শ্রী শ্রী গুরুমহারাজ স্বামী পরমানন্দের কথা এবং তাঁর ভক্ত-শিষ্য-পার্ষদদের কথা এখানে আলোচনা হচ্ছিলো। তবে কথা হচ্ছে, __ গুরুমহারাজ স্বামী পরমানন্দের ভক্ত কে নয় ? পৃথিবীতে যত মানুষ রয়েছে – যত জীব রয়েছে – যত উদ্ভিদ রয়েছে সকলেই তো পরমানন্দ ভক্ত ! তাঁর বাইরে আর কে রয়েছে ? তিনি তো নিজেই বলেছিলেন – ” আমি কাউকে ফেলতে পারি না – ত্যাগ করতে পারি না ! কারণ তা করতে গেলে __তাকে রাখবো কোথায় ? সর্বত্র তো সেই ‘আমি’-ই রয়েছি !”
তাহলে জড়জগৎ, জীবজগৎ সমস্ত কিছু পরিব্যপ্ত হয়ে রয়েছেন স্বামী পরমানন্দ ! তিনিই সব হয়েছেন, আবার তাঁর মধ্যেই সমস্ত কিছু রয়েছে ! সেইজন্যেই বলা হচ্ছিলো যে, সকলেই তাঁর অন্তর্গত, সবাই তাঁর ভক্ত, সবাই তাঁর সন্তান ! তবে, তাঁর যে সন্তানটি (ছেলে বা মেয়ে) মা বা বাবার কাছে সর্বদাই ঘুরঘুর করে, তার কাজে সহযোগিতা করে _ সেই ছেলে বা মেয়েটাই মা-বাবার কাছে সবচাইতে প্রিয় হয়ে যায় – আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রেও খানিকটা সেইরকমই হয়। আর এইভাবেই অসংখ্য মানুষের মধ্যে মাত্র কয়েকজন প্রকৃত অর্থে ‘ভক্ত’ পদবাচ্য হয়ে ওঠেন!
আর পার্ষদরা তো আলাদা তত্ত্ব ! তাঁরা সঙ্গেই আসেন – তাঁরা কি আর আমাদের মতো সাধারণ ? তাঁরা তো অনন্যসাধারণ ! তাঁরা যেহেতু ভগবানের কাজ করতেই এসেছেন – তাই তাঁদের এইজন্মের বা এই শরীরের__ যে কোনো কর্মের জন্যেই কর্মফল সঞ্চয় হয় না ! হয়তো এই শরীরেই তাঁর ভোগ বা ভোগান্তি হয় – কিন্তু সাথে করে কিছুই নিয়ে যেতে হয় না !
সুতরাং ভগবানের পার্ষদদের নিয়ে বেশি কথা বলতে যাওয়া মূর্খতা ! আর তাঁদের বিচার করতে যাওয়া আরও মূর্খতা ! সুতরাং সেইসব চেষ্টা না করে বরং তাঁদের চরিত্রের মহান গুণগুলোর দিকটা তুলে ধরাই উচিত _তাতে সাধারণ মানুষ তার জীবনে চলার পথে অনুপ্রেরণাটুকু অন্তত পাবে। সুতরাং পরমানন্দ পার্ষদদের জীবনের কিছু শিক্ষামূলক আচরণের কথা এখানে আলোচনা করা যেতেই পারে। আর আমরা সেটাই করার চেষ্টা করছি !
