সহুকার কতৃক রটানাে গুজবে কোন ফল হোল না। কারণ সরকারী কর্মচারীরা তদন্ত করে বুঝতে পেরেছিলেন প্রকৃত ঘটনাটি কি। লােকেও ব্যাপারটা বুঝতে পেরে স্বামীজীর স্তুতি গাইতে লাগলো। সহুকার হতাশ হয়ে গেল। প্রচুর টাকা খরচ করে হায়দ্রাবাদ থেকে সরকারী কর্মচারীদের সেখানে আনার বিশেষ ব্যবস্থা করতে লাগলো। কিন্তু ফল সবসময় অসন্তোষজনকই হতে লাগলো। অফিসাররা কেউ কেউ স্বামীজীর শিষ্যত্ব গ্রহণ করছে অথবা তাঁর গুণমুগ্ধ হয়ে উঠেছে। স্বামীজীকে জীবনে শেষ করার প্রচেষ্টা তার ব্যর্থ হয়ে গেল। দুবার সে ব্যর্থ হোল । যে দুজন লোককে সে ঐ কাজে নিযুক্ত করেছিল তারাও বিশ্বাসঘাতক হয়ে গেলো। বনের এক নির্জন স্থানে বসবাসকারী একটা লোককে হত্যা করতে পারলো না। রেড্ডিদের উপর তার খুব রাগ হোল । সহুকারের একমাত্র লক্ষ্য হোল যাতে স্বামীজী রেড্ডিদের উপর কোনো প্রভাব বিস্তার করতে না পারেন।
স্বামীজীর মুরলীকৃষ্ণ দর্শনের পরের দিন পাঁচ-ছটা গ্রামের রেড্ডিরা আশ্রমে এসে হাজির হোল। দুপুরে তারা পাত পেড়ে বসলো। পরিবেশন চলতে লাগলো। কেউ কেউ খাওয়া শুরু করলো। আবার কেউ কেউ বাড়ীতে নিয়ে যাওয়ার জন্য খাবার প্যাকিং করতে লাগলো ।
সহুকার গ্রামে এসে নদীর ধারে একটা গাছের নীচে অপেক্ষা করতে লাগলো। সে চাইল রেড্ডিরা সকলে তার কাছে আসুক। এই খবর রেড্ডিদের মধ্যে একটা উত্তেজনা সৃষ্টি করলো। তারা আধখাওয়া অবস্থায় ছুটে আশ্রম থেকে পালিয়ে গেলো।
স্বামীজী খুব আঘাত পেলেন। তিনি মুষড়ে পড়লেন। পরিস্থিতি খুব জটিল হয়ে উঠলো। রেড্ডিদের এই অবস্থা দেখে তিনি খুব দুঃখ পেলেন। উৎপীড়ক সহুকার কখনও রেড্ডিদের খেতে দেয় না। আবার অন্য কেউ খেতে দিলেও সে বাধা সৃষ্টি করে। কি অত্যাচার ? এই আসুরিক আচরণের কি কোনো শেষ নাই? এই স্বেচ্ছাচারিতা, শােষণ কি আবহমান কাল চলতেই থাকবে ? নিরীহ রেড্ডিদের স্বাধীনতা হরণকারী শয়তানের কুকীর্তির কি কোনো শেষ নাই ? একদিন আসবে যেদিন স্বেচ্ছাচারিতার অবসান হবে। যদি এই উপজাতিদের গ্রাসাচ্ছাদনের স্বাচ্ছন্দ আসে, তাহলে সেখানে সহুকার থাকবে না। স্বামীজী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হোলেন।
বন সরকারের অধিকারে। সহুকার হোল সেই সরকার এবং উপজাতিদের মধ্যস্থতাকারী। এই মধ্যস্থতাকারীর হাত থেকে কিভাবে রেহাই পাওয়া যাবে ? স্বামীজী শীঘ্রই ভক্তদের ডেকে একত্রিত করে এই বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করলেন। স্বামীজী আগেই বনবিভাগের প্রধান নবাব ইয়ার জং বাহাদুরকে নীলাম ব্যবস্থা চালু করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। তাঁর প্রস্তাব গৃহীত হোল। শীঘ্রই এ ব্যবস্থা চালু হোল। যদি সহুকার পেরেন্টাপল্লী এলাকায় সবচেয়ে বড় নিলামদার হয় তাহলে তার অত্যাচার আরও বেশ কিছুদিন চলবে। একে রোধ করা যাবে না।
স্বামীজীর ইচ্ছা উপজাতিদের লােকেরা নিজেরাই এই নীলাম ব্যবস্থার ভার নেয়। তাহলে সহুকারের আধিপত্যের অবসান হবে। স্বামীজীর শিষ্যরা এই পরিকল্পনা কার্যকরী করার জন্য সম্মত হোল। তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে প্রয়ােজনীয় অর্থ সংগ্রহের কাজ হাতে নিল। স্বামীজী এতদিন ধ্যান ধারণায় মগ্ন ছিলেন। এখন তিনি পরিচালকের সক্রিয় ভূমিকা নিলেন। মুরলীর মধুর সুর পাঞ্চজন্যের গগনভেদী নিনাদে পরিণত হোল!!
