শ্রী শ্রী গুরুমহারাজের অর্থাৎ স্বামী পরমানন্দের মহিমা শক্তির প্রকাশের কথা বলা হচ্ছিলো। যে কোনো মহাপুরুষের জীবনেই এই মহিমা শক্তির প্রকাশ ঘটে থাকে – কিন্তু ঈশ্বরের অবতার বা স্বয়ং ভগবানকে কেন্দ্র করে যখন এই শক্তির প্রকাশ ঘটে তখন তা আরও বেশি বেশি মহিমময় হয়ে ওঠে ! যেমনটা হয়েছিল ভগবান স্বামী পরমানন্দের জীবনে! আমরা আগের দিন যে আলোচনায় ছিলাম সেটা হোল_ গুরুমহারাজ দুটি পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে একটা গভীর খাদের উপর দিয়ে শূন্যমার্গ অবলম্বন করে দিব্যি হেঁটে হেঁটে পার হয়ে গিয়েছিলেন – আর ৺রী মা জগদম্বা চেয়েছিলেন তাঁর প্রিয় পুত্রের যেন কোনো রকম আঘাত বা চোট না লাগে ! তার জন্য – গুরুজীর চরণ খাদের মধ্যে যেখানেই পড়েছিল, সেখানেই তাঁর হাত পেতে রাখছিলেন ! ফলে গভীর অন্ধকারের মধ্যে গুরুজী পথের ঐ বিপদ না দেখতে পেলেও তাঁর নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে কোনো অসুবিধা হয়নি।
গুরুজী আমাদেরকে এই ঘটনাটি বিবৃতি করার পর বলেছিলেন যে, – এর আগে উনি একা একাই ঘুরতেন, সঙ্গে কোনো ঝোলা বা পাত্রও ওনার সাথে থাকতো না৷ পরিব্রাজন-কালের প্রথম দিকে গুরু মহারাজ ‘করপাত্রী’ ছিলেন – অর্থাৎ উনি কোনো কিছু খাবার খেতে চাইলে হাত পেতে চাইতেন ! একদিন একজন মহাত্মা সেটাও করতে নিষেধ করেছিলেন। ফলে উনি আর কারো কাছে হাত পেতেও খাবার চাইতেন না ! যদি কেউ ওনার কাছে এসে খাবার দিতো – উনি সেটাই খেতেন ! আর তা না হোলে, উনি বনের ফলমূল, শাকপাতা, জলাশয়ের শ্যাওলা, তরকারি বা ফলের ফেলে দেওয়া খোসা __ইত্যাদি খেয়ে কাটিয়ে দিতেন ! আর এগুলোও যেখানে পেতেন না (হিমালয়ের অত্যন্ত উঁচু অঞ্চলে)– সেখানে বহুদিন না খেয়েই কাটিয়ে দিতেন ! এতটাই ঈশ্বর-নির্ভর জীবন ছিল তাঁর ! কিন্তু তবু রাত্রের দিকে কোথাও বিশ্রাম নেবার জন্য একটা আশ্রয় খোঁজার তাগিদটুকুও তাঁর অবশিষ্ট ছিল – কিন্তু ঐ ঘটনার পর থেকে গুরুজী আর কখনোই কোনো কিছুর উপরেই নির্ভর করতেন না ! শুধুমাত্র ৺রী মা জগদম্বার উপরে তাঁর জীবনের সম্পূর্ণ ভার দিয়ে একেবারে নিশ্চিন্ত হয়ে গিয়েছিলেন !