আমরা আলোচনা করছিলাম মদন মহারাজ বা স্বামী চিৎবিলাসানন্দ মহারাজ সম্বন্ধে। বনগ্রাম আশ্রম প্রতিষ্ঠার গোড়ার দিকে আশ্রমের অনাথ বালকের সংখ্যা খুবই কম ছিল – তার অন্যতম কারণ তো নিশ্চয়ই ছিল পরিকাঠামোগত এবং অনেকটাই অর্থনৈতিক! কিন্তু তাছাড়াও আর একটি বড় কারণ ছিল –সেইটা বলে নেওয়া যাক! যেহেতু তখনও বনগ্রাম পরমানন্দ মিশন এবং স্বামী পরমানন্দের নাম সমাজে ততটা ছড়িয়ে পড়েনি, তাই বনগ্রাম আশ্রমের প্রতি তখনও মানুষের অতোটা ভরসা তৈরি হয় নি। তাই প্রথমদিকে অনাথ শিশুদের আশ্রমে স্থান দেওয়ার ব্যাপারে গুরুজীর মতামত এবং permission থাকলেও__ বহু খুঁজেও পিতৃহীন, গরিব ঘরের ছেলে পাওয়াই যেতো না ! ‘পাওয়া যেতো না’ অর্থে __মানুষের যতোই অভাব বা অসুবিধা থাকুক না কেন – কোনো মায়েরা বা তার পরিবারের অন্যান্যরা, তাদের ছেলেকে বনগ্রাম আশ্রমে পাঠাতে সাহস করতো না(হয়তো ভাবতো ছেলেটা দুবেলা দুমুঠো খেতেই পাবে না, তার ছেলেকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেবে _ ইত্যাদি -ইত্যাদি)।
এইজন্যেই প্রথমদিকে বনগ্রামের এবং পাশাপাশি স্থানীয় গ্রামের দুই-একটি করে ছেলেদেরকে নিয়ে ‘অনাথ আশ্রমে’র যাত্রা শুরু করতে হয়েছিল। তবে বনগ্রাম আশ্রমের অনাথ আশ্রমের প্রথম ছেলেটি যেভাবে গুরুমহারাজ Selection করেছিলেন – সেটা ছিল বড়ই মজার এবং interesting ঘটনা ! তাই সেটা এখানে আরেকবার উল্লেখ করে নেওয়াই যায় ! হয়তো সালটা ১৯৮১/৮২ হোতে পারে – সবেমাত্র কয়েক বছর হয়েছে বনগ্রাম পরমানন্দ মিশনের বয়স। সেই সময় যে কজন ব্যক্তি আশ্রমিক হিসাবে থাকতেন (সন্ন্যাসী-ব্রহ্মচারীরা), তাদের তখন খুবই অন্নকষ্ট ছিল। তখনকার আশ্রমের খাবার ব্যবস্থা ছিল__’ rice to rice’ ! অর্থাৎ দুপুরের ভাত এবং রাতের ভাত__এর মাঝে আর কোনো খাওয়া দাওয়া নাই। তাও কোনক্রমে যোগাড় করা মোটা চালের ভাত, আর যেকোনো একটা সাধারন মানের তরকারি ! সবদিন ডালও জুটতো না ! অবশ্য সেই সময়ে সমগ্র বাংলা জুড়েই মানুষের চরম অন্নকষ্ট ছিল ! শহরের মানুষজন তো তখন খুব একটা আশ্রমে আসতো না – তাই বলা চলে গ্রামের মানুষের অনুদানেই তখন আশ্রম চলতো !
তবু সেই নিদারুণ অন্নকষ্টের সময়েও গুরুমহারাজ প্রতি পূর্ণিমার দিন খিচুড়ি রান্নার ব্যবস্থা করতেন এবং তা রান্না হোত একটু বেশি পরিমাণে ! ঐদিনে আশ্রমিকগণ ছাড়াও পাড়ার ছোটো ছোটো ছেলেমেয়েদের ডেকে এনে – সবাইকে পেট ভরে খাওয়ানো হোত। সেইসময় বনগ্রামের ভূমিজ পাড়ায় ‘মণা’ নামে একটি ছোট ছেলে ছিল, সম্ভবতঃ তার বাবা বা মা কেউই ছিল না। ফলে ছেলেটি পাড়ার সবার বাড়িতে চেয়ে-মেগে খেয়ে তার পেট ভরাতো ! কিন্তু সবদিন তো আর চেয়েচিন্তে পেটভরা খাবার জোটে না – তাই বেশিরভাগ দিনই তাকে অর্ধাহারে এবং মাঝেমধ্যে অনাহারেও থাকতে হোতো। কিন্তু মাসের পূর্ণিমার দিনটা ছিল ওর কাছে খুবই আনন্দের – কারণ ঐদিনে সে কাউকে কিছু না চেয়েই_ আশ্রমে পেটপুরে খেতে পায় ! এবার হয়েছে কি__ একদিন সারাদিন-ই ওর কোনো খাবার জোটেনি, সারা রাতেও নয় ! ক্ষুধার জ্বালায় রাতে ভাল ঘুমই হয়নি ছেলেটির (তখন ওর বয়স ১০/১২ বছর হবে) ! ছেলেটি ভোরে উঠে ওর ডেরা থেকে বেরিয়ে সোজা বাবাঠাকুর গুরুমহারাজের কুটিয়ায় দাওয়ায় গিয়ে বসে পড়েছিল সেদিন। গুরু মহারাজের কাছে যাবেই তো – তিনি যে অগতির গতি ! যার কেউ নাই – তার যে ভগবান রয়েছে !
