[ আগের দিন গুরু মহারাজের গর্ভধারিনী জননী ছাড়াও আরো কয়েকজন মায়ের কথা বলা হয়েছে। এখন চক্ষনযাদীর টগরদার মায়ের কথা বলা হচ্ছিলো। আজ পরবর্তী অংশ]
সাত্তার সাহেবের ছেলে টগর , টগররা পাঁচ ভাই-বোন । ওদের বাড়িতে খুব প্রেতের উৎপাত ছিল । একটা হাঁড়ির মতো মাথা বিশিষ্ট প্রেত যার বিড়ালের মতো জ্বলজ্বলে চোখ উঠোনে ঘুরে ঘুরে বেড়াতো ৷ শক্তিশালী Spirit ,আমার সাথে একদিন fight হোল । ও পূর্বজন্মে সাধক ফকির ছিল ফলে শক্তি লাভ করেছিল ৷ Spirit-টি আমার উপর শক্তি প্রয়োগ করতে লাগলো ! এতো শক্তিশালী যে একটা ঘূর্ণিঝড়ের মত সৃষ্টি করে আমাকে ছুঁড়ে বাইরে ফেলে দিতে চাইছিল । আমি শুয়ে ছিলাম – উঠে বসলাম । মনে ভাবলাম , ” বা রে ! তোর এতো স্পর্ধা !” হঠাৎ দেখি আমার শরীরের মেরুদন্ডের ডান পাশ দিয়ে একটা শক্তির প্রবাহ বেরোতে লাগলো ৷ এইবার ওর শক্তি আর আমার শরীর থেকে নির্গত শক্তির মধ্যে সংঘর্ষ হোতে শুরু করলো । গোটা বাড়ি কাঁপছিল , সাত্তার সাহেব আর মা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন – যদি তাঁদের ছেলের (গুরুজীর) কোনো ক্ষতি হয় ! যাইহোক, কিছুক্ষণ পর Spirit-টি শক্তিহীন হয়ে পড়লে আমি বাইরে এসে ওদের সাথে যোগাযোগ করেছিলাম । এরপর থেকে ওনাদের বাড়িতে আর কোনো অসুবিধা হয়নি ।
ঐ বাড়িতে এইরকমই একটা ঘটনা ঘটেছিল অর্থাৎ বাড়িটা কাঁপছিল এবং ওনারা লক্ষ্য করেছিলেন বাড়ির প্রতিটি ইঁট থেকে আওয়াজ উঠছিল “আল্লাহু”! “আল্লাহু”! “আল্লাহু”! সেই ঘটনাটা বলি।
সাত্তার সাহেবের বাড়িতে একজন খুবই উন্নত এক ফকির বাবা একদিন এসে হাজির হয়েছিলেন! তিনি রাত্রিতে ‘লয়যোগ’ বা ‘খন্ডযোগ’ অভ্যাস করছিলেন। সেই সময় তাঁর শরীর টুকরো টুকরো অবস্থায় ছিল, কিন্তু প্রতিটি অঙ্গ থেকে “আল্লাহু”! “আল্লাহু”! আওয়াজ আসছিল। আর সেই আওয়াজের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাড়ির ইঁটগুলিও ঐ একই আওয়াজ করছিল। এই ঘটনা মা(টগরদার মা) স্বয়ং প্রত্যক্ষ করেছিলেন।
তিনি খুবই গুণী মানুষ ছিলেন ৷ তাঁর নিজের মৃত্যুর কথা তিনি আগেই বুঝতে পেরেছিলেন ! তাই শেষবারের মতো সাত্তার সাহেবের বাড়ি এসে তিনি বলেন যে, তিনি এরপর থেকে আর কখনও এই বাড়িতে আসবেন না , কারণ তাঁর শরীর ছাড়ার সময় হয়ে গেছে ! এই কথা শুনে ওরা খুবই কান্নাকাটি করতে থাকেন এবং বলেন যে বিপদে-আপদে তিনি যেভাবে এদেরকে রক্ষা করে আসছিলেন – সেই কাজটি এবার কে করবে ? এই কথার উত্তরে তিনি বলেছিলেন যে, খুব শীঘ্রই ওনাদের বাড়িতে একজন “পীরের পীর” আসবে – সেই সব মুশকিল আসান করে দেবে ৷ ওনারা জিজ্ঞাসা করেছিলেন _’তাহলে কি সে খাজা ?’ উনি বলেছিলেন _’সে খাজার-ও খাজা !’ তিনি আরও বলেছিলেন যে, ” তোমাদের বড় ছেলেটি তাঁর আপনার জন! তার জন্যই সে তোমাদের বাড়ি আসবে ৷” তিনি যে রাতে ঐ বাড়িতে রাত কাটিয়েছিলেন_সেই রাতে ঐ ঘটনাটি ঘটেছিল।।
