*স্বামী বাউলানন্দজী*

*স্বামী বাউলানন্দজী*

সর্প দংশন উৎসবের সময় শত শত লোক আশ্রম দর্শন করতে আসে কিন্তু কেউ স্থায়ীভাবে সেখানে থাকে না। উৎসব শেষ হলে সকলে আশ্রম ছেড়ে চলে যায়। কয়েকজন মা এবং কয়েকজন পুরুষ প্রায়ই আসে। কিন্তু কয়েকদিন থাকার পর স্বামীজী তাদেরকে বাড়ী পাঠিয়ে দেন। কিছু কিছু ভ্রাম্যমাণ সন্ন্যাসী...
*পুরোনো সেই বনগ্রামের কথা*

*পুরোনো সেই বনগ্রামের কথা*

গুরুমহারাজ স্বামী পরমানন্দ পূর্বজন্ম, পুনঃর্জন্ম, পরজন্ম অর্থাৎ এককথায় বলা যায় “জন্মান্তর বিজ্ঞান” নিয়ে যে সমস্ত কথা বলেছিলেন – তারমধ্যে আমি যেটুকু শুনেছি বা যেটুকু আমার স্মৃতিতে রয়েছে – সেইগুলি আপনাদের সকলের সঙ্গে শেয়ার করে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে ।...
*স্বামী বাউলানন্দজী*

*স্বামী বাউলানন্দজী*

তাঁর (সীতাম্মা) পোলভরম যাওয়ার ২/৩ দিন পর হায়দ্রাবাদ হতে কয়েক জন উচ্চপদস্থ কর্মচারী আশ্রম দর্শন করতে এলেন। জরিপ বিভাগের কমিশনার, জাহাঙ্গির মেটা ছিলেন ঐ কর্মচারী দলের প্রধান। তাঁরা আশ্রমে ২/৩ দিন থেকে কতিপয় বিষয় নিয়ে স্বামীজীর সঙ্গে আলােচনা করলেন। তাঁরা খুব খুশী...
*পুরোনো সেই বনগ্রামের কথা*

*পুরোনো সেই বনগ্রামের কথা*

গুরুমহারাজ স্বামী পরমানন্দ ‘জন্মান্তর বিজ্ঞান’ নিয়ে যে সমস্ত আলোচনা করেছিলেন – এখানে সেই নিয়েই আলোচনা করা হচ্ছিলো । বাঙালী কোন এক সাহিত্যিক আলেকজান্ডারের মুখে কথা বসিয়ে লিখেছিলেন – ” সত্য সেলুকাস ! কি বিচিত্র দেশ এই ভারতবর্ষ !”...
স্বামী বাউলানন্দজী

স্বামী বাউলানন্দজী

নোরি সীতান্মা __________0________0_______ নােরি সীতাম্মা’র নাম ইতিপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি প্রায়ই আশ্রমে আসতেন। আসার সময় আশ্রমের প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী সঙ্গে নিয়ে আসতেন। উল্লেখ করা যেতে পারে, তিনিই প্রথম মহিলা যিনি এখানকার আশ্রমে স্থায়ীভাবে বসবাস...