“হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।হরে রাম হরে রাম, রাম রাম হরে হরে।”–এই মহামন্ত্র সংকীর্তনের মাধ্যমে প্রচারের আদেশ দিলেন মহাপ্রভু নিত্যানন্দকে। মানুষ বলে—“নিতাই নাম এনেছে”, ‘গােলকে গােপনে ছিল, নিতাই এনে বিলাইল’, ‘হরিনাম দিয়ে জগৎ মাতাল আমার একলা...

ঈশ্বর চির প্রকাশমান। তাঁর প্রকাশটা নরলীলায় বেশী বােঝা যায়। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ যেমন বলতেন, দেখাে সূর্যের প্রকাশ সর্বত্রই কিন্তু কাঁচের মধ্যে দিয়েই সেটা বেশী প্রতিফলিত হয়। তাই এই নরলীলাকে অবলম্বন করেই তিনি বেশী প্রকাশিত হন। এই মনুষ্যশরীরে এসেই তিনি ভগবানের জয়গান...

বৈষ্ণবশাস্ত্রে সাধকদের উদ্দেশে কয়েকটি অপরাধের কথা বলা হয়েছে। যেমন সেবা-অপরাধ, বৈষ্ণব-অপরাধ ইত্যাদি। এর মধ্যে বৈষ্ণব-অপরাধ অন্যতম বড় অপরাধ। গুরুজনের সেবা করতে গিয়ে যদি কোন ত্রুটি হয় সেটা সেবা-অপরাধ। নিষ্ঠা সহকারে সেবার দ্বারাই সেবা-অপরাধ দূরীভূত হয়। কিন্তু...

“বন্দে তং শ্রীমদদ্বৈতাচাৰ্য্যমদ্ভুতচেষ্টিতিম্।  যস্য প্রসাদদিজ্ঞােহপি তৎস্বরূপং নিরূপয়েৎ।” –’যাঁহার প্রসাদে অতি অজ্ঞ ব্যক্তিও তাঁহার (শ্রীভগবানের) স্বরূপনিরাপণে সমর্থ হয়, সেই অদ্ভুতলীলাশালী শ্রীমৎ অদ্বৈত আচাৰ্য্যকে আমি বন্দনা করি।’ –এটি লিখেছেন...

‘ ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে ’– শ্রীশ্রীগীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং একথা বলেছেন। পুণ্যভূমি ভারতে ত্রিতাপ জ্বালা নিবারণের জন্য ভগবান যুগে যুগে ধর্মসংস্থাপনের জন্য অবতীর্ণ হয়েছেন ও হচ্ছেন। তিনি ভক্তবাঞ্ছাকল্পতরু, ভক্তের মর্যাদা রক্ষা এবং ধর্মের গ্লানি...

“বাঙালীর হিয়া অমিয় মথিয়া নিমাই ধরেছে কায়া”—কবির এই ভাবনাকে আমরা মর্যাদা দিই। নিমাই চরিতকথা আর তাঁর পার্ষদদের কথা যতই আলােচনা হােক, যতই পড়া বা শােনা হােক—বাঙালীর হিয়া বা হৃদয় যেন পূর্ণ হতে চায় না, কেমন যেন অতৃপ্তির ভাবটা থেকেই যায়। আমাদের ঠাকুর পরমানন্দ...