এর পরে আমি যখন থেকে ওনাদের বাড়ি যাওয়া আসা শুরু করলাম এবং একটা সম্পর্ক তৈরি হোল, তখন আমাকে ওনাদের আর একটা ‘সন্তান’ হিসেবে গ্রহণ করতে ওদের কোনো অসুবিধাই হয়নি । শুধু ওরাই নয় টগরদের কিছু কিছু আত্মীয়-স্বজনেরাও আমাকে ভালোভাবে নিতে পেরেছিল । কিন্তু মুশকিল হয়েছিল পরবর্তী generation-এর ক্ষেত্রে, যখন থেকে ঐ বাড়ির ছেলেমেয়েদের বিবাহ হোল, তখন তাদের শ্বশুরবাড়িতে problem শুরু হোল । যেহেতু আমি গেরুয়া পড়া সন্ন্যাসী — তাই মেনে নেবার ব্যাপারে _গোলমাল !
এখনও আমি ওদিকে গেলেই চক্ষণযাদীতে টগরদের বাড়ি যাই , টগররাও আশ্রমে আসে , মা আসেন অন্যান্য ভাইয়েরা বা বোনেরা আসে ৷ এইগুলি নতুন আত্মীয়-স্বজনদের কাছে কিছুটা অদ্ভুত লাগে , তাই তারা প্রতিবাদ করে ৷
কিন্তু মা আমার পক্ষে সওয়াল করে সকলকে চুপ করিয়ে দেন ৷ বলেন , ” ও আমার ছেলে , ‘মা’ বলে ডাক দিয়ে বাড়ি আসে , আমি কি তাকে স্থান না দিয়ে পারি ?” … [ক্রমশঃ]
সাত্তার সাহেবের ছেলে টগর , টগররা পাঁচ ভাই-বোন । ওদের বাড়িতে খুব প্রেতের উৎপাত ছিল । একটা হাঁড়ির মতো মাথা বিশিষ্ট প্রেত যার বিড়ালের মতো জ্বলজ্বলে চোখ উঠোনে ঘুরে ঘুরে বেড়াতো ৷ শক্তিশালী Spirit ,আমার সাথে একদিন fight হোল । ও পূর্বজন্মে সাধক ফকির ছিল ফলে শক্তি লাভ করেছিল ৷ Spirit-টি আমার উপর শক্তি প্রয়োগ করতে লাগলো ! এতো শক্তিশালী যে একটা ঘূর্ণিঝড়ের মত সৃষ্টি করে আমাকে ছুঁড়ে বাইরে ফেলে দিতে চাইছিল । আমি শুয়ে ছিলাম – উঠে বসলাম । মনে ভাবলাম , ” বা রে ! তোর এতো স্পর্ধা !” হঠাৎ দেখি আমার শরীরের মেরুদন্ডের ডান পাশ দিয়ে একটা শক্তির প্রবাহ বেরোতে লাগলো ৷ এইবার ওর শক্তি আর আমার শরীর থেকে নির্গত শক্তির মধ্যে সংঘর্ষ হোতে শুরু করলো । গোটা বাড়ি কাঁপছিল , সাত্তার সাহেব আর মা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন – যদি তাঁদের ছেলের (গুরুজীর) কোনো ক্ষতি হয় ! যাইহোক, কিছুক্ষণ পর Spirit-টি শক্তিহীন হয়ে পড়লে আমি বাইরে এসে ওদের সাথে যোগাযোগ করেছিলাম । এরপর থেকে ওনাদের বাড়িতে আর কোনো অসুবিধা হয়নি ।