গুরুমহারাজ ঘুম থেকে উঠে দরজা খুলেই দেখেন ভূমিজপাড়ার ‘মণা’ তাঁর দাওয়ায় বসে আছে ! গুরুজী জিজ্ঞাসা করলেন – ” কি রে মণা ! এখানে কি করছিস ?” মণা হাসি হাসি মুখে উত্তর দিয়েছিল – “পূর্-নিমা তো আসি গিলা।”
ঐ এক কথাতেই গুরুমহারাজ সব বুঝতে পারলেন ! সঙ্গে সঙ্গে মুরারী মহারাজকে ডেকে বলেছিলেন_”ছেলেটির গতকাল থেকে কিছু খাবার জোটে নি, ছেলেটিকে নিয়ে গিয়ে কিছু খেতে দে!” তাছাড়া উনি আরও বলেছিলেন – “এই ছেলেটি আজ থেকে এই আশ্রমেই থাকবে ও খাবে।” সেই মণা-ই ছিল “আশ্রমের প্রথম আশ্রম বালক”! [ক্রমশঃ]
তাহলে জড়জগৎ, জীবজগৎ সমস্ত কিছু পরিব্যপ্ত হয়ে রয়েছেন স্বামী পরমানন্দ ! তিনিই সব হয়েছেন, আবার তাঁর মধ্যেই সমস্ত কিছু রয়েছে ! সেইজন্যেই বলা হচ্ছিলো যে, সকলেই তাঁর অন্তর্গত, সবাই তাঁর ভক্ত, সবাই তাঁর সন্তান ! তবে, তাঁর যে সন্তানটি (ছেলে বা মেয়ে) মা বা বাবার কাছে সর্বদাই ঘুরঘুর করে, তার কাজে সহযোগিতা করে _ সেই ছেলে বা মেয়েটাই মা-বাবার কাছে সবচাইতে প্রিয় হয়ে যায় – আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রেও খানিকটা সেইরকমই হয়। আর এইভাবেই অসংখ্য মানুষের মধ্যে মাত্র কয়েকজন প্রকৃত অর্থে ‘ভক্ত’ পদবাচ্য হয়ে ওঠেন!
আর পার্ষদরা তো আলাদা তত্ত্ব ! তাঁরা সঙ্গেই আসেন – তাঁরা কি আর আমাদের মতো সাধারণ ? তাঁরা তো অনন্যসাধারণ ! তাঁরা যেহেতু ভগবানের কাজ করতেই এসেছেন – তাই তাঁদের এইজন্মের বা এই শরীরের__ যে কোনো কর্মের জন্যেই কর্মফল সঞ্চয় হয় না ! হয়তো এই শরীরেই তাঁর ভোগ বা ভোগান্তি হয় – কিন্তু সাথে করে কিছুই নিয়ে যেতে হয় না !
সুতরাং ভগবানের পার্ষদদের নিয়ে বেশি কথা বলতে যাওয়া মূর্খতা ! আর তাঁদের বিচার করতে যাওয়া আরও মূর্খতা ! সুতরাং সেইসব চেষ্টা না করে বরং তাঁদের চরিত্রের মহান গুণগুলোর দিকটা তুলে ধরাই উচিত _তাতে সাধারণ মানুষ তার জীবনে চলার পথে অনুপ্রেরণাটুকু অন্তত পাবে। সুতরাং পরমানন্দ পার্ষদদের জীবনের কিছু শিক্ষামূলক আচরণের কথা এখানে আলোচনা করা যেতেই পারে। আর আমরা সেটাই করার চেষ্টা করছি !
আমরা আলোচনা করছিলাম মদন মহারাজ বা স্বামী চিৎবিলাসানন্দ মহারাজ সম্বন্ধে। বনগ্রাম আশ্রম প্রতিষ্ঠার গোড়ার দিকে আশ্রমের অনাথ বালকের সংখ্যা খুবই কম ছিল – তার অন্যতম কারণ তো নিশ্চয়ই ছিল পরিকাঠামোগত এবং অনেকটাই অর্থনৈতিক! কিন্তু তাছাড়াও আর একটি বড় কারণ ছিল –সেইটা বলে নেওয়া যাক! যেহেতু তখনও বনগ্রাম পরমানন্দ মিশন এবং স্বামী পরমানন্দের নাম সমাজে ততটা ছড়িয়ে পড়েনি, তাই বনগ্রাম আশ্রমের প্রতি তখনও মানুষের অতোটা ভরসা তৈরি হয় নি। তাই প্রথমদিকে অনাথ শিশুদের আশ্রমে স্থান দেওয়ার ব্যাপারে গুরুজীর মতামত এবং permission থাকলেও__ বহু খুঁজেও পিতৃহীন, গরিব ঘরের ছেলে পাওয়াই যেতো না ! ‘পাওয়া যেতো না’ অর্থে __মানুষের যতোই অভাব বা অসুবিধা থাকুক না কেন – কোনো মায়েরা বা তার পরিবারের অন্যান্যরা, তাদের ছেলেকে বনগ্রাম আশ্রমে পাঠাতে সাহস করতো না(হয়তো ভাবতো ছেলেটা দুবেলা দুমুঠো খেতেই পাবে না, তার ছেলেকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেবে _ ইত্যাদি -ইত্যাদি)।
