[উপজাতিদের নানান সমস্যা এবং তাদের ত্রাতা স্বামী বাউলানন্দ।]
Social Service League এর অফিসাররা বাঁশ এবং কাঠের ব্যবসা তত্ত্বাবধান করতেন। ঐ এলাকায় ‘কোয়া’ এবং ‘রেড্ডি’ উভয় জাতিই বসবাস করত। এই সব উপজাতিদের প্রত্যেকটি পরিবার তাদের ভরণপােষণের জন্য Socal Service League-এর উপর নির্ভরশীল ছিল। ঐ লিগের অফিসাররা ছিলেন মুসলমান। তাঁরা সকলকে মুসলমান করার জন্য উদ্বিগ্ন ছিলেন। তারা ‘কোয়া’ এবং ‘রেড্ডি’দের নানাভাবে হয়রাণ করতে লাগলেন। তখন সমস্ত উপজাতির লােক স্বামীজীর নিকট গিয়ে তাদের দুঃখের কথা জানাল।
“স্বামী, এই অফিসাররা আমাদেরকে বলছে, ‘তোমরা গরুর মাংস খাও, আমরাও খাই। সুতরাং তোমরা এবং আমরা এক। তােমরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ কর। অনেক সুযােগ-সুবিধা পাবে। হিন্দুরা গরুর মাংস খায় না কিন্তু তােমরা খাও। সুতরাং তোমরা হিন্দু নও।’ এইভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ না করলে ওরা আমাদের অনেক ক্ষতি করবে বলে ভয় দেখাচ্ছে। আপনি বলুন এখন আমরা কি করব।”
স্বামীজী বললেন “তোমাদের কি মত?”
“আমরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলমান হতে চাই না ”
স্বামীজী ওদের সাহস দিয়ে বললেন, “তাহলে মুসলমান হয়ো না। ওরা যা বলছে তা ঠিক নয়। তােমরা হিন্দু। হিন্দুদের উপাস্য দেবদেবীই তোমাদের উপাস্য দেবদেবী।”
“ওরা বলছে ওদের ধর্ম গ্রহণ না করলে আমরা যেন ওদের কাজে না যাই।”
“তাহলে ওদের কাজে যেয়াে না। যদি তোমার সকলে ওদের কাজ করা বন্ধ করে দাও তাহলে কারা ওদের কাজ করবে ?”
স্বামীজীর কথা শুনে ‘কোয়া’ এবং ‘রেড্ডি’রা সকলে নির্ভীক হয়ে বাড়ী ফিরল । ওরা অফিসারদের কাজে যাওয়া বন্ধ করল।
কাজ বন্ধ হয়ে গেল। ‘কোয়া’ এবং ‘রেড্ডি’রা তাদের সাপ্তাহিক মজুরি পাচ্ছে না। কিন্তু এতে তারা ভীত নয় । কাজ করে মজুরি না পেয়ে তারা উপবাসে দিন কাটিয়েছে। সুতরাং উপবাস করাটা তাদের কাছে নূতন কোন ব্যাপার নয়।
‘কোয়া’ এরং ‘রেড্ডি’রা পুরুষানুক্রমে তাদের উপাস্য দেবতার নিকট প্রার্থনা এবং পূজা করে আসছে। বিপদের সম্মুখীন হয়েও তারা তাদের দেবতাকে পরিত্যাগ করল না। নিজেদের ধর্মের প্রতি তাদের বিশ্বাস আরও দৃঢ় হল ।
গুণ্ডাদের আক্রমণ এজেন্সি এলাকায় এসে পৌঁছুল। এই লােকেদের রক্ষা করার দায়িত্ব সরকারের। যখন সরকার ব্যর্থ তখন এই লােকেরা কি করবে ? রাজনৈতিক ক্ষমতাকে যদি কোন বিশেষ ধর্ম রক্ষার কাজে লাগানাে হয় তাহলে অন্য ধর্মের লােকেরা কি করবে? তারা কি কোন নিরাপদ স্থানে চলে যাবে ? নাকি অন্য রাজ্যে আশ্রয় নেবে? এই পরিস্থিতিতে তাদের কি করা উচিত ?