ঐ বাড়িতে এইরকমই একটা ঘটনা ঘটেছিল অর্থাৎ বাড়িটা কাঁপছিল এবং ওনারা লক্ষ্য করেছিলেন বাড়ির প্রতিটি ইঁট থেকে আওয়াজ উঠছিল “আল্লাহু”! “আল্লাহু”! “আল্লাহু”! সেই ঘটনাটা বলি।
সাত্তার সাহেবের বাড়িতে একজন খুবই উন্নত এক ফকির বাবা একদিন এসে হাজির হয়েছিলেন! তিনি রাত্রিতে ‘লয়যোগ’ বা ‘খন্ডযোগ’ অভ্যাস করছিলেন। সেই সময় তাঁর শরীর টুকরো টুকরো অবস্থায় ছিল, কিন্তু প্রতিটি অঙ্গ থেকে “আল্লাহু”! “আল্লাহু”! আওয়াজ আসছিল। আর সেই আওয়াজের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাড়ির ইঁটগুলিও ঐ একই আওয়াজ করছিল। এই ঘটনা মা(টগরদার মা) স্বয়ং প্রত্যক্ষ করেছিলেন।
তিনি খুবই গুণী মানুষ ছিলেন ৷ তাঁর নিজের মৃত্যুর কথা তিনি আগেই বুঝতে পেরেছিলেন ! তাই শেষবারের মতো সাত্তার সাহেবের বাড়ি এসে তিনি বলেন যে, তিনি এরপর থেকে আর কখনও এই বাড়িতে আসবেন না , কারণ তাঁর শরীর ছাড়ার সময় হয়ে গেছে ! এই কথা শুনে ওরা খুবই কান্নাকাটি করতে থাকেন এবং বলেন যে বিপদে-আপদে তিনি যেভাবে এদেরকে রক্ষা করে আসছিলেন – সেই কাজটি এবার কে করবে ? এই কথার উত্তরে তিনি বলেছিলেন যে, খুব শীঘ্রই ওনাদের বাড়িতে একজন “পীরের পীর” আসবে – সেই সব মুশকিল আসান করে দেবে ৷ ওনারা জিজ্ঞাসা করেছিলেন _’তাহলে কি সে খাজা ?’ উনি বলেছিলেন _’সে খাজার-ও খাজা !’ তিনি আরও বলেছিলেন যে, ” তোমাদের বড় ছেলেটি তাঁর আপনার জন! তার জন্যই সে তোমাদের বাড়ি আসবে ৷” তিনি যে রাতে ঐ বাড়িতে রাত কাটিয়েছিলেন_সেই রাতে ঐ ঘটনাটি ঘটেছিল।।
এর পরে আমি যখন থেকে ওনাদের বাড়ি যাওয়া আসা শুরু করলাম এবং একটা সম্পর্ক তৈরি হোল, তখন আমাকে ওনাদের আর একটা ‘সন্তান’ হিসেবে গ্রহণ করতে ওদের কোনো অসুবিধাই হয়নি । শুধু ওরাই নয় টগরদের কিছু কিছু আত্মীয়-স্বজনেরাও আমাকে ভালোভাবে নিতে পেরেছিল । কিন্তু মুশকিল হয়েছিল পরবর্তী generation-এর ক্ষেত্রে, যখন থেকে ঐ বাড়ির ছেলেমেয়েদের বিবাহ হোল, তখন তাদের শ্বশুরবাড়িতে problem শুরু হোল । যেহেতু আমি গেরুয়া পড়া সন্ন্যাসী — তাই মেনে নেবার ব্যাপারে _গোলমাল !
এখনও আমি ওদিকে গেলেই চক্ষণযাদীতে টগরদের বাড়ি যাই , টগররাও আশ্রমে আসে , মা আসেন অন্যান্য ভাইয়েরা বা বোনেরা আসে ৷ এইগুলি নতুন আত্মীয়-স্বজনদের কাছে কিছুটা অদ্ভুত লাগে , তাই তারা প্রতিবাদ করে ৷
কিন্তু মা আমার পক্ষে সওয়াল করে সকলকে চুপ করিয়ে দেন ৷ বলেন , ” ও আমার ছেলে , ‘মা’ বলে ডাক দিয়ে বাড়ি আসে , আমি কি তাকে স্থান না দিয়ে পারি ?” … [ক্রমশঃ]
