জিজ্ঞাসু :– আশ্রমের কি কোনো কমিটি আছে অর্থাৎ executive committee বা এই ধরণের কমিটির কথা বলছিলাম ?
গুরুমহারাজ :– হ্যাঁ, ভারত সরকারের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। তুমি ছোটো বা বড় যে কোনো সেবামূলক organisation করতে হোলে তোমাকে সেইসব criteria fulfill করতে হবে। কোনো সাধুসন্ত যদি বলে, ‘জঙ্গলে বা গিরিগুহায় সাধন-ভজন বা তপস্যা-সাধনা করবো’__ তাহলে কোনো অসুবিধা নাই, কিন্তু যখনই কেউ সমাজের মানুষের জন্য কোনো সেবামূলক প্রতিষ্ঠান করতে চাইবে, তখন তো সেটা সমাজে করতে হবে ! আর সব সমাজেই সামাজিক কিছু আইন-কানুন থাকে –আর সমাজ-সদস্য হিসাবে তোমাকে তা পালন করতেই হবে।
এখানেও এই ধরনের দুটো committee হয়েছে। একটা trusty আর একটা executive committee ! সেখানে president, secretary এবং members-রা রয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দ বেলুড় মঠ প্রতিষ্ঠার সময় যে পদ্ধতিতে ‘কমিটি’ করেছিলেন, ঠিক একই পদ্ধতিতে এখানেও ‘কমিটি’ করা হয়েছে অর্থাৎ কিছু সাধু-সন্ন্যাসী এবং কিছু গৃহী নিয়েই হয়েছে এই ‘কমিটি’৷ প্রেসিডেন্ট করা হয়েছে ন’কাকা – শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে, সেক্রেটারি মুরারী – স্বামী নিষ্কামানন্দ-কে। কমিটিতে গৃহীর মধ্যে রয়েছে নবু মাস্টার (রঞ্জিত দাস), দেবীপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (ন’কাকার বড় দাদা), স্বপন খুড়ো (বনগ্রামের স্বপন গোস্বামী)। আর সন্ন্যাসীদের মধ্যে মদন মহারাজ (স্বামী চিৎবিলাসানন্দ), দীপ্তি (স্বামী ভূমানন্দ) ইত্যাদিরা রয়েছে, পরে প্রলয় (চিন্ময়ানন্দ)-কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এখন আশ্রমের বিভিন্ন স্থানে পরমানন্দ মিশনের শাখা তৈরি হোচ্ছে – সেখানেও এই একই নিয়ম থাকবে। সেখানে যখন কোনো জায়গা-জমি কেনা হোচ্ছে – তখন “সেক্রেটারি পরমানন্দ মিশন”- নামেই রেজিস্ট্রি করার কথা বলা হোচ্ছে। কিন্তু যেসব শাখা আশ্রমে বেশি জায়গা-জমি কেনার প্রয়োজন হবে, বড় project হবে__সেখানে স্থানীয়রাই নিজেরা কমিটি করে সিদ্ধান্ত নেবে ! তবে কমিটি এইভাবে তৈরি করলে কাজ ভালো হবে । এটা ভারতবর্ষের জন্য আদর্শ form !
কমিটি ঠিকমতো না তৈরি করে__কাজকর্ম করতে থাকলে সরকারের নানারকম আইন লঙ্ঘনের আওতায় পড়ে যাবে। আমাদের এই আশ্রমের পরিধি যখন ছোটো ছিল, তখন একভাবে চলেছিল, এখন আশ্রমের পরিধি বাড়ছে__ সুতরাং আশ্রমের স্বার্থে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, দেশের আইনের সঙ্গেও তাল মিলিয়ে চলতে হবে, তবেই তো যে কোনো organization-এর অগ্রগতি অক্ষুণ্ণ থাকবে ।।
গুরুমহারাজ :– হ্যাঁ, ভারত সরকারের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। তুমি ছোটো বা বড় যে কোনো সেবামূলক organisation করতে হোলে তোমাকে সেইসব criteria fulfill করতে হবে। কোনো সাধুসন্ত যদি বলে, ‘জঙ্গলে বা গিরিগুহায় সাধন-ভজন বা তপস্যা-সাধনা করবো’__ তাহলে কোনো অসুবিধা নাই, কিন্তু যখনই কেউ সমাজের মানুষের জন্য কোনো সেবামূলক প্রতিষ্ঠান করতে চাইবে, তখন তো সেটা সমাজে করতে হবে ! আর সব সমাজেই সামাজিক কিছু আইন-কানুন থাকে –আর সমাজ-সদস্য হিসাবে তোমাকে তা পালন করতেই হবে।
এখানেও এই ধরনের দুটো committee হয়েছে। একটা trusty আর একটা executive committee ! সেখানে president, secretary এবং members-রা রয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দ বেলুড় মঠ প্রতিষ্ঠার সময় যে পদ্ধতিতে ‘কমিটি’ করেছিলেন, ঠিক একই পদ্ধতিতে এখানেও ‘কমিটি’ করা হয়েছে অর্থাৎ কিছু সাধু-সন্ন্যাসী এবং কিছু গৃহী নিয়েই হয়েছে এই ‘কমিটি’৷ প্রেসিডেন্ট করা হয়েছে ন’কাকা – শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে, সেক্রেটারি মুরারী – স্বামী নিষ্কামানন্দ-কে। কমিটিতে গৃহীর মধ্যে রয়েছে নবু মাস্টার (রঞ্জিত দাস), দেবীপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (ন’কাকার বড় দাদা), স্বপন খুড়ো (বনগ্রামের স্বপন গোস্বামী)। আর সন্ন্যাসীদের মধ্যে মদন মহারাজ (স্বামী চিৎবিলাসানন্দ), দীপ্তি (স্বামী ভূমানন্দ) ইত্যাদিরা রয়েছে, পরে প্রলয় (চিন্ময়ানন্দ)-কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এখন আশ্রমের বিভিন্ন স্থানে পরমানন্দ মিশনের শাখা তৈরি হোচ্ছে – সেখানেও এই একই নিয়ম থাকবে। সেখানে যখন কোনো জায়গা-জমি কেনা হোচ্ছে – তখন “সেক্রেটারি পরমানন্দ মিশন”- নামেই রেজিস্ট্রি করার কথা বলা হোচ্ছে। কিন্তু যেসব শাখা আশ্রমে বেশি জায়গা-জমি কেনার প্রয়োজন হবে, বড় project হবে__সেখানে স্থানীয়রাই নিজেরা কমিটি করে সিদ্ধান্ত নেবে ! তবে কমিটি এইভাবে তৈরি করলে কাজ ভালো হবে । এটা ভারতবর্ষের জন্য আদর্শ form !
কমিটি ঠিকমতো না তৈরি করে__কাজকর্ম করতে থাকলে সরকারের নানারকম আইন লঙ্ঘনের আওতায় পড়ে যাবে। আমাদের এই আশ্রমের পরিধি যখন ছোটো ছিল, তখন একভাবে চলেছিল, এখন আশ্রমের পরিধি বাড়ছে__ সুতরাং আশ্রমের স্বার্থে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, দেশের আইনের সঙ্গেও তাল মিলিয়ে চলতে হবে, তবেই তো যে কোনো organization-এর অগ্রগতি অক্ষুণ্ণ থাকবে ।।
