জিজ্ঞাসু :– তাহলে তো বনগ্রামে আশ্রম তৈরীর ব্যাপারটা খুব একটা মসৃন ছিল না ! আপনি স্বয়ং যেখানে রয়েছেন – সেখানেও এতো বাধা ?? এতো অভাব-অনটন, এতো অসুবিধা ??
গুরুমহারাজ :– তাহলে তুই কি ভাবছিস ? এই বনগ্রাম পরমানন্দ মিশনের সবকিছুই smoothly হয়ে গেছে ! তাই কখনও হয় ? পৃথিবী গ্রহের একটা নিয়ম রয়েছে তো ! সেটাকে violate করা যাবে না ! এই গ্রহে যখন কেউ শরীর নিয়েছে, তখন এখানে সে যে কোনো কাজ করুক না কেন –এখানকার(পৃথিবী গ্রহের) যা নিয়ম, সেই নিয়ম অনুযায়ী-ই সবকিছুতে প্রভাব পড়বে ! আর আমার থাকার কথা বলেছিস্__আমি আছি তো কি হয়েছে, আমি কখনও প্রকৃতির নিয়মের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করি না – আর তা করবোই বা কেন ? আমি প্রকৃতির রহস্য সম্বন্ধে সম্পূর্ণ অবগত। সুতরাং তার বিরুদ্ধাচরণ করতে যাবো কেন ? ওইটা করে মহামূর্খ ও আহাম্মকেরা !!
মহাপ্রকৃতির নিয়ম নিয়ে যদি research করো__তাহলে দেখতে পাবে__যখন যখন এই পৃথিবীতে মানুষের ভালোর জন্য কোনো কিছু করার চেষ্টা করা হয়েছে, তখন তখনই এসেছে নানান বাধা !! মানুষের ভালো করতে গেলে তো –প্রথমে মানুষই বাধা দেবে !! এর কারন কি বলোতো – কারণ,মানুষ তো এখনও মানুষ-ই হয়ে উঠতে পারেনি ! তাই কোনটা ভালো আর কোনটা খারাপ তারা নিজেরাই বুঝতেই পারে না ! কোনো মহাপুরুষ যখন মানুষের কল্যাণ করার উদ্দেশ্যে পৃথিবীর কোনো প্রান্তে শরীর ধারণ করেন, তখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়__তিনি প্রথম বাধাটা পান সেই অঞ্চলের মানুষের কাছ থেকেই ! তারাই তাঁর বিরোধিতা করে, তাঁকে নানাভাবে লাঞ্ছনা করে, এমনকি হয়তো তাঁকে মেরেও ফেলে !!
তাহলেই ভাবো – মানুষের মনোজগৎ এখনও কতো পিছিয়ে আছে !
আমি তো তোমাদের বলেছি যে, আমি যখন প্রথম বনগ্রামে আসি__ তখন তো আমি একেবারে শুধুমাত্র বলা চলে ‘হাতে-পায়ে’ এসেছিলাম! আমার সাথীরা যারা আমার সাথে এখানে থাকতে এসেছিল, তারাও শুধু হাতে পায়ে-ই এসেছিল ! আমার এখানকার প্রথমদিকের সহযোগী যেসব বন্ধুরা বা ভক্তরা তারা ছিল সাধারণ গৃহস্থ, খেটে খাওয়া মানুষ – খুব বেশি অর্থ সাহায্য করার বা donate করার সামর্থ্য তাদের ছিল না। পরে পরে মা জগদম্বার ইচ্ছায় যেমন যেমন প্রয়োজন দেখা দিয়েছে, তেমন তেমন আশ্রমের রূপ পাল্টেছে বা এই আশ্রমের বিকাশসাধন হয়েছে। এরপরে তোমরা যারা থাকবে, তারা দেখবে__এই আশ্রমের আরও কত রূপ পাল্টাবে !
