জন্মগ্রহণের’ পুরো বৃত্তান্ত বা ‘জন্মান্তর বিজ্ঞান’ অধিগত করেছিলেন এবং সেই জ্ঞান তাঁরা পরম্পরাগতভাবে শিষ্যদের মধ্যে সঞ্চারিত করে গেছেন, কেউ কেউ লিপিবদ্ধও করে গেছেন । তাছাড়া যখন যখনই ভগবানের অবতরণ হয় অথবা কোনো যোগী-মহাত্মা-মহাপুরুষগণ জ্ঞানের চরমভূমিতে পৌঁছে যান – তাঁরা এই “জন্মান্তর বিজ্ঞান” সম্পূর্ণরূপে অবগত হ’ন এবং তাঁরাও মানুষকে শিক্ষাদানের সময় বরাবর জন্মান্তর বিজ্ঞানের নানান ঘটনা বা দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন – যাতে তারা সকলে ভারতীয় সংস্কৃতির এই উপলব্ধ সত্যের ধারণাটুকু অন্ততঃ পায় । তবে দেখা যায় যে, অধিকাংশ ভারতীয়রা তা সে শুদ্র-ভদ্র, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-নির্ধন যাই হোক না কেন – তারা স্বাভাবিকভাবেই জন্মান্তরে বিশ্বাস করে । তারা হয়তো বিজ্ঞানটা জানে না কিন্তু এমনি এমনিই বিশ্বাস করে ! একমাত্র কিছু বিদেশাগত ধর্ম বা দর্শনে বিশ্বাসীরা এই সত্যকে মানতে চায় না, দৃষ্টিকে অন্যদিকে সরিয়ে রাখে !
সূর্যের দিক থেকে বা আলোর দিক থেকে মুখ ঘুরিয়ে রেখেও যেমন আলোকে অস্বীকার করা যায় না, তেমনই ভারতবর্ষের প্রাচীন সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে অগ্রাহ্য করে অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে থাকলেও – তার মহিমা, তার গরিমা ম্লান হয়ে যায় না ! ভারতবর্ষের এই সুপ্রাচীন সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করার জন্য, তাকে লালন করার জন্য বারবার এই দেশের মাটিতে শরীর ধারণ করেছেন, কত শত সহস্র মহাত্মা-মহাপুরুষ, যোগী-ঋষিরা ! সেগুলিকে অগ্রাহ্য করে বা এড়িয়ে গিয়ে কি লাভ ? এ তো নিজেই নিজেকে ঠকানো ! এটা নিজের “মনকে চোখ ঠারা” ছাড়া আর কিছুই নয় ! তাই ভারতবর্ষের সমস্ত শিক্ষিত যুবক-যুবতীর উচিত তার শিকড়ের উৎস সন্ধান করে – সঠিক ধারণায় আসা ! ধারণা সঠিক হলেই ধ্যান হয় অর্থাৎ যে কোন বিষয়ের গভীরে যাওয়া যায় – অার তখনই মানুষের জীবনে সত্যের উন্মেষ ঘটে ৷ [ক্রমশঃ]
কোনো জাতক যখন জন্মগ্রহণ করে – তার পূর্বাবস্থা হোলো গর্ভাবস্থা ! গর্ভে ভ্রূণ থেকে ধীরে ধীরে শিশু পূর্ণাঙ্গ রূপ পায় এবং ন’মাস দশদিন বা ২৮০-দিন পর প্রসব হয় (ব্যতিক্রম আলাদা)! ভ্রূণ অবস্থার কারণ হিসাবে বলা যায় পিতার শুক্রাণু ও মাতার ডিম্বাণুর মিলন ৷ এবার পিতার শুক্রাণু সৃষ্টি হয় শরীরের অভ্যন্তরে সাতটি ধাপ অতিক্রম করে ! খাদ্যরস থেকে রক্ত, রক্ত থেকে মাংস(পেশী), মাংস থেকে বসা(চর্বি), বসা থেকে অস্থি, অস্থি থেকে মজ্জা, মজ্জা থেকে বীর্য এবং বীর্য থেকে মেধা ! বীর্য উৎপাদন হলেই যে শুক্রাণু উৎপাদন হবে তা নয় – এর জন্য আবার আলাদা system ! বীর্যরসের মধ্যে শুক্রাণুগুলি অবস্থান করে মাত্র !
