*স্বামী বাউলানন্দজী*

*স্বামী বাউলানন্দজী*

[সম্বশিব/সম্বম] (সম্বম তীর্থদর্শনে যাবার মনস্থ করেছিলেন কিন্তু পেরেন্টপল্লী আশ্রমে এক মায়ের গাওয়া গান শুনে তাঁর মনে হয়েছিল যে, তীর্থে যাওয় উচিত নয়! এই সংশয় দূর করার জন্য স্বামী বাউলানন্দ সম্বমকে কিছু উপদেশ দিয়েছিলেন। এখানে তার শেষাংশ থেকে প্রবন্ধ শুরু করা...
*পুরোনো সেই বনগ্রামের কথা*

*পুরোনো সেই বনগ্রামের কথা*

শ্রী শ্রী গুরুমহারাজ স্বামী পরমানন্দের মহিমার প্রকাশের অন্যতমটি ছিল ওনার ঐ _”বলে-কয়ে নির্বিকল্প”! আমার ধারণা গুরু মহারাজের আগে এই ঘটনা পৃথিবী গ্রহে আগে কখনো ঘটেনি! সমাধির প্রকারভেদ অনুযায়ী আমরা বিভিন্ন মহাপুরুষের ক্ষেত্রে দেখেছি ভাবসমাধি বা সহজ সমাধি,...
*স্বামী বাউলানন্দজী*

*স্বামী বাউলানন্দজী*

[সম্বশিব/সম্বম] (পূর্ব প্রকাশিতের পর ……স্বামীজীর অনুমতি না নিয়ে আশ্রম থেকে চলে যাবার জন্য সম্বম লঞ্চে উঠতে গিয়ে প্রায় ডুবে মরতে বসেছিলেন। কিন্তু গুরু কৃপায় বেঁচে গিয়েছিলেন।) ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর সম্বমের স্ত্রী উদ্বেগ এবং অপরাধ দৃষ্টিতে তাঁর মুখের দিকে...
*পুরোনো সেই বনগ্রামের কথা*

*পুরোনো সেই বনগ্রামের কথা*

শ্রী শ্রী গুরুমহারাজ স্বামী পরমানন্দের কথা উঠলেই মহাসাধক সাক্ষাৎ শিবকল্পপুরুষ ন’কাকা (শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়) বলতেন – ” সখী সে হরি কেমন বল্ – নাম শুনে যার এত প্রেম জাগে, চোখে আসে এত জল !” হরির অবতার পরমপুরুষ স্বামী পরমানন্দের মহিমার কথা বলতে...
*স্বামী বাউলানন্দজী*

*স্বামী বাউলানন্দজী*

[সম্বশিব/সম্বম] (পুর্ব প্রকাশিতের পর) …. একবার কোনো একটি উৎসবে সম্বম, তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে পেরেন্টাপল্লী আশ্রমে এসেছিলেন। সাধারণত তিনি উৎসবের চারদিন আশ্রমে থাকতেন এবং পঞ্চম দিনে বাড়ি রওনা হোতেন। কিন্তু সে বৎসর দেখা গেল সম্বমের স্ত্রী তৃতীয় দিনে আশ্রম হোতে চলে...