[ সুব্বাম্মার মেয়ে অসুস্থ অবস্থায় আশ্রমে ছিল। তাঁর ছেলেরা মাকে নিয়ে যাবার জন্য এসেছিল। কিন্তু ঐ মা আশ্রম ছেড়ে, স্বামীজীকে ছেড়ে যেতে চাইছিলেন না। একদিন তিনি খুবই অসুস্থ হয়ে পড়লেন…..]
ওই সময় স্বামীজী নদীতে স্নান করছিলেন। তিনি ভিজে কাপড়েই সেখানে এসে হাজির হোলেন । স্বামীজী রেপল্লীমার কপালে জল দিয়ে দিলেন এবং তাঁর মুখেও একটু জল দিলেন। রেপল্লীমা বলে উঠলো _”আমি নারায়ণের মধ্যে যাচ্ছি !” _এই বলে সে চিরদিনের মতো ঘুমিয়ে পড়লো।
স্বামীজীর সংস্পর্শে এসে, তাঁর সঙ্গ লাভ করে _ এই মহিলার উচ্চ অবস্থা লাভ হয়েছিল !
আরো একজন এইরূপ বৃদ্ধা মহিলার কথা এখানে বলা যায় ! তাকে সবাই “বৃদ্ধা গোপী” বলে ডাকতো। পোলাভরমের এক এ্যাডভোকেটের মা ছিলেন তিনি এবং ঈশ্বরের নাম গুণকীর্তনে তাঁর খুব অনুরাগ ছিল । বাড়িতে থাকাকালীন তিনি সবসময় পেরেন্টাপল্লী আশ্রমের কথা চিন্তা করতেন। মন তাঁর সব সময় পেরেন্টাপল্লীতেই থাকতো। স্বামীজীর সঙ্গ পেয়ে তিনি অসাধারণ ফল পেয়েছিলেন !
জন্মভূমি পোলাভরমেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের লোকেরা ভাবলো_ তাঁর মৃত্যুর সময় প্রায় আগত ! বাড়িতে মরলে বাড়ি দূষিত হোতে পারে _এই ভয়ে তারা তাঁকে বাড়ির বাইরে নিয়ে এলো । বাড়ির বাইরে নিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মনে এক অদ্ভুত অবস্থা দেখা দিলো। পরিবারের লোকেরা এই অবস্থাকে “কোমা অবস্থা” বলে মনে করলো । কিন্তু তিনি প্রকৃতপক্ষে গভীর মনোযোগের সঙ্গে পেরেন্টাপল্লী আশ্রমের কথা চিন্তা করছিলেন । এই অবস্থা সাত দিন চললো। বাড়ির লোকেরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়লো । তাকে পুনরায় বাড়ীর ভেতরে নিয়ে যাওয়া হোলো । ধীরে ধীরে তিনি চোখ মেলে চাইলেন এবং ক্রমে ক্রমে আরোগ্য লাভ করলেন। ক্রমশঃ তিনি চলাফেরা শুরু করলেন। পরে তিনি স্বামীজীর নিকট গিয়ে তাঁর সমস্ত অভিজ্ঞতার কথা জানালেন । তিনি স্বামীজীর আশীর্বাদ লাভ করলেন। এরপর তিনি পেরেন্টাপল্লীতে স্বামীজীর উপস্থিতিতে শরীর ছাড়তে চাইলেন ।
স্বামীজী বললেন _”না মা _বাড়ি ফিরে যাও ! তুমি যেখানেই থাকো না কেন, আমি তোমার সঙ্গেই থাকবো!” গুরুর নিকট এই অভয়বাণী পেয়ে তিনি বাড়ি ফিরে গেলেন । বাড়িতে সব সময় তিনি গুরুর উপস্থিতি অনুভব করতেন। একদিন হঠাৎ _”আমি আমার গুরুর সঙ্গে মিশে যাচ্ছি”, বলে তিনি তাঁর স্থুলশরীর ছেড়ে দিয়েছিলেন।।
[ দ্বিতীয়বার আমার (আঃ বেঙ্কট রাও) আশ্রম দর্শন]
______________০__________
1940-সালে অক্টোবর মাসে প্রথমবার আশ্রম দর্শন করার পর 1943 সালের অগাস্ট মাসে নীলাদ্রি রাওয়ের সঙ্গে পুনরায় আশ্রম দর্শনে যাই। তিন বছর আগে আশ্রমকে যেমন দেখেছিলাম _এখন তা সম্পূর্ণ আলাদা !