এরপর থেকে গুরু মহারাজ ওনার চলাফেরা, খাওয়া বা বিশ্রাম নেওয়া ইত্যাদি কোনো ব্যাপারেই আর কখনো উদ্বিগ্ন হননি ! উনি একেবারে চিন্তামুক্ত হয়ে গিয়েছিলেন এই ভেবে যে, লীলা বিলাসের জন্য মা জগদম্বার যখন তাঁর “এই শরীরটা”(পরমানন্দ শরীর)-কে রক্ষা করার দায়িত্ব নিয়েই নিয়েছেন__ তখন তাঁর আর আলাদা করে care নিয়ে কি হবে ? সেই সময়টাতে বরং মায়ের চিন্তায় নিমগ্ন থাকাই ভালো ! এই শরীর(পরমানন্দ শরীর)-এর যখন যা প্রয়োজন – তা ঠিকই ✓রী মা সরবরাহ করবেন ! এরজন্য তাঁর আর আলাদা করে দুশ্চিন্তা করার কি প্রয়োজন ?
এইরকমভাবেই গুরুমহারাজ স্বামী পরমানন্দের জীবনে মা জগদম্বা নানানভাবে “মহিমা শক্তি”-র প্রকাশ ঘটিয়েছিলেন। একজন ভক্ত আমাকে বলেছিল যে, ছোটবেলায় জামালপুর রেলস্টেশনে গুরুমহারাজের ১o পয়সা চাওয়ায় ঐ যে মাড়োয়ারি লোকটি গুরুমহারাজকে লাথি মেরেছিল – এই ঘটনাটা যখনই তার মনে পড়ে , তখনই তার বুক ফেটে কান্না বেরিয়ে আসে ! আমাদের সকলেরই মনে ঐ ঘটনাটার স্মৃতিচারণে ব্যথার উদ্রেক নিশ্চয়ই হয় – কিন্তু ঐ ছেলেটি এতো কষ্ট পায় জেনে, আমার নিজেকে সেই মুহুর্তে খুব ছোট লাগছিল। গুরুজী অর্থাৎ সেই মহান মানুষটি আমাদের জন্য কত কষ্ট সহ্য করেছেন, কত অহেতুক অত্যাচার সয়েছেন, আর সেইসবের বিনিময়ে তিনি আমাদের সবার জন্য ভালোভাবে বাঁচার জন্য অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থানের সুন্দর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন ! যাতে আমাদের কারো কোনো কষ্ট না হয়, কোনো অসুবিধা না হয় – তার সমস্ত ব্যবস্থা তিনি করে দিয়ে গেছেন !
শুধু তাঁর আমাদের প্রতি একটাই আশা(যদিও তিনি নিজে বলেছিলেন_উনি কারো কাছে কিছু আশা করেন না,সমাজ আশা করে!) ছিল – আমরা সকলেই যেন আত্মিক উত্তরণ এবং বিবেকের জাগরণের ব্যাপারে সচেষ্ট হই।
কিন্তু সেখানেও আমাদের ফাঁকি – আর আমাদের বেশিরভাগের এই যে শরীর নিয়ে, পরিবার-পরিজন নিয়ে কিছু না কিছু অশান্তি, অসুবিধা – শুধুমাত্র ঐটার জন্যই অর্থাৎ ফাঁকির জন্যই ! মহিমময় ভগবান পরমানন্দের মহিমাশক্তি যেখানে পূর্ণমাত্রায় বিদ্যমান – সেখানে পরমানন্দ-ভক্তদের আবার চিন্তা কি ? “জয় পরমানন্দ”- বললেই তো ভববন্ধন ছিন্ন হোতে পারে – সেখানে ছোট ছোট দুশ্চিন্তা-অসুবিধা দূর হওয়া তো নগণ্য ব্যাপার !
একবার এক পরমানন্দ-ভক্তের কথায় আমি জেনেছিলাম – কন্যাকুমারীতে বিবেকানন্দ মন্দিরে (এখন আর বিবেকানন্দ শিলা বলে কিছুই নাই) এবং মায়াবতী অদ্বৈত আশ্রমে ধ্যান করতে পারার জন্য তার কি আকুলতা ! এই আকুলতার কারণ কি? – এটা জানতে চাওয়ায় উনি বললেন – স্বামী বিবেকানন্দ কন্যাকুমারীর বিবেকানন্দ শিলায় ধ্যান করে বিখ্যাত হয়েছিলেন এবং মায়াবতী অদ্বৈত আশ্রমকে স্বামীজী ধ্যানকেন্দ্র-অধ্যাত্মকেন্দ্র হিসাবেই তৈরি করেছিলেন – তাই ঐ দুইস্থানে ধ্যান করা মানে জীবনে একটা বিরাট কিছু লাভ হওয়া !