যাইহোক যা বলছিলাম, সবদিক থেকে অতি সাধারনভাবে প্রকৃতির অনুকূলে এবং মা জগদম্বার ইচ্ছায় ও নির্দেশে এই আশ্রমের কাজ হয়ে চলেছে। অনেকেই আমাকে বলে যে – আপনি কেন কোনো নিয়ম করেন না,– অর্থাৎ ‘আশ্রমিকদের সকলে ভোর চারটায় উঠতে হবে’, ‘এতক্ষণ ধ্যান করতে হবে’, ‘এতক্ষণ জপ করতে হবে’ – ইত্যাদি, ইত্যাদি। আমি তাদেরকে বলি দ্যাখো, আমি শরীরে থাকতে এখানে কোনো সেই ধরনের কোনো নিয়ম-কানুন হবে না। আমার পরে যারা থাকবে, তারা এসব নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করবে।
আমার সাথে মা জগদম্বার কথা হয়ে আছে যে, এখানকার ব্যাপারটা উনি দেখবেন ! তাই আমি একপ্রকার নিশ্চিন্ত – শুধু আমার ভূমিকাটি পালন করে যাচ্ছি মাত্র ! একবার তৃষাণ আমাকে আশ্রমের কত টাকা ধার রয়েছে, আরও কত কি সমস্যা এসব নিয়ে অনেক কিছু বলে গেল। মুরারীও ওর চাষবাস সংক্রান্ত অর্থনৈতিক নানা সমস্যার কথা বলেছিল –এইসব শুনে আমার মনটা খুব বিষন্ন হয়ে গেল। আমি ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে ছিলাম –আসলে ওদের চিন্তাগুলোই আমাকে বিব্রত করছিল ! ঐ দুশ্চিন্তার মধ্যে কিছুক্ষণ থাকতে না থাকতেই হঠাৎ করে “মা”(✓রী মা জগদম্বা) প্রকট হোলেন, তারপর উনি আমাকে বললেন,__” কি অত চিন্তা করছো রাজা(মা জগদম্বা গুরু মহারাজকে ‘রাজা’ বলে সম্বোধন করতেন) !”। আমি তৃষান, মুরারী যেসব সমস্যার কথা বলেছিল – সেগুলিকেই বললাম৷ ✓রী মা তখন আমার কথা শুনে মধুর করে হেসে উঠলেন, তারপর আমাকে ভবিষ্যৎ আশ্রমের রূপরেখা(আগামী দিনে এখানে কি কি হবে) দেখিয়ে দিলেন।
পরেরদিন সকালবেলায় আমি তৃষানকে সব কথা বললাম। বললাম, “চিন্তা কোরো না –আমাদের ভূমিকাটাই শুধু পালন করতে হবে – কাজ যা কিছু সব হয়েই আছে।” ✓রী মা সেদিনেই দেখিয়ে দিয়েছিলেন__ আগামী দিনে বনগ্রাম আশ্রমের কোথায় কোথায় কি কি building হবে বা আরো কি কি হবে !
সুতরাং কোন ঘটনাতেই আর আমি বিচলিত হই না, শুধু ভূমিকাটা ঠিকঠাক পালন করার চেষ্টা করি। এখন যে আশ্রমে মাঠ নিয়ে সমস্যা হোচ্ছে – জানি এটাও মিটে যাবে। তবু গ্রামের ছেলেদের ডেকে পাঠাচ্ছি, ওদেরকে বোঝাবার চেষ্টা করছি, এগুলো সবই ওই ভূমিকার মধ্যে পড়ে। আর বনগ্রামে আশ্রম তৈরীর ব্যাপারটা অথবা যে কোনো এই ধরনের মানবকল্যাণমূলক ছোটো বা বড় project কখনই এই পৃথিবীগ্রহে smoothly হবে না। পৃথিবীর প্রাকৃতিক নিয়ম অনুযায়ী তা হোতেও পারে না ! তোমাদের জীবনেই দ্যাখো না – তোমরা যখন জীবন গঠনের জন্য, বা বৃহত্তর স্বার্থে বড় কিছু করতে গেছো__ তা কি smoothly হয়েছে ? কখনোই হয় নি ! আর হয় নি__কারণ এটা হবার ছিল না !!