অপরাহ্ণে আমরা আশ্রমে প্রবেশ করেছিলাম । আশ্রমে প্রবেশ করে প্রথমে মন্দিরে ঢুকলাম। ঠাকুর প্রণাম সেরে ঠাকুরের স্নানজল খেলাম। তারপর মন্দিরের বাইরে এসে স্বামীজীর সঙ্গে দেখা করতে গেলাম । তিনি তাঁর কুটীরের বারান্দায় বসে ছিলেন । তাঁকে প্রণাম করলাম । তিনি তার মধুর হাসি দিয়ে আমাদেরকে স্বাগত জানালেন ।
নীলাদ্রি রাওয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় করিয়ে দিলাম । নীলাদ্রি রাও ভদ্রাচলমের তহশিলদার। আমি তিন বছর আগে সুব্বা রাওয়ের সঙ্গে আশ্রমে এসেছিলাম _ একথাও উল্লেখ করলাম। স্বামীজী বললেন _”আমি ভুলি নাই!” তিনি আমাদেরকে একটা কুটীরে নিয়ে গিয়ে থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন। আমরা আমাদের বেডিং পত্র সেই কুটীরে রাখলাম।
নীলাদ্রী রাও খুব খুশী হোলো । এখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য, স্বামীজীর মধুর ব্যবহার এবং পিতৃসূলভ ভালোবাসা তাঁকে খুব আকর্ষণ করলো ।
তিন বছরে আশ্রমের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আশ্রমদেবতা শিবলিঙ্গের চারপাশে পাথর দিয়ে বাঁধানো হয়েছে । ইঁটের গাঁথনি দিয়ে স্তম্ভ তৈরি হয়েছে । আশ্রমের চারপাশে কাঠের দেওয়াল দেওয়া হয়েছে । স্তম্ভের উপরে শঙ্কু আকারের কাঠের প্যানেল দেওয়া হয়েছে । তার অগ্রভাগে কাঠের উপর ‘ওঁ’-কার লেখা ! ওঙ্কারের একপাশে ক্রস এবং অর্ধচন্দ্র এবং অপর পাশে অগ্নি এবং স্বস্তিক আঁকা ! এই প্রতীকগুলি সনাতন ধর্ম ছাড়াও _ খ্রীষ্টান, ইসলাম, বৌদ্ধ ধর্ম এবং পার্শী ধর্মের চিহ্নস্বরূপ ! এই চিহ্নগুলি Proverty Relief Society-এর প্রতীক হিসাবে ব্যবহৃত হোতো । Proverty Relief Society স্বামীজী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন । মাটি বা বালি থেকে এখন সিমেন্ট দিয়ে সবকিছু বাঁধানো হয়েছে ! দুটো কাঁঠাল গাছ এখনো সেখানে রয়েছে ।
শিবলিঙ্গটি একই অবস্থায় রয়েছে । কেবলমাত্র এর উপর একটা পাত্র ঝুলানো হয়েছে তা থেকে জল সবসময় চুয়ে চুয়ে শিবলিঙ্গের ওপরে পড়ছে!
দু-তিনটি কুঠরী সম্বলিত একটি শেড তৈরি করা হয়েছে । এগুলি আশ্রমবাসীদের থাকার জন্য এবং খাদ্যবস্তু মজুদ করে রাখার জন্য ব্যবহার হয় ।
একটা রান্নাঘর তৈরি হয়েছে । আশ্রম দেবতার উদ্দেশ্যে প্রতিদিন এখানে ভোগ রান্না হয় । স্বামীজী বললেন _”কোনো ব্যক্তিকে অন্ন দান করলে বৈশ্বানরকে অন্ন দান করা হয় । খাবার রান্না করে, সেই খাবার দিয়ে কাউকে সেবা করা ‘মহাযজ্ঞ’ বলে বিবেচিত হয় ! সেইজন্য এই শেডটিকে রান্নাঘর না বলে “যজ্ঞশালা” বলা হয়!
