জিজ্ঞাসু : ~ “নায়মাত্মা বলহীনেন লভ্য: ” – একথার ঠিকমতো অর্থ কি হবে ?
গুরু মহারাজ : ~ শ্লোকটি যখন মুখস্থ করেছো, তখন এর বাংলা অর্থ কি তাও নিশ্চয়ই পড়েছো । তাহলে বুঝতে পারনি কেন ? এই শ্লোকের বাংলা অর্থ হবে_”বলহীন ব্যক্তির দ্বারা ঐ ‘আত্মা’-কে লাভ করা যায় না “। এখন তুমি যদি পরপর জিজ্ঞাসা করতে থাকো – ‘ঐ আত্মা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে ? বলহীন কি ? কেন লভ্য নয় ? – তাহলে সেটা হবে জিজ্ঞাসার জন্য জিজ্ঞাসা ! আর যদি সত্যি সত্যি জানার জন্য জিজ্ঞাসা করো __তাহলে চুপচাপ বসে মন দিয়ে শোন ! মধ্যিখানে disturb করবে না – তাহলে কিন্তু আমি বলা বন্ধ করে দেবো।
‘অধ্যাত্মবিদ্যা’ কথাটির অর্থই হচ্ছে ‘অধিত আত্মবিদ্যা’ । যম-নচিকেতার উপাখ্যানে রয়েছে __যমরাজ, বালক নচিকেতার কঠোর সংকল্প এবং ঐকান্তিক নিষ্ঠা দেখে তার প্রতি প্রসন্ন হোলেন। কিন্তু তিনি তাকে পার্থিব এবং আধ্যাত্মিক সবকিছুই দিতে চাইছেন শুধু ‘আত্মজ্ঞান’ ছাড়া । ঐ ‘আত্মা’ অর্থে ‘আত্মজ্ঞান’ ! আত্মজ্ঞান লাভ হওয়া মানেই ব্রহ্মজ্ঞান লাভ হওয়া । বিন্দুর সিন্ধুতে মিশে যাওয়া । যেমন এক ফোঁটা জল বা H2O-কে Analysis করলে-ই জলজ্ঞান হয়ে যায়, তেমনি আত্মতত্ত্বের বোধেই ব্রহ্মতত্ত্বের বোধ হয় । সেই জন্যেই উপনিষদ বলেছে _ ‘ঐ আত্মা’ । আত্মতত্ত্বের বোধের জন্য জীবনে ত্যাগ , সংযম , সাধন-ভজন , একাগ্রতা , নিষ্ঠা ইত্যাদি প্রয়োজন হয় ৷ শক্তিমান সাধক ছাড়া অধ্যাত্মপথে উত্তরণ সম্ভব হয় না । দুর্বল অপটু দেহে সাধন হয় না । ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলতেন , ” কুঁড়েঘরে হাতি ঢুকলে যেমন অবস্থা হয় , অধ্যাত্মশক্তির খেলা শুরু হোলে শরীরের ঐরকম দশা হয় । শরীর যেন দুমড়ে-মুচড়ে যায় । এই অবস্থায় শুদ্ধ মন , শুদ্ধ শরীর ছাড়া ঐ তেজ , ঐ শক্তি ধারণ করা সম্ভব হয় না _ শরীর পাত হয়ে যায় । অনেকে paralysed হয়ে যায় । সঙ্গে উপযুক্ত গুরু থাকলে তিনি আবার ঠিক করে নিতে পারেন ।
বল ত্রিবিধ – আত্মবল , মনোবল এবং শারীরিক বল । আত্মবল বা সংকল্প শক্তি যা পূর্ব পূর্ব জীবনের সুকৃতির ফল এবং গুরু কৃপার ফল । সাধন-সমরে প্রবেশ করে সাধকের, ‘সংকল্প সিদ্ধি করবই’ _এই ধরনের দৃঢ়তা খুবই প্রয়োজন ! যাকে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলতেন ‘রোক্’ । সাধন করতে হলে খুব ‘রোক্’ চাই । আর দেহবল বা শরীরের বলও একান্ত