পূরোনো সেই বনগ্রামের কথা

পূরোনো সেই বনগ্রামের কথা

শ্রী শ্রী গুরু মহারাজ স্বামী পরমানন্দ যখন যেখানেই থাকতেন – সেখানেই তাঁকে কেন্দ্র করে বসে যেতো জিজ্ঞাসা-উত্তরের আসর ! সেইসব জিজ্ঞাসাকারীরা যে কোন বয়সের, যে কোন জাতি-ধর্ম-বর্ণের, যে কোনো মানসিক Level-এর ছিল – ফলে জিজ্ঞাসা হতো ভূগোল, ইতিহাস, বিজ্ঞান, ধর্ম-দর্শন ইত্যাদি...
ন’কাকা প্রসঙ্গে

ন’কাকা প্রসঙ্গে

[প্রতিদিন বিকালে ন’কাকার সাথে ফোনে কথা হওয়ার কথা হচ্ছিলো। সেইসময় কথাপ্রসঙ্গে ন’কাকা অনেক কথা আলোচনা করতেন।] বিকালে যখন আমি ওনাকে ফোন করতাম – তখন উনি হয় আশ্রমে যাচ্ছেন অথবা আশ্রমে পৌঁছে অফিসঘরে চা খাচ্ছেন। ওখানে বিকালের দিকে ওনার সাথে যোগদান করতো...
পূরোনো সেই বনগ্রামের কথা

পূরোনো সেই বনগ্রামের কথা

গুরুমহারাজ স্বামী পরমানন্দ বনগ্রাম পরমানন্দ মিশনে সকাল-বিকাল ওনার ঘরের সামনের দিকে বসে ‘সিটিং’ করতেন (এই সিটিং পরম্পরা এখনও বজায় রয়েছে । এখন যাঁরা আশ্রমের সিনিয়র মহারাজ তাঁরাই সিটিং করেন), ওই সিটিং-এ যেসব আলোচনা হতো – তারই কিছু অংশ এখানে পরিবেশিত হচ্ছে...
পূরোনো সেই বনগ্রামের কথা

পূরোনো সেই বনগ্রামের কথা

গুরু মহারাজ স্বামী পরমানন্দের বলা কথাগুলি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল ৷ আগেরদিন আলোচনা প্রসঙ্গে এসেছিল আরবের এক মহাত্মার কথা – যিনি জ্ঞানের চরমভূমিতে পৌঁছে উপনিষদের চার-টি মহাবাক্যের সন্ধান পেয়েছিলেন । উপনিষদের চার-টি মহাবাক্য হ’ল – “প্রজ্ঞানম্ ব্রহ্ম”,...
ন’কাকা প্রসঙ্গে

ন’কাকা প্রসঙ্গে

[ন’কাকার সাথে একান্ত কথাবার্তায় একদিন যে সমস্ত কথা উঠে এসেছিল _সেই গুলি এখন আলোচনা করা হচ্ছে!] (জিজ্ঞাসার উত্তরে).. ন’কাকা সহজ-সরলভাবে বলতেন – ” বাবা ! মায়ের যা ইচ্ছা তাই তো হবে ! মা – নাই কোনখানে বলো ! মা তো জগৎজুড়ে আঁচল পেতে বসে রয়েছে !...