আশ্রমে আরেকটা বড় শেড রয়েছে । এখানে উৎসবের সময় অন্ন পাক করা হয় । ওটাকে “অন্নপূর্ণা কুটীর” বলা হয়। অন্য সময় দর্শনার্থীরা এখানে থাকে ।
আশ্রম প্রাঙ্গন এখন সমতল এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন । প্রাঙ্গণে একটি কূপ খনন করা হয়েছে। এই কূপের জল পান করা হয়। নদীতে স্নান করতে যাওয়ার জন্য আশ্রমের দু-তিন দিকে বাঁধানো সোপান তৈরি হয়েছে।
আশ্রমে পাঁচ-ছয় জন মা থাকেন । এঁদের মধ্যে সীতাম্মা থাল্লীর সঙ্গে আমি ইতিপূর্বেই পরিচিত হয়েছিলাম । সীতাম্মা থাল্লী ছাড়া রামকৃষ্ণ মা, নন্দনম্, অন্নপূর্ণা মা এবং রম্মামাও থাকেন!(ক্রমশঃ)
ওই সময় স্বামীজী নদীতে স্নান করছিলেন। তিনি ভিজে কাপড়েই সেখানে এসে হাজির হোলেন । স্বামীজী রেপল্লীমার কপালে জল দিয়ে দিলেন এবং তাঁর মুখেও একটু জল দিলেন। রেপল্লীমা বলে উঠলো _”আমি নারায়ণের মধ্যে যাচ্ছি !” _এই বলে সে চিরদিনের মতো ঘুমিয়ে পড়লো।
স্বামীজীর সংস্পর্শে এসে, তাঁর সঙ্গ লাভ করে _ এই মহিলার উচ্চ অবস্থা লাভ হয়েছিল !
আরো একজন এইরূপ বৃদ্ধা মহিলার কথা এখানে বলা যায় ! তাকে সবাই “বৃদ্ধা গোপী” বলে ডাকতো। পোলাভরমের এক এ্যাডভোকেটের মা ছিলেন তিনি এবং ঈশ্বরের নাম গুণকীর্তনে তাঁর খুব অনুরাগ ছিল । বাড়িতে থাকাকালীন তিনি সবসময় পেরেন্টাপল্লী আশ্রমের কথা চিন্তা করতেন। মন তাঁর সব সময় পেরেন্টাপল্লীতেই থাকতো। স্বামীজীর সঙ্গ পেয়ে তিনি অসাধারণ ফল পেয়েছিলেন !
জন্মভূমি পোলাভরমেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের লোকেরা ভাবলো_ তাঁর মৃত্যুর সময় প্রায় আগত ! বাড়িতে মরলে বাড়ি দূষিত হোতে পারে _এই ভয়ে তারা তাঁকে বাড়ির বাইরে নিয়ে এলো । বাড়ির বাইরে নিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মনে এক অদ্ভুত অবস্থা দেখা দিলো। পরিবারের লোকেরা এই অবস্থাকে “কোমা অবস্থা” বলে মনে করলো । কিন্তু তিনি প্রকৃতপক্ষে গভীর মনোযোগের সঙ্গে পেরেন্টাপল্লী আশ্রমের কথা চিন্তা করছিলেন । এই অবস্থা সাত দিন চললো। বাড়ির লোকেরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়লো । তাকে পুনরায় বাড়ীর ভেতরে নিয়ে যাওয়া হোলো । ধীরে ধীরে তিনি চোখ মেলে চাইলেন এবং ক্রমে ক্রমে আরোগ্য লাভ করলেন। ক্রমশঃ তিনি চলাফেরা শুরু করলেন। পরে তিনি স্বামীজীর নিকট গিয়ে তাঁর সমস্ত অভিজ্ঞতার কথা জানালেন । তিনি স্বামীজীর আশীর্বাদ লাভ করলেন। এরপর তিনি পেরেন্টাপল্লীতে স্বামীজীর উপস্থিতিতে শরীর ছাড়তে চাইলেন ।
স্বামীজী বললেন _”না মা _বাড়ি ফিরে যাও ! তুমি যেখানেই থাকো না কেন, আমি তোমার সঙ্গেই থাকবো!” গুরুর নিকট এই অভয়বাণী পেয়ে তিনি বাড়ি ফিরে গেলেন । বাড়িতে সব সময় তিনি গুরুর উপস্থিতি অনুভব করতেন। একদিন হঠাৎ _”আমি আমার গুরুর সঙ্গে মিশে যাচ্ছি”, বলে তিনি তাঁর স্থুলশরীর ছেড়ে দিয়েছিলেন।।
[ দ্বিতীয়বার আমার (আঃ বেঙ্কট রাও) আশ্রম দর্শন]
______________০__________
1940-সালে অক্টোবর মাসে প্রথমবার আশ্রম দর্শন করার পর 1943 সালের অগাস্ট মাসে নীলাদ্রি রাওয়ের সঙ্গে পুনরায় আশ্রম দর্শনে যাই। তিন বছর আগে আশ্রমকে যেমন দেখেছিলাম _এখন তা সম্পূর্ণ আলাদা !