খাদ্যরস জড়পদার্থ ! সেখান থেকে বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে বিশেষ পদ্ধতিতে – তাতে প্রাণের সঞ্চার হয় কিভাবে! মানবশরীরে (যে কোনো জীবশরীরে) শুক্রাণু বা ডিম্বাণু সৃষ্টি একটা অলৌকিক ঘটনা !! জড় থেকে জীবনের সঞ্চার – এটা সাধারন ঘটনা নয় ! শরীরের kinetic energy বা খাদ্য থেকে প্রাপ্ত শক্তিতে এই কাজ হয় না – এরজন্য প্রয়োজন হয় মানবশরীরের মস্তিষ্ককোষে সঞ্চিত potential energy-র ! যে শক্তি পুরুষানুক্রমে পিতা-পিতৃপুরুষ থেকে পাওয়া ! সেই শক্তি ক্ষয়ের বিনিময়ে শুক্রাণু উৎপন্ন হয়। অকারণে শুক্র নষ্ট করতে এইজন্যই ভারতীয় শাশ্ত্রে এতো নিষেধাজ্ঞা!! এতে যে নিজের ক্ষতি হয় _তাই শুধু নয়, বংশ-পরম্পরারও ক্ষতিসাধন হয়।
যাইহোক, তাহলে যে কোনো জাতকের পূর্বাপূর্ব অবস্থা জানতে গিয়ে পিছোতে পিছোতে আমরা প্রথমে এসে পৌছালাম ভ্রূণে, সেখান থেকে পিতার শুক্রাণুতে(লক্ষ লক্ষ শুক্রাণুর মধ্যে আবার একটি-দুটি ডিম্বানুর সাথে মিলনে সক্ষম, বাকিরা সহযোগী হিসাবে কাজ করে)এবং শুক্রাণুগুলিকে ধারণ করার জন্য লাগে বীর্যরস এবং বীর্যরসের পূর্ব পূর্ব সাতটি ধাপের প্রথমটি হলো খাদ্যরস ৷ খাদ্যরস আসে খাদ্য বা শস্য থেকে ! শস্য (যে কোনো উদ্ভিদ খাদ্যশস্য অর্থাৎ শস্য এবং “পত্রম-পুষ্পম-ফলম-ফুলম-নালম-কন্দম”!) তেরী হয় – কোনো না কোনো উদ্ভিদ থেকে, কিন্তু সেখানেও ঐ উদ্ভিদের maturity প্রয়োজন, এরপর কুঁড়ি, ফুল, পরাগমিলন বা স্বনিষেক (– কিন্তু তাতেও ব্যতিক্রম রয়েছে, সবসময় শস্য উৎপাদন হবেই এমন কোনো মানে নাই) । এরপরে শস্য উৎপাদন । পরিপুষ্ট শস্য উৎপাদন হোতে গেলে (বিশেষতঃ যে শস্য গ্রহণের ফলে পিতার শরীরে বা পুরুষ শরীরে শুক্রাণু উৎপন্ন হয়) প্রয়োজন হয় চন্দ্রালোক (গাছটি পুষ্ট হতে লাগে সূর্যালোক), শিশিরকণা ইত্যাদি আরো অনেক কিছু !
