পুরোনো সেই বনগ্রামের কথা

পুরোনো সেই বনগ্রামের কথা

গুরু মহারাজ স্বামী পরমানন্দ একবার সিটিং-এ বলেছিলেন – ” পৃথিবীতে মানুষের দুটি বিভাগ বা দুটি জাত (জাতি) আছে ‘নারী ও পুরুষ’ এবং সেটি ঈশ্বরসৃষ্ট। বাকি যে সমস্ত বিভাগ রয়েছে বর্ণভেদ অর্থাৎ সাদা-কালো , জাতিভেদ অর্থাৎ উঁচু জাতি-নিচু জাতি , ধর্মীয়...
গল্প কথা প্রসঙ্গে – ৩৩ শেষাংশ  ( গুরু শিষ্য – ৩ )

গল্প কথা প্রসঙ্গে – ৩৩ শেষাংশ ( গুরু শিষ্য – ৩ )

(এর আগের সংখ্যায় আলোচনা করা হয়েছিল যে গুরু মৎসেন্দ্রনাথ/মীননাথ বালক গোরোখ্ কে যোগদীক্ষা দিয়েছিলেন। দ্বাদশ বর্ষ কঠিন সাধনায় গোরক্ষনাথ সিদ্ধ হলেন। এদিকে গুরু মীননাথ ততদিনে বিয়ে-থা করে সংসারী হয়ে গেছেন। এবার শিষ্য এসেছে গুরুকে উদ্ধার করতে…..) ……....
পুরোনো সেই বনগ্রামের কথা

পুরোনো সেই বনগ্রামের কথা

গুরু মহারাজ স্বামী পরমানন্দ বনগ্রাম পরমানন্দ মিশনের সূচনা করেছিলেন ১৯৭৮ সালের অক্টোবর মাসে । আর ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের ইহলীলা সংবরণ করেন ১৮৮৬ সালের আগষ্ট মাসে ৷ তার মানে কিছু কম ১০০ বছর বা প্রায় ১০০ বছরের মধ্যে-ই স্বামী পরমানন্দের লীলা শুরু হয়েছিল ৷ উনি প্রায়ই বলতেন...
গল্প কথা প্রসঙ্গে – ৩৩ প্রথমাংশ ( গুরু শিষ্য – ৩ )

গল্প কথা প্রসঙ্গে – ৩৩ প্রথমাংশ ( গুরু শিষ্য – ৩ )

উত্তর ভারতে এক শিব পরম্পরার যোগী ছিলেন যার নাম ছিল মীননাথ বা মৎসেন্দ্রনাথ । মৎসেন্দ্রনাথ ‘নাথ’_সম্প্রদায়ের যোগী ছিলেন। কিন্তু একবার এক কিশোরকে দীক্ষা দেবার পর ওনার জীবনে এক চমকপ্রদ পরিবর্ত্তন ঘটল! ঐ কিশোর ‘গোরোখ’- ছিলেন সাক্ষাৎ শিবের অবতার!...
পুরোনো সেই বনগ্রামের কথা

পুরোনো সেই বনগ্রামের কথা

ভগবান স্বামী পরমানন্দ বনগ্রাম আশ্রমে একেবারে গোড়ার দিকে (১৯৮৩/৮৪) এক মাষ্টার মশাইয়ের জিজ্ঞাসার উত্তর দিচ্ছিলেন । সেই মাষ্টারমশাই-এর দৃঢ়মূল ধারণা হয়ে গিয়েছিল যে , গুরু মহারাজ স্বামী পরমানন্দই পূর্বশরীরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ছিলেন ! তাই তিনি জিজ্ঞাসা করে বসলেন...