[ভূমিকা]১৩৮৫(ইং-১৯৭৮) সালের ১৪ ই বৈশাখ-শুক্রবার, বৈকাল ৫ টা ৩০ মিনিটে আমাদের এই ভাঙ্গাঘরে চাঁদের আলাের মতাে আবির্ভূত হলেন এক মহামানব। এই মহামানবের সঠিক পরিচয় কি তা হয়তাে প্রকাশ হতে দেরী ছিল কিন্তু আমার তখন মনে হয়েছিল যে, তিনি ভক্তের কাছে প্রকাশমান হবেন বলেই অবতীর্ণ...

গুরুমহারাজ১৩৮৫ (১৯৭৮) সালের ১৯ শে বৈশাখ বুধবার সকালে উঠে সকলকে সুপ্রভাত জানালেন। তারপর শৌচ ও স্নান সেরে এবং একটু চা পান করার পর ঈশ্বরীয় প্রসঙ্গ শুরু করে দিলেন। ঐ দিন উনি হুঁকাতে তামাক খাবার ইচ্ছা প্রকাশ করায় মিহির (স্বামী প্রজ্ঞানন্দ) বাড়ীতে থাকা পুরােনাে হুঁকাগুলি...

১৯শে বৈশাখ (১৩৮৫ সাল ), বিকালে কিছু জলযােগ গ্রহণ করার পর স্বামী শংকরা নন্দ মহারাজ এখানে (বনগ্রামে) এসে যে খুবই সন্তষ্ট হয়েছেন তা প্রকাশ করলেন। সন্ধ্যা আগতপ্রায় দেখে সকলে ৺মাতা করুণাময়ীর মন্দিরে এসে উপস্থিত হলেন এবং শুরু হল নিত্য-নৈমিত্তিক প্রার্থনাসংগীত—‘জয় জয়...

মাতরিশ্রীর আশীর্বাদ প্রাপ্তির পর দেবেন্দ্রনাথের সঙ্গে রবীন শৈলশিখরে সিদ্ধপীঠ কনকদুর্গা-মায়ের দর্শনের জন্য গিয়েছিলেন । পরে ওনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল—কনকদুর্গামূর্তির বৈশিষ্ট্য কি ? উত্তরে উনি বলেছিলেন, “মহামায়ার অনন্ত ইচ্ছা – মহাপ্রকৃতির কখন যে কি বৈশিষ্ট্য তা...

ভগবানের মুখে ভক্তের লীলা-কাহিনী শুনতে শুনতে মন তন্ময় হয়ে যায়৷ জিজ্ঞাসা করলাম, “ বাবাঠাকুর! নামদেবের জীবনে আর কি কি অলৌকিক ঘটনা ঘটল, যাতে ভক্তসমাজ তাঁর উপর গভীরভাবে শ্রদ্ধাশীল হয়ে উঠল?” ঠাকুর বলতে লাগলেন :– সে এক অপূর্ব লীলা! দাদু বামদেব সহজে ছাড়বার পাত্র...

বাবাঠাকুর (গুরুজী) বলতে লাগলেন :–লীলাবহুল জীবন এই নামদেবের। একদিন একাদশী তিথিতে উপবাসী নামদেবের কাছে এক অতিথি এসে হাজির, এসেই তিনি নামদেবের কাছে কিছু খেতে চাইলেন। অনেক বুঝিয়েও নামদেব তাকে শান্ত করতে পারেন না। অতিথিও নাছোড়বান্দা। তিনি ক্ষিদের কথা বারবার বলছেন। এই...