এই কথা শুনে সত্যি সত্যিই আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম ! আমার মনে হয়েছিল – ১০০ বছরের বেশি আগে স্বামীজী(বিবেকানন্দ স্বামী) কোনো স্থানে ধ্যান করেছিলেন বা কোনো স্থানকে ‘ধ্যানকেন্দ্র’ হিসাবে গড়েছিলেন – সেখানে গিয়ে ধ্যান করতে হবে ? আর আমাদের আদরের ধন, হৃদয়ের হৃদয়, আপন হতেও আপনজন __ভগবান পরমানন্দ এই বনগ্রামে সদ্য সদ্য লীলা করে গেলেন ! তিনি নিজের মুখে বলে গেলেন – ” বনগ্রাম পরমানন্দ মিশন বর্তমানের পৃথিবীর মূল অধ্যাত্মকেন্দ্র। এখানে ঠাকুরঘরেই শুধু নয় – এখানকার পায়খানা ঘরে বসে ধ্যান করলেও তা হিমালয়ের গিরিগুহায় বসে ধ্যান করার চাইতে ফল ভালো হবে !” তাহলে পরমানন্দ-ভক্তদের মনে এখনো এতো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব রয়েছে কেন ? এর উত্তর একমাত্র ভগবান পরমানন্দ-ই দিতে পারেন !
আমরা অতোশত বুঝিনা ! আমরা এক ঐ ঠাকুর পরমানন্দকেই জানি ! তাতে যদি আমাদের এই জীবনটা জলাঞ্জলি যায় তো_ তাই যাক ! আমরা চরম অজ্ঞানী,দূর্বল, মোহাচ্ছন্ন সংসারী মানুষ ! আমরা সুর করে মন্ত্র বলতে পারি না, যাগ-যজ্ঞ-পূজা-পাঠ জানিনা, শ্বাসের নিয়ন্ত্রণ করে কুলকুন্ডলীনী জাগাতেও পারিনা__আমরা শুধু চোখের জল ফেলে তোমার নাম করতে পারি ! তাতে যদি তোমার করুনা হয় _আমরা এইটুকুতেই সন্তুষ্ট ! তাই আসুন আমার মতো দীনজন যারা আছেন _ তারা সকলে মন-মুখ-প্রাণ এক করে তাঁর জয়গান গাই – “জয় গুরুজী ! জয় ভগবান স্বামী পরমানন্দ!!!!”
গুরুজী আমাদেরকে এই ঘটনাটি বিবৃতি করার পর বলেছিলেন যে, – এর আগে উনি একা একাই ঘুরতেন, সঙ্গে কোনো ঝোলা বা পাত্রও ওনার সাথে থাকতো না৷ পরিব্রাজন-কালের প্রথম দিকে গুরু মহারাজ ‘করপাত্রী’ ছিলেন – অর্থাৎ উনি কোনো কিছু খাবার খেতে চাইলে হাত পেতে চাইতেন ! একদিন একজন মহাত্মা সেটাও করতে নিষেধ করেছিলেন। ফলে উনি আর কারো কাছে হাত পেতেও খাবার চাইতেন না ! যদি কেউ ওনার কাছে এসে খাবার দিতো – উনি সেটাই খেতেন ! আর তা না হোলে, উনি বনের ফলমূল, শাকপাতা, জলাশয়ের শ্যাওলা, তরকারি বা ফলের ফেলে দেওয়া খোসা __ইত্যাদি খেয়ে কাটিয়ে দিতেন ! আর এগুলোও যেখানে পেতেন না (হিমালয়ের অত্যন্ত উঁচু অঞ্চলে)– সেখানে বহুদিন না খেয়েই কাটিয়ে দিতেন ! এতটাই ঈশ্বর-নির্ভর জীবন ছিল তাঁর ! কিন্তু তবু রাত্রের দিকে কোথাও বিশ্রাম নেবার জন্য একটা আশ্রয় খোঁজার তাগিদটুকুও তাঁর অবশিষ্ট ছিল – কিন্তু ঐ ঘটনার পর থেকে গুরুজী আর কখনোই কোনো কিছুর উপরেই নির্ভর করতেন না ! শুধুমাত্র ৺রী মা জগদম্বার উপরে তাঁর জীবনের সম্পূর্ণ ভার দিয়ে একেবারে নিশ্চিন্ত হয়ে গিয়েছিলেন !
