শ্রী শ্রী গুরুমহারাজ স্বামী পরমানন্দের মহিমার কথা বলা হচ্ছিলো। গুরুমহারাজ কতকগুলো কথা আমাদের বলেছিলেন – যেগুলো অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি ! কারণ সেইসব ঘটনার সাক্ষী রয়েছে – যাদের বেশিরভাগ এখনও শরীরে রয়েছে এবং যারা নিজেরাই পরবর্তীকালে এই কথাগুলি আমাদেরকে একাধিকবার বলেছেনও। আবার এমনও কিছু ঘটনা রয়েছে যেগুলির সাক্ষী উনি নিজেই – কৃপা করে সেইসব কথা বলেছেন বলেই __আমরা সাধারন মানুষেরা ঘটনাগুলি জানতে পেরেছি এবং আপনাদের সকলের সাথে share করতে পারছি !
গুরুমহারাজ একবার বলেছিলেন যে উনি হাইটেনশন লাইনের তারগুলি ছুঁয়েছিলেন – যেখানে এক লক্ষের বেশি ভোল্টেজ থাকে ! উনি বলেছিলেন – ” আমি দেখলাম আমার শরীরে ঐ অসম্ভব বিদ্যুৎশক্তির কি ক্রিয়া হয় !” আবার গুরুমহারাজের মাথায় বাজও পড়েছিল ! মাথায় বজ্রাঘাত ! শুনেই কেমন লাগছে না ?? কিন্তু ঘটনাটা সত্যি ! গুরুমহারাজ মাঠের মধ্যেই ছিলেন, একটু-আধটু বৃষ্টি পড়ছে দেখে একটা গাছতলায় আশ্রয় নিতে গিয়েছিলেন – আর সঙ্গে সঙ্গে বজ্রপাত ! গুরুমহারাজের সারা শরীর কালো হয়ে গিয়েছিল ! কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই আবার সব ঠিক হয়ে গিয়েছিল। আমাদের সকলের মাথাতেই প্রতিনিয়ত বজ্রপাতের যে সম্ভাবনা থাকে – সেইগুলিকেই হয়তো উনি নিজের মাথা পেতে গ্রহণ করেছিলেন ! হে পরমানন্দ ! তোমার চরণদুটি অশ্রুজলে ভিজিয়ে দেওয়া ছাড়া তোমার করুনার প্রতিদান আমরা আর কি-ই বা দিতে পারি ?
উনি বজ্রপাত থেকে কিভাবে যেকোনো মানুষ নিজেকে বাঁচাতে পারে __সেকথাও বলে দিয়েছিলেন। উনি বলেছিলেন _’ওনার নিজের অভিজ্ঞতা হয়েছে বলেই বলতে পারছেন’। ধরা যাক কোনো মানুষ একটি ফাঁকা জায়গায় রয়েছে – এমন সময় বজ্রপাত শুরু হয়ে গেল ! তখন ওই মানুষটির কোনো কারনেই কোনো গাছতলায় দাঁড়ানো উচিত নয় ! আর ফাঁকাতেও যদি ঐ মানুষটিকে কেন্দ্র করে ‘বাজ’ পড়ে – তাহলে ওই মানুষটি নিজেকে বাঁচাতে ১০/১৫ সেকেন্ড সময় পেতে পারে। যদি ওই ব্যক্তির মাথায় বা তার just আশেপাশে (তাতেও ঐ ব্যক্তি মারা যেতে পারে।) বজ্রপাতের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় – তাহলে সেখানে তীব্র বারুদের মতো ঝাঁঝালো গন্ধ উৎপন্ন হবে এবং সাথে সাথে ওই ব্যক্তির মাথার চুলগুলি একদম খাড়া সোজা হয়ে যাবে। ওই ব্যক্তির শরীরটা হালকা মতো বোধ হবে – এবং সামান্য একটা উর্দ্ধটান অনুভূত হবে – ঐ অবস্থায় ওই ব্যক্তির বাঁচার জন্য সময় ঐ ১o/১৫ সেকেন্ড ! কোনো দিকে না তাকিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ওই ব্যক্তিকে মাটিতে উবু হয়ে শুয়ে পড়তে হবে। ব্যস ! তাহলেই সে বেঁচে গেল – অন্যথায় নির্ঘাত মৃত্যু !
গুরুমহারাজের চুলগুলো সেই সময় (মাথায় বাজ পরার সময়) পুরো উপরের দিকে খাড়া উঠে গিয়েছিল। গুরুমহারাজের তখন মেয়েদের মতো পিঠ অবধি বড় বড় চুল ছিল – ফলে ঐ সমস্ত চুল ঝাঁটার মতো খাড়া সোজা উপর দিকে উঠে পড়েছিল এবং উনি উগ্র বারুদের গন্ধও পেয়েছিলেন – কিন্তু উনি উবু হয়ে শোবার আগেই ওনার মাথায় বজ্রাঘাত নেমে এসেছিল !