প্রয়োজন ৷ নিরোগ , সুস্থ-সবল শরীর ছাড়া কি সাধন হয় ? শরীরে যৌবন থাকতে থাকতে ‘সাধন’ আর দুর্বল শরীরে ‘ভজন’ । বাউল গানে রয়েছে , ” সময় গেলে সাধন হবে না –”, তার মানে বয়স হোলে অর্থাৎ বৃদ্ধ বয়সে শরীর কমজোরী হয়ে যায় , তখন আর সেই শরীরে সাধন হয় না । তখন হাততালি দিয়ে হরিনাম অথবা চুপচাপ বসে বসে জপ করে যাওয়া । ব্রহ্মচারী , সন্ন্যাসীদের বৃদ্ধ বয়সেও শরীরের Strength থেকে যায় । যারা বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তাদেরই শরীরের ক্ষয় কম হয় । রোগ প্রতিষেধক ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বহুদিন পর্যন্ত কোনো ভারী রোগ শরীরকে জীর্ণ করতে পারে না ! আর এই মজবুত, শুদ্ধ শরীরে যোগাভ্যাস করলে অতিসত্বর সুফল পাওয়া যায় ৷
যোগভ্যাসের ফলে শরীরের বিভিন্ন অন্তঃক্ষরা(endocrine glands) গ্রন্থিগুলির সাম্যভাব আসে _ ফলে সাধকের দেহের মধ্যে একটা পেলব , মসৃণ , ঝকঝকে ভাব আসে _ চোখ-দাঁত কিশোরের মতো চকচকে হয়ে যায় ।
গৃহস্থী ব্যক্তিদের মধ্যেও অনেক শক্তিমান পুরুষ দেখা যায় । কিন্তু উশৃংখল , অসংযমী জীবনযাত্রা ওই শরীরগুলিকে অতিশীঘ্র নষ্ট করে দেয় । অধিক বা অনিয়মিত গুরুপাক পান-ভোজন ধীরে ধীরে শরীরের পাচন শক্তির বারোটা বাজিয়ে দেয় ৷ আর অনিয়মিত যৌনজীবন যাপন শরীরের Endocrine system-এর বারোটা বাজায়। প্রত্যেকবার Ejaculation-এর সময় Pump হয় । এতে প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের ব্যাপক ক্ষতি হয় । বয়সকালে বহু মানুষের রক্ত প্রস্রাব হয় – এটার অন্যতম কারণ জানবে ঐ অতিরিক্ত Pump । যে মানুষের যত বেশি Ejaculation হবে, তার Prostate তত বেশি তাড়াতাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হবে । শক্তিশালী ব্যক্তির একটু দেরিতে হবে _আর দুর্বল ব্যক্তিদের তাড়াতাড়ি হবে । তাছাড়া অতিরিক্ত যৌনজীবন যাপনের ফলে Kidney-ও চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয় । নিগমানন্দ স্বামী তাঁর লেখায় স্বামী-স্ত্রীর মিলনের পর উভয়কেই বেশি পরিমাণ বিশুদ্ধ ঠান্ডা জল খেতে বলেছিলেন । এতে Kidney ক্ষতির আশঙ্কা অনেকটাই কমে ৷ সাধারণ মানুষ তো শরীরবিজ্ঞান জানেনা – তাই অনিয়মিত , অসংযত , উশৃংখল জীবন-যাপন করে এবং নিজেই নিজের ক্ষতি করে। ফল স্বরূপ তারা ৫০/৫৫ বছরের পর থেকেই নানান শারীরিক সমস্যায় ভোগে । শরীর নিয়ে তখন এত বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ে মানুষ যে, ঐ শরীর দিয়ে সাধন-ভজন কেন , বলতে গেলে আর Positive কোনো কাজই হয় না ।
