‘ ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে ’– শ্রীশ্রীগীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং একথা বলেছেন। পুণ্যভূমি ভারতে ত্রিতাপ জ্বালা নিবারণের জন্য ভগবান যুগে যুগে ধর্মসংস্থাপনের জন্য অবতীর্ণ হয়েছেন ও হচ্ছেন। তিনি ভক্তবাঞ্ছাকল্পতরু, ভক্তের মর্যাদা রক্ষা এবং ধর্মের গ্লানি...

“বাঙালীর হিয়া অমিয় মথিয়া নিমাই ধরেছে কায়া”—কবির এই ভাবনাকে আমরা মর্যাদা দিই। নিমাই চরিতকথা আর তাঁর পার্ষদদের কথা যতই আলােচনা হােক, যতই পড়া বা শােনা হােক—বাঙালীর হিয়া বা হৃদয় যেন পূর্ণ হতে চায় না, কেমন যেন অতৃপ্তির ভাবটা থেকেই যায়। আমাদের ঠাকুর পরমানন্দ...

‘শ্রীগৌরাঙ্গের দুটিপদ যার ধনসম্পদ,সে জানে ভক্তি রস-সার।শ্রীগৌরাঙ্গের মধুর লীলা যার কর্ণে প্রবেশিলাহৃদয় নির্মল ভেল তার।’–শ্রীগৌরাঙ্গরসে যাঁরা নিজেকে সিক্ত করতে পেরেছেন, তাঁরাই গৌরাঙ্গের মাধুর্য আস্বাদন করেছেন, গৌরলীলার অমৃতকথা, গৌরাঙ্গের দেওয়া মহানাম তাঁদেরই...

“ঈশ্বর পরমঃ কৃষ্ণঃ সচ্চিদানন্দবিগ্রহঃ।অনাদিরাদির্গোবিন্দঃ সর্বকারণকারণম্।”–ব্রহ্মসংহিতা (৫/১)–সচ্চিদানন্দ শ্রীকৃষ্ণই পরমেশ্বর। তিনি সকলের আদি। কিন্তু তাঁর আদি কেউ নেই, তিনি গােবিন্দ এবং সর্ব কারণেরও তিনি কারণ। এই সচ্চিদানন্দ শ্রীকৃষ্ণেরই লীলারূপ ভগবান...

বন্দে গুরুনীশভক্তানীশমীশাবতারকান্‌।তৎপ্রকাশাংশ্চ তচ্ছক্তীঃ কৃষ্ণচৈতন্যসংজ্ঞকম্ ।৷—শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত (আঃ-৩৪)চরিতামৃতকার কৃষ্ণদাস গুরুকে, ভগবানের ভক্তকে, তাঁর অবতারদের, তাঁর প্রকাশ নিত্যানন্দকে, তাঁর শক্তি গদাধরাদিকে এবং স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যরূপ ভগবানকে বন্দনা করে...