আর আমি এখানে(বনগ্রাম আশ্রমে) রয়েছি, তো কি হয়েছে ? এখানেও কোনো project-এর কাজই smoothly হয় নি ! ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর থাকাকালীন একবার মন্দিরের ঠাকুরের গহনা ইত্যাদি চুরি হয়েছিল। পরদিন মথুরবাবু খবর পেয়ে গিয়ে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে ধরলেন –” বাবা ! এখানে তুমি আছ, তোমার মা এতো জাগ্রত ! তাহলে গহনা চুরি হোলো কেন ?” ঠাকুর হেসে বললেন – ” তা তোমার কি বুদ্ধি গা ! যার জগৎ সে কি তোমার মন্দিরের গহনা আগলে বসে থাকবে ?”
দ্যাখো, ঠাকুর কি বললেন__যার যা কাজ সে তাই করবে এবং যে কাজের যা ফল, সে তাই ভোগ করবে ? ভালো কাজ অর্থাৎ মানুষের কল্যাণমূলক কাজ করলে মানুষ ভালো ফল পাবে, আর মানবতা বিরোধী কাজ করলে – তার জন্য punishment ভোগ করতে হবে। গীতায় রয়েছে_ নিঃস্বার্থ কর্ম করলে সঞ্চিত কর্মের ক্ষয় হয়, তাই নিঃস্বার্থ কর্ম করাই ভালো।
(সকলকে উদ্দেশ্য করে..)আমি তো তোমাদের আগেও বলেছি – কারো ভালো না করতে পারো, কারো অনিষ্ট করো না। মনে মনেও কারো অনিষ্ট চিন্তা করো না – তাহলেই — তোমার পূর্ব পূর্ব জীবনের সঞ্চিত কর্মের ক্ষয়ও হবে এবং নতুন করে আর কর্মবন্ধনে জড়াতে হবে না।
গুরুমহারাজ :– তাহলে তুই কি ভাবছিস ? এই বনগ্রাম পরমানন্দ মিশনের সবকিছুই smoothly হয়ে গেছে ! তাই কখনও হয় ? পৃথিবী গ্রহের একটা নিয়ম রয়েছে তো ! সেটাকে violate করা যাবে না ! এই গ্রহে যখন কেউ শরীর নিয়েছে, তখন এখানে সে যে কোনো কাজ করুক না কেন –এখানকার(পৃথিবী গ্রহের) যা নিয়ম, সেই নিয়ম অনুযায়ী-ই সবকিছুতে প্রভাব পড়বে ! আর আমার থাকার কথা বলেছিস্__আমি আছি তো কি হয়েছে, আমি কখনও প্রকৃতির নিয়মের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করি না – আর তা করবোই বা কেন ? আমি প্রকৃতির রহস্য সম্বন্ধে সম্পূর্ণ অবগত। সুতরাং তার বিরুদ্ধাচরণ করতে যাবো কেন ? ওইটা করে মহামূর্খ ও আহাম্মকেরা !!
মহাপ্রকৃতির নিয়ম নিয়ে যদি research করো__তাহলে দেখতে পাবে__যখন যখন এই পৃথিবীতে মানুষের ভালোর জন্য কোনো কিছু করার চেষ্টা করা হয়েছে, তখন তখনই এসেছে নানান বাধা !! মানুষের ভালো করতে গেলে তো –প্রথমে মানুষই বাধা দেবে !! এর কারন কি বলোতো – কারণ,মানুষ তো এখনও মানুষ-ই হয়ে উঠতে পারেনি ! তাই কোনটা ভালো আর কোনটা খারাপ তারা নিজেরাই বুঝতেই পারে না ! কোনো মহাপুরুষ যখন মানুষের কল্যাণ করার উদ্দেশ্যে পৃথিবীর কোনো প্রান্তে শরীর ধারণ করেন, তখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়__তিনি প্রথম বাধাটা পান সেই অঞ্চলের মানুষের কাছ থেকেই ! তারাই তাঁর বিরোধিতা করে, তাঁকে নানাভাবে লাঞ্ছনা করে, এমনকি হয়তো তাঁকে মেরেও ফেলে !!