এরপর থেকে গুরু মহারাজ ওনার চলাফেরা, খাওয়া বা বিশ্রাম নেওয়া ইত্যাদি কোনো ব্যাপারেই আর কখনো উদ্বিগ্ন হননি ! উনি একেবারে চিন্তামুক্ত হয়ে গিয়েছিলেন এই ভেবে যে, লীলা বিলাসের জন্য মা জগদম্বার যখন তাঁর “এই শরীরটা”(পরমানন্দ শরীর)-কে রক্ষা করার দায়িত্ব নিয়েই নিয়েছেন__ তখন তাঁর আর আলাদা করে care নিয়ে কি হবে ? সেই সময়টাতে বরং মায়ের চিন্তায় নিমগ্ন থাকাই ভালো ! এই শরীর(পরমানন্দ শরীর)-এর যখন যা প্রয়োজন – তা ঠিকই ✓রী মা সরবরাহ করবেন ! এরজন্য তাঁর আর আলাদা করে দুশ্চিন্তা করার কি প্রয়োজন ?
এইরকমভাবেই গুরুমহারাজ স্বামী পরমানন্দের জীবনে মা জগদম্বা নানানভাবে “মহিমা শক্তি”-র প্রকাশ ঘটিয়েছিলেন। একজন ভক্ত আমাকে বলেছিল যে, ছোটবেলায় জামালপুর রেলস্টেশনে গুরুমহারাজের ১o পয়সা চাওয়ায় ঐ যে মাড়োয়ারি লোকটি গুরুমহারাজকে লাথি মেরেছিল – এই ঘটনাটা যখনই তার মনে পড়ে , তখনই তার বুক ফেটে কান্না বেরিয়ে আসে ! আমাদের সকলেরই মনে ঐ ঘটনাটার স্মৃতিচারণে ব্যথার উদ্রেক নিশ্চয়ই হয় – কিন্তু ঐ ছেলেটি এতো কষ্ট পায় জেনে, আমার নিজেকে সেই মুহুর্তে খুব ছোট লাগছিল। গুরুজী অর্থাৎ সেই মহান মানুষটি আমাদের জন্য কত কষ্ট সহ্য করেছেন, কত অহেতুক অত্যাচার সয়েছেন, আর সেইসবের বিনিময়ে তিনি আমাদের সবার জন্য ভালোভাবে বাঁচার জন্য অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থানের সুন্দর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন ! যাতে আমাদের কারো কোনো কষ্ট না হয়, কোনো অসুবিধা না হয় – তার সমস্ত ব্যবস্থা তিনি করে দিয়ে গেছেন !
শুধু তাঁর আমাদের প্রতি একটাই আশা(যদিও তিনি নিজে বলেছিলেন_উনি কারো কাছে কিছু আশা করেন না,সমাজ আশা করে!) ছিল – আমরা সকলেই যেন আত্মিক উত্তরণ এবং বিবেকের জাগরণের ব্যাপারে সচেষ্ট হই।
কিন্তু সেখানেও আমাদের ফাঁকি – আর আমাদের বেশিরভাগের এই যে শরীর নিয়ে, পরিবার-পরিজন নিয়ে কিছু না কিছু অশান্তি, অসুবিধা – শুধুমাত্র ঐটার জন্যই অর্থাৎ ফাঁকির জন্যই ! মহিমময় ভগবান পরমানন্দের মহিমাশক্তি যেখানে পূর্ণমাত্রায় বিদ্যমান – সেখানে পরমানন্দ-ভক্তদের আবার চিন্তা কি ? “জয় পরমানন্দ”- বললেই তো ভববন্ধন ছিন্ন হোতে পারে – সেখানে ছোট ছোট দুশ্চিন্তা-অসুবিধা দূর হওয়া তো নগণ্য ব্যাপার !
