কথা প্রসঙ্গে – দ্বিতীয় খন্ড

কথা প্রসঙ্গে – দ্বিতীয় খন্ড

জিজ্ঞাসু –মহারাজ, একটা কথা আমার মনে হচ্ছে—হঠযোগীরা যখন এতকিছু পারেন তখন তাঁরা মানুষের মাথা কেটে তার মস্তিষ্কের উন্নতি ঘটিয়ে আবার জুড়ে দিতেও পারেন ? এইভাবে ঝাঁকে ঝাঁকে উন্নত মানব সৃষ্টি করেন না কেন তাঁরা ? গুরুমহারাজ—প্রথমকথা খণ্ডযোগ যিনি জানেন তিনি তাঁর নিজের...
কথা প্রসঙ্গে – দ্বিতীয় খন্ড

কথা প্রসঙ্গে – দ্বিতীয় খন্ড

জিজ্ঞাসু—পূর্বজন্মের পুণ্যকর্মের ফলে না প্রারব্ধবশত সদগুরু লাভ হয় ? গুরুমহারাজ— প্রারব্ধবশত বংশ পরম্পরার গুরুলাভ বা অন্য কোনভাবে দীক্ষা হতে পারে কিন্তু সদগুরুলাভ হয় না। মুমুক্ষুত্বম্ অর্থাৎ ব্যাকুলতাই সদগুরুলাভের উপায়। প্রয়োজনের তাগিদ অনুভব হলেই মানুষ প্রাপ্য...
কথা প্রসঙ্গে – দ্বিতীয় খন্ড

কথা প্রসঙ্গে – দ্বিতীয় খন্ড

জিজ্ঞাসু— মন কিসে বশে আসে ? গুরুমহারাজ —‘অভ্যাসেন তু কৌন্তেয় বৈরাগ্যেণ চ গৃহাতে’ —গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে একথা বললেন। অভ্যাসযোগেই মন বশীভূত হয়। অভ্যাসের দ্বারা কিনা হয় আর মন বশে আসবে না ? কুম্ভমেলায় একজন সাধু আসতো সে শরীরের যে কোন অঙ্গকে নাচাতে পারতো...
কথা প্রসঙ্গে – দ্বিতীয় খন্ড

কথা প্রসঙ্গে – দ্বিতীয় খন্ড

জিজ্ঞাসু—বৈষ্ণবদের ‘জীবে দয়া’ বলে যে আচার আছে এটা তো ভালো ? গুরুমহারাজ—‘জীবে দয়া ?’ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বললেন, ‘জীবে সেবা জীবে দয়া নয়—তুই কীটাণুকীট, জীবে দয়া করার কে ?’ যাইহোক জীবসেবাই না হয় হোল কিন্তু তাই বা হয় কোথায়—সব “জিভসেবা” হয়। আমি...
কথা প্রসঙ্গে – দ্বিতীয় খন্ড

কথা প্রসঙ্গে – দ্বিতীয় খন্ড

জিজ্ঞাসু—আমার মামা একজন ধনী কিন্তু সুদখোর। উনি আবার খুব ধর্ম-কর্ম এবং পুজো-আচ্ছাও করেন। আমি ওনাকে সুদ নেওয়াটা যে খারাপ, তা বলার চেষ্টা করছিলাম তা উনি বললেন, ‘বাবা, আমি তোর থেকে শাস্ত্র বেশী পড়েছি, তাতে লেখা আছে, আগে ঐশ্বর্য পরে মাধুর্য’। তাই উনি ঐশ্বর্য...
কথা প্রসঙ্গে – দ্বিতীয় খন্ড

কথা প্রসঙ্গে – দ্বিতীয় খন্ড

জিজ্ঞাসু—কিন্তু মহারাজ, বীভৎসতাও তো মা জগদম্বারই একটা রূপ—এটা আপনার ভাল লাগে না কেন ? গুরুমহারাজ—হ্যাঁ, বীভৎসতাও মায়ের একটা রূপ, তা আমি জানি। ধর তোমার মায়েরও তো নানান রূপ আছে। কোন না কোন সময় তিনি রাগান্বিতা হয়ে কোন ছেলেমেয়েকে মারধর করেন অথবা কোমর বেঁধে কারও...