এইজন্যই শাস্ত্র বলেছে , ” নায়মাত্মা বলহীনেন লভ্য” ৷ আর ‘সন্ন্যাসী পরম্পরা’ তৈরি হওয়ার পিছনে এটাই রহস্য ! সঠিক ব্রহ্মচর্য ছাড়া সাধনোপযুক্ত শরীর তৈরি হয় না ৷ আর উপযুক্ত শরীর ছাড়া কখনোই অধ্যাত্মশক্তির বিকাশ লাভ সম্ভব হয় না ৷
শরীরের মেরুদন্ড বরাবর সুষুম্না কান্ডের ভিতর দিয়ে Perineum থেকে penial পর্যন্ত যে Route বা পথ রয়েছে ঐটির তিনটি part রয়েছে ৷ মূলাধার (Perineum) থেকে বক্ষপ্রদেশ (Thymus) পর্যন্ত এক ধাপ , বক্ষ থেকে ভ্রূমধ্য বা আজ্ঞাচক্র (Pituitory) পর্যন্ত মাঝের ধাপ আর আজ্ঞাচক্র থেকে সহস্রার বা Penial পর্যন্ত অন্তিম ধাপ । কিন্তু সুষুম্মা মধ্যবর্তী অংশ মজ্জায় ঠাসা থাকতে হবে __তবেই দুই মেরুর মধ্যে ঠিকমতো Charging হবে ।
অতিরিক্ত অনিয়মিত বীর্যক্ষয়ে অস্থি মধ্যস্থ মজ্জা ফিকে হয়ে যায় , কমজোরি হয়ে যায় – তাতে ধ্যান-সাধন করলেও ঠিকমতো Charging হয় না বা শক্তির ক্রিয়া হয় না ৷ এইজন্যেই শাস্ত্রে বলা হয়েছে অধ্যাত্মজ্ঞান লাভের জন্য দ্বাদশ বর্ষ অস্খলিত ব্রহ্মচর্যের প্রয়োজন ।
গুরু মহারাজ : ~ শ্লোকটি যখন মুখস্থ করেছো, তখন এর বাংলা অর্থ কি তাও নিশ্চয়ই পড়েছো । তাহলে বুঝতে পারনি কেন ? এই শ্লোকের বাংলা অর্থ হবে_”বলহীন ব্যক্তির দ্বারা ঐ ‘আত্মা’-কে লাভ করা যায় না “। এখন তুমি যদি পরপর জিজ্ঞাসা করতে থাকো – ‘ঐ আত্মা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে ? বলহীন কি ? কেন লভ্য নয় ? – তাহলে সেটা হবে জিজ্ঞাসার জন্য জিজ্ঞাসা ! আর যদি সত্যি সত্যি জানার জন্য জিজ্ঞাসা করো __তাহলে চুপচাপ বসে মন দিয়ে শোন ! মধ্যিখানে disturb করবে না – তাহলে কিন্তু আমি বলা বন্ধ করে দেবো।
‘অধ্যাত্মবিদ্যা’ কথাটির অর্থই হচ্ছে ‘অধিত আত্মবিদ্যা’ । যম-নচিকেতার উপাখ্যানে রয়েছে __যমরাজ, বালক নচিকেতার কঠোর সংকল্প এবং ঐকান্তিক নিষ্ঠা দেখে তার প্রতি প্রসন্ন হোলেন। কিন্তু তিনি তাকে পার্থিব এবং আধ্যাত্মিক সবকিছুই দিতে চাইছেন শুধু ‘আত্মজ্ঞান’ ছাড়া । ঐ ‘আত্মা’ অর্থে ‘আত্মজ্ঞান’ ! আত্মজ্ঞান লাভ হওয়া মানেই ব্রহ্মজ্ঞান লাভ হওয়া । বিন্দুর সিন্ধুতে মিশে যাওয়া । যেমন এক ফোঁটা জল বা H2O-কে Analysis করলে-ই জলজ্ঞান হয়ে যায়, তেমনি আত্মতত্ত্বের বোধেই ব্রহ্মতত্ত্বের বোধ হয় । সেই জন্যেই উপনিষদ বলেছে _ ‘ঐ আত্মা’ । আত্মতত্ত্বের বোধের জন্য জীবনে ত্যাগ , সংযম , সাধন-ভজন , একাগ্রতা , নিষ্ঠা ইত্যাদি প্রয়োজন হয় ৷ শক্তিমান সাধক ছাড়া অধ্যাত্মপথে উত্তরণ সম্ভব হয় না । দুর্বল অপটু দেহে সাধন হয় না । ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলতেন , ” কুঁড়েঘরে হাতি ঢুকলে যেমন অবস্থা হয় , অধ্যাত্মশক্তির খেলা শুরু হোলে শরীরের ঐরকম দশা হয় । শরীর যেন দুমড়ে-মুচড়ে যায় । এই অবস্থায় শুদ্ধ মন , শুদ্ধ শরীর ছাড়া ঐ তেজ , ঐ শক্তি ধারণ করা সম্ভব হয় না _ শরীর পাত হয়ে যায় । অনেকে paralysed হয়ে যায় । সঙ্গে উপযুক্ত গুরু থাকলে তিনি আবার ঠিক করে নিতে পারেন ।
বল ত্রিবিধ – আত্মবল , মনোবল এবং শারীরিক বল । আত্মবল বা সংকল্প শক্তি যা পূর্ব পূর্ব জীবনের সুকৃতির ফল এবং গুরু কৃপার ফল । সাধন-সমরে প্রবেশ করে সাধকের, ‘সংকল্প সিদ্ধি করবই’ _এই ধরনের দৃঢ়তা খুবই প্রয়োজন ! যাকে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলতেন ‘রোক্’ । সাধন করতে হলে খুব ‘রোক্’ চাই । আর দেহবল বা শরীরের বলও একান্ত প্রয়োজন ৷ নিরোগ , সুস্থ-সবল শরীর ছাড়া কি সাধন হয় ? শরীরে যৌবন থাকতে থাকতে ‘সাধন’ আর দুর্বল শরীরে ‘ভজন’ । বাউল গানে রয়েছে , ” সময় গেলে সাধন হবে না –”, তার মানে বয়স হোলে অর্থাৎ বৃদ্ধ বয়সে শরীর কমজোরী হয়ে যায় , তখন আর সেই শরীরে সাধন হয় না । তখন হাততালি দিয়ে হরিনাম অথবা চুপচাপ বসে বসে জপ করে যাওয়া । ব্রহ্মচারী , সন্ন্যাসীদের বৃদ্ধ বয়সেও শরীরের Strength থেকে যায় । যারা বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তাদেরই শরীরের ক্ষয় কম হয় । রোগ প্রতিষেধক ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বহুদিন পর্যন্ত কোনো ভারী রোগ শরীরকে জীর্ণ করতে পারে না ! আর এই মজবুত, শুদ্ধ শরীরে যোগাভ্যাস করলে অতিসত্বর সুফল পাওয়া যায় ৷
যোগভ্যাসের ফলে শরীরের বিভিন্ন অন্তঃক্ষরা(endocrine glands) গ্রন্থিগুলির সাম্যভাব আসে _ ফলে সাধকের দেহের মধ্যে একটা পেলব , মসৃণ , ঝকঝকে ভাব আসে _ চোখ-দাঁত কিশোরের মতো চকচকে হয়ে যায় ।