স্বামীজীর মুরলীকৃষ্ণ দর্শনের পরের দিন পাঁচ-ছটা গ্রামের রেড্ডিরা আশ্রমে এসে হাজির হোল। দুপুরে তারা পাত পেড়ে বসলো। পরিবেশন চলতে লাগলো। কেউ কেউ খাওয়া শুরু করলো। আবার কেউ কেউ বাড়ীতে নিয়ে যাওয়ার জন্য খাবার প্যাকিং করতে লাগলো ।
সহুকার গ্রামে এসে নদীর ধারে একটা গাছের নীচে অপেক্ষা করতে লাগলো। সে চাইল রেড্ডিরা সকলে তার কাছে আসুক। এই খবর রেড্ডিদের মধ্যে একটা উত্তেজনা সৃষ্টি করলো। তারা আধখাওয়া অবস্থায় ছুটে আশ্রম থেকে পালিয়ে গেলো।
স্বামীজী খুব আঘাত পেলেন। তিনি মুষড়ে পড়লেন। পরিস্থিতি খুব জটিল হয়ে উঠলো। রেড্ডিদের এই অবস্থা দেখে তিনি খুব দুঃখ পেলেন। উৎপীড়ক সহুকার কখনও রেড্ডিদের খেতে দেয় না। আবার অন্য কেউ খেতে দিলেও সে বাধা সৃষ্টি করে। কি অত্যাচার ? এই আসুরিক আচরণের কি কোনো শেষ নাই? এই স্বেচ্ছাচারিতা, শােষণ কি আবহমান কাল চলতেই থাকবে ? নিরীহ রেড্ডিদের স্বাধীনতা হরণকারী শয়তানের কুকীর্তির কি কোনো শেষ নাই ? একদিন আসবে যেদিন স্বেচ্ছাচারিতার অবসান হবে। যদি এই উপজাতিদের গ্রাসাচ্ছাদনের স্বাচ্ছন্দ আসে, তাহলে সেখানে সহুকার থাকবে না। স্বামীজী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হোলেন।
বন সরকারের অধিকারে। সহুকার হোল সেই সরকার এবং উপজাতিদের মধ্যস্থতাকারী। এই মধ্যস্থতাকারীর হাত থেকে কিভাবে রেহাই পাওয়া যাবে ? স্বামীজী শীঘ্রই ভক্তদের ডেকে একত্রিত করে এই বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করলেন। স্বামীজী আগেই বনবিভাগের প্রধান নবাব ইয়ার জং বাহাদুরকে নীলাম ব্যবস্থা চালু করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। তাঁর প্রস্তাব গৃহীত হোল। শীঘ্রই এ ব্যবস্থা চালু হোল। যদি সহুকার পেরেন্টাপল্লী এলাকায় সবচেয়ে বড় নিলামদার হয় তাহলে তার অত্যাচার আরও বেশ কিছুদিন চলবে। একে রোধ করা যাবে না।
স্বামীজীর ইচ্ছা উপজাতিদের লােকেরা নিজেরাই এই নীলাম ব্যবস্থার ভার নেয়। তাহলে সহুকারের আধিপত্যের অবসান হবে। স্বামীজীর শিষ্যরা এই পরিকল্পনা কার্যকরী করার জন্য সম্মত হোল। তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে প্রয়ােজনীয় অর্থ সংগ্রহের কাজ হাতে নিল। স্বামীজী এতদিন ধ্যান ধারণায় মগ্ন ছিলেন। এখন তিনি পরিচালকের সক্রিয় ভূমিকা নিলেন। মুরলীর মধুর সুর পাঞ্চজন্যের গগনভেদী নিনাদে পরিণত হোল!!