একবার এক পরমানন্দ-ভক্তের কথায় আমি জেনেছিলাম – কন্যাকুমারীতে বিবেকানন্দ মন্দিরে (এখন আর বিবেকানন্দ শিলা বলে কিছুই নাই) এবং মায়াবতী অদ্বৈত আশ্রমে ধ্যান করতে পারার জন্য তার কি আকুলতা ! এই আকুলতার কারণ কি? – এটা জানতে চাওয়ায় উনি বললেন – স্বামী বিবেকানন্দ কন্যাকুমারীর বিবেকানন্দ শিলায় ধ্যান করে বিখ্যাত হয়েছিলেন এবং মায়াবতী অদ্বৈত আশ্রমকে স্বামীজী ধ্যানকেন্দ্র-অধ্যাত্মকেন্দ্র হিসাবেই তৈরি করেছিলেন – তাই ঐ দুইস্থানে ধ্যান করা মানে জীবনে একটা বিরাট কিছু লাভ হওয়া !
এই কথা শুনে সত্যি সত্যিই আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম ! আমার মনে হয়েছিল – ১০০ বছরের বেশি আগে স্বামীজী(বিবেকানন্দ স্বামী) কোনো স্থানে ধ্যান করেছিলেন বা কোনো স্থানকে ‘ধ্যানকেন্দ্র’ হিসাবে গড়েছিলেন – সেখানে গিয়ে ধ্যান করতে হবে ? আর আমাদের আদরের ধন, হৃদয়ের হৃদয়, আপন হতেও আপনজন __ভগবান পরমানন্দ এই বনগ্রামে সদ্য সদ্য লীলা করে গেলেন ! তিনি নিজের মুখে বলে গেলেন – ” বনগ্রাম পরমানন্দ মিশন বর্তমানের পৃথিবীর মূল অধ্যাত্মকেন্দ্র। এখানে ঠাকুরঘরেই শুধু নয় – এখানকার পায়খানা ঘরে বসে ধ্যান করলেও তা হিমালয়ের গিরিগুহায় বসে ধ্যান করার চাইতে ফল ভালো হবে !” তাহলে পরমানন্দ-ভক্তদের মনে এখনো এতো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব রয়েছে কেন ? এর উত্তর একমাত্র ভগবান পরমানন্দ-ই দিতে পারেন !
আমরা অতোশত বুঝিনা ! আমরা এক ঐ ঠাকুর পরমানন্দকেই জানি ! তাতে যদি আমাদের এই জীবনটা জলাঞ্জলি যায় তো_ তাই যাক ! আমরা চরম অজ্ঞানী,দূর্বল, মোহাচ্ছন্ন সংসারী মানুষ ! আমরা সুর করে মন্ত্র বলতে পারি না, যাগ-যজ্ঞ-পূজা-পাঠ জানিনা, শ্বাসের নিয়ন্ত্রণ করে কুলকুন্ডলীনী জাগাতেও পারিনা__আমরা শুধু চোখের জল ফেলে তোমার নাম করতে পারি ! তাতে যদি তোমার করুনা হয় _আমরা এইটুকুতেই সন্তুষ্ট ! তাই আসুন আমার মতো দীনজন যারা আছেন _ তারা সকলে মন-মুখ-প্রাণ এক করে তাঁর জয়গান গাই – “জয় গুরুজী ! জয় ভগবান স্বামী পরমানন্দ!!!!”