উবু হয়ে শুয়ে পড়ে, হাত দুটো জোড় করে, সামনে প্রসারিত করে ‘সমর্পণ মুদ্রা’-য় কিছুক্ষণ কাটাতে পারলে হনুমানের দলের আক্রমণ থেকে বাঁচা যায় ! গুরুমহারাজকে একবার হিমালয়ে যেকোনো কারণে একপাল হনুমান হঠাৎ করে আক্রমণ করে বসে ! গুরুমহারাজ বলেছিলেন – ওরা যে শুধু কামড়ে দেয় বা খামচে দেয় তাই নয় –ওরা ওদের লেজে করে পিঠে-গায়ে লাঠির ঘায়ের মতো ঘা মারে এবং সেই ঘা-য়ে লাঠির মতোই জোর। গুরুমহারাজকে একজন মহাত্মা বিভিন্ন পশু-পাখির হাত থেকে কিভাবে নিজেকে রক্ষা করা যায় – সেই সম্বন্ধে আগেই জানিয়েছিলেন। সেই শিক্ষা মতো – উনি সাথে সাথেই “সমর্পণ মুদ্রা”-য় মাটিতে শুয়ে পড়েছিলেন। হনুমানরা কিছুক্ষণ চুপচাপ লক্ষ্য করছিল – উনি তাদেরকে কোনো ভাবে attack করেন কিনা ! তারপর তারা চলে গিয়েছিল।
অন্য এক সময় একটি হনুমান আবার গুরুমহারাজের জীবন রক্ষাও করেছিল। হিমালয়ের একটি এমন স্থান রয়েছে, যেখানে natural-ভাবে কদলীবন (কলাগাছের বন) রয়েছে। ওই অঞ্চলে হাতি এবং হনুমানদের খুবই সংখ্যাধিক্য ! গুরুমহারাজ ওই অঞ্চলে প্রকৃত ‘হনুমানের’ সাক্ষাৎ লাভের আশাতেই গিয়েছিলেন ! কারণ সাধুসমাজে একটি প্রচলিত কথা রয়েছে যে হনুমান, অশ্বথামা, প্রমুখ কয়েকজন নাকি চিরজীবী অর্থাৎ অমর ! তাঁদের কখনোই মৃত্যু হবে না ! এই কথা শোনার পর গুরুমহারাজের খুবই ইচ্ছা হয়েছিল অন্তত: একবার সেই রামায়ণের যুগের ‘হনুমান’-এর সাথে সাক্ষাত করার ! সেই উদ্দেশ্যেই গুরুমহারাজের ওই ‘কদলীবন’ অঞ্চলে যাওয়া ! (পরবর্তী ঘটনা পরের দিন।)
গুরুমহারাজ একবার বলেছিলেন যে উনি হাইটেনশন লাইনের তারগুলি ছুঁয়েছিলেন – যেখানে এক লক্ষের বেশি ভোল্টেজ থাকে ! উনি বলেছিলেন – ” আমি দেখলাম আমার শরীরে ঐ অসম্ভব বিদ্যুৎশক্তির কি ক্রিয়া হয় !” আবার গুরুমহারাজের মাথায় বাজও পড়েছিল ! মাথায় বজ্রাঘাত ! শুনেই কেমন লাগছে না ?? কিন্তু ঘটনাটা সত্যি ! গুরুমহারাজ মাঠের মধ্যেই ছিলেন, একটু-আধটু বৃষ্টি পড়ছে দেখে একটা গাছতলায় আশ্রয় নিতে গিয়েছিলেন – আর সঙ্গে সঙ্গে বজ্রপাত ! গুরুমহারাজের সারা শরীর কালো হয়ে গিয়েছিল ! কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই আবার সব ঠিক হয়ে গিয়েছিল। আমাদের সকলের মাথাতেই প্রতিনিয়ত বজ্রপাতের যে সম্ভাবনা থাকে – সেইগুলিকেই হয়তো উনি নিজের মাথা পেতে গ্রহণ করেছিলেন ! হে পরমানন্দ ! তোমার চরণদুটি অশ্রুজলে ভিজিয়ে দেওয়া ছাড়া তোমার করুনার প্রতিদান আমরা আর কি-ই বা দিতে পারি ?
