বাবাঠাকুর (গুরুজী) বলতে লাগলেন :–লীলাবহুল জীবন এই নামদেবের। একদিন একাদশী তিথিতে উপবাসী নামদেবের কাছে এক অতিথি এসে হাজির, এসেই তিনি নামদেবের কাছে কিছু খেতে চাইলেন। অনেক বুঝিয়েও নামদেব তাকে শান্ত করতে পারেন না। অতিথিও নাছোড়বান্দা। তিনি ক্ষিদের কথা বারবার বলছেন। এই...

বৈষ্ণব বাবার কথা বলতে বলতে গুরুজী বৈষ্ণবতত্ত্বের গভীরে প্রবেশ করতে লাগলেন। বৈষ্ণববাবা ছিলেন প্রকৃতই তত্ত্বজ্ঞানী, ফলে পরম ছলনাময় গুরুজীর স্বেচ্ছাপ্রসূত জিজ্ঞাসাসমূহের যথার্থ মীমাংসা করতে করতে তিনিও তত্ত্বের গভীরে ঢুকতে লাগলেন।বৈষ্ণববাবা বলতে লাগলেন– দেখুন ভগবান...

” বাঙালীর হিয়া অমিয় মথিয়া নিমাই ধরেছে কায়া।” মহাপ্রভু নবদ্বীপ লীলায় সুরধুনীর তীরে তীরে, তাঁর তরঙ্গের সুরে সুরে — উদাত্তকণ্ঠে মধুর নাম গান করতে করতে দীর্ঘপথ পরিক্রমা করতেন উন্মাদের মতো। পরে যখন প্রভুর চিত্ত শান্ত হতো তখন তিনি দেখতেন সেই মনােমােহন...

পরমানন্দ কথা-সুধা কি একমুখে বলা যায়। তবু তাে সেই সুধার কিছুটা ভক্তজনকে পান করানাে যায় — সেই আনন্দেই আবার তাঁর কথার অবতারণা করতে বসা। গুরুমহারাজ বনগ্রামে থাকলে তখন প্রায় প্রতিদিনই সন্ধ্যার সময় বাড়িতে আসতেন। কখনাে কখনাে বিভিন্ন ভক্ত-সঙ্গে, কখনও বা একাই চলে...

ভগবৎ-লীলা যত প্রচার হতে লাগল লােকজন ততই বাবাঠাকুর পরমানন্দের কাছে ভিড় জমাতে থাকল। নানান সম্প্রদায়ের মানুষ, শাক্ত, শৈব, বৈষ্ণব ইত্যাদি তাে বটেই মুসলমান বা খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মপ্রাণ মানুষেরাও বাবাঠাকুরের কাছে নানান জিজ্ঞাসা, নানান সমস্যা নিয়ে আসতে লাগল। আর...