তাহলেই ভাবো – মানুষের মনোজগৎ এখনও কতো পিছিয়ে আছে !
আমি তো তোমাদের বলেছি যে, আমি যখন প্রথম বনগ্রামে আসি__ তখন তো আমি একেবারে শুধুমাত্র বলা চলে ‘হাতে-পায়ে’ এসেছিলাম! আমার সাথীরা যারা আমার সাথে এখানে থাকতে এসেছিল, তারাও শুধু হাতে পায়ে-ই এসেছিল ! আমার এখানকার প্রথমদিকের সহযোগী যেসব বন্ধুরা বা ভক্তরা তারা ছিল সাধারণ গৃহস্থ, খেটে খাওয়া মানুষ – খুব বেশি অর্থ সাহায্য করার বা donate করার সামর্থ্য তাদের ছিল না। পরে পরে মা জগদম্বার ইচ্ছায় যেমন যেমন প্রয়োজন দেখা দিয়েছে, তেমন তেমন আশ্রমের রূপ পাল্টেছে বা এই আশ্রমের বিকাশসাধন হয়েছে। এরপরে তোমরা যারা থাকবে, তারা দেখবে__এই আশ্রমের আরও কত রূপ পাল্টাবে !
যাইহোক যা বলছিলাম, সবদিক থেকে অতি সাধারনভাবে প্রকৃতির অনুকূলে এবং মা জগদম্বার ইচ্ছায় ও নির্দেশে এই আশ্রমের কাজ হয়ে চলেছে। অনেকেই আমাকে বলে যে – আপনি কেন কোনো নিয়ম করেন না,– অর্থাৎ ‘আশ্রমিকদের সকলে ভোর চারটায় উঠতে হবে’, ‘এতক্ষণ ধ্যান করতে হবে’, ‘এতক্ষণ জপ করতে হবে’ – ইত্যাদি, ইত্যাদি। আমি তাদেরকে বলি দ্যাখো, আমি শরীরে থাকতে এখানে কোনো সেই ধরনের কোনো নিয়ম-কানুন হবে না। আমার পরে যারা থাকবে, তারা এসব নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করবে।
আমার সাথে মা জগদম্বার কথা হয়ে আছে যে, এখানকার ব্যাপারটা উনি দেখবেন ! তাই আমি একপ্রকার নিশ্চিন্ত – শুধু আমার ভূমিকাটি পালন করে যাচ্ছি মাত্র ! একবার তৃষাণ আমাকে আশ্রমের কত টাকা ধার রয়েছে, আরও কত কি সমস্যা এসব নিয়ে অনেক কিছু বলে গেল। মুরারীও ওর চাষবাস সংক্রান্ত অর্থনৈতিক নানা সমস্যার কথা বলেছিল –এইসব শুনে আমার মনটা খুব বিষন্ন হয়ে গেল। আমি ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে ছিলাম –আসলে ওদের চিন্তাগুলোই আমাকে বিব্রত করছিল ! ঐ দুশ্চিন্তার মধ্যে কিছুক্ষণ থাকতে না থাকতেই হঠাৎ করে “মা”(✓রী মা জগদম্বা) প্রকট হোলেন, তারপর উনি আমাকে বললেন,__” কি অত চিন্তা করছো রাজা(মা জগদম্বা গুরু মহারাজকে ‘রাজা’ বলে সম্বোধন করতেন) !”। আমি তৃষান, মুরারী যেসব সমস্যার কথা বলেছিল – সেগুলিকেই বললাম৷ ✓রী মা তখন আমার কথা শুনে মধুর করে হেসে উঠলেন, তারপর আমাকে ভবিষ্যৎ আশ্রমের রূপরেখা(আগামী দিনে এখানে কি কি হবে) দেখিয়ে দিলেন।
পরেরদিন সকালবেলায় আমি তৃষানকে সব কথা বললাম। বললাম, “চিন্তা কোরো না –আমাদের ভূমিকাটাই শুধু পালন করতে হবে – কাজ যা কিছু সব হয়েই আছে।” ✓রী মা সেদিনেই দেখিয়ে দিয়েছিলেন__ আগামী দিনে বনগ্রাম আশ্রমের কোথায় কোথায় কি কি building হবে বা আরো কি কি হবে !