অপরাহ্ণে আমরা আশ্রমে প্রবেশ করেছিলাম । আশ্রমে প্রবেশ করে প্রথমে মন্দিরে ঢুকলাম। ঠাকুর প্রণাম সেরে ঠাকুরের স্নানজল খেলাম। তারপর মন্দিরের বাইরে এসে স্বামীজীর সঙ্গে দেখা করতে গেলাম । তিনি তাঁর কুটীরের বারান্দায় বসে ছিলেন । তাঁকে প্রণাম করলাম । তিনি তার মধুর হাসি দিয়ে আমাদেরকে স্বাগত জানালেন ।
নীলাদ্রি রাওয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় করিয়ে দিলাম । নীলাদ্রি রাও ভদ্রাচলমের তহশিলদার। আমি তিন বছর আগে সুব্বা রাওয়ের সঙ্গে আশ্রমে এসেছিলাম _ একথাও উল্লেখ করলাম। স্বামীজী বললেন _”আমি ভুলি নাই!” তিনি আমাদেরকে একটা কুটীরে নিয়ে গিয়ে থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন। আমরা আমাদের বেডিং পত্র সেই কুটীরে রাখলাম।
নীলাদ্রী রাও খুব খুশী হোলো । এখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য, স্বামীজীর মধুর ব্যবহার এবং পিতৃসূলভ ভালোবাসা তাঁকে খুব আকর্ষণ করলো ।
তিন বছরে আশ্রমের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আশ্রমদেবতা শিবলিঙ্গের চারপাশে পাথর দিয়ে বাঁধানো হয়েছে । ইঁটের গাঁথনি দিয়ে স্তম্ভ তৈরি হয়েছে । আশ্রমের চারপাশে কাঠের দেওয়াল দেওয়া হয়েছে । স্তম্ভের উপরে শঙ্কু আকারের কাঠের প্যানেল দেওয়া হয়েছে । তার অগ্রভাগে কাঠের উপর ‘ওঁ’-কার লেখা ! ওঙ্কারের একপাশে ক্রস এবং অর্ধচন্দ্র এবং অপর পাশে অগ্নি এবং স্বস্তিক আঁকা ! এই প্রতীকগুলি সনাতন ধর্ম ছাড়াও _ খ্রীষ্টান, ইসলাম, বৌদ্ধ ধর্ম এবং পার্শী ধর্মের চিহ্নস্বরূপ ! এই চিহ্নগুলি Proverty Relief Society-এর প্রতীক হিসাবে ব্যবহৃত হোতো । Proverty Relief Society স্বামীজী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন । মাটি বা বালি থেকে এখন সিমেন্ট দিয়ে সবকিছু বাঁধানো হয়েছে ! দুটো কাঁঠাল গাছ এখনো সেখানে রয়েছে ।
শিবলিঙ্গটি একই অবস্থায় রয়েছে । কেবলমাত্র এর উপর একটা পাত্র ঝুলানো হয়েছে তা থেকে জল সবসময় চুয়ে চুয়ে শিবলিঙ্গের ওপরে পড়ছে!
দু-তিনটি কুঠরী সম্বলিত একটি শেড তৈরি করা হয়েছে । এগুলি আশ্রমবাসীদের থাকার জন্য এবং খাদ্যবস্তু মজুদ করে রাখার জন্য ব্যবহার হয় ।
একটা রান্নাঘর তৈরি হয়েছে । আশ্রম দেবতার উদ্দেশ্যে প্রতিদিন এখানে ভোগ রান্না হয় । স্বামীজী বললেন _”কোনো ব্যক্তিকে অন্ন দান করলে বৈশ্বানরকে অন্ন দান করা হয় । খাবার রান্না করে, সেই খাবার দিয়ে কাউকে সেবা করা ‘মহাযজ্ঞ’ বলে বিবেচিত হয় ! সেইজন্য এই শেডটিকে রান্নাঘর না বলে “যজ্ঞশালা” বলা হয়!
আশ্রমে আরেকটা বড় শেড রয়েছে । এখানে উৎসবের সময় অন্ন পাক করা হয় । ওটাকে “অন্নপূর্ণা কুটীর” বলা হয়। অন্য সময় দর্শনার্থীরা এখানে থাকে ।
আশ্রম প্রাঙ্গন এখন সমতল এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন । প্রাঙ্গণে একটি কূপ খনন করা হয়েছে। এই কূপের জল পান করা হয়। নদীতে স্নান করতে যাওয়ার জন্য আশ্রমের দু-তিন দিকে বাঁধানো সোপান তৈরি হয়েছে।
আশ্রমে পাঁচ-ছয় জন মা থাকেন । এঁদের মধ্যে সীতাম্মা থাল্লীর সঙ্গে আমি ইতিপূর্বেই পরিচিত হয়েছিলাম । সীতাম্মা থাল্লী ছাড়া রামকৃষ্ণ মা, নন্দনম্, অন্নপূর্ণা মা এবং রম্মামাও থাকেন!(ক্রমশঃ)