না।–তারা নিজেদের জীবন রক্ষা করবে, মেয়েদের সতীত্ব রক্ষা করবে। যে সম্পত্তি তারা উত্তরাধিকার সূত্রে ভােগ করছে, তা তারা রক্ষা করবে। দরকার হলে তারা অস্ত্র ধারণ করবে (কারণ তাদের সাথে রয়েছেন স্বয়ং স্বামী বাউলানন্দজী মহারাজ!)।। (ক্রমশঃ)
Social Service League এর অফিসাররা বাঁশ এবং কাঠের ব্যবসা তত্ত্বাবধান করতেন। ঐ এলাকায় ‘কোয়া’ এবং ‘রেড্ডি’ উভয় জাতিই বসবাস করত। এই সব উপজাতিদের প্রত্যেকটি পরিবার তাদের ভরণপােষণের জন্য Socal Service League-এর উপর নির্ভরশীল ছিল। ঐ লিগের অফিসাররা ছিলেন মুসলমান। তাঁরা সকলকে মুসলমান করার জন্য উদ্বিগ্ন ছিলেন। তারা ‘কোয়া’ এবং ‘রেড্ডি’দের নানাভাবে হয়রাণ করতে লাগলেন। তখন সমস্ত উপজাতির লােক স্বামীজীর নিকট গিয়ে তাদের দুঃখের কথা জানাল।
“স্বামী, এই অফিসাররা আমাদেরকে বলছে, ‘তোমরা গরুর মাংস খাও, আমরাও খাই। সুতরাং তোমরা এবং আমরা এক। তােমরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ কর। অনেক সুযােগ-সুবিধা পাবে। হিন্দুরা গরুর মাংস খায় না কিন্তু তােমরা খাও। সুতরাং তোমরা হিন্দু নও।’ এইভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ না করলে ওরা আমাদের অনেক ক্ষতি করবে বলে ভয় দেখাচ্ছে। আপনি বলুন এখন আমরা কি করব।”
স্বামীজী বললেন “তোমাদের কি মত?”
“আমরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলমান হতে চাই না ”
স্বামীজী ওদের সাহস দিয়ে বললেন, “তাহলে মুসলমান হয়ো না। ওরা যা বলছে তা ঠিক নয়। তােমরা হিন্দু। হিন্দুদের উপাস্য দেবদেবীই তোমাদের উপাস্য দেবদেবী।”
“ওরা বলছে ওদের ধর্ম গ্রহণ না করলে আমরা যেন ওদের কাজে না যাই।”
“তাহলে ওদের কাজে যেয়াে না। যদি তোমার সকলে ওদের কাজ করা বন্ধ করে দাও তাহলে কারা ওদের কাজ করবে ?”
স্বামীজীর কথা শুনে ‘কোয়া’ এবং ‘রেড্ডি’রা সকলে নির্ভীক হয়ে বাড়ী ফিরল । ওরা অফিসারদের কাজে যাওয়া বন্ধ করল।
কাজ বন্ধ হয়ে গেল। ‘কোয়া’ এবং ‘রেড্ডি’রা তাদের সাপ্তাহিক মজুরি পাচ্ছে না। কিন্তু এতে তারা ভীত নয় । কাজ করে মজুরি না পেয়ে তারা উপবাসে দিন কাটিয়েছে। সুতরাং উপবাস করাটা তাদের কাছে নূতন কোন ব্যাপার নয়।
‘কোয়া’ এরং ‘রেড্ডি’রা পুরুষানুক্রমে তাদের উপাস্য দেবতার নিকট প্রার্থনা এবং পূজা করে আসছে। বিপদের সম্মুখীন হয়েও তারা তাদের দেবতাকে পরিত্যাগ করল না। নিজেদের ধর্মের প্রতি তাদের বিশ্বাস আরও দৃঢ় হল ।
গুণ্ডাদের আক্রমণ এজেন্সি এলাকায় এসে পৌঁছুল। এই লােকেদের রক্ষা করার দায়িত্ব সরকারের। যখন সরকার ব্যর্থ তখন এই লােকেরা কি করবে ? রাজনৈতিক ক্ষমতাকে যদি কোন বিশেষ ধর্ম রক্ষার কাজে লাগানাে হয় তাহলে অন্য ধর্মের লােকেরা কি করবে? তারা কি কোন নিরাপদ স্থানে চলে যাবে ? নাকি অন্য রাজ্যে আশ্রয় নেবে? এই পরিস্থিতিতে তাদের কি করা উচিত ?
না।–তারা নিজেদের জীবন রক্ষা করবে, মেয়েদের সতীত্ব রক্ষা করবে। যে সম্পত্তি তারা উত্তরাধিকার সূত্রে ভােগ করছে, তা তারা রক্ষা করবে। দরকার হলে তারা অস্ত্র ধারণ করবে (কারণ তাদের সাথে রয়েছেন স্বয়ং স্বামী বাউলানন্দজী মহারাজ!)।। (ক্রমশঃ)
