তখন আমরা প্রথম প্রথম আশ্রমে যাচ্ছি l 1984/85 হোতে পারে l গুরু মহারাজের পুরোনো মাটির ঘর(এখন যেটা আছে সেটা নয়)-এর সামনে একটা কল্কে গাছের নিচে আমরা বসতাম, আর গুরুমহারাজ বসতেন_ বারান্দায় আসনে অথবা একটা ইজি চেয়ারের উপরে। সেদিন ছিল দোল পূর্ণিমা। আমরা (তখন আমি সিঙ্গুরের ছেলেদের সাথে থাকতাম. ওদের মধ্যে তরুন আমার খুব ভালো বন্ধু ছিল) গিয়ে যখন বসলাম তখন দেখি গুরুমহাজ সকলকে ধ’রে ধ’রে রঙ মাখাচ্ছেন ! ওনার পায়ের কাছে বড় বড় প্যাকেটে আবীর রাখা ছিল, একটা প্যাকেটে বাঁদুরে রঙও ছিল।
সবাই পরিস্কার মুখে গুরু মহারাজকে প্রণাম করতে যাচ্ছে __আর ওনার হাতের রঙ মেখে বাঁদরের মতো মুখ নিয়ে ফিরে আসছে। এদিকে গুরুমহারাজের মুখ কিন্তু পরিস্কার ! কারণ সবাই ওনার চরণে আবীর দিচ্ছিলো, কেউই সাহস করে ওনার মুখে রঙ মাখাতে পারছিল না !
তরুন আর আমি দুজনে যুক্তি করলাম, যাহোক করে ওনাকে একটু রঙ মাখাতেই হবে! আমরা টুকটুক করে উঠে গিয়ে প্রনাম করার ছলে একজন গুরুমহারাজের হাত ধরলাম_ অন্যজন ওনার মুখে আবীর মাখিয়ে দিলাম ! গুরু মহারাজ শুধু বলেছিলেন_” তোরা খুব বদ্ আছিস তো! আমাকে কেউ রঙ দিলো না,আর তোরা আমাকে জোর করে রঙ মাখালি!”
উনি অবশ্য খুব একটা তেমন বাধা দেননি বলেই আমরা ওনার মুখে বা গলার কাছটায় রঙ দিতে পেরেছিলাম ! এই ঘটনার পরেই গ্রামের ছেলে মেয়েরা হরিনাম সংকীর্তন নিয়ে গুরু মহারাজের কাছে এসেছিলো। গুরু মহারাজের গায়ে মুখে রঙ মাখা দেখে ওদের অনেকেও সেবার গুরু মহারাজকে রঙ মাখিয়ে ছিল।
আজকে এই দোলের দিনে, সেই সব দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করার সুযোগ পেয়ে ধন্য হ’লাম। তরুন পরবর্তীতে সন্ন্যাসী হয়েছিলো, নাম স্বামী গম্ভীরানন্দ। রায়না আশ্রমে থাকাকালীন ও মারা যায়।
সবাই পরিস্কার মুখে গুরু মহারাজকে প্রণাম করতে যাচ্ছে __আর ওনার হাতের রঙ মেখে বাঁদরের মতো মুখ নিয়ে ফিরে আসছে। এদিকে গুরুমহারাজের মুখ কিন্তু পরিস্কার ! কারণ সবাই ওনার চরণে আবীর দিচ্ছিলো, কেউই সাহস করে ওনার মুখে রঙ মাখাতে পারছিল না !
তরুন আর আমি দুজনে যুক্তি করলাম, যাহোক করে ওনাকে একটু রঙ মাখাতেই হবে! আমরা টুকটুক করে উঠে গিয়ে প্রনাম করার ছলে একজন গুরুমহারাজের হাত ধরলাম_ অন্যজন ওনার মুখে আবীর মাখিয়ে দিলাম ! গুরু মহারাজ শুধু বলেছিলেন_” তোরা খুব বদ্ আছিস তো! আমাকে কেউ রঙ দিলো না,আর তোরা আমাকে জোর করে রঙ মাখালি!”
উনি অবশ্য খুব একটা তেমন বাধা দেননি বলেই আমরা ওনার মুখে বা গলার কাছটায় রঙ দিতে পেরেছিলাম ! এই ঘটনার পরেই গ্রামের ছেলে মেয়েরা হরিনাম সংকীর্তন নিয়ে গুরু মহারাজের কাছে এসেছিলো। গুরু মহারাজের গায়ে মুখে রঙ মাখা দেখে ওদের অনেকেও সেবার গুরু মহারাজকে রঙ মাখিয়ে ছিল।
আজকে এই দোলের দিনে, সেই সব দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করার সুযোগ পেয়ে ধন্য হ’লাম। তরুন পরবর্তীতে সন্ন্যাসী হয়েছিলো, নাম স্বামী গম্ভীরানন্দ। রায়না আশ্রমে থাকাকালীন ও মারা যায়।