গৃহস্থী ব্যক্তিদের মধ্যেও অনেক শক্তিমান পুরুষ দেখা যায় । কিন্তু উশৃংখল , অসংযমী জীবনযাত্রা ওই শরীরগুলিকে অতিশীঘ্র নষ্ট করে দেয় । অধিক বা অনিয়মিত গুরুপাক পান-ভোজন ধীরে ধীরে শরীরের পাচন শক্তির বারোটা বাজিয়ে দেয় ৷ আর অনিয়মিত যৌনজীবন যাপন শরীরের Endocrine system-এর বারোটা বাজায়। প্রত্যেকবার Ejaculation-এর সময় Pump হয় । এতে প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের ব্যাপক ক্ষতি হয় । বয়সকালে বহু মানুষের রক্ত প্রস্রাব হয় – এটার অন্যতম কারণ জানবে ঐ অতিরিক্ত Pump । যে মানুষের যত বেশি Ejaculation হবে, তার Prostate তত বেশি তাড়াতাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হবে । শক্তিশালী ব্যক্তির একটু দেরিতে হবে _আর দুর্বল ব্যক্তিদের তাড়াতাড়ি হবে । তাছাড়া অতিরিক্ত যৌনজীবন যাপনের ফলে Kidney-ও চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয় । নিগমানন্দ স্বামী তাঁর লেখায় স্বামী-স্ত্রীর মিলনের পর উভয়কেই বেশি পরিমাণ বিশুদ্ধ ঠান্ডা জল খেতে বলেছিলেন । এতে Kidney ক্ষতির আশঙ্কা অনেকটাই কমে ৷ সাধারণ মানুষ তো শরীরবিজ্ঞান জানেনা – তাই অনিয়মিত , অসংযত , উশৃংখল জীবন-যাপন করে এবং নিজেই নিজের ক্ষতি করে। ফল স্বরূপ তারা ৫০/৫৫ বছরের পর থেকেই নানান শারীরিক সমস্যায় ভোগে । শরীর নিয়ে তখন এত বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ে মানুষ যে, ঐ শরীর দিয়ে সাধন-ভজন কেন , বলতে গেলে আর Positive কোনো কাজই হয় না ।
এইজন্যই শাস্ত্র বলেছে , ” নায়মাত্মা বলহীনেন লভ্য” ৷ আর ‘সন্ন্যাসী পরম্পরা’ তৈরি হওয়ার পিছনে এটাই রহস্য ! সঠিক ব্রহ্মচর্য ছাড়া সাধনোপযুক্ত শরীর তৈরি হয় না ৷ আর উপযুক্ত শরীর ছাড়া কখনোই অধ্যাত্মশক্তির বিকাশ লাভ সম্ভব হয় না ৷
শরীরের মেরুদন্ড বরাবর সুষুম্না কান্ডের ভিতর দিয়ে Perineum থেকে penial পর্যন্ত যে Route বা পথ রয়েছে ঐটির তিনটি part রয়েছে ৷ মূলাধার (Perineum) থেকে বক্ষপ্রদেশ (Thymus) পর্যন্ত এক ধাপ , বক্ষ থেকে ভ্রূমধ্য বা আজ্ঞাচক্র (Pituitory) পর্যন্ত মাঝের ধাপ আর আজ্ঞাচক্র থেকে সহস্রার বা Penial পর্যন্ত অন্তিম ধাপ । কিন্তু সুষুম্মা মধ্যবর্তী অংশ মজ্জায় ঠাসা থাকতে হবে __তবেই দুই মেরুর মধ্যে ঠিকমতো Charging হবে ।
অতিরিক্ত অনিয়মিত বীর্যক্ষয়ে অস্থি মধ্যস্থ মজ্জা ফিকে হয়ে যায় , কমজোরি হয়ে যায় – তাতে ধ্যান-সাধন করলেও ঠিকমতো Charging হয় না বা শক্তির ক্রিয়া হয় না ৷ এইজন্যেই শাস্ত্রে বলা হয়েছে অধ্যাত্মজ্ঞান লাভের জন্য দ্বাদশ বর্ষ অস্খলিত ব্রহ্মচর্যের প্রয়োজন ।