সুতরাং কোন ঘটনাতেই আর আমি বিচলিত হই না, শুধু ভূমিকাটা ঠিকঠাক পালন করার চেষ্টা করি। এখন যে আশ্রমে মাঠ নিয়ে সমস্যা হোচ্ছে – জানি এটাও মিটে যাবে। তবু গ্রামের ছেলেদের ডেকে পাঠাচ্ছি, ওদেরকে বোঝাবার চেষ্টা করছি, এগুলো সবই ওই ভূমিকার মধ্যে পড়ে। আর বনগ্রামে আশ্রম তৈরীর ব্যাপারটা অথবা যে কোনো এই ধরনের মানবকল্যাণমূলক ছোটো বা বড় project কখনই এই পৃথিবীগ্রহে smoothly হবে না। পৃথিবীর প্রাকৃতিক নিয়ম অনুযায়ী তা হোতেও পারে না ! তোমাদের জীবনেই দ্যাখো না – তোমরা যখন জীবন গঠনের জন্য, বা বৃহত্তর স্বার্থে বড় কিছু করতে গেছো__ তা কি smoothly হয়েছে ? কখনোই হয় নি ! আর হয় নি__কারণ এটা হবার ছিল না !!
আর আমি এখানে(বনগ্রাম আশ্রমে) রয়েছি, তো কি হয়েছে ? এখানেও কোনো project-এর কাজই smoothly হয় নি ! ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর থাকাকালীন একবার মন্দিরের ঠাকুরের গহনা ইত্যাদি চুরি হয়েছিল। পরদিন মথুরবাবু খবর পেয়ে গিয়ে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে ধরলেন –” বাবা ! এখানে তুমি আছ, তোমার মা এতো জাগ্রত ! তাহলে গহনা চুরি হোলো কেন ?” ঠাকুর হেসে বললেন – ” তা তোমার কি বুদ্ধি গা ! যার জগৎ সে কি তোমার মন্দিরের গহনা আগলে বসে থাকবে ?”
দ্যাখো, ঠাকুর কি বললেন__যার যা কাজ সে তাই করবে এবং যে কাজের যা ফল, সে তাই ভোগ করবে ? ভালো কাজ অর্থাৎ মানুষের কল্যাণমূলক কাজ করলে মানুষ ভালো ফল পাবে, আর মানবতা বিরোধী কাজ করলে – তার জন্য punishment ভোগ করতে হবে। গীতায় রয়েছে_ নিঃস্বার্থ কর্ম করলে সঞ্চিত কর্মের ক্ষয় হয়, তাই নিঃস্বার্থ কর্ম করাই ভালো।
(সকলকে উদ্দেশ্য করে..)আমি তো তোমাদের আগেও বলেছি – কারো ভালো না করতে পারো, কারো অনিষ্ট করো না। মনে মনেও কারো অনিষ্ট চিন্তা করো না – তাহলেই — তোমার পূর্ব পূর্ব জীবনের সঞ্চিত কর্মের ক্ষয়ও হবে এবং নতুন করে আর কর্মবন্ধনে জড়াতে হবে না।