প্রাণের অভিবিকাশের এই ক্রমে __ চন্দ্রালোক এবং শিশিরকণাই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ! কারণ, কোনো স্থুলশরীরের মৃত্যুর পর সুক্ষশরীর নিরালম্ব অবস্থায় কিছুকাল কাটানোর পর চন্দ্রালোকের উপস্থিতিতে এবং শিশিরকণাকে আশ্রয় করেই শস্যের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। সেই হিসাবে বলা যায় কখন কোন্ খাবারের মধ্যে দিয়ে যে সুক্ষপ্রাণশক্তি পিতার শরীরে প্রবেশ করে এবং কিভাবে তা বিপাক ক্রিয়া বা অন্যান্য ক্রিয়ার মাধ্যমে “প্রাণগঠনকারী শুক্রাণু”-তে(লক্ষ লক্ষ শুক্রাণুর মধ্যে মাত্র দুই একটি) পরিণত হয়_সে রহস্য জড়বিজ্ঞান কখনোই জানতে পারবে না।
ভারতীয় প্রাচীন শাস্ত্রে এই ব্যাপারগুলি নিখুঁতভাবে বর্ণিত হয়েছে ৷ ‘গর্ভোপনিষদ’ নামে একটি গ্রন্থও রয়েছে । ভারতীয় ঋষিগণ সাধনার গভীরে প্রবেশ করে ‘জীবের জন্মগ্রহণের’ পুরো বৃত্তান্ত বা ‘জন্মান্তর বিজ্ঞান’ অধিগত করেছিলেন এবং সেই জ্ঞান তাঁরা পরম্পরাগতভাবে শিষ্যদের মধ্যে সঞ্চারিত করে গেছেন, কেউ কেউ লিপিবদ্ধও করে গেছেন । তাছাড়া যখন যখনই ভগবানের অবতরণ হয় অথবা কোনো যোগী-মহাত্মা-মহাপুরুষগণ জ্ঞানের চরমভূমিতে পৌঁছে যান – তাঁরা এই “জন্মান্তর বিজ্ঞান” সম্পূর্ণরূপে অবগত হ’ন এবং তাঁরাও মানুষকে শিক্ষাদানের সময় বরাবর জন্মান্তর বিজ্ঞানের নানান ঘটনা বা দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন – যাতে তারা সকলে ভারতীয় সংস্কৃতির এই উপলব্ধ সত্যের ধারণাটুকু অন্ততঃ পায় । তবে দেখা যায় যে, অধিকাংশ ভারতীয়রা তা সে শুদ্র-ভদ্র, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-নির্ধন যাই হোক না কেন – তারা স্বাভাবিকভাবেই জন্মান্তরে বিশ্বাস করে । তারা হয়তো বিজ্ঞানটা জানে না কিন্তু এমনি এমনিই বিশ্বাস করে ! একমাত্র কিছু বিদেশাগত ধর্ম বা দর্শনে বিশ্বাসীরা এই সত্যকে মানতে চায় না, দৃষ্টিকে অন্যদিকে সরিয়ে রাখে !
সূর্যের দিক থেকে বা আলোর দিক থেকে মুখ ঘুরিয়ে রেখেও যেমন আলোকে অস্বীকার করা যায় না, তেমনই ভারতবর্ষের প্রাচীন সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে অগ্রাহ্য করে অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে থাকলেও – তার মহিমা, তার গরিমা ম্লান হয়ে যায় না ! ভারতবর্ষের এই সুপ্রাচীন সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করার জন্য, তাকে লালন করার জন্য বারবার এই দেশের মাটিতে শরীর ধারণ করেছেন, কত শত সহস্র মহাত্মা-মহাপুরুষ, যোগী-ঋষিরা ! সেগুলিকে অগ্রাহ্য করে বা এড়িয়ে গিয়ে কি লাভ ? এ তো নিজেই নিজেকে ঠকানো ! এটা নিজের “মনকে চোখ ঠারা” ছাড়া আর কিছুই নয় ! তাই ভারতবর্ষের সমস্ত শিক্ষিত যুবক-যুবতীর উচিত তার শিকড়ের উৎস সন্ধান করে – সঠিক ধারণায় আসা ! ধারণা সঠিক হলেই ধ্যান হয় অর্থাৎ যে কোন বিষয়ের গভীরে যাওয়া যায় – অার তখনই মানুষের জীবনে সত্যের উন্মেষ ঘটে ৷ [ক্রমশঃ]