এইজন্যেই প্রথমদিকে বনগ্রামের এবং পাশাপাশি স্থানীয় গ্রামের দুই-একটি করে ছেলেদেরকে নিয়ে ‘অনাথ আশ্রমে’র যাত্রা শুরু করতে হয়েছিল। তবে বনগ্রাম আশ্রমের অনাথ আশ্রমের প্রথম ছেলেটি যেভাবে গুরুমহারাজ Selection করেছিলেন – সেটা ছিল বড়ই মজার এবং interesting ঘটনা ! তাই সেটা এখানে আরেকবার উল্লেখ করে নেওয়াই যায় ! হয়তো সালটা ১৯৮১/৮২ হোতে পারে – সবেমাত্র কয়েক বছর হয়েছে বনগ্রাম পরমানন্দ মিশনের বয়স। সেই সময় যে কজন ব্যক্তি আশ্রমিক হিসাবে থাকতেন (সন্ন্যাসী-ব্রহ্মচারীরা), তাদের তখন খুবই অন্নকষ্ট ছিল। তখনকার আশ্রমের খাবার ব্যবস্থা ছিল__’ rice to rice’ ! অর্থাৎ দুপুরের ভাত এবং রাতের ভাত__এর মাঝে আর কোনো খাওয়া দাওয়া নাই। তাও কোনক্রমে যোগাড় করা মোটা চালের ভাত, আর যেকোনো একটা সাধারন মানের তরকারি ! সবদিন ডালও জুটতো না ! অবশ্য সেই সময়ে সমগ্র বাংলা জুড়েই মানুষের চরম অন্নকষ্ট ছিল ! শহরের মানুষজন তো তখন খুব একটা আশ্রমে আসতো না – তাই বলা চলে গ্রামের মানুষের অনুদানেই তখন আশ্রম চলতো !
তবু সেই নিদারুণ অন্নকষ্টের সময়েও গুরুমহারাজ প্রতি পূর্ণিমার দিন খিচুড়ি রান্নার ব্যবস্থা করতেন এবং তা রান্না হোত একটু বেশি পরিমাণে ! ঐদিনে আশ্রমিকগণ ছাড়াও পাড়ার ছোটো ছোটো ছেলেমেয়েদের ডেকে এনে – সবাইকে পেট ভরে খাওয়ানো হোত। সেইসময় বনগ্রামের ভূমিজ পাড়ায় ‘মণা’ নামে একটি ছোট ছেলে ছিল, সম্ভবতঃ তার বাবা বা মা কেউই ছিল না। ফলে ছেলেটি পাড়ার সবার বাড়িতে চেয়ে-মেগে খেয়ে তার পেট ভরাতো ! কিন্তু সবদিন তো আর চেয়েচিন্তে পেটভরা খাবার জোটে না – তাই বেশিরভাগ দিনই তাকে অর্ধাহারে এবং মাঝেমধ্যে অনাহারেও থাকতে হোতো। কিন্তু মাসের পূর্ণিমার দিনটা ছিল ওর কাছে খুবই আনন্দের – কারণ ঐদিনে সে কাউকে কিছু না চেয়েই_ আশ্রমে পেটপুরে খেতে পায় ! এবার হয়েছে কি__ একদিন সারাদিন-ই ওর কোনো খাবার জোটেনি, সারা রাতেও নয় ! ক্ষুধার জ্বালায় রাতে ভাল ঘুমই হয়নি ছেলেটির (তখন ওর বয়স ১০/১২ বছর হবে) ! ছেলেটি ভোরে উঠে ওর ডেরা থেকে বেরিয়ে সোজা বাবাঠাকুর গুরুমহারাজের কুটিয়ায় দাওয়ায় গিয়ে বসে পড়েছিল সেদিন। গুরু মহারাজের কাছে যাবেই তো – তিনি যে অগতির গতি ! যার কেউ নাই – তার যে ভগবান রয়েছে !
গুরুমহারাজ ঘুম থেকে উঠে দরজা খুলেই দেখেন ভূমিজপাড়ার ‘মণা’ তাঁর দাওয়ায় বসে আছে ! গুরুজী জিজ্ঞাসা করলেন – ” কি রে মণা ! এখানে কি করছিস ?” মণা হাসি হাসি মুখে উত্তর দিয়েছিল – “পূর্-নিমা তো আসি গিলা।”
ঐ এক কথাতেই গুরুমহারাজ সব বুঝতে পারলেন ! সঙ্গে সঙ্গে মুরারী মহারাজকে ডেকে বলেছিলেন_”ছেলেটির গতকাল থেকে কিছু খাবার জোটে নি, ছেলেটিকে নিয়ে গিয়ে কিছু খেতে দে!” তাছাড়া উনি আরও বলেছিলেন – “এই ছেলেটি আজ থেকে এই আশ্রমেই থাকবে ও খাবে।” সেই মণা-ই ছিল “আশ্রমের প্রথম আশ্রম বালক”! [ক্রমশঃ]