উনি বজ্রপাত থেকে কিভাবে যেকোনো মানুষ নিজেকে বাঁচাতে পারে __সেকথাও বলে দিয়েছিলেন। উনি বলেছিলেন _’ওনার নিজের অভিজ্ঞতা হয়েছে বলেই বলতে পারছেন’। ধরা যাক কোনো মানুষ একটি ফাঁকা জায়গায় রয়েছে – এমন সময় বজ্রপাত শুরু হয়ে গেল ! তখন ওই মানুষটির কোনো কারনেই কোনো গাছতলায় দাঁড়ানো উচিত নয় ! আর ফাঁকাতেও যদি ঐ মানুষটিকে কেন্দ্র করে ‘বাজ’ পড়ে – তাহলে ওই মানুষটি নিজেকে বাঁচাতে ১০/১৫ সেকেন্ড সময় পেতে পারে। যদি ওই ব্যক্তির মাথায় বা তার just আশেপাশে (তাতেও ঐ ব্যক্তি মারা যেতে পারে।) বজ্রপাতের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় – তাহলে সেখানে তীব্র বারুদের মতো ঝাঁঝালো গন্ধ উৎপন্ন হবে এবং সাথে সাথে ওই ব্যক্তির মাথার চুলগুলি একদম খাড়া সোজা হয়ে যাবে। ওই ব্যক্তির শরীরটা হালকা মতো বোধ হবে – এবং সামান্য একটা উর্দ্ধটান অনুভূত হবে – ঐ অবস্থায় ওই ব্যক্তির বাঁচার জন্য সময় ঐ ১o/১৫ সেকেন্ড ! কোনো দিকে না তাকিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ওই ব্যক্তিকে মাটিতে উবু হয়ে শুয়ে পড়তে হবে। ব্যস ! তাহলেই সে বেঁচে গেল – অন্যথায় নির্ঘাত মৃত্যু !
গুরুমহারাজের চুলগুলো সেই সময় (মাথায় বাজ পরার সময়) পুরো উপরের দিকে খাড়া উঠে গিয়েছিল। গুরুমহারাজের তখন মেয়েদের মতো পিঠ অবধি বড় বড় চুল ছিল – ফলে ঐ সমস্ত চুল ঝাঁটার মতো খাড়া সোজা উপর দিকে উঠে পড়েছিল এবং উনি উগ্র বারুদের গন্ধও পেয়েছিলেন – কিন্তু উনি উবু হয়ে শোবার আগেই ওনার মাথায় বজ্রাঘাত নেমে এসেছিল !
উবু হয়ে শুয়ে পড়ে, হাত দুটো জোড় করে, সামনে প্রসারিত করে ‘সমর্পণ মুদ্রা’-য় কিছুক্ষণ কাটাতে পারলে হনুমানের দলের আক্রমণ থেকে বাঁচা যায় ! গুরুমহারাজকে একবার হিমালয়ে যেকোনো কারণে একপাল হনুমান হঠাৎ করে আক্রমণ করে বসে ! গুরুমহারাজ বলেছিলেন – ওরা যে শুধু কামড়ে দেয় বা খামচে দেয় তাই নয় –ওরা ওদের লেজে করে পিঠে-গায়ে লাঠির ঘায়ের মতো ঘা মারে এবং সেই ঘা-য়ে লাঠির মতোই জোর। গুরুমহারাজকে একজন মহাত্মা বিভিন্ন পশু-পাখির হাত থেকে কিভাবে নিজেকে রক্ষা করা যায় – সেই সম্বন্ধে আগেই জানিয়েছিলেন। সেই শিক্ষা মতো – উনি সাথে সাথেই “সমর্পণ মুদ্রা”-য় মাটিতে শুয়ে পড়েছিলেন। হনুমানরা কিছুক্ষণ চুপচাপ লক্ষ্য করছিল – উনি তাদেরকে কোনো ভাবে attack করেন কিনা ! তারপর তারা চলে গিয়েছিল।
অন্য এক সময় একটি হনুমান আবার গুরুমহারাজের জীবন রক্ষাও করেছিল। হিমালয়ের একটি এমন স্থান রয়েছে, যেখানে natural-ভাবে কদলীবন (কলাগাছের বন) রয়েছে। ওই অঞ্চলে হাতি এবং হনুমানদের খুবই সংখ্যাধিক্য ! গুরুমহারাজ ওই অঞ্চলে প্রকৃত ‘হনুমানের’ সাক্ষাৎ লাভের আশাতেই গিয়েছিলেন ! কারণ সাধুসমাজে একটি প্রচলিত কথা রয়েছে যে হনুমান, অশ্বথামা, প্রমুখ কয়েকজন নাকি চিরজীবী অর্থাৎ অমর ! তাঁদের কখনোই মৃত্যু হবে না ! এই কথা শোনার পর গুরুমহারাজের খুবই ইচ্ছা হয়েছিল অন্তত: একবার সেই রামায়ণের যুগের ‘হনুমান’-এর সাথে সাক্ষাত করার ! সেই উদ্দেশ্যেই গুরুমহারাজের ওই ‘কদলীবন’ অঞ্চলে যাওয়া ! (পরবর্তী ঘটনা পরের